শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

প্রাথমিকে ১৪,৩৮৪ সহকারী শিক্ষক নিয়োগ চূড়ান্তের নির্দেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ১:২২ পূর্বাহ্ণ
প্রাথমিকে ১৪,৩৮৪ সহকারী শিক্ষক নিয়োগ চূড়ান্তের নির্দেশ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীর চূড়ান্ত নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

বুধবার (৩ জুন) মন্ত্রণালয়ের উপসচিব রাজীব কুমার সরকার স্বাক্ষরিত বিদ্যালয়-২ শাখা থেকে জারি করা স্মারকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়, চূড়ান্ত নিয়োগের আগে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের পুলিশি তদন্তের মাধ্যমে পূর্ব কার্যকলাপ এবং জমা দেওয়া কাগজপত্র ও ডকুমেন্টসের সত্যতা যাচাই করতে হবে।

নিয়োগের জন্য নির্বাচিত প্রার্থীদের সম্পর্কে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) প্রতিবেদন সংগ্রহ করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পদায়নের আগে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে (পিটিআই) দুই মাস মেয়াদি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে। পুলিশি তদন্ত, এনএসআই প্রতিবেদন এবং দুই মাসের প্রশিক্ষণ সন্তোষজনক হওয়া সাপেক্ষে নিয়োগপ্রাপ্তদের চাকরিতে যোগদান করানো হবে।

তবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা-২০২৫ এর সব শর্ত পূরণ সাপেক্ষে চাকরির দুই বছর পর তাদের স্থায়ীকরণ করা হবে।

Ads small one

তালায় গোবরের গর্তের পানিতে পড়ে দুই বছরের শিশুর মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৪৫ অপরাহ্ণ
তালায় গোবরের গর্তের পানিতে পড়ে দুই বছরের শিশুর মৃত্যু

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরার তালা উপজেলার আলাদীপুর গ্রামে বাড়ির পাশের গোবরের গর্তের পানিতে পড়ে স্বাক্ষর শীল নামে দুই বছর বয়সী এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় পরিবার ও এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নিহত স্বাক্ষর শীল মিঠুন শীলের সন্তান। বাড়ির পাশের গোবরের গর্তের পানিতে পড়ে শিশুটির মৃত্যু হয় বলে জানা গেছে। শিশুটির আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবারে শোকের মাতম চলছে। এ ঘটনায় শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এ মর্মান্তিক ঘটনা শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার গুরুত্ব আবারও স্মরণ করিয়ে দিয়েছে। বাড়ির আশপাশের পুকুর, গর্ত ও পানিভর্তি স্থান নিরাপদ রাখা এবং শিশুদের প্রতি বাড়তি নজর দেওয়া জরুরি।

কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা: সৌভাগ্যের আরাধনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৩৩ অপরাহ্ণ
কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা: সৌভাগ্যের আরাধনা

সচ্চিদানন্দ দে সদয়

দুর্গাপূজার ঢাক থেমেছে, প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে উৎসবের উচ্ছ্বাস। বিদায়ের বিষাদ কাটতে না কাটতেই বাঙালির ঘরে ঘরে আসে আরেক উৎসব—কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা। অন্ন, সৌভাগ্য ও সমৃদ্ধির প্রতীক দেবী লক্ষ্মীর আরাধনায় জ্বলে ওঠে প্রদীপ, উঠানে আঁকা হয় আলপনা। তবে লক্ষ্মী কি কেবল ধনসম্পদের দেবী? যে সমাজে কৃষক ফসলের ন্যায্য দাম পান না, শ্রমজীবী মানুষ সংসার চালাতে হিমশিম খান, সেখানে লক্ষ্মী আরাধনার প্রকৃত তাৎপর্য কোথায়? এই প্রশ্ন সামনে রেখেই ফিরে আসে কোজাগরী পূর্ণিমা।

