বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

মুখে লাথির পরও হলুদ কার্ড, রেফারিং নিয়ে প্রশ্ন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৫২ অপরাহ্ণ
মুখে লাথির পরও হলুদ কার্ড, রেফারিং নিয়ে প্রশ্ন

মুখে সরাসরি পা চালিয়ে দিলেন প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়। মাঠে লুটিয়ে পড়লেন ফর্টিস এফসির নোরিকি আকাদা। দৃশ্যটি দেখে লাল কার্ডের অপেক্ষায় ছিলেন সতীর্থরা। কিন্তু রেফারির সিদ্ধান্তে বিস্ময়ে হতবাক হন তারা। কারণ লাল কার্ডের জায়গায় দেখানো হলো হলুদ কার্ড! ফেডারেশন কাপ ফুটবলের ম্যাচে এমন সিদ্ধান্তে রেফারিং নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।

গোপালগঞ্জে ফর্টিস এফসি ও ফকিরেরপুল ইয়ংমেন্সের ম্যাচটি শেষ হয়েছে ১-১ গোলে ড্রয়ে। তবে ফল ছাপিয়ে ম্যাচের ৮২ মিনিটের একটি ঘটনা নিয়েই এখন বেশি আলোচনা।

ফর্টিসের নোরিকি আকাদাকে আটকাতে গিয়ে ইয়ংমেন্সের মোহামেদ ফোফানা সরাসরি তার মুখ বরাবর পা চালিয়ে দেন। আঘাত পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন নোরিকি। ঘটনাস্থলে দৌড়ে আসেন রেফারি জুনায়েদ শরীফ। কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে তিনি ফোফানাকে লাল কার্ড না দেখিয়ে হলুদ কার্ড দেখান।

রেফারির এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করেন ফর্টিসের খেলোয়াড়রা। তবে তাতে সিদ্ধান্তের কোনো পরিবর্তন হয়নি।

ঘটনাটি নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ফর্টিস এফসির সভাপতি শাহীন হাসান। তিনি বলেন, ‘এই সব কিছুর জন্য যদি আমরা কিছু বলি, তাহলে ওনাদের ডিসিপ্লিনারি কমিটি আমাদের শাস্তি দেবে, জরিমানা করবে। আর খেলার জন্য মাঠে ঢোকা যাবে না। কিন্তু কখনও এর জন্য রেফারি কোনও শাস্তি পাবে না।’

দেশের ফুটবল নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, ‘আজব এক আমাদের দেশের ফুটবল। কেন জানি না এই ফুটবল খেলা নিয়ে পড়ে আছি। আমার মনে হয়, এই ফুটবল খেলা থেকে সরে আসা উচিত।’

রেফারিং নিয়ে একই ধরনের হতাশা ফর্টিসের ম্যানেজার রাশেদুল ইসলামের কণ্ঠেও। তিনি বলেন, ‘এখন আর চিঠি দেই না। কারণ এতে কোনো লাভ হয় বলে মনে হয় না। রেফারিদের মধ্যে যারা ভুল করেন, তারা নিজেরা ভুল শুধরাতে না চাইলে কেউ শুধরাতে পারবে না। আমাদের দেশেও ভালো রেফারি আছেন। সমস্যাটা হলো, ভালোর সংখ্যাটা কম।’

ম্যাচের ওই ঘটনা ও কার্ডের সিদ্ধান্ত নিয়ে সঙ্গে কথা বলেছেন বাফুফের বিদায়ী হেড অব রেফারিজ আজাদ রহমান। তার মতে, ফোফানার ওই চ্যালেঞ্জ সরাসরি লাল কার্ডের যোগ্য, ‘ওই ডিফেন্ডার যেভাবে চার্জ করেছে, তাতে করে তো সরাসরি লাল কার্ড হয়। ম্যাচে রেফারি কেন লাল কার্ড দেখালো না, বোধগম্য হচ্ছে না। শুধু রেফারি নন, দুই সহকারী রেফারিও তো ঠিকমতো অ্যাসিস্ট করতে পারেননি। এখন দেখি রিপোর্ট কী আসে।’

Ads small one

কলারোয়ায় ঘেরে জাল পাতা নিয়ে বিরোধ, বাবা-ছেলেকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৫৫ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় ঘেরে জাল পাতা নিয়ে বিরোধ, বাবা-ছেলেকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ

সংবাদদাতা: কলারোয়ায় মাছের ঘেরে জাল পাতাকে কেন্দ্র করে এক বৃদ্ধ ও তাঁর ছেলেকে কুপিয়ে এবং পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ১৬ সেপ্টেম্বর রাতে উপজেলার পূর্বকোটা গ্রামে ভুক্তভোগীদের ওপর হামলা চালানো হয়। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী পরিবারের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে কলারোয়া থানায় মামলা হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ঘটনার রাতে পূর্বকোটা গ্রামের এমদাদুলের মাছের ঘেরে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা জাল পাতছিলেন। এমদাদুলের বাবা হযরত আলী (৬২) বাধা দিলে তাঁদের মধ্যে বাগ্বিত-া হয়। একপর্যায়ে অভিযুক্ত মো. ওবায়দুলের নির্দেশে মো. অহেদুজ্জামান ধারালো দা দিয়ে হযরত আলীর মাথায় কোপ দেন। বাবাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে ছেলে একরামুলকে (৩২) লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে জখম করা হয়। আহতদের উদ্ধার করে কলারোয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় এমদাদুল বাদী হয়ে মো. অহেদুজ্জামান (৩৭), রাশেদুজ্জামান নাসিম (২৩) ও মো. ওবায়দুলকে (৪৫) আসামি করে মামলা করেছেন। কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান রিমু জানান, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে থানায় মামলা গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশ চেষ্টা চালাচ্ছে।

শ্যামনগরে ‘সামস্’-এর প্রারম্ভিক সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৫৪ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে ‘সামস্’-এর প্রারম্ভিক সভা

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে প্রকল্প কার্যক্রম শুরুর লক্ষ্যে সরকারি ও বেসরকারি ব্যক্তিবর্গের সমন্বয়ে এক প্রারম্ভিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৩ সেপ্টেম্বর বিকেলে উপজেলা কনফারেন্স রুমে ‘সুন্দরবন আদিবাসী মুন্ডা সংস্থা’ (সামস্)-এর আয়োজনে এবং ‘বারসিক’-এর সহযোগিতায় এ সভার আয়োজন করা হয়।
গোপাল মুন্ডার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভার শুরুতে প্রকল্পের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য উপস্থাপন করেন সংগঠনের কমিউনিটি কো-অর্ডিনেটর অলোক কুমার পাল। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামসুজাহান কনক।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শারিদ বিন শফিক, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা, এনজিও সমন্বয়কারী গাজী আল ইমরান, গ্রিন ক্লাইমেট অ্যাকশনের সদস্য মামুনুর রশিদ, রনজিত বর্মন, ঈশ্বরীপুরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শফিউল আলম, প্রতিমা রানী ও জয় মুন্ডা। সভায় সংস্থার সদস্য ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

পাটকেলঘাটায় অনিয়মের আখড়া ‘স্বাগতা ক্লিনিক’, ঝুঁকিতে রোগীরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৪৮ অপরাহ্ণ
পাটকেলঘাটায় অনিয়মের আখড়া ‘স্বাগতা ক্লিনিক’, ঝুঁকিতে রোগীরা

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: পাটকেলঘাটায় অবস্থিত ‘স্বাগতা ক্লিনিক’-এ সরকারি নিয়মনীতি উপেক্ষা করে চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করার অভিযোগ উঠেছে। ক্লিনিকটিতে নিবন্ধিত কোনো ডিগ্রিধারী প্যাথলজিস্ট ও প্রশিক্ষিত ডিপ্লোমা নার্স নেই। এমনকি পরীক্ষা-নিরীক্ষা থেকে শুরু করে চিকিৎসার রিপোর্ট তৈরির মতো স্পর্শকাতর কাজ করছেন ক্লিনিকের ম্যানেজার অরুণ কুমার ম-ল।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিধিমালা অনুযায়ী, ১০ শয্যার ক্লিনিকে কমপক্ষে ৩ জন মেডিকেল অফিসার ও ৬ জন নিবন্ধিত ডিপ্লোমা নার্স থাকা বাধ্যতামূলক। অথচ ক্লিনিকটিতে একজন অবসরপ্রাপ্ত চিকিৎসক সেবা দিলেও তাঁকে সহায়তা করছেন ডিপ্লোমা বিহীন নার্সরা। এ ছাড়া অনুমোদহীন প্যাথলজিতে অভিজ্ঞ প্যাথলজিস্ট ছাড়াই চলছে রোগ নির্ণয়ের কাজ। পাশাপাশি চিকিৎসা শেষে রোগীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং স্বজনদের হয়রানি করার অভিযোগ রয়েছে।
লাইসেন্সের বিষয়ে স্বাগতা ক্লিনিকের প্রতিষ্ঠাতা অবসরপ্রাপ্ত চিকিৎসক ডা. মধুসূদন ম-ল স্বীকার করেন, ২০১৯ সালের পর নারকোটিকসের অনুমোদন না পাওয়ায় লাইসেন্স নবায়ন করা সম্ভব হয়নি। খুব দ্রুত ক্লিনিকটির কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়ার কথা জানান তিনি।
এ বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা সিভিল সার্জন জানান, বিষয়টি তিনি অবগত হয়েছেন এবং তদন্ত সাপেক্ষে উক্ত ক্লিনিকের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।