মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩

তালায় দুই মিষ্টির দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ৮ হাজার টাকা জরিমানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৪৪ অপরাহ্ণ
তালায় দুই মিষ্টির দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ৮ হাজার টাকা জরিমানা

নিজস্ব প্রতিনিধি: তালায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপণ্য প্রস্তুত ও সংরক্ষণের অভিযোগে দুইটি মিষ্টির দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মোট ৮ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

সোমবার (৪ আগস্ট) দুপুর ৩টার দিকে তালা উপ শহরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাতুল আফরোজ স্বপ্না এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।

অভিযানে তালা বাজারের সাতক্ষীরা ঘোষ ডেইরিকে ৩ হাজার টাকা এবং যাদব ঘোষ ডেইরিকে ৫ হাজার টাকা অর্থদ- প্রদান করা হয়। অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা করেন তালা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হেমায়েত হোসেন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসের সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা রওনুক জাহান, তালা প্রেসক্লাবের জেষ্ঠ যুগ্ম-সাংগঠনিক সম্পাদক এস.এম হাসান আলী বাচ্চু, তালা উপজেলা প্রেসক্লাবের মীর মিল্টন, জমির উদ্দীন প্রমুখ।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিয়মিত বাজার তদারকির অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে খাদ্য প্রস্তুত ও বিক্রির নির্দেশনা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম পাওয়া গেলে আরও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে সতর্ক করা হয়।

 

Ads small one

সম্পাদকীয়/ভবদহের স্থায়ী অভিশাপ ও আমলাতান্ত্রিক ব্যর্থতা: টিআরএম বাস্তবায়নই একমাত্র পথ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০৫ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ভবদহের স্থায়ী অভিশাপ ও আমলাতান্ত্রিক ব্যর্থতা: টিআরএম বাস্তবায়নই একমাত্র পথ

যশোরের মনিরামপুরে মুক্তেশ্বরী নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙে নতুন করে ছয়টি গ্রাম প্লাবিত হওয়া এবং ভবদহ অঞ্চলে অর্ধশতাধিক গ্রামের অন্তত এক লাখ মানুষের পানিবন্দী হয়ে পড়া দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের এক চিরচেনা করুণ চিত্রকে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে। টানা বৃষ্টি আর উজানের ঢলে কোটি টাকার কোটি টাকার অবকাঠামো ও মাছের ঘের ভেসে গেছে, বন্ধ হয়ে গেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও যোগাযোগের পথ। একের পর এক কোটি টাকার নদী খনন প্রকল্প বাস্তবায়ন হলেও ভবদহ অঞ্চলের মানুষের ভাগ্য যে একটুও বদলায়নিÑএই বাঁধ ভাঙা ও জলাবদ্ধতা যেন তারই এক জলজ্যান্ত প্রমাণ।

কৃত্রিম এবং আংশিক নদী খননের যে প্রকল্পগুলো একের পর এক হাতে নেওয়া হচ্ছে, তার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা এখন সময়ের দাবি। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ১৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে নদী ও খালের ৮১.৫ কিলোমিটার খননকাজ বাস্তবায়ন করছে, অথচ একটি নদীতে বাঁধ দিয়ে খননকাজের প্রভাবেই উজান পলি জমে শত শত গ্রাম নতুন করে তলিয়ে যাচ্ছে। পাম্প বসিয়ে বা আংশিক ড্রেজিং করে কোটি কোটি টাকার নদী খনন যে শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ ও অপচয়মূলক পদক্ষেপে পরিণত হয়, তার প্রমাণ ভবদহবাসী গত কয়েক দশক ধরে হাড়েনাতে পেয়ে আসছে। নাব্য হারানো নদীগুলোতে যে হারে পলি জমা হয়, তাতে কৃত্রিম ড্রেজিং কিংবা স্বল্পমেয়াদি খনন প্রকৃতিকে জয় করতে পারে না।

ভবদহ সমস্যার স্থায়ী ও প্রকৃতিবান্ধব সমাধান সবারই জানা—তা হলো টাইডাল রিভার ম্যানেজমেন্ট বা টিআরএম (জোয়ারাধার ব্যবস্থাপনা) পদ্ধতি বাস্তবায়ন। ভবদহ পানি সংগ্রাম কমিটি এবং স্থানীয় ভুক্তভোগীরা দীর্ঘ দিন ধরে জোয়ার-ভাটার স্বাভাবিক গতিকে কাজে লাগিয়ে পলি ব্যবস্থাপনার এই বৈজ্ঞানিক ও টেকসই পদ্ধতির দাবি জানিয়ে আসছেন। কিন্তু অদৃশ্য কারণে আমলাতান্ত্রিক ও প্রকল্পনির্ভর মানসিকতার কাছে এই জনদাবি বার বার উপেক্ষিত হয়েছে। টিআরএম কার্যকর না করে কেবল যান্ত্রিক উপায়ে নদী পরিষ্কার বা সেচ পাম্প বসিয়ে এই বিস্তীর্ণ প্লাবন সামাল দেওয়া অসম্ভব।