আশ্বিন মাসের পূর্ণিমা তিথিতে পালিত হয় কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা। ‘কোজাগরী’ শব্দের অর্থ ‘কে জেগে আছ?’ প্রচলিত হিন্দু ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এ রাতে দেবী লক্ষ্মী মর্ত্যে নেমে ভক্তদের খোঁজ নেন। যাঁরা জেগে থেকে তাঁর আরাধনা করেন, তাঁদের গৃহে দেবীর আশীর্বাদ আসে বলে বিশ্বাস করা হয়। ধন, সম্পদ, সৌভাগ্য ও সমৃদ্ধির প্রতীক দেবী লক্ষ্মীর পূজা বাংলার বহু পরিবারে প্রতি বৃহস্পতিবারও করা হয়।

দুর্গাপূজা যেখানে সর্বজনীন উৎসবের আবহে মানুষকে একত্র করে, সেখানে লক্ষ্মীপূজার প্রধান আয়োজন হয় ঘরে ঘরে। পরিবারের সদস্যরা একসঙ্গে পূজার প্রস্তুতি নেন, আলপনা আঁকেন, প্রদীপ জ্বালান এবং ভোগ নিবেদন করেন। অঞ্চল ও পারিবারিক রীতিভেদে খিচুড়ি, লুচি, পায়েস, নারকেলের নাড়ু, ফলমূল ও নানা মিষ্টির আয়োজন করা হয়। এসব আচার শুধু ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রকাশ নয়; পারিবারিক বন্ধন ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ধরে রাখারও মাধ্যম।

দেবী লক্ষ্মীর সঙ্গে বাংলার কৃষিজীবনের সম্পর্ক গভীর। প্রাচীন বাংলার অর্থনীতি ছিল কৃষিনির্ভর। ধান ও খাদ্যশস্য ছিল মানুষের জীবন ও জীবিকার প্রধান অবলম্বন। তাই গোলাভরা ধানকে সচ্ছলতা ও নিরাপত্তার প্রতীক হিসেবে দেখা হতো। লক্ষ্মীর পায়ের ছাপ, ধানের শিষ ও শস্যের ছবি দিয়ে আলপনা আঁকার রীতিতেও সেই ঐতিহ্যের প্রতিফলন রয়েছে। কোথাও মাটির সরা বা পটচিত্রে দেবীর প্রতীক স্থাপন করা হয়, আবার কোথাও সপ্ততরী সাজিয়ে পূজার আয়োজন করা হয়। এসব লোকজ উপকরণ বাংলার শিল্প, কৃষি ও সংস্কৃতির সঙ্গে ধর্মীয় বিশ্বাসের নিবিড় সম্পর্ক তুলে ধরে।

দেবী লক্ষ্মীর বাহন পেঁচাও প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের সম্পর্কের প্রতীক। পেঁচা ইঁদুর খেয়ে শস্যের ক্ষতি কমাতে সাহায্য করে। কৃষিজীবনের এই বাস্তব অভিজ্ঞতা ধর্মীয় কল্পনার সঙ্গে মিশে পেঁচাকে দেবীর বাহন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এর মধ্য দিয়ে প্রকৃতি, জীববৈচিত্র্য ও মানুষের জীবনযাত্রার পারস্পরিক নির্ভরতার কথাও স্মরণ করা যায়।

তবে ‘কে জেগে আছ’—এই প্রশ্নের সামাজিক তাৎপর্যও রয়েছে। আমরা কি সমাজের দরিদ্র, অসহায় ও বঞ্চিত মানুষের কষ্ট সম্পর্কে সচেতন? তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য কি আমরা জেগে আছি? পূজার রাতে প্রদীপ জ্বালানোর পাশাপাশি সমাজের অন্ধকার দূর করার অঙ্গীকারও জরুরি।

