শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩

দেবহাটায় সোনালু বাগান উদ্বোধন করলেন ডিসি কাউসার আজিজ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২০ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় সোনালু বাগান উদ্বোধন করলেন ডিসি কাউসার আজিজ

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার দেবহাটায় ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির আওতায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির আওতায় সোনালু বাগান সৃজন কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) উপজেলার কোমরপুর এলাকায় আয়োজিত এ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিজ কাউসার আজিজ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজায়ন সম্প্রসারণে বেশি বেশি গাছ লাগানোর ওপর জোর দিতে হবে।
তিনি জানান, জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ বছর সাতক্ষীরার প্রতিটি উপজেলায় একটি করে বিশেষ বাগান সৃজন করা হচ্ছে। দেবহাটার পারুলিয়ায় সোনালু গাছের বাগান করা হয়েছে, যা ভবিষ্যতে দৃষ্টিনন্দন ভ্রমণস্থলে পরিণত হতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

আলোচনা সভায় দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিলন সাহার পরিচালনায় বক্তব্য দেন দেবহাটা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক মহিউদ্দিন সিদ্দিকী, পারুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক বাবু।

এসময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মঈনুল ইসলাম মঈন, দেবহাটা উপজেলার সহকরী কমিশনার (ভূমি) চৌধুরী আল মাহামুদ, দেবহাটা উপজেলা কৃষি অফিসার শওকত ওসমান, দেবহাটা থানার ওসি এইচএম শাহিন, দেবহাটা উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা অলিউল ইসলাম, ইউপি সদস্য ফরহাদ হোসেন হিরা, ইউপি সদস্য আব্দুর আলিমসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ।

এদিকে বৃক্ষ রোপণ শেষে আলোচনা সভায় আলোচনা রাখেন জেলা প্রশাসক। এছাড়া কোমরপুর কুমড়াখালি খালের উপর আয়রন ব্রীজ পরিদর্শন করেন।

Ads small one

তোমার হাসি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২২ পূর্বাহ্ণ
তোমার হাসি

 

 

জহুরুল হক জুলু
তোমার হাসি আসে ভোরের সূর্যের মতো,
অন্ধকার ভেঙে আলো হয়ে নামে।
চোখের ভেতর জমে থাকা হাজার কান্না
গলে যায় এক নিমিষেÑ
যেন অদৃশ্য কোনো হাত
নীরবে ছুঁয়ে যায় হৃদয়।

তোমার হাসির শব্দে
শহরের সব কোলাহল যেন থেমে যায়,
এক মুহূর্তের জন্য থেমে থাকে সময়।
অবাক হয়ে আমি ভাবিÑ
কীভাবে সময়কেও তুমি
এত সহজে বন্দি করো!

আমি দেখিÑ
দেয়ালে ঝুলে থাকা পুরোনো ক্যালেন্ডার
হঠাৎ জীবন্ত হয়ে ওঠে।
দিন-তারিখের বিবর্ণ পাতার ভেতর
ফুঁড়ে ওঠে ভবিষ্যতের আলোকরেখা।

ক্লান্ত শরীরে তোমার হাসি
এক ফোঁটা বৃষ্টির মতো,
যেন মরুভূমির তৃষ্ণার মাঝে
হঠাৎ জন্ম নেয় স্বচ্ছ জলধারা।
পাথরের রুক্ষতা মুছে যায়,
মন ভরে ওঠে অচেনা ফুলের গন্ধে।

রাত গভীর হলে
জানালার ওপারে বাতাসের গুঞ্জন,
তবুও শুনি তোমার হাসির প্রতিধ্বনিÑ
যেন ভাঙা কাচে রোদের প্রতিফলন,
টুকরো টুকরো হয়েও
যে আলো ছড়িয়ে দেয় চারদিকে।

তুমি কি জানোÑ
তোমার হাসি শুধু ঠোঁটের বাঁক নয়,
এ যেন এক মহাবিশ্বের ভাষা,
যে ভাষা অচেনাকেও
এক মুহূর্তে করে তোলে আপন।

প্রতিটি শ্বাসে তোমার হাসি শুনি,
প্রতিটি নিঃশ্বাসে মন থমকে যায়।
ব্যস্ত শহরের কোলাহলের মাঝেও
মনে হয়, পৃথিবীর সব পথ
এক মুহূর্তের জন্য
তোমার দিকেই ফিরে যায়।

তোমার হাসিÑ
আমার অন্তহীন যাত্রার মানচিত্র,
ভাঙা আত্মার পুনর্গঠনের স্বপ্ন,
অদৃশ্য গন্তব্যের
একটি নীরব চাবি।

যখন বাতাস হালকা হয়ে আসে,
জলরাশিতে দেখি তোমার প্রতিচ্ছবি।
পথহারা ছায়াগুলো কেঁপে কেঁপে
চুপচাপ যেন বলেÑ
“এখানেই তো তুমি আছ।”

