শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩

বজ্রাঘাতে একদিনে আরও ১৩ জনের মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৮ পূর্বাহ্ণ
বজ্রাঘাতে একদিনে আরও ১৩ জনের মৃত্যু

চলমান ঝড়বৃষ্টির মধ্যে নয় জেলায় বজ্রাঘাতে অন্তত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত এসব প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে পটুয়াখালীতে চার জন, জামালপুরে দুজন, গাজীপুরে একজন, ময়মনসিংহে একজন, রংপুরে একজন, শরীয়তপুরে একজন, বরগুনায় একজন, রাজবাড়ীতে একজন ও বাগেরহাটে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

পটুয়াখালী: বজ্রাঘাতে এক নারীসহ চার জনের মৃত্যু হয়েছে। কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালী উপজেলায় এ চার জনের মৃত্যু হয়। তারা সবাই কৃষিকাজে জড়িত। ঘটনার সময় খোলা মাঠে অবস্থান করেছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুর ১টার দিকে কলাপাড়া উপজেলার তারিকাটা গ্রামে ভুট্টাক্ষেতে কাজ করার সময় জহির উদ্দিনের (২৮), দুপুর ২টার দিকে মাঠে গরুকে ঘাস খাওয়াতে যাওয়ার সময় পূর্ব চাকামাইয়া গ্রামের সেতারা বেগমের (৫৫), একই সময় মাঠ থেকে গরু নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে শান্তিপুর গ্রামের খালেক হাওলাদারের (৫৫) এবং সকাল ৯টার দিকে মাঠ থেকে গরু আনতে গিয়ে রাঙ্গাবালী উপজেলার চরগঙ্গা গ্রামের সৌরভ মজুমদারের (২২) মৃত্যু হয়। রাঙ্গাবালী থানার ওসি মো. জসিম উদ্দিন ও কলাপাড়া থানার ওসি নজরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জামালপুর: ইসলামপুর উপজেলায় পৃথক স্থানে বজ্রাঘাতে শামীম মিয়া (৩৭) ও সাগর ইসলাম (১৮) নামে দুই জনের মৃত্যু হয়। দুপুরে উপজেলার গাইবান্ধা ও সাপধরী ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।

শামীম মিয়া গাইবান্ধা ইউনিয়নের মরাকান্দি উত্তর বাড়ি গ্রামের মোহাম্মদ আলী মেম্বারের ছেলে। আর সাগর ইসলাম দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার চিনিয়াপাড়া এলাকার স্বাধীনের ছেলে। শামীম মিয়া নদীতে মাছ ধরতে যান। এ সময় হঠাৎ বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রাঘাত শুরু হলে ঘটনাস্থলেই মারা যান। অপরদিকে উপজেলার সাপধরী ইউনিয়নের ইন্দুল্লামারী এলাকায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) আওতায় একটি পাকা সড়কের নির্মাণকাজে কয়েকজন শ্রমিক একসঙ্গে কাজ করা অবস্থায় বজ্রাঘাত শুরু হলে অন্যরা দ্রুত সরে এলেও সাগর ইসলাম কিছুটা পেছনে পড়ে যান। ঠিক তখনই বজ্রাঘাত হয়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। ইসলামপুর থানার ওসি আব্দুল কাইয়ুম গাজী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গাজীপুর: কালীগঞ্জে জাকির হোসেন খান (৩২) নামের এক যুবক বজ্রাঘাতে প্রাণ হারিয়েছেন। সকালে উপজেলার জাঙ্গালিয়া ইউনিয়নের বরাইয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত জাকির উপজেলার জাঙ্গালিয়া ইউনিয়নের বারাইয়া গ্রামের সুলতান খানের ছেলে। কালীগঞ্জ থানার ওসি জাকির হোসেন বিষয়টি জানান।

