বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

কালিগঞ্জে সুমাইয়া হত্যা মামলায় গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামীকে রিমা- শেষে আদালতে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২৫ অপরাহ্ণ
কালিগঞ্জে সুমাইয়া হত্যা মামলায় গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামীকে রিমা- শেষে আদালতে

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার কাজলা-কাশিবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী ও কাশিবাটি গ্রামের এনামুল হকের মেয়ে ফারজানা সুলতানা হত্যার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে সুমাইয়াকে মব সৃষ্টির মাধ্যমে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত নূর ইসলাম ও আরিফকে এক দিনের রিমা- শেষে সোমবার বিকেলে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে গ্রেপ্তারকৃত আসামীরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয় মর্মে গত সোমবার সাতক্ষীরার প্রেসক্লাবের একাংশের অস্থায়ী কার্যালয়ে মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তাসহ একটি মহলের বিরুদ্ধে সংবাদ সস্মেলন করেন ফারজানা হত্যা মামলার বাদি নাজমা বেগম। একইভাবে সুমাইয়া হত্যা মামলার বাদি আমিরুল ইসলাম বুধবার একইস্থানে সংবাদ সম্মেলন করে মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিরীহ মানুষদের হয়রানি করার অভিযোগ এনেছেন।

ঘটনা ও মামলার বিবরণে জানা যায়, কাশিবাটি গ্রামের একরামুল হকের মেয়ে কাজলা-কাশিবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী ফারজানা সুলতানা গত ২০ জুলাই সকালে বিদ্যালয়ে এসে বাড়ি ফেরেনি। রাত সাতটার দিকে ফারজানার হাত ও পা বাঁধা লাশ একই গ্রামের আমিরুল ইসলামের ঘরের দেয়াল আলমারির ভিতর থেকে উদ্ধার করা হয়। এর কিছুক্ষণ পর পুলিশের কাছ থেকে ছাড়িয়ে নিয়ে মব সৃষ্টির মাধ্যমে আমিরুলের স্ত্রী সুমাইয়াকে ইট দিয়ে থেঁতলে হত্যা করা হয়।

ফারজানা হত্যার ঘটনায় তার মা নাজমা খাতুন বাদি হয়ে লতিফ শেখের ছেলে আব্দুল্লাহ আল মামুনের নাম উল্লেখ করে ২২ জুলাই থানায় মামলা করেন। ২৩ জুলাই ভোরে পুলিশ আল মামুনকে গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে সে কারাগারে রয়েছে। করানো হয়েছে তার ডিএনএ টেষ্ট।
এদিকে সুমাইয়া হত্যার ঘটনায় নিহতের বাবা লতিফ শেখ বাদি হয়ে গত ২৬ জুলাই হামিদুল মোড়ল, হুসাইন খানসহ আটজনের নাম উল্লেখ করে আদালতে মামলা (সিআর-৬২১/২৬ কালিঃ) করেন। মামলার অগ্রবর্তী তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামি ১৩ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন সাতক্ষীরা আমলী-২ আদালতের বিচারক নূসরত জাহান।

 

২৫ জুলাই রাতে নিহত সুমাইয়ার স্বামী আমিরুল বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা (জিআর-১৬৮/২৬ কালিঃ) দায়ের করেন। মামলার সন্ধিগ্ধ আসামী হিসেবে গত ১১ সেপ্টেম্বর উপপরিদর্শক মল্লিক মনিরুজ্জামান নূর ইসলাম মীর ও আরিফকে গ্রেপ্তার করে। ১৪ সেপ্টেম্বর তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে সাত দিন করে রিমা- আবেদন জানানো হয়। ১৭ সেপ্টেম্বর তাদের একদিন করে রিমা- মঞ্জুর করা হয়।

 