আজ কৃষক উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি ও বাজারের অনিশ্চয়তায় সংকটে পড়েন। অথচ তাঁদের শ্রমেই ঘরে ঘরে অন্ন পৌঁছায়। যাঁদের শ্রমে খাদ্য উৎপাদিত হয়, তাঁদের জীবন অনিশ্চিত থাকলে সমৃদ্ধির ধারণা পূর্ণতা পায় না। তাই লক্ষ্মীপূজার শিক্ষা হতে পারে কৃষকের শ্রমের মর্যাদা দেওয়া, খাদ্যের অপচয় বন্ধ করা এবং উৎপাদককে তাঁর ফসলের ন্যায্য মূল্য দেওয়ার দাবি জোরালো করা। যে সমাজে খাদ্য নষ্ট হয়, অথচ মানুষ অনাহারে থাকে, সেখানে অন্নের প্রতি শ্রদ্ধা ও সামাজিক ন্যায়বোধের প্রয়োজন আরও বেশি।

লক্ষ্মীকে সৌভাগ্যের প্রতীক বলা হলেও সৌভাগ্য কেবল টাকা-পয়সা, সোনা-গয়না কিংবা বিলাসী জীবনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। পরিবারের সুস্থতা, শান্তি, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সৎ উপার্জন ও নিরাপদ জীবনও সমৃদ্ধির অংশ। একইভাবে জাতীয় আয় বাড়লেই সবার জীবনমান উন্নত হয় না। সম্পদের সুষম বণ্টন ও ন্যায্য সুযোগ নিশ্চিত না হলে প্রকৃত সমৃদ্ধি অর্জন সম্ভব নয়।

মানুষের সামর্থ্য অনুযায়ী অসহায় প্রতিবেশীর পাশে দাঁড়ানো, ক্ষুধার্তকে খাবার দেওয়া, সৎ পথে উপার্জন করা এবং অন্যের অধিকার রক্ষা করা মানবিক সমৃদ্ধির পরিচয়। ধর্মীয় আচার তখনই জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত হয়, যখন তা মানুষের আচরণে ইতিবাচক পরিবর্তন আনে।

দুর্গাপূজা আমাদের শুভশক্তির জয় ও সম্প্রীতির বার্তা দেয়। অন্যদিকে কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা মনে করিয়ে দেয় অন্ন, শান্তি ও সমৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা। তাই এ উৎসব শুধু বাহ্যিক আড়ম্বরের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে দরিদ্র মানুষের মুখে খাবার তুলে দেওয়া, অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ানো, খাদ্য অপচয় রোধ এবং কৃষকের শ্রমের মর্যাদা প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকারে পরিণত করা প্রয়োজন।

কোজাগরী পূর্ণিমার চাঁদ যখন বাংলার আকাশ আলোকিত করে, তখন ঘরে ঘরে জ্বলে ওঠা প্রদীপ আমাদের মনে করিয়ে দিক—প্রকৃত সৌভাগ্য শুধু ব্যক্তিগত সম্পদে নয়; মানুষের মর্যাদা, নিরাপত্তা, শান্তি ও পারস্পরিক সহযোগিতার মধ্যেও নিহিত। দেবী লক্ষ্মীর কাছে প্রার্থনা, প্রতিটি ঘরে থাকুক অন্ন, প্রতিটি পরিবারে আসুক শান্তি, কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষ পান তাঁদের শ্রমের ন্যায্য মূল্য এবং সমাজ থেকে দূর হোক অভাব, বঞ্চনা ও বৈষম্য।

কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা হয়ে উঠুক সৌভাগ্যের আরাধনার পাশাপাশি মানবিকতা, সৎ জীবন ও বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার প্রত্যয়।

লেখক: সংবাদকর্মী, আশাশুনি, সাতক্ষীরা

বিশ্ব বামনত্ব সচেতনতা দিবস: বামনরাও সমমর্যাদার মানুষ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১৯ অপরাহ্ণ
বিশ্ব বামনত্ব সচেতনতা দিবস: বামনরাও সমমর্যাদার মানুষ

সাকিবুর রহমান বাবলা

২৫ অক্টোবর বিশ্ব বামনত্ব সচেতনতা দিবস। বামনত্ব সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টি, খর্বাকৃতির মানুষের অধিকার রক্ষা এবং সমাজে তাঁদের মর্যাদা ও অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করাই এ দিবসের মূল লক্ষ্য। শারীরিক উচ্চতা কখনোই মানুষের মেধা, যোগ্যতা কিংবা মানবিক মূল্যবোধের মাপকাঠি হতে পারে না। অথচ ভুল ধারণা, উপহাস ও বৈষম্যের কারণে খর্বাকৃতির অনেক মানুষকে প্রতিনিয়ত সামাজিক প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হতে হয়।

