বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় গরমে শিশু ডায়রিয়া ছড়িয়ে পড়ছে ব্যাপক হারে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫৮ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় গরমে শিশু ডায়রিয়া ছড়িয়ে পড়ছে ব্যাপক হারে

জেলা সদরের তিন হাসপাতালে ৫০ দিনে ১ হাজার ৭১৮ জন ডায়রিয়া আক্রান্ত শিশু ভর্তি

পত্রদূত রিপোর্ট: প্রচন্ড গরমে উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরাতে শিশু ডায়রিয়া রোগ বেড়েছে ব্যাপক হারে। প্রতিদিন সরকারী বেসরকারী হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে ডায়রিয়ায় রোগে আক্রান্ত শিশুর রোগীর সংখ্যা।

শিশু বিষেশজ্ঞরা বলছেন, তীব্র গরমের কারনে শিশুদের শরীরে পানি সল্পতা দেখা দেয়ায় ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। মায়ের বুকের দুধের পাশাপাশি খাওয়ার স্যালাইন খাওয়ানোর পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎকগন।

এদিকে সাতক্ষীরার সরকারী হাসপাতালগুলোতে শিশু ডায়রিয়া রোগীর পর্যাপ্ত শয্যা ব্যবস্থা না থাকায় চিকিৎসা ব্যাহত হচ্ছে।

গতকাল বুধবার সরেজমিনে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের শিশু ডায়রিয়া ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায়, জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত শিশু রোগী ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে। এরমধ্যে সাতক্ষীরা শহরের মুনজিতপুর এলাকার গৃহবধু ময়না খাতুনের ১১ মাস বয়সের শিশু আররায়হানকে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হলে গতকাল সকালে হাসপাতালে ভর্তি করেন। তবে স্যালাইন ব্যতিত অন্যান্য ওষুধ হাসাপাতালের বাইরে থেকে ক্রয় করতে হয়েছে বলে জানান এই গৃহবধু।

 

এদিন তালা উপজেলার কানাইদিয়া গ্রাম থেকে আসা গৃহবধু পাপিয়া খাতুন তার ১০ মাস বয়সের শিশু পুত্র মোছাব্বির হোসেনকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন ডায়রিয়া ওয়ার্ডে। তিনি বলেন, ডায়রিয়া ওয়ার্ডের পরিবেশ খুবই অস্বাস্থ্যকর। তাছাড়া অধিকাংশ ওষুধ হাসাপাতালের বাইরে থেকে কিনতে হয়েছে। এখানে স্যালাইন ছাড়া আর কিছু পাওয়া যাচ্ছেনা।

সাতক্ষীরা সদর এবং মেডিকেল কলেজ ও বেসরকারী শিশু হাসপাতালের প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী গত ৫০ দিনে এই তিনটি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ডায়রিয়া আক্রান্ত শিশু রোগী ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ৭১৮ জন। এরমধ্যে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১ হাজার জন, সদর হাসপাতালে ৫৭৭জন এবং বেসরকারী শিশু হাসপাতালে ১৪১ জন শিশু ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছে।

এছাড়া এসব হাসাপাতালে প্রতিদিন প্রচুর পরিমান ডায়রিয়া আক্রান্ত শিশু বহির্বিভাগেও চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে বলে জানান চিকিৎসকগন।

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের শিশু বিষেশজ্ঞ ও সহকারী অধ্যাপক ডাক্তার মোঃ সামছুর রহমান জানান, আমাদের দেশে সাধারণত মার্চ-এপ্রিল থেকে গরম শুরু হয়। এসময় শিশুদের শরীরে পানি সল্পতা দেখা দেয়। এতে করে শিশুরা ডায়রিয়া আক্রান্ত ছাড়াও জ্বর এবং বমি করে। এসময় শিশুদের মায়ের দুধের পাশাপাশি খাওয়ার স্যালাইন খাওয়ানোর পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

 

তাছাড়া শিশুরা যেন কোনো ক্রমেই পচাঁ বাসি খাবার খেতে না পারে সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। তিনি আরো বলেন, প্রতিদিন গড়ে ২০ থেকে ২৫ জন ডায়রিয়া আক্রান্ত শিশু রোগী ভর্তি হচ্ছে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। এ হিসাবে ১ মার্চ থেকে ২২ এপ্রিল পর্যন্ত অন্তত ১ হাজারের উপরে ডায়রিয়া আক্রান্ত শিশু রোগী ভতি হয়েছে বলে জানান তিনি।

সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার আব্দুর রহমান বলেন, সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের শিশু ডায়রিয়া ওয়ার্ডে পর্যাপ্ত শয্যা ব্যবস্থা না থাকায় ডায়রিয়া আক্রান্ত শিশু রোগদের চিকিৎসাসেবা দিতে চিকিৎসক ও নার্সদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। দ্রুত শয্যা ব্যবস্থা বাড়ানোর জন্য সাতক্ষীরা সিভিল সার্জনকে অবহিত করা হয়েছে।