২১ সেপ্টেম্বর তাদেরকে রিমা- শেষে আদালতে পাঠানো হয়। ওই দিন আদালতের কাঠগোড়ায় উঠে সুমাইয়ার স্বামী আমিরুল আদালতে এফিডেফিট দিয়ে নূর ইসলাম ও আরিফ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয় এবং যেসব নামের তালিকা তিনি তদন্তকারি কর্মকর্তাকে দিয়েছেন তাদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না বলে দাবি করলেও আদালত তা আমলে নেননি। বুধবার আবারো নূর ইসলাম ও আরিফের জামিন আবেদন জানালে আদালত তা না’মঞ্জুর করেন। বুধবার দুপুরে আমিরুল ইসলাম সাতক্ষীরার একাংশের সাংবাদিকদের অস্থায়ী প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

নাজমা খাতুন গত রবিবার সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে বলেন, পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে সুমাইয়াকে হত্যা করেছে ক্ষুব্ধ জনগন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত না থাকার পরও তার পরিবারের সদস্যসহ নিরীহ লোকজনদের পুলিশ ও একটি বিশেষ মহল হয়রানি করছে।

Ads small one

মুখে লাথির পরও হলুদ কার্ড, রেফারিং নিয়ে প্রশ্ন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৫২ অপরাহ্ণ
মুখে লাথির পরও হলুদ কার্ড, রেফারিং নিয়ে প্রশ্ন

মুখে সরাসরি পা চালিয়ে দিলেন প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়। মাঠে লুটিয়ে পড়লেন ফর্টিস এফসির নোরিকি আকাদা। দৃশ্যটি দেখে লাল কার্ডের অপেক্ষায় ছিলেন সতীর্থরা। কিন্তু রেফারির সিদ্ধান্তে বিস্ময়ে হতবাক হন তারা। কারণ লাল কার্ডের জায়গায় দেখানো হলো হলুদ কার্ড! ফেডারেশন কাপ ফুটবলের ম্যাচে এমন সিদ্ধান্তে রেফারিং নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।

গোপালগঞ্জে ফর্টিস এফসি ও ফকিরেরপুল ইয়ংমেন্সের ম্যাচটি শেষ হয়েছে ১-১ গোলে ড্রয়ে। তবে ফল ছাপিয়ে ম্যাচের ৮২ মিনিটের একটি ঘটনা নিয়েই এখন বেশি আলোচনা।

ফর্টিসের নোরিকি আকাদাকে আটকাতে গিয়ে ইয়ংমেন্সের মোহামেদ ফোফানা সরাসরি তার মুখ বরাবর পা চালিয়ে দেন। আঘাত পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন নোরিকি। ঘটনাস্থলে দৌড়ে আসেন রেফারি জুনায়েদ শরীফ। কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে তিনি ফোফানাকে লাল কার্ড না দেখিয়ে হলুদ কার্ড দেখান।

রেফারির এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করেন ফর্টিসের খেলোয়াড়রা। তবে তাতে সিদ্ধান্তের কোনো পরিবর্তন হয়নি।

ঘটনাটি নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ফর্টিস এফসির সভাপতি শাহীন হাসান। তিনি বলেন, ‘এই সব কিছুর জন্য যদি আমরা কিছু বলি, তাহলে ওনাদের ডিসিপ্লিনারি কমিটি আমাদের শাস্তি দেবে, জরিমানা করবে। আর খেলার জন্য মাঠে ঢোকা যাবে না। কিন্তু কখনও এর জন্য রেফারি কোনও শাস্তি পাবে না।’

দেশের ফুটবল নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, ‘আজব এক আমাদের দেশের ফুটবল। কেন জানি না এই ফুটবল খেলা নিয়ে পড়ে আছি। আমার মনে হয়, এই ফুটবল খেলা থেকে সরে আসা উচিত।’

রেফারিং নিয়ে একই ধরনের হতাশা ফর্টিসের ম্যানেজার রাশেদুল ইসলামের কণ্ঠেও। তিনি বলেন, ‘এখন আর চিঠি দেই না। কারণ এতে কোনো লাভ হয় বলে মনে হয় না। রেফারিদের মধ্যে যারা ভুল করেন, তারা নিজেরা ভুল শুধরাতে না চাইলে কেউ শুধরাতে পারবে না। আমাদের দেশেও ভালো রেফারি আছেন। সমস্যাটা হলো, ভালোর সংখ্যাটা কম।’