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের এই বিশাল জনগোষ্ঠীর মানবিক সংকট ও অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতি রুখতে হলে সরকারকে অবশ্যই দীর্ঘমেয়াদি ও জোরালো পদক্ষেপ নিতে হবে। দ্রুততম সময়ে মনিরামপুরের ভাঙা বেড়িবাঁধ সংস্কার ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মানবিক সাহায্য সুনিশ্চিত করার পাশাপাশি টিআরএম প্রকল্প বাস্তবায়নে অবিলম্বে দৃশ্যমান রূপরেখা প্রণয়ন করা প্রয়োজন। আংশিক প্রকল্পের নামে রাষ্ট্রের কোটি কোটি টাকা অপচয় বন্ধ করে প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়ম ও ভুক্তভোগী মানুষের মতামতকে প্রাধান্য দিয়ে ভবদহের দীর্ঘদিনের অভিশাপ চিরতরে দূর করা হোক।

ভোমরা বন্দর দিয়ে একদিনেই এল ৯১ টন কাঁচা মরিচ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৫৭ অপরাহ্ণ
ভোমরা বন্দর দিয়ে একদিনেই এল ৯১ টন কাঁচা মরিচ

এম শফিকুল ইসলাম: বাজারদর সহনীয় পর্যায়ে রাখতে ও সরবরাহ বাড়াতে ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে এক দিনে ৯১ মেট্রিক টন কাঁচা মরিচ আমদানি করা হয়েছে। সোমবার (৪ আগস্ট) ১০টি ট্রাকে করে এ চালান বাংলাদেশে প্রবেশ করে।
ভোমরা কাস্টমস হাউস সূত্র জানায়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পাওয়া ৬টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এ বাণিজ্য পরিচালনা করছে। কাস্টমস কমিশনার মুশফিকুর রহমান জানান, ভোক্তা সুবিধার কথা বিবেচনা করে এবং কৃত্রিম সংকট রোধ করতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। অসাধু উপায়ে দাম বাড়ানোর চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ব্যবসায়ীরা জানান, করহার কমিয়ে বাণিজ্য সহজ করায় পণ্য আমদানি দ্রুত হচ্ছে। বন্দর থেকে দ্রুত সরবরাহ সম্ভব হলে আগামী দুই থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে খুচরা বাজারে কাঁচা মরিচের দাম সহনীয় পর্যায়ে চলে আসবে।

খুলনায় পুলিশ পরিচয়ে ব্যবসায়ী অপহরণ ও ছিনতাই: ৬ জনের ১০ বছরের কারাদন্ড

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৫৩ অপরাহ্ণ
খুলনায় পুলিশ পরিচয়ে ব্যবসায়ী অপহরণ ও ছিনতাই: ৬ জনের ১০ বছরের কারাদন্ড

পত্রদূত ডেস্ক: পুলিশ পরিচয়ে এক ডিম ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে টাকা ও মুঠোফোন ছিনিয়ে নেওয়ার মামলায় ছয় আসামিকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদ- দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে মামলায় জড়িত অপর এক আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) খুলনার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ চতুর্থ আদালতের বিচারক মো. খুরশীদ আলম এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. শাহআলম।
দ-প্রাপ্ত আসামিরা হলেন—মীর সেলিম, মাহাবুবুর রহমান, মো. লিটন দেওয়ান, নাসির গাজী ওরফে কাবিলা, কালাম ঢালী ও শামীম বিশ্বাস। এদের মধ্যে শামীম বিশ্বাসকে দ-বিধির ৪১২ ধারায় অতিরিক্ত ১০ বছরের সশ্রম কারাদ- ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় লিটন দেওয়ান ও নাসির গাজী আদালতে উপস্থিত থাকলেও বাকি আসামিরা পলাতক রয়েছেন।
মামলার বিবরণীতে জানা যায়, ২০২৩ সালের ৪ এপ্রিল রাতে পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনি বাজার থেকে দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে ডিম ব্যবসায়ী মো. রবিউল ইসলামের গতি রোধ করে আসামিরা। তাদের মধ্যে একজন পুলিশের পোশাকে ছিলেন। তারা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভয় দেখিয়ে তাকে মোটরসাইকেলে তুলে অপহরণ করে এবং নগদ এক লাখ টাকা ও মোবাইল কেড়ে নিয়ে ফেলে রেখে যায়। এ ঘটনায় পাইকগাছা থানায় মামলা হলে তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের ৩০ জুলাই সাতজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।