Ads small one

ফকিরহাটে ১৬০০ পিস ইয়াবাসহ মাদক বিক্রেতা গ্রপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
ফকিরহাটে ১৬০০ পিস ইয়াবাসহ মাদক বিক্রেতা গ্রপ্তার

ফকিরহাট (বাগেরহাট) প্রতিনিধি : বাগেরহাটের ফকিরহাট মডেল থানা পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে ১৬০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে। এসময় একটি মোবাইল ফোন ও একটি ব্যাগ জ্বদ করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার মাদক কারবারী সাকিবুর হক তামিম (৩৬) খুলনা খালিশপুর এলাকার মৃত এনামুল হকের ছেলে।

পুলিশ জানায়, বুধবার (২৪ জুন) ভোররাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার আট্টাকী মহাসড়ক এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে মাদক কারবারী সাকিবুল হক তামিমকে গ্রেপ্তার করে। এসময় তার ব্যাগে থাকা ১৬০০ পিস ইয়াবা, একটি মোবাইল ফোন ও একটি ব্যাগ জব্দ করে পুলিশ।

এ ব্যাপারে  ফকিরহাট মডেল থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মানিক রাজবংশী বাদি হয়ে গ্রেপ্তার মাদক কারবারি বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করেন।

ফকিরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্ত্ া(ওসি) শেখ সাইফুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তার কৃত আসামী বুধবার ভোর রাতের দিকে মাদক বিক্রির জন্য আট্টাকী মহাসড়কের পাশে দাঁড়িয়ে ছিল। পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে ১৬০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করে। এ ব্যাপারে থানায় একটি মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতকে বাগেরহাট বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

অর্ধ-বার্ষিক ও প্রাক-নির্বাচনি পরীক্ষার তারিখ পেছাল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ১২:৪৪ পূর্বাহ্ণ
অর্ধ-বার্ষিক ও প্রাক-নির্বাচনি পরীক্ষার তারিখ পেছাল

নিজস্ব প্রতিনিধি: মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের অর্ধ-বার্ষিক ও প্রাক-নির্বাচনি পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তন করা হয়েছে। অনিবার্য কারণবশত পূর্বনির্ধারিত তারিখ পরিবর্তন করে নতুন এই সময়সূচি ঘোষণা করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) মাউশির মাধ্যমিক শাখার পরিচালক অধ্যাপক মো. সাখাওয়াত হোসেন খান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গত ২০ মে’র প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী এই পরীক্ষা আগামী ২৮ জুন ২০২৬ (রবিবার) থেকে শুরু হয়ে ১৩ জুলাই ২০২৬ (সোমবার) পর্যন্ত চলার কথা ছিল। তবে অনিবার্য কারণবশত তা পরিবর্তন করা হয়েছে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১ জুলাই ২০২৬ (বুধবার) থেকে এই পরীক্ষা শুরু হবে। আর পরীক্ষা শেষ হবে ১৬ জুলাই ২০২৬ (বৃহস্পতিবার)।

দেশের সকল সরকারি ও বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক, মাধ্যমিক এবং স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষকদের এই নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর।

 

 

 

 

 

নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছাত্র জাহিদ, খোঁজ নিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ১২:৪০ পূর্বাহ্ণ
নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছাত্র জাহিদ, খোঁজ নিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: খুলনা নর্থ ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মো. নাঈমুর রহমান (জাহিদ) বিরল ও জটিল স্নায়ুরোগ ‘জিবিএস’ (গিলিয়ান-বার সিন্ড্রোম)-এ আক্রান্ত হয়ে ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বর্তমানে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) তাঁর চিকিৎসা চলছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা থানার হরিশপুর গ্রামের সোহরাব সরদারের একমাত্র ছেলে নাঈমুর রহমান গত ১৯ জুন আকস্মিক এই রোগে আক্রান্ত হন। প্রথমে তাঁকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় খুলনা গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরে নিউরোমেডিসিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এম এ আউয়ালের পরামর্শে উন্নত চিকিৎসার জন্য জাহিদকে দ্রুত ঢাকা নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে এনে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়।

মেধাবী এই শিক্ষার্থীর আকস্মিক গুরুতর অসুস্থতার খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে সহপাঠী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়। জাহিদের অসুস্থতার খবর পেয়ে দুপুরে সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী নিজে হাসপাতালে যান। তিনি চিকিৎসাধীন জাহিদের শয্যাপাশে কিছু সময় কাটান এবং তাঁর চিকিৎসার খোঁজখবর নেন। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীর সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে হাসপাতালের চিকিৎসকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন তিনি।