মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩

এক লাল কার্ডে বদলে গেলো আর্জেন্টিনা-সুইজারল্যান্ড ম্যাচের গতিপথ, কী ঘটেছিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬, ১০:৫৬ পূর্বাহ্ণ
এক লাল কার্ডে বদলে গেলো আর্জেন্টিনা-সুইজারল্যান্ড ম্যাচের গতিপথ, কী ঘটেছিল

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচে ভিএআরের এক বিরল সিদ্ধান্তে লাল কার্ড দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন সুইজারল্যান্ডের ফরোয়ার্ড ব্রিল এমবোলো। মূলত এই সিদ্ধান্তেই বদলে গেছে ম্যাচের গতিপথ।

ম্যাচের ৭২তম মিনিটে ১-১ সমতায় থাকা অবস্থায় ঘটনাটি ঘটে। এমবোলো বল নিয়ে আর্জেন্টিনার বাইলাইনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় পারেদেস তাকে চ্যালেঞ্জ করেন। প্রথমে পর্তুগিজ রেফারি জোয়াও পিনহেইরো মনে করেন, পারেদেস ফাউল করেছেন এবং তাকে হলুদ কার্ড দেখান।

কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে ভিএআর কর্মকর্তা গিয়ের্মো পাচেকো রেফারিকে জানান, পারেদেসকে নয়, বরং এমবোলোকে ‘সিমুলেশন’ (ডাইভ দেওয়ার চেষ্টা) করার জন্য হলুদ কার্ড দেওয়া উচিত ছিল। রিপ্লে দেখে ম্যাচ কর্মকর্তারা সিদ্ধান্তে পৌঁছান, ফাউল হওয়ার মতো কোনো সংস্পর্শই হয়নি। বরং ফাউল আদায়ের উদ্দেশ্যে এমবোলো ‘সিমুলেশন’ বা ডাইভ দিয়েছেন।

এরপর ‘মিস্টেকেন আইডেন্টিটি’ বা ভুল খেলোয়াড়কে শাস্তি দেওয়ার বিধান প্রয়োগ করে রেফারি পারেদেসের কার্ড বাতিল করেন এবং এমবোলোকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখান। দ্বিতীয় হলুদ হওয়ায় লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় সুইস এই ফরোয়ার্ডকে।

ফিফার ভিএআর প্রটোকল অনুযায়ী, এমন ক্ষেত্রে ভুল খেলোয়াড়কে দেখানো হলুদ কার্ড বাতিল করতে হয় এবং যে খেলোয়াড় সিমুলেশন করেছেন, তাকে হলুদ কার্ড দেখাতে হয়। ফলে পারেদেসের হলুদ কার্ড প্রত্যাহার করা হয় এবং এম্বোলোকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখানো হয়। যেহেতু ম্যাচের শুরুতেই তিনি একটি হলুদ কার্ড দেখেছিলেন, তাই দ্বিতীয় হলুদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে লাল কার্ডে পরিণত হয়।

লাল কার্ড দেখার পর এমবোলো আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি। দুই হাতে মুখ ঢেকে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। পরে সতীর্থ ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে মাঠ ছেড়ে টানেলে চলে যান।

ম্যাচের শুরুতে ১০ মিনিটে আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের গোলে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। দ্বিতীয়ার্ধে একের পর এক আক্রমণে যায় সুইজারল্যান্ড। ৬৭ মিনিটে দান এনদয়ের গোলে সমতাও ফেরে। তবে ৫ মিনিট পর এমবোলোর লাল কার্ড ম্যাচে সুইজারল্যান্ডের গতি কমিয়ে দেয়।

 

ঘটনার পর ধারাভাষ্যকার ক্রিস ওয়াইজ বলেন, ‘ঘটনার এই মোড়ে এসে এমবোলো যে কতটা বিধ্বস্ত, তা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে।’

সাবেক মার্কিন গোলরক্ষক ব্র্যাড ফ্রিডেল বলেন, ‘এটি সত্যিই অবিশ্বাস্য একটি ঘটনা। শুধু সুইজারল্যান্ড নয়, এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে এমন সিদ্ধান্তে অনেকেই অসন্তুষ্ট হবেন। এমবোলোর জন্য আমার খুব খারাপ লাগছে। এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সুইস খেলোয়াড়রা যেন মাথা ঠান্ডা রাখে।’

তবে সাবেক ফুটবলার ব্র্যাডলি রাইট-ফিলিপসের মত ভিন্ন। তিনি বলেন, ‘এমবোলোর জন্য নয়, তার সতীর্থদের জন্য আমার খারাপ লাগছে। সে হয়তো তার দলকে সেমিফাইনালে ওঠার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করেছে।’

Ads small one

বৃষ্টিতে পারখাজুরা-নলতা ঘাট সড়ক ধস, বাইপাস নির্মাণের উদ্যোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ
বৃষ্টিতে পারখাজুরা-নলতা ঘাট সড়ক ধস, বাইপাস নির্মাণের উদ্যোগ