দিবসটির সূচনা হয় ২০১২ সালে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংগঠন ‘লিটল পিপল অব আমেরিকা’র উদ্যোগে। ১৯২৪ সালের ২৫ অক্টোবর জন্মগ্রহণকারী খর্বাকৃতির মার্কিন অভিনেতা বিলি বার্টির স্মরণে দিনটি বেছে নেওয়া হয়। ১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত তাঁর সংগঠনটি খর্বাকৃতির মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

চিকিৎসাবিজ্ঞানে বামনত্ব বলতে সাধারণত প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের উচ্চতা ৪ ফুট ১০ ইঞ্চি বা ১৪৭ সেন্টিমিটার কিংবা তার কম হওয়ার অবস্থাকে বোঝায়। এর অন্যতম পরিচিত কারণ অ্যাকোন্ড্রোপ্লাসিয়া, যা জিনগত পরিবর্তনের ফলে ঘটে। এ ছাড়া হরমোনের ঘাটতি, কিছু দীর্ঘস্থায়ী রোগ ও পুষ্টিহীনতার কারণেও শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হতে পারে। তাই শিশুর বৃদ্ধির হার অস্বাভাবিক মনে হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

বামনত্বের বিভিন্ন ধরন ও সংশ্লিষ্ট জটিলতা মোকাবিলায় আধুনিক চিকিৎসায় অগ্রগতি হয়েছে। হরমোনের ঘাটতি থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শে হরমোন প্রতিস্থাপন করা হয়। অ্যাকোন্ড্রোপ্লাসিয়ায় আক্রান্ত নির্দিষ্ট বয়সের শিশুদের জন্যও বিশেষ ওষুধ রয়েছে, যা হাড়ের বৃদ্ধিতে সহায়তা করতে পারে। রোগের ধরন অনুযায়ী ফিজিওথেরাপি, অস্ত্রোপচার ও অন্যান্য চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে। তবে চিকিৎসার ধরন ও প্রাপ্যতা রোগীর অবস্থা এবং দেশের চিকিৎসাব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল।

এ দিবসের অন্যতম তাৎপর্য হলো খর্বাকৃতির মানুষের জন্য সমান অধিকার ও সুযোগ নিশ্চিত করা। শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে তাঁদের যোগ্যতা ও দক্ষতাকে প্রাধান্য দিতে হবে। পাশাপাশি বিদ্যালয়, কর্মক্ষেত্র, গণপরিবহন ও সরকারি স্থাপনায় তাঁদের উপযোগী অবকাঠামো নিশ্চিত করা জরুরি। উপহাস, বুলিং ও বৈষম্য বন্ধে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজকে আরও সচেতন হতে হবে।

বাংলাদেশে ‘প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন, ২০১৩’-এর আওতায় বামনত্বের কারণে প্রতিবন্ধিতার স্বীকৃতিযোগ্য অবস্থা থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষার বিষয়টি বিবেচিত হয়। তাঁদের জন্য চিকিৎসাসেবা, উপযোগী পরিবেশ, কর্মসংস্থান ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র ও সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

বামনত্ব কোনো অভিশাপ নয়, এটি একটি শারীরিক অবস্থা। খর্বাকৃতির মানুষ করুণা বা দয়ার পাত্র নন; তাঁরা সমান অধিকার ও মর্যাদার অধিকারী। শারীরিক উচ্চতা নয়, মানুষের মেধা, যোগ্যতা ও মানবিকতাই হোক মূল্যায়নের প্রকৃত মানদণ্ড। বিশ্ব বামনত্ব সচেতনতা দিবসে বৈষম্যহীন ও মানবিক সমাজ গড়ার অঙ্গীকার হোক সবার।