বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

জাদুঘর অদ্ভুত বস্তুসমূহের সংগ্রহশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ১২:১৪ পূর্বাহ্ণ
জাদুঘর অদ্ভুত বস্তুসমূহের সংগ্রহশালা

 

প্রকাশ ঘোষ বিধান
জাদুঘর একটি দেশের ইতিহাস-ঐতিহ্য, প্রতœতাত্ত্বিক নিদর্শন ও গুরুত্বপূর্ণ স্মৃতি বহন করে। বাংলায় জাদুঘর কথাটির অর্থ হল, যে গৃহে অদ্ভুত অদ্ভুত পদার্থসমূহের সংগ্রহ আছে এবং যা দেখিয়া আকর্ষণে সম্মোহিত হতে হয়।
জাদুঘর বা সংগ্রহালয় বলতে বোঝায় এমন একটি ভবন বা প্রতিষ্ঠান যেখানে পুরাতাত্ত্বিক নিদর্শনসমূহের সংগ্রহ সংরক্ষিত থাকে। জাদুঘরে বিভিন্ন ধরণের বস্তু সংগ্রহ করা হয়, যা মানুষের ইতিহাস, শিল্প, বিজ্ঞান, প্রাকৃতিক পরিবেশ, বা অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে তুলে ধরে। জাদুঘরের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো ঐতিহাসিক বা সাংস্কৃতিক মূল্যবান বস্তুগুলো সংরক্ষণ করা, যাতে ভবিষ্যত প্রজন্মও সেগুলি দেখতে এবং শিখতে পারে। জাদুঘরে ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, স্থান, এবং মানুষদের সম্পর্কিত বস্তু রাখা হয়। বিভিন্ন জীববৈচিত্র্য, জীবাশ্ম, প্রাকৃতিক সংগ্রহ এবং ভূতাত্ত্বিক তথ্য সংরক্ষিত থাকে। এখানে দেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি, ধর্ম, ঐতিহ্য, এবং সাধারণ জীবনযাত্রা সম্পর্কিত বস্তু সংরক্ষিত থাকে।
প্রতি বছর ১৮ মে বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক জাদুঘর দিবস পালিত হয়। ইন্টারন্যাশনাল কাউন্সিল অব মিউজিয়ামস ১৯৭৭ সাল থেকে সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান, ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং যাদুঘরের ভূমিকা সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে এই দিবসটি সমন্বয় করে আসছে। জাদুঘর যে সাংস্কৃতিক বিনিময়ের অন্যতম মাধ্যম এবং মানুষের ঐতিহ্যের ধারক- তা দিবসটিতে তুলে ধরা।
জাদুঘর ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক মূল্যবান বস্তু সংরক্ষণ করে, যা মানুষের ইতিহাস ও সভ্যতার স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে কাজ করে। জাদুঘর সম্পর্কে সবারই কমবেশি ধারণা আছে। বিশ্বের শীর্ষ জনপ্রিয় জাদুঘর ল্যুভর মিউজিয়াম: প্যারিসকে বলা হয় অর্ধেক নগরী তুমি অর্ধেক কল্পনা। এই কল্পনার আছে পৃথিবীর সবচেয়ে আশ্চর্য জাদুঘর ল্যুভর। পৃথিবীর বিখ্যাত জাদুঘরগুলোর মধ্যে প্রথমে নাম বলতে গেলে বলতেই হয় ল্যুভরের কথা। মোনালিসা ছবিটা ল্যুভর মিউজিয়ামের বিশেষ একটি ঘরে রাখা হয়েছে। ন্যাশনাল মিউজিয়াম অব চায়না: জাদুঘরটি চীনের বেইজিংয়ে অবস্থিত। ন্যাশনাল এয়ার অ্যান্ড স্পেস মিউজিয়াম: যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত। ১৯০৩ সালে রাইট ভাইদ্বয় যে প্লেন দিয়ে সফলতার সাথে প্রথম ফ্লাইট পরিচালনা করেন, সেটি এখানে রয়েছে। দ্য মেট্রোপলিটন মিউজিয়াম অব আর্ট: যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে অবস্থিত। এখানে ৫ হাজার বছরের পুরনো অনেক আর্ট রয়েছে। ভ্যাটিকান মিউজিয়াম: এই জাদুঘর ভ্যাটিকান সিটিতে অবস্থিত। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে পোপরা এতে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক উপাদান সংরক্ষণ করেছে।
বিশ্বের অদ্ভুত কিছু জাদুঘর হলো: ক্রোয়েশিয়া অবস্থিত মিউজিয়াম অব ব্রোকেন রিলেশনশিপ। এখানে ভেঙে যাওয়া সম্পর্কের স্মৃতিচিহ্ন বা উপহার সংরক্ষণ করা হয়। জাপানে অবস্থিত প্যারাসাইট মিউজিয়াম। এখানে ৬০ হাজারের বেশি পরজীবী প্রাণী ও জীবাণু প্রদর্শিত হয়। যুক্তরাষ্টের বোস্টনে অবস্থিত বাজে শিল্পকলা জাদুঘর। শুধুমাত্র কুরুচিপূর্ণ বা দৃষ্টিকটু ছবি নিয়ে এই জাদুঘরটি তৈরি। যুক্তরাষ্ট্র অবস্থিত পোড়া খাবারের জাদুঘর। ভুল রান্না বা পুড়ে যাওয়া খাবারের অদ্ভুত সংগ্রহশালা। যুক্তরাষ্ট্র উইনচেস্টার মিস্ট্রি হাউসে অবস্থিত : এটি একটি অদ্ভুত স্থাপত্য, যা ভূতের বাড়ি হিসেবেও পরিচিত।
পৃথিবীতে নানা ধরণের জাদুঘর রয়েছে। জাদুঘরগুলি বিভিন্ন দেশের ও সংস্কৃতির ঐতিহ্য, রীতি-নীতি এবং শিল্পকলা সম্পর্কে ধারণা দেয়, যা সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন তৈরি করতে সাহায্য করে। অনেক জাদুঘর গবেষকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ রিসোর্স হিসেবে কাজ করে। গবেষকরা এখানে সংরক্ষিত বস্তু বা ডকুমেন্টের মাধ্যমে নতুন তথ্য বের করার চেষ্টা করেন।