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি: কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে যশোরের মণিরামপুর উপজেলার মশ্বিমনগর ইউনিয়নের পারখাজুরা বাজার থেকে নলতা ঘাট অভিমুখী পাকা সড়কের প্রায় ৩০ ফুট অংশ ধসে পড়েছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের যাতায়াতে চরম দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে।
সড়ক ধসে পড়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন মণিরামপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহির দায়ান আমিন এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) সহকারী প্রকৌশলী এ. এস. এম. খালেকুজ্জামান। এ সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শন শেষে উপস্থিত সবার সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত জনদুর্ভোগ লাঘবে তাৎক্ষণিক ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের রূপরেখা নির্ধারণ করা হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, জনগণের চলাচল স্বাভাবিক রাখতে জরুরি ভিত্তিতে একটি বিকল্প (বাইপাস) সড়ক নির্মাণ করা হবে, যার কাজ মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত মূল সড়কটি দ্রুত সংস্কারের লক্ষ্যে এলজিইডির সহকারী প্রকৌশলী এ. এস. এম. খালেকুজ্জামান ধসে যাওয়া অংশের পরিমাপ সম্পন্ন করেছেন। তিনি দ্রুততম সময়ের মধ্যে সড়কটির মূল সংস্কারকাজ শুরু করার আশ্বাস দেন।
জনদুর্ভোগ নিরসনে প্রশাসন, প্রকৌশল বিভাগ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা সমন্বিতভাবে কাজ করছেন উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এলাকাবাসীকে কোনো ধরনের গুজব বা অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। ধসে যাওয়া সড়কটি দ্রুত সংস্কার করে যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে বলেও জানানো হয়।

নুনগোলায় রাতের আঁধারে পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ লুট

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬, ১২:১২ পূর্বাহ্ণ
নুনগোলায় রাতের আঁধারে পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ লুট

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদরের ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের নুনগোলা গ্রামে রাতের আঁধারে একটি পুকুরে বিষাক্ত ওষুধ দিয়ে সব মাছ ধরে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। লিজ নেওয়া পুকুরে এই বর্বরোচিত চুরির ঘটনায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন স্থানীয় ইউপি সদস্য ও মৎস্য চাষি মো. কুরমান আলী।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নুনগোলা গ্রামের গোপাল সাধুর মালিকানাধীন একটি বড় পুকুর লিজ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মাছ চাষ করে আসছিলেন বর্তমান ইউপি সদস্য মো. কুরমান আলী। প্রতিদিনের মতো রোববার রাতেও পুকুরটি স্বাভাবিক অবস্থায় ছিল। কিন্তু রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা পুকুরের পানিতে বিষাক্ত ওষুধ প্রয়োগ করে। এতে পুকুরের সব মাছ নিমিষেই মারা যায় এবং ভেসে ওঠে। এই সুযোগে দুর্বৃত্তরা অধিকাংশ মাছ ধরে নিয়ে পালিয়ে যায়।
সোমবার ভোরে স্থানীয় এক ব্যক্তি পুকুরপাড় দিয়ে যাওয়ার সময় মাছ ভেসে উঠতে দেখে তাৎক্ষণিকভাবে লিজগ্রহীতা কুরমান আলীকে খবর দেন। খবর পেয়ে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। বিষ প্রয়োগের ফলে পুকুরের ছোট-বড় সব ধরনের মাছ মারা গেছে। এতে তাঁর লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পূর্বশত্রুতার জেরে নাকি কেবলই মাছ চুরির উদ্দেশ্যে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রশাসনের সুনির্দিষ্ট হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ইউপি সদস্য মো. কুরমান আলী। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং সাধারণ মৎস্য চাষিদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

বিডিএফ প্রেসক্লাবের নতুন কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ, বিভিন্ন সংগঠনের শুভেচ্ছা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬, ১২:০৫ পূর্বাহ্ণ
বিডিএফ প্রেসক্লাবের নতুন কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ, বিভিন্ন সংগঠনের শুভেচ্ছা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর, ধুলিহর ও ফিংড়ী (বিডিএফ) প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয়েছে। সোমবার (১৩ জুলাই) সন্ধ্যায় এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নতুন কমিটির সভাপতি জি এম আমিনুল হক ও সাধারণ সম্পাদক মো. আরশাদ আলীর কাছে দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়।
সাবেক সভাপতি মো. শাহাদাৎ হোসেন বাবু, আহ্বায়ক এস এম ইসমাইল হোসেন, সদস্যসচিব মো. মুকুল হোসেন ও সদস্য মো. মেহেদী হাসান শিমুল নতুন কমিটির কাছে এই দায়িত্ব হস্তান্তর করেন। এ সময় বিডিএফ প্রেসক্লাবের সব সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
নতুন কমিটি দায়িত্ব নেওয়ার পর তাদের অভিনন্দন ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানায় ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনগুলো। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এম এ হাসান, সাধারণ সম্পাদক নাসিম বিল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল গালিব, সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি মো. সলেমান মোড়ল, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আবুল কালাম আজাদ এবং ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি আব্দুল আহাদসহ বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা।
এ ছাড়া ফয়জুল্যাপুর ফ্রেন্ডস ক্লাবের পক্ষ থেকেও নতুন কমিটিকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। ক্লাবের সভাপতি মো. মোস্তাকিম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মো. আবু ওবায়দা গাজীর নেতৃত্বে এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন এম এম জাহাঙ্গীর আলম, মো. রাসেল হোসেন রাহী ও এম এ রাসেলসহ সংগঠনের অন্য কর্মকর্তা ও সদস্যরা।