সোমবার, ৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
সোমবার, ৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

শিয়া-সুন্নি দ্বন্দ্ব ও ভূ-রাজনীতি: আমাদের আবেগ ও বাস্তবতার টানাপোড়েন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫৮ অপরাহ্ণ
শিয়া-সুন্নি দ্বন্দ্ব ও ভূ-রাজনীতি: আমাদের আবেগ ও বাস্তবতার টানাপোড়েন

শেখ সিদ্দিকুর রহমান
ইসলামী বিশ্বের মানচিত্রে শিয়া-সুন্নি মতভেদ কোনো নতুন বিষয় নয়। কয়েক শতাব্দী ধরে এই দুই ধারার মধ্যে তাত্ত্বিক ও আদর্শিক লড়াই চলছে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতি এবং বিশেষ করে ইরান বনাম ইসরায়েল-আমেরিকা দ্বন্দ্ব বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মানুষের মধ্যে এক অদ্ভুত মানসিক ও আদর্শিক বৈপরীত্য তৈরি করেছে। যে শিয়া মতবাদকে কট্টর সুন্নি আলেমগণ অনেক সময় ‘কাফের’ বা ‘ইসলামের গন্ডি বহির্ভূত’ বলে ফতোয়া দেন, সেই ইরানের পক্ষে আজ রাজপথে স্লোগান উঠছে। এই ধর্মীয় অনুভূতি ও রাজনৈতিক অবস্থানের ব্যবচ্ছেদ করা এখন সময়ের দাবি।
আদর্শিক দেয়াল ও শিয়া-সুন্নি বিতর্ক : বাংলাদেশের মুসলিম সমাজের সিংহভাগ সুন্নি মতাদর্শের অনুসারী। কওমি ও সালাফি ঘরানার আলেমদের বড় একটি অংশ শিয়াদের আকিদাগত বিশ্বাসের কারণে তাদের ইসলামের মূল ধারা থেকে বিচ্যুত মনে করেন। বিশেষ করে সাহাবায়ে কেরামদের প্রতি শিয়াদের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে সুন্নিদের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিদ্যমান। অনেক ক্ষেত্রে ধর্মীয় জলসাগুলোতে শিয়াদের ‘অমুসলিম’ হিসেবে অভিহিত করার নজিরও কম নয়। যদি আদর্শই শেষ কথা হয়, তবে একজন সুন্নি মুসলমানের কাছে শিয়া প্রধান ইরান কখনোই ভ্রাতৃত্বের প্রতীক হওয়ার কথা ছিল না। কিন্তু অদ্ভুতভাবে যখন বৈশ্বিক রাজনীতির প্রসঙ্গ আসে, তখন এই ‘কাফের’ ফতোয়া যেন আলমারিতে বন্দি হয়ে যায়।
ইসরায়েল ভীতি বনাম ইরান প্রীতি: ইরানের প্রতি এই আকস্মিক সহমর্মিতার মূলে শিয়াদের প্রতি ভালোবাসা কাজ করছে না; বরং কাজ করছে ইসরায়েল ও আমেরিকার প্রতি চরম ঘৃণা। বাংলাদেশের সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষের কাছে ফিলিস্তিন ইস্যুটি অত্যন্ত সংবেদনশীল। দীর্ঘকাল ধরে আরবরা যখন ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো প্রতিরোধ গড়তে ব্যর্থ হয়েছে, তখন ইরানের সরব উপস্থিতি তাদের মনে আশার আলো জাগিয়েছে। এখানে ‘শত্রুর শত্রু আমার বন্ধু’ নীতিটি প্রকট। সুন্নিরা দেখছে, কথিত ‘কাফের’ ইরানই আজ গাজা ও ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়িয়েছে, অথচ অনেক সুন্নি আরব রাষ্ট্র নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে। এই দৃশ্যপটই বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে ইরানের প্রতি একটি কৃত্রিম কিন্তু শক্তিশালী ধর্মীয় আবেগ তৈরি করেছে।
আরব বিশ্বের অনীহা ও রাজনৈতিক মেরুকরণ: আমরা অনেকেই লক্ষ্য করি না যে, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব বা বাহরাইনের মতো সুন্নি রাষ্ট্রগুলো ইরানকে চরম সন্দেহের চোখে দেখে। এর কারণ কেবল ধর্মীয় নয়, বরং ভূ-রাজনৈতিক। ইরান তার ‘বিপ্লব’ রপ্তানি করতে চায় এবং মধ্যপ্রাচ্যে শিয়া আধিপত্য বিস্তার করতে চায়-এমন একটি ভয় আরব রাজতন্ত্রগুলোর মধ্যে প্রবল। বিশেষ করে হুতি বিদ্রোহী, হিজবুল্লাহ এবং ইরাকের মিলিশিয়াদের মাধ্যমে ইরান যেভাবে প্রভাব বাড়াচ্ছে, তাতে সংযুক্ত আরব আমিরাত বা সৌদি আরব নিজেদের অস্তিত্বের সংকট দেখছে। ফলে তারা অনেক সময় ইরানের চেয়ে ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক রক্ষা করাকেই নিরাপদ মনে করছে। অথচ বাংলাদেশে বসে আমরা কেবল ধর্মীয় চশমা দিয়ে বিচার করছি, যেখানে আরবরা বিচার করছে জাতীয় নিরাপত্তা ও ক্ষমতার ভারসাম্য দিয়ে।
জাতীয় স্বার্থ ও আমাদের হুরমুজ সংকট: সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো, আমাদের এই আবেগ অনেক সময় জাতীয় স্বার্থকেও ছাপিয়ে যায়। হুরমুজ প্রণালী দিয়ে আমাদের পণ্যবাহী জাহাজ চলাচলে যখন ইরান বাধা দেয় বা অনুমতি দিতে অস্বীকৃতি জানায়, তখন বাংলাদেশে তেমন কোনো প্রতিবাদ দেখা যায় না। একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে প্রশ্ন জাগে-আমাদের কাছে দেশের মর্যাদা বড়, না কি একটি নির্দিষ্ট দেশের ধর্মীয় পরিচিতি বড়? হুরমুজ প্রণালীতে বাংলাদেশি জাহাজের হয়রানি আমাদের অর্থনীতি ও সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ। কিন্তু ইরানের প্রতি অন্ধ আবেগের কারণে এই বিষয়গুলো জনসমক্ষে আলোচনাতেই আসে না।
ধর্মীয় অনুভূতি অবশ্যই ব্যক্তিগত ও পবিত্র। কিন্তু সেই অনুভূতি যখন ভূ-রাজনীতির জটিল সমীকরণে ব্যবহৃত হয়, তখন সেখানে স্বচ্ছতা থাকা প্রয়োজন। শিয়ারা যদি সুন্নিদের দৃষ্টিতে কাফেরই হয়, তবে তাদের কর্মকান্ডকে কেন ‘ইসলামী বিজয়’ হিসেবে দেখা হবে? আবার যদি তারা ভাই হয়, তবে আরব রাষ্ট্রগুলোর সাথে তাদের কেন এই রক্তক্ষয়ী বিরোধ? বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মানুষকে বুঝতে হবে যে, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক কেবল ফতোয়া দিয়ে চলে না। এখানে প্রতিটি দেশ নিজের স্বার্থ দেখে। আমাদের আবেগ যেন এমন না হয় যা দেশের স্বার্থকে ছোট করে আর বিদেশের সংকীর্ণ স্বার্থকে মহান করে তোলে। আবেগ ও বিবেকের সঠিক সমন্বয়ই কেবল আমাদের এই দ্বিচারিতা থেকে মুক্তি দিতে পারে। লেখক: গবেষক ও কলামিস্ট

