রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

এক লাল কার্ডে বদলে গেলো আর্জেন্টিনা-সুইজারল্যান্ড ম্যাচের গতিপথ, কী ঘটেছিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬, ১০:৫৬ পূর্বাহ্ণ
এক লাল কার্ডে বদলে গেলো আর্জেন্টিনা-সুইজারল্যান্ড ম্যাচের গতিপথ, কী ঘটেছিল

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচে ভিএআরের এক বিরল সিদ্ধান্তে লাল কার্ড দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন সুইজারল্যান্ডের ফরোয়ার্ড ব্রিল এমবোলো। মূলত এই সিদ্ধান্তেই বদলে গেছে ম্যাচের গতিপথ।

ম্যাচের ৭২তম মিনিটে ১-১ সমতায় থাকা অবস্থায় ঘটনাটি ঘটে। এমবোলো বল নিয়ে আর্জেন্টিনার বাইলাইনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় পারেদেস তাকে চ্যালেঞ্জ করেন। প্রথমে পর্তুগিজ রেফারি জোয়াও পিনহেইরো মনে করেন, পারেদেস ফাউল করেছেন এবং তাকে হলুদ কার্ড দেখান।

কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে ভিএআর কর্মকর্তা গিয়ের্মো পাচেকো রেফারিকে জানান, পারেদেসকে নয়, বরং এমবোলোকে ‘সিমুলেশন’ (ডাইভ দেওয়ার চেষ্টা) করার জন্য হলুদ কার্ড দেওয়া উচিত ছিল। রিপ্লে দেখে ম্যাচ কর্মকর্তারা সিদ্ধান্তে পৌঁছান, ফাউল হওয়ার মতো কোনো সংস্পর্শই হয়নি। বরং ফাউল আদায়ের উদ্দেশ্যে এমবোলো ‘সিমুলেশন’ বা ডাইভ দিয়েছেন।

এরপর ‘মিস্টেকেন আইডেন্টিটি’ বা ভুল খেলোয়াড়কে শাস্তি দেওয়ার বিধান প্রয়োগ করে রেফারি পারেদেসের কার্ড বাতিল করেন এবং এমবোলোকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখান। দ্বিতীয় হলুদ হওয়ায় লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় সুইস এই ফরোয়ার্ডকে।

ফিফার ভিএআর প্রটোকল অনুযায়ী, এমন ক্ষেত্রে ভুল খেলোয়াড়কে দেখানো হলুদ কার্ড বাতিল করতে হয় এবং যে খেলোয়াড় সিমুলেশন করেছেন, তাকে হলুদ কার্ড দেখাতে হয়। ফলে পারেদেসের হলুদ কার্ড প্রত্যাহার করা হয় এবং এম্বোলোকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখানো হয়। যেহেতু ম্যাচের শুরুতেই তিনি একটি হলুদ কার্ড দেখেছিলেন, তাই দ্বিতীয় হলুদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে লাল কার্ডে পরিণত হয়।

লাল কার্ড দেখার পর এমবোলো আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি। দুই হাতে মুখ ঢেকে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। পরে সতীর্থ ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে মাঠ ছেড়ে টানেলে চলে যান।

ম্যাচের শুরুতে ১০ মিনিটে আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের গোলে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। দ্বিতীয়ার্ধে একের পর এক আক্রমণে যায় সুইজারল্যান্ড। ৬৭ মিনিটে দান এনদয়ের গোলে সমতাও ফেরে। তবে ৫ মিনিট পর এমবোলোর লাল কার্ড ম্যাচে সুইজারল্যান্ডের গতি কমিয়ে দেয়।

 

ঘটনার পর ধারাভাষ্যকার ক্রিস ওয়াইজ বলেন, ‘ঘটনার এই মোড়ে এসে এমবোলো যে কতটা বিধ্বস্ত, তা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে।’

সাবেক মার্কিন গোলরক্ষক ব্র্যাড ফ্রিডেল বলেন, ‘এটি সত্যিই অবিশ্বাস্য একটি ঘটনা। শুধু সুইজারল্যান্ড নয়, এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে এমন সিদ্ধান্তে অনেকেই অসন্তুষ্ট হবেন। এমবোলোর জন্য আমার খুব খারাপ লাগছে। এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সুইস খেলোয়াড়রা যেন মাথা ঠান্ডা রাখে।’

তবে সাবেক ফুটবলার ব্র্যাডলি রাইট-ফিলিপসের মত ভিন্ন। তিনি বলেন, ‘এমবোলোর জন্য নয়, তার সতীর্থদের জন্য আমার খারাপ লাগছে। সে হয়তো তার দলকে সেমিফাইনালে ওঠার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করেছে।’

Ads small one

সখিপুরের কাজিমহল্লা মাদ্রাসায় ১১ বস্তা চাল দিলেন আলফা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৩৭ অপরাহ্ণ
সখিপুরের কাজিমহল্লা মাদ্রাসায় ১১ বস্তা চাল দিলেন আলফা