ময়মনসিংহ: তারাকান্দায় মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রাঘাতে এক যুবক মারা গেছেন। নিহত যুবকের নাম সাদ্দাম হোসেন (৩২)। তিনি তারকান্দা উপজেলার গালাগাঁও ইউনিয়নের গাবরগাতি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর ছেলে। বাড়ির অদূরে রাংসা নদীতে সকাল ৭টার দিকে মাছ ধরতে যান সাদ্দাম। বৃষ্টি ও বজ্রাঘাতের সময় ঘটনাস্থলেই মারা যান। তারাকান্দা থানার ওসি তানবীর আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রংপুর: তারাগঞ্জে বজ্রাঘাতে মারা গেছেন সাহেরা বেগম (৫০) নামের এক নারী। তার একটি গরু বাড়ির উঠানে আমগাছে বাঁধা ছিল। বেলা ১১টার দিকে বৃষ্টি শুরু হলে সেই গরু গোয়ালে নিতে বের হন। গরুটি আনতে গিয়ে বজ্রাপাতে মারা যান। সাহেরার বাড়ি তারাগঞ্জ উপজেলার সয়ার ইউনিয়নের কাজীপাড়া গ্রামে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সয়ার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আল-ইবাদত হোসেন।

শরীয়তপুর: নড়িয়া উপজেলায় বজ্রাঘাতে রাজিব শেখ (৩২) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। উপজেলার জপসা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মাইজপাড়ায় তার বাড়ি। তিনি পেশায় জেলে ও কৃষক ছিলেন।
জপসা ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য দুলাল মকদম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বরগুনা: আমতলীতে বজ্রাঘাতে নুর জামাল (৫৪) নামেন এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। তার বাড়ি উপজেলার পুজাখোলা গ্রামে। পেশায় কৃষক নুরুজামাল দুপুরে মাঠে বৃষ্টির পানিতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রাঘাতে ঘটনাস্থলে মারা যান। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী বিষয়টি জানিয়েছেন।

রাজবাড়ী: সদর উপজেলায় বজ্রাঘাতে সুমন মণ্ডল (৩৪) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। এ সময় তার কোলে থাকা সাড়ে তিন বছরের মেয়ে ছিটকে পড়ে প্রাণে বেঁচে গেছে। সকাল সাড়ে ৬টার দিকে সদর উপজেলার মিজানপুর ইউনিয়নের মজ্জৎকোল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সুমন মণ্ডল সদর উপজেলার মজ্জৎকোল গ্রামের সিদ্দিক মন্ডলের ছেলে। তিনি আগে রাজবাড়ীর সাগর অ্যাগ্রো মিলে শ্রমিকের কাজ করতেন। সম্প্রতি চাকরি ছেড়ে বাড়িতে ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে আকাশে মেঘের ঘনঘটা ছিল। সুমন তার সাড়ে তিন বছর বয়সী মেয়ে সাফিয়াকে কোলে নিয়ে বাড়ির পাশের একটি মুদি দোকানের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে হঠাৎ বজ্রাঘাত হলে শিশুটি কোল থেকে ছিটকে দূরে পড়ে যায় এবং সুমন ঘটনাস্থলেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্বজনরা সুমনকে উদ্ধার করে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে নিলে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স রওশনয়ারা আক্তার জানান, সকাল ৭টার দিকে সুমনকে হাসপাতালে আনা হয়। তার সঙ্গে ওই শিশুকেও আনা হয়েছিল। সুমন মারা গেছেন। শিশুটিকে সুস্থ আছে।

বাগেরহাট: সদর উপজেলার সরকারডাঙ্গা গ্রামে বিকালে মাঠ থেকে গরু আনতে গিয়ে বজ্রাঘাতে রবিন হাওলাদার (৫৩) নামের এক দিনমজুর মারা গেছেন। তিনি ওই গ্রামের জগদীশ হাওলাদারের ছেলে। তার এক স্ত্রী ও দুই ছেলে রয়েছে। বাগেরহাট মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম বিষয়টি জানান।