Ads small one

গাবুরা-বুড়িগোয়ালিনী সংযোগ খেয়াঘাট ভাঙনের মুখে, উদ্বিগ্ন স্থানীয়রা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ৭:১৮ অপরাহ্ণ
গাবুরা-বুড়িগোয়ালিনী সংযোগ খেয়াঘাট ভাঙনের মুখে, উদ্বিগ্ন স্থানীয়রা

এম এ হালিম, উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর): সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ও বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ মাধ্যম ডুমুরিয়া খেয়াঘাট বর্তমানে ভাঙনের কবলে পড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘাটের বিভিন্ন অংশে ভাঙন দেখা দেওয়ায় প্রতিদিন যাতায়াতকারী হাজারো মানুষ চরম উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন। স্থানীয়রা জানান, ২০০৯ সালে বুড়িগোয়ালিনী অংশের খেয়াঘাট নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়।

 

দীর্ঘদিন পার হলেও সেই ঘাটটি এখনো স্থায়ীভাবে পুননির্মাণ করা হয়নি। ফলে দুই ইউনিয়নের মানুষের যাতায়াতে নানা ধরনের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বর্তমানে ডুমুরিয়া ঘাটেও একই ধরনের ভাঙন শুরু হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে নতুন করে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

গাবুরা ইউনিয়ন যুব বিভাগের সভাপতি ইয়াসিন আরাফাত বলেন, “ডুমুরিয়া খেয়াঘাটটি গাবুরা ও বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০০৯ সালে বুড়িগোয়ালিনী পাশের ঘাট ভেঙে যাওয়ার পরও সেটির স্থায়ী সমাধান হয়নি।