জাদুঘরে বৈজ্ঞানিক, শৈল্পিক ও ঐতিহাসিক গুরুত্বসম্পন্ন বস্তুসমূহ সংগ্রহ করে সংরক্ষিত করা হয় এবং সেগুলি প্রদর্শ আধার বা ডিসপ্লে কেসের মধ্যে রেখে স্থায়ী অথবা অস্থায়ীভাবে জনসাধারণের সমক্ষে প্রদর্শন করা হয়। বিশ্বের অধিকাংশ বড় জাদুঘরই প্রধান প্রধান শহরগুলিতে অবস্থিত। অবশ্য ছোটো শহর, মফস্বল ও গ্রামাঞ্চলেও স্থানীয় জাদুঘর গড়ে উঠতে দেখা যায়।
সারা বিশ্বেই জাদুঘর দেখা যায়। অতীতকালে জাদুঘরগুলি গড়ে উঠত ধনী ব্যক্তিদের ব্যক্তিগত বা পারিবারিক উদ্যোগে অথবা কোনো প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগে। এই সব জাদুঘরে সংরক্ষিত থাকত শিল্পকর্ম, দুষ্প্রাপ্য ও আশ্চর্যজনক প্রাকৃতিক বস্তু বা পুরাবস্ত।

ইংরেজি মিউজিয়াম শব্দটি এসেছে লাতিন শব্দ থেকে। প্রাচীন গ্রিসে এই জাতীয় মন্দিরগুলিকে কেন্দ্র করে পাঠাগার ও শিল্প পুরাকীর্তির সংগ্রহশালাও গড়ে উঠতে দেখা যেত। ২৮০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে আলেকজান্দ্রিয়ায় টলেমি প্রথম সোটার প্রতিষ্ঠিত দর্শন মিউজিয়াম ছিল। প্রাচীনকালে গড়ে ওঠা আলেকজান্দ্রিয়ার জাদুঘর ছিল আধুনিককালে অন্যতম জাদুঘর।