তোমার হাসি স্রোতের মতো,
বাঁকে বাঁকে মুছে দেয় দুঃখ,
নদীর মতো বয়ে চলে
হৃদয়ের গভীর ভেতর,
অজানা গন্তব্যের পথে
আলো ছড়িয়ে যায় নিরন্তর।

সকালের রোদ হোক
অথবা গভীর রাতের নিঃশ্বাস,
তোমার হাসি থেকে যায় জীবন্তÑ
যেন প্রতিটি মুহূর্তকে
নতুন রঙে এঁকে দেয়,
প্রতিটি নিঃশ্বাসে
গড়ে তোলে নতুন সকাল।

তোমার হাসিটা সত্যিই সকালের রোদ,
যা প্রতিদিন মনে করিয়ে দেয়Ñ
অন্ধকার কখনো চিরস্থায়ী নয়।
তোমার হাসির আলোয় ভেসে থাকে
আমার সমস্ত নিঃশ্বাস,
আমার সমস্ত পথ,
আমার ফিরে পাওয়ার সমস্ত সকাল।

নিঃশব্দ অনুরাগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২১ পূর্বাহ্ণ
নিঃশব্দ অনুরাগ

বাপী নাগ
পৃথিবীর কত নৈসর্গিক সৌন্দর্য রয়ে গেল অধরা,
জ্যোৎস্নার সুধা, নীলিমার বিস্তারÑসবই যেন মরীচিকা-ভরা।
আত্মহারা শীতল বাতাস ছুঁয়ে যায় অনন্ত প্রাণ,
তবু তার মিষ্টি পরশে জাগে’নি আমার অব্যক্ত অভিমান।

দূরত্বের অন্তরালে দেখেছি মায়ার গহন আবেশ,
দু”হাত স্পর্শ করা হয়নি, রয়ে গেছে অপূর্ণ রেশ।
নয়নের নীরব ক্যানভাসে আঁকি তার প্রতিচ্ছবি,
অলক্ষ্যে হৃদয় জুড়ে বাজে এক অশ্রুত রাগিণী।

আমি এক নির্বোধ পথিক, অধরাকে ছুঁতে চাই বারংবার,
অপ্রাপ্যের মায়াবী মোহে হারাই নিজেকে অনিবার।
আমার সুখের সংজ্ঞাটি যে অদ্ভুত, অচেনা তার ভাষা,
সে নিজেও জানে নাÑতবু তাকে ঘিরেই আমার প্রত্যাশা।

দুই নয়নের অন্তঃপুরে তারই কল্পিত ছবি জাগে,
নিঃশব্দ অনুরাগ এসে অব্যক্ত স্বপ্নের অনুরাগে।
দুটি হাতের উষ্ণতা আজন্মের এক আসা জাগায়।
স্পর্শহীন সেই আকাক্সক্ষাই বয়ে বেড়াই নিশিদিন নিরুপায়।

কিছু অনুভব উচ্চারিত হয় না, থাকে নীরবতার অন্তরালে,
কিছু মায়া স্পর্শহীন থেকেও হৃদয়ের গভীরতম কুঠুরিতে জ্বলে।
অধরা বলেই হয়তো সে এত আপন, এত চিরন্তন,
দুটি হাত ছোঁয়া হয়নি কখনোÑতবু সে-ই আমার অনির্বচনীয় স্পন্দন।

শপথ ভঙ্গ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২১ পূর্বাহ্ণ
শপথ ভঙ্গ

মহসিন আলম মুহিন
দায়িত্ব নিয়ে শপথ করেও-ভুলে যায় সেই গদ,
রাগের মাথায় শপথ করেও-হারায় যেন পথ।

ধর্মের নামে শপথ করে-অধর্মে যে পথ চলা,
শপথ করে ভেঙে চুরমার-কেমন ছলাকলা।

গদিত বসে অংক কষে-লাভের ঘাটতি হলে,
শপথের বারোটা বাজায় কলা আর কৌশলে।

সংসারে’ ঝুট ঝামেলায় চলবে না আর গতি,
পাক্কা শপথ করেও ভাঙে-খাটে না সু’নীতি।

দরবারে’ শপথ করে মানবে বিচার-রায় মানবে,
দরবার শেষে রায় মাননি না-এমন কথাই বলবে।

কাঠগড়াতে দাঁড়িয়ে বলে, সদা সত্য কথাই বলবো,
জেরার সময় উল্টো গীত’ শপথ ভেঙেই চলবো।
শিক্ষাঙ্গনের কর্মকর্তারা-শিক্ষা দেবেন ভালো,
এমন শপথ করেও ভাঙে-নামায় সেথায় কালো।
সরকারি কর্মকর্তা’ দেশের প্রাণ, দেশের বড় গর্ব,
এরাও ‘নেতার সাথে তাল মিলিয়ে শপথ করে খর্ব।

শপথ ভাঙ্গা, খুবই খারাপ-অন্যায় কাজের ধারা,
একবারও ভাবেনা মন, আছে এর কাফফারা।

সবাই নিয়ম-নীতি মানি, শপথ রাখি সচল,
সবকিছু’ চলবে ভালো-হবে না কিছুই অচল।