Oplus_131072

কে এম রেজাউল করিম, দেবহাটা: সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার সখিপুর ইউনিয়নের কাজিমহল্লা মাদ্রাসার খাদ্য সংকট মোকাবিলায় মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশন। ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা ও দেবহাটা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আল ফেরদৌস আলফার পক্ষ থেকে মাদ্রাসাটিতে ১১ বস্তা চাল প্রদান করা হয়েছে।

শনিবার (৮ আগস্ট) বিকেলে চাল হস্তান্তরকালে উপস্থিত ছিলেন ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি, কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক, উপজেলা সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় পরিচালকবৃন্দ। এ সময় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ মাদ্রাসার সার্বিক কার্যক্রম ও শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজখবর নেন।

ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। শুধু ব্যক্তিগত উদ্যোগ নয়, সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে সমাজের মানুষের মৌলিক প্রয়োজন পূরণে সহযোগিতা করাই সংগঠনটির উদ্দেশ্য।

মাদ্রাসায় খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়ায় সংশ্লিষ্টরা আল ফেরদৌস আলফা ও ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, এ ধরনের সহযোগিতা শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের খাদ্য সংকটই মোকাবিলা করে না, বরং সমাজে মানবিকতা, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।

স্থানীয়রা বলেন, বর্তমান সময়ে বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নানা সংকট মোকাবিলায় সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের এগিয়ে আসা প্রয়োজন। মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানোর এমন উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা আল ফেরদৌস আলফার পক্ষ থেকে দেওয়া এ সহায়তাকে মানবিক ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা।

সংগঠনটির মূলমন্ত্র—“জীবন প্রতিযোগিতার নয়, জীবন সহযোগিতায়”-এই বার্তাকেই সামনে রেখে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা।

 

 

 

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় তেইশ লক্ষ টাকার মালামাল আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৩২ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় তেইশ লক্ষ টাকার মালামাল আটক

পত্রদূত রিপোর্ট: রবিবার (০৯ আগস্ট ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ গাজীপুর, তলুইগাছা, মাদরা, কাকডাঙ্গা ও চান্দুরিয়া বিওপি এবং বাঁকাল চেকপোষ্ট এর টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ ও ঔষধ আটক করেছে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন জানায়, গাজীপুর বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার ঘেরের পাড় হতে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। তলুইগাছা বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার শালবাগান হতে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে।

 

কাকডাঙ্গা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার ভাদিয়ালি হতে ২ লাখ ১০ হাজার টাকার ভারতীয় ঔষধ আটক করে। মাদরা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার আম বাগান হতে ৮ লাখ ০৪ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। চান্দুরিয়া বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার কাঁদপুর হতে ৩ লাখ ১৬ হাজার ৫০০ টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে।

এছাড়াও, বাঁকাল চেকপোষ্ট এর আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার আলিপুর হাটখোলা হতে ৯০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ২২ লাখ ৯০ হাজার ৫০০ টাকা।

বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে।

 

দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

 

 

 

সাতক্ষীরায় সেবা বান্ধব পুলিশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৬:২০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় সেবা বান্ধব পুলিশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন

পত্রদূত রিপোর্ট: রবিবার (০৯ আগস্ট ২০২৬) সকাল ৯ টায় সাতক্ষীরা ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের আয়োজনে ‘পুলিশের মোটিভেশন ট্রেনিং ও নৈতিক উন্নয়ন সংক্রান্ত’ প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়।

 

জনবান্ধব, সেবামুখী ও নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন পুলিশ বাহিনী গড়ে তোলার লক্ষ্যে ৫ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট (ভারপ্রাপ্ত) এ.এস.এম. হাফিজুর রহমান।

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন করেন পুলিশ সুপার আবু সালেহ মোঃ আশরাফুল আলম।

উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধান অতিথি বলেন, এই প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য হলো পুলিশ সদস্যদের মধ্যে জনসেবার মানসিকতা, সততা, শৃঙ্খলা, মানবিকতা, পেশাদারিত্ব ও নৈতিক মূল্যবোধ আরও সুদৃঢ় করা।

 

জনগণের প্রতি আরও আন্তরিক, দায়িত্বশীল ও মানবিক আচরণের মাধ্যমে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ ও আস্থাভাজন সম্পর্ক গড়ে তোলা। তিনি প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান ও মূল্যবোধ কর্মক্ষেত্রে যথাযথভাবে প্রয়োগের জন্য সকল প্রশিক্ষণার্থী’র প্রতি আহ্বান জানান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল), মোঃ শাহীনুর চৌধুরীসহ বিভিন্ন পদমর্যাদার প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষণার্থী পুলিশ সদস্যবৃন্দ।