জাদুঘর হল আমাদের অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যতের একটি খোলা জানালা। জাদুঘর এমন একটি প্রতিষ্ঠান যেখানে পুরানো এবং মূল্যবান বস্তু সংরক্ষণ ও প্রদর্শন করা হয়, যাতে মানুষ সেগুলি দেখে, বুঝে এবং শিখতে পারে। এটি আমাদের অতীতের ইতিহাস, সংস্কৃতি, শিল্প এবং বৈজ্ঞানিক অর্জন সম্পর্কে ধারণা প্রদান করে এবং বিশ্ব সম্পর্কে আরও ভালোভাবে বুঝতে সাহায্য করে। তাই সুযোগ পেলে অবশ্যই জাদুঘর ঘুরে দেখা উচিত। লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট

Ads small one

জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ১২:২৭ পূর্বাহ্ণ
জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় নিয়মিত একটি মামলার আসামি হিসেবে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশ জেলা শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেনÑসাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও শহরের সুলতানপুর এলাকার বাসিন্দা শেখ জাহাঙ্গীর কবির (৪৭) এবং জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি ও ইটাগাছা এলাকার বাসিন্দা এস এম তুহিনুর রহমান (৩৬)।
সাতক্ষীরা সদর থানা-পুলিশ জানায়, জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় এবং সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) নেতৃত্বে উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল্লাহিল আরিফ নিশাত ও সমীর গাইনসহ পুলিশের একটি দল এই অভিযান পরিচালনা করে। গ্রেপ্তার হওয়া ওই দুই নেতার বিরুদ্ধে থানায় নিয়মিত মামলা রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গতকালই তাঁদের পুলিশ প্রহরায় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে থানা সূত্রে জানা গেছে।

সম্পাদকীয়/প্রসঙ্গ: বিপন্ন গ্রামীণ সড়ক ও স্থায়ী জলাবদ্ধতার শঙ্কা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ১২:২৬ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়/প্রসঙ্গ: বিপন্ন গ্রামীণ সড়ক ও স্থায়ী জলাবদ্ধতার শঙ্কা