এখন ডুমুরিয়া ঘাটটিতে ভাঙন দেখা দিয়েছে। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে দুই পাড়ের মানুষের যাতায়াত মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে।” স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ইয়ুথ প্লান বাংলাদেশ এর বিভাগীয় সমন্বয়কারী ইমাম হোসেন বলেন, “প্রতিদিন শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এই ঘাট ব্যবহার করেন। ভাঙনের কারণে যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত সংস্কার ও টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।”

এলাকাবাসীর দাবি, ঘাটটি দ্রুত সংস্কার ও নদীভাঙন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হলে বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে। তাই জনদুর্ভোগ কমাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

 

 

শ্যামনগরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ৭:১৪ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালিত

মুন্সিগঞ্জ (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: “জলবায়ু পরিবর্তন: আজকের পদক্ষেপ, আগামীর নিরাপত্তা” প্রতিপাদ্য বিশেষ সামনে রেখে নকিপুর সরকারি হরিচরণ পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৮ জুন সকাল ১০ টা থেকে দিনব্যাপী বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রেখে মানুষসহ সকল প্রাণী ও উদ্ভিদের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপিত হয়। এ উপলক্ষে নকিপুর সরকারি হরিচরণ পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে পরিবেশ ও জলবায়ু সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণির প্রায় ২০০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।

 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রধান শিক্ষক গোবিন্দ প্রসাদ দেবনাথ।
বিশেষ অতিথি ও উপস্থিত ব্যক্তিবর্গের মধ্যে ছিলেন সহকারী প্রধান শিক্ষক কামরুজ্জামান, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা এবং সিএরআরএন-বিফোআরএল প্রকল্পের সরোয়ার হোসেন। এছাড়াও বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

 

বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলে শিক্ষার্থীদের পরিবেশ আন্দোলনের সহায়ক হিসেবে ১৩ জন ছাত্রী ও ১২ জন ছাত্রের সমন্বয়ে ২৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি পরিবেশ ক্লাব গঠন করা হয়। শিক্ষার্থীরা দলভিত্তিকভাবে বনজ, ফলজ ও ঔষধি গাছের বৈশিষ্ট্য, উপকারিতা এবং লবণাক্ত মাটিতে এসব গাছের অভিযোজন কৌশল নিয়ে আলোচনা ও উপস্থাপনা করে। বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়। রোপিত গাছ ও বিদ্যালয়ের নার্সারির নিয়মিত পরিচর্যার দায়িত্ব পরিবেশ ক্লাবের সদস্যদের প্রদান করা হয়।

 

 

 

তালায় প্রান্তিক পেশাজীবীদের ১০ দিনব্যাপী সফট স্কিল প্রশিক্ষণ শুরু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ৭:০৮ অপরাহ্ণ
তালায় প্রান্তিক পেশাজীবীদের ১০ দিনব্যাপী সফট স্কিল প্রশিক্ষণ শুরু

তালা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় প্রান্তিক পেশাজীবীদের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে ১০ দিনব্যাপী পেশাভিত্তিক সফট স্কিল প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

সোমবার (৮ জুন) সকালে উপজেলা পরিষদ হলরুমে এ প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করা হয়। উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে ও অর্থায়নে সমাজসেবা অধিদপ্তরের “বাংলাদেশের প্রান্তিক পেশাজীবী জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন (২য় ফেইজ)” প্রকল্পের আওতায় এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে।

সাতক্ষীরা জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক এস এম রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন খুলনা বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক রতন কুমার হালদার।

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আরিফুজ্জামানের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণা এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রাহাত খান।

প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. রোকনুজ্জামান, জয়পুরহাট জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক হারুন উর রশিদ, খুলনা জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের মাসুদুর রহমান, জালালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম. মফিদুল হক লিটু এবং ইসলামকাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক গোলাম ফারুক।

এ সময় বক্তব্য দেন তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. সেলিম হায়দার, সাংবাদিক বি.এম. জুলফিকার রায়হান, কামরুজ্জামান মিঠু, উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সমন্বয়কারী তৌফিক ইমরান, সহকারী অসিত রায় ও ইমদাদুল ইসলামসহ অন্যান্যরা।

প্রশিক্ষণে তালা উপজেলার বিভিন্ন এলাকার প্রান্তিক পেশাজীবীরা অংশগ্রহণ করছেন। দক্ষতা বৃদ্ধি ও জীবনমান উন্নয়নের মাধ্যমে তাদের আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলাই এ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য বলে আয়োজকরা জানান।