ম্যাচের ওই ঘটনা ও কার্ডের সিদ্ধান্ত নিয়ে সঙ্গে কথা বলেছেন বাফুফের বিদায়ী হেড অব রেফারিজ আজাদ রহমান। তার মতে, ফোফানার ওই চ্যালেঞ্জ সরাসরি লাল কার্ডের যোগ্য, ‘ওই ডিফেন্ডার যেভাবে চার্জ করেছে, তাতে করে তো সরাসরি লাল কার্ড হয়। ম্যাচে রেফারি কেন লাল কার্ড দেখালো না, বোধগম্য হচ্ছে না। শুধু রেফারি নন, দুই সহকারী রেফারিও তো ঠিকমতো অ্যাসিস্ট করতে পারেননি। এখন দেখি রিপোর্ট কী আসে।’

সম্পাদকীয়/ আশাশুনির প্রতাপনগর: টেকসই সমাধানের অপেক্ষায় ২৮ হাজার মানুষ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৪৭ অপরাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ আশাশুনির প্রতাপনগর: টেকসই সমাধানের অপেক্ষায় ২৮ হাজার মানুষ

ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের ছয় বছর পেরিয়ে গেলেও সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নের ছয়টি গ্রামের প্রায় ২৮ হাজার মানুষের জীবনযাত্রা স্বাভাবিক যোগাযোগব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন। ২০২০ সালের ভয়াবহ দুর্যোগে ভাঙা সড়ক ও সেতু আজও পুনর্নির্মিত হয়নি। বাধ্য হয়ে ভাসমান সেতু, ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো আর নৌকাই এখন স্থানীয়দের যোগাযোগের একমাত্র ভরসা। এমনকি নৌকার ওপর নির্মিত ভাসমান মসজিদে নামাজ আদায় করার চিত্রই বলে দেয় সেখানকার মানুষের নিত্যদিনের মানবিক সংকটের ভয়াবহতা।

দুর্যোগের দুর্যোগময় স্মৃতি মুছে গেলেও প্রতাপনগরের বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগ মোছার কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। প্রায় চার কিলোমিটারের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মূল সেতুগুলো যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় প্রতিদিন চরম ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে শিক্ষার্থী, প্রবীণ ও জরুরি চিকিৎসাপ্রার্থী রোগীদের। একটি স্বাধীন দেশে ছয় বছর ধরে হাজার হাজার মানুষ এভাবে মৌলিক অবকাঠামোগত সুবিধা থেকে বঞ্চিত থাকবেÑতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বাসিন্দারা বারবার টেকসই সমাধানের আকুতি জানালেও আমলাতান্ত্রিক জটিলতার দোহাই দিয়ে উন্নয়নকাজ আটকে আছে।

উপজেলা এলজিইডি দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের অনাপত্তি সনদ (এনওসি) না পাওয়ায় সড়ক ও সেতু পুনর্নির্মাণের কাজ শুরু করা যাচ্ছে না। আন্তর্জাতিক ও জাতীয় উন্নয়ন সংস্থাগুলোর অসম্পূর্ণ কাজ বা সাময়িক সহায়তার ওপর নির্ভর করে এত মানুষের দৈনন্দিন জীবন চলতে পারে না। আমলাতান্ত্রিক এনওসি জটিলতার অজুহাতে হাজার হাজার মানুষের জীবনকে বছরের পর বছর ঝুঁকিতে ফেলে রাখা প্রশাসনিক স্থবিরতারই এক চরম দৃষ্টান্ত।

উপকূলীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা ও যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়ন কেবল স্থানীয় নয়, জাতীয় দায়িত্বের অংশ। আমরা আশাশুনির প্রতাপনগরে এলজিইডি ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের মধ্যকার এই প্রশাসনিক দীর্ঘসূত্রতা অবিলম্বে অবসানের জোর দাবি জানাচ্ছি। জরুরি ভিত্তিতে এনওসি প্রদান করে টেকসই বেড়িবাঁধ, সড়ক ও স্থায়ী সেতু নির্মাণের কাজ শুরু করা হোক। প্রতাপনগরের হাজার হাজার মানুষের ভাসমান জীবনের অবসান ঘটিয়ে স্বাভাবিক ও সম্মানজনক জীবনযাত্রা ফিরিয়ে দেওয়াই হোক সরকারের অগ্রাধিকার।