যশোরের কেশবপুর উপজেলায় মৎস্য ঘের নীতিমালা অমান্য করে সরকারি রাস্তা ও পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ করে মাছ চাষের যে চিত্র সামনে এসেছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই উপজেলায় ৪ হাজার ৬৫৮টি মৎস্য ঘেরের একটি বড় অংশই গড়ে উঠেছে সরকারি আইন ও পরিবেশগত বিধিমালাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে। অনেক প্রভাবশালী ঘের মালিক সরকারি পাকা ও কাঁচা সড়কগুলোকে তাঁদের ঘেরের বেড়িবাঁধ হিসেবে ব্যবহার করছেন। এর ফলে শত কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত শতাধিক গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা যেমন ধ্বংসের মুখে পড়েছে, তেমনি সরকারি খাল ও পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে বিস্তীর্ণ অঞ্চলে স্থায়ী জলাবদ্ধতার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, নব্বইয়ের দশক থেকে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি বিল, খাল ও নদীর অববাহিকা দখল করে মাছ চাষ শুরু করেন। সময়ের সাথে সাথে এই প্রবণতা গ্রামীণ সড়কের বুক পর্যন্ত এসে ঠেকেছে। গণমাধ্যম জানাচ্ছে, যশোর-সাতক্ষীরা মহাসড়কের একাংশসহ কেশবপুরের বহু গুরুত্বপূর্ণ পাকা ও কাঁচা রাস্তার শোল্ডার ও পিচের অংশ ঘেরের পানির কারণে ধসে যাচ্ছে। ফলে যানবাহন ও জনসাধারনের চলাচলের সাধারণ পথগুলো এখন বিপজ্জনক মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। সরকারি বিধি অনুযায়ী, যেকোনো সড়ক থেকে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে পৃথক বাঁধ নির্মাণ করে মাছ চাষ করার স্পষ্ট বাধ্যবাধকতা থাকলেও মাঠপর্যায়ে তার কোনো প্রতিফলন নেই।
এর চেয়েও বড় সংকট তৈরি হয়েছে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা পুরোপুরি অচল করে দেওয়ায়। প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা খাল ও কালভার্টের মুখ বন্ধ করে ব্যক্তিগত মৎস্য ঘের তৈরি করায় বৃষ্টির পানি নামার পথ অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। ফলে কাদার বিল, মহাদেবপুর বিল, পাঁচপোতার বিলসহ ওই অঞ্চলের অন্তত এক ডজন বিশাল বিলের স্বাভাবিক পরিবেশ এখন হুমকির মুখে। এই পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে কেবল যোগাযোগ ব্যবস্থারই ক্ষতি হবে না, বরং কৃষি উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে এবং বিল এলাকার হাজার হাজার নি¤œআয়ের মানুষ ও মৎস্যজীবী দীর্ঘমেয়াদি জীবিকা সংকটে পড়বেন।
উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় মৎস্য বিভাগ মাঝে মাঝে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা ও সচেতনতামূলক সভা করলেও তা প্রভাবশালী ঘের মালিকদের থামাতে পারছে না। নামমাত্র জরিমানা বা সাময়িক নিষেধাজ্ঞা এই কাঠামোগত ক্ষতি রোধে কোনো স্থায়ী সমাধান আনছে না। সরকারি সম্পদ ধ্বংস এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা জিম্মি করে মুষ্টিমেয় কিছু মানুষের এই অতি-মুনাফালোভী বৈরী আচরণ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
আমরা মনে করি, গ্রামীণ অর্থনীতি ও পরিবেশ রক্ষা করতে হলে মৎস্য ঘের নীতিমালার কঠোর ও আপসহীন বাস্তবায়ন জরুরি। যেসব ঘের মালিক সরকারি রাস্তা বাঁধ হিসেবে ব্যবহার করছেন এবং খালের স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কেবল জরিমানা নয়, বরং ফৌজদারি আইনে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সাথে অবৈধভাবে দখলকৃত খাল ও কালভার্টের মুখ অবিলম্বে উন্মুক্ত করে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা স্বাভাবিক করতে হবে। গ্রামীণ অবকাঠামো ও জনস্বার্থকে জলাঞ্জলি দিয়ে কোনো বাণিজ্যিক উন্নয়ন টেকসই হতে পারে নাÑসংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি অনুধাবন করে দ্রুত স্থায়ী পদক্ষেপ নেবেন, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

 

আশাশুনিতে প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষকদের সমন্বয় সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ১২:২২ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনিতে প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষকদের সমন্বয় সভা

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের অংশ গ্রহণে ক্লাস্টারভিত্তিক মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বেলা ১১টায় উপজেলার মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ইউআরসি ট্রেনিং সেন্টারে ৪টি ক্লাস্টারের এই পৃথক পৃথক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা শিক্ষা অফিসার স্বপন কুমার বর্মনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় উপজেলার ১০৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকেরা অংশ নেন। সভায় আলোচনায় অংশ নেন সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান, ঝংকর ঢালী, সোহাগ আলম ও আশেকুজ্জামান।
আশাশুনি সদর, শ্রীউলা, চম্পাখালী ও বুধহাটা ক্লাস্টারের শিক্ষকদের নিয়ে আয়োজিত এই সভায় হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে শিক্ষকদের হাজিরা নিশ্চিতকরণ, শিক্ষার্থীদের মৌলিক সাক্ষরতা ও শিক্ষার মান উন্নয়ন, চলমান বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের তদারকি, জুন ক্লোজিংয়ের বিবিধ ভাউচার জমা এবং বিদ্যালয়গুলোতে ব্যবস্থাপনা কমিটি (এসএমসি) গঠনের সার্বিক পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন দাপ্তরিক বিষয়ে আলোচনা করা হয়।