আমরা কাউকে ভয় পেতে আসিনি: হামজা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৪৪ অপরাহ্ণ
আমরা কাউকে ভয় পেতে আসিনি: হামজা

সামনে কঠিন প্রতিপক্ষ, র‌্যাঙ্কিংয়েও অনেক এগিয়ে। তবু ভয় নয়, বরং নিজেদের সামর্থ্যের ওপর আস্থা নিয়ে ফিফা আসিয়ান কাপে খেলতে এসেছে বাংলাদেশ। এমনটাই জানালেন হামজা চৌধুরী। ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় দলের অনুশীলনে যোগ দিয়ে টুর্নামেন্ট নিয়ে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছেন বাংলাদেশ দলের এই তারকা মিডফিল্ডার।

ফিফা আসিয়ান কাপ সামনে রেখে জাকার্তায় চলছে বাংলাদেশের প্রস্তুতি। হামজার সঙ্গে প্রবাসী অন্য ফুটবলাররাও দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন। অনুশীলনের এক ফাঁকে আসন্ন টুর্নামেন্ট নিয়ে কথা বলেন শেফিল্ড ইউনাইটেডের এই ফুটবলার, ‘আমরা এই টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পেরে খুবই রোমাঞ্চিত এবং সম্মানিত বোধ করছি। এটি অবশ্যই আমাদের চেয়ে উঁচু র‌্যাঙ্কিংয়ের দলগুলোর বিপক্ষে খেলার বড় একটি সুযোগ। তাই আমাদের অভ্যন্তরীণ লক্ষ্য হলো যতটা সম্ভব বেশি পয়েন্ট অর্জন করা।’

এরপরই আত্মবিশ্বাসের কথাটা স্পষ্ট করে দিয়েছেন হামজা, ‘আপনারা জানেন, আমরা এখানে কাউকে ভয় পেতে আসিনি। আমরা আমাদের সামর্থ্য সম্পর্কে জানি। তবে ইনশাআল্লাহ, এটি আমাদের জন্য শেখার একটি পথও। আমরা এখানে যতটা সম্ভব অভিজ্ঞতা অর্জন করতে এসেছি, যাতে আমাদের দেশকে সম্মানিত ও গর্বিত করতে পারি।’

জাকার্তায় এসে সুযোগ-সুবিধা ও স্থানীয় মানুষের আতিথেয়তায়ও মুগ্ধ হামজা। তিনি বলেন, ‘অসাধারণ। সত্যি বলতে, আমি ঠিক যেমনটা আশা করেছিলাম, তেমনই। খুবই বন্ধুত্বপূর্ণ মানুষ, খুবই দয়ালু মানুষ। এখানকার ফুটবলের প্রতি আগ্রহ অনেক বেশি এবং সুযোগ-সুবিধাগুলোও খুবই চমৎকার ছিল। তাই হ্যাঁ, আমি শুক্রবারের ম্যাচ খেলার জন্য মুখিয়ে আছি। দেখা যাক, আমরা কেমন করি।’

প্রতিপক্ষ ইন্দোনেশিয়া সম্পর্কেও যথেষ্ট সমীহ দেখিয়েছেন হামজা। র‌্যাঙ্কিংয়ে তাদের অবস্থান এবং দলের শক্তিমত্তার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় তারা র‌্যাঙ্কিংয়ে বেশ ভালো অবস্থানে আছে। তাদের দলে খুব ভালো মানের খেলোয়াড় রয়েছে। তাদের একজন খুব দক্ষ হেড কোচও আছেন।’

ইন্দোনেশিয়ার সাম্প্রতিক অগ্রগতির প্রশংসা করে হামজা আরও বলেন, ‘বিশেষ করে আগামী বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে তারা যদি বিশ্বকাপের পথে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় না থাকে, তাহলে আমি সত্যিই অবাক হবো। আমার মনে হয়, একটি দেশ হিসেবে আপনারা ফুটবলের ওপর অনেক জোর দিচ্ছেন। আর হ্যাঁ, তাদের খুব ভালো একটি দল রয়েছে।’