এর আগে ২৭ এপ্রিল সুনামগঞ্জ ও নেত্রকোনায় পৃথক বজ্রাঘাতে ছয় জনের মৃত্যু হয়েছিল। এ সময় আহত হয়েছেন আরও তিন জন। তার আগের দিন ২৬ এপ্রিল সাত জেলায় বজ্রাঘাতে অন্তত ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এর মধ্যে গাইবান্ধায় পাঁচ জন, ঠাকুরগাঁও, সিরাজগঞ্জ ও জামালপুরে দুজন করে এবং পঞ্চগড়, বগুড়া ও নাটোরে একজনের মৃত্যু হয়।

Ads small one

চেন্নাইয়ের মালিক হতে চেয়েছিলেন ধোনি? জানুন আসল ঘটনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:১৩ অপরাহ্ণ
চেন্নাইয়ের মালিক হতে চেয়েছিলেন ধোনি? জানুন আসল ঘটনা

চেন্নাই সুপার কিংসের (সিএসকে) মালিকানায় অংশীদারিত্ব কিনতে চেয়েছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি- সম্প্রতি এমন খবর ছড়িয়ে পড়েছিল। একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ভারতের সাবেক অধিনায়ক চেন্নাইয়ের শেয়ার কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। তবে তার প্রস্তাবিত শর্তে রাজি হয়নি ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।

অবশ্য এমন খবর প্রকাশের পর সেসব দাবিকে সরাসরি নাকচ করেছে চেন্নাই। সিএসকের এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এ বিষয়ে ধোনির সঙ্গে তাদের কোনো আলোচনাই হয়নি। ওই কর্মকর্তা বলেছেন, ‘এমএস (ধোনি) কখনো আমাদের এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করেননি। আমরা বিষয়টি নিয়ে কখনো আলোচনা করিনি। শ্রীনিবাসনের সঙ্গে তিনি এ বিষয়ে কথা বলেছেন, এমন কোনো তথ্যও আমাদের কাছে নেই।’

তবে সিএসকের সঙ্গে ধোনির কোনো শেয়ারের সম্পর্ক নেই- বিষয়টি এমন নয়। চেন্নাই থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, শেয়ার কেনার সুযোগ থাকাকালে কিছু শেয়ার কিনেছিলেন সাবেক এই অধিনায়ক।

সিএসকে একটি তালিকাভুক্ত কোম্পানি নয়। ফলে এর শেয়ার সাধারণ শেয়ারবাজারে কেনাবেচা হয় না। তবে ব্যক্তিগতভাবে বা অফ-মার্কেট লেনদেনের মাধ্যমে এসব শেয়ার কেনা সম্ভব।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ধোনির হাতে এক লাখের বেশি সিএসকে শেয়ার রয়েছে। তবে ফ্র্যাঞ্চাইজিটির মোট শেয়ার কাঠামোর তুলনায় এটি খুবই সামান্য অংশ। জনসাধারণের হাতে রয়েছে ৩০ কোটির বেশি শেয়ার, যা ফ্র্যাঞ্চাইজিটির মোট শেয়ার মূলধনের প্রায় ৪০ শতাংশ। ফলে ধোনির এক লাখের বেশি শেয়ার পাবলিক শেয়ারহোল্ডিংয়েরও খুব ছোট একটি অংশ।

অন্যদিকে সিএসকের নিয়ন্ত্রণমূলক মালিকানা রয়েছে শ্রীনিবাসন পরিবারের হাতে। তাদের হাতে ফ্র্যাঞ্চাইজিটির ৫৫ শতাংশের বেশি শেয়ার রয়েছে।

বর্তমান আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজির বাজারমূল্য বিবেচনায় ধোনির হাতে থাকা শেয়ারের মূল্যও খুব বেশি নয়। সর্বশেষ একটি আইপিএল দল ১৬ হাজার ৬০০ কোটি রুপির বেশি দামে বিক্রি হয়েছে। সেই মূল্যায়ন ধরে ধোনির শেয়ারের আনুমানিক মূল্য হতে পারে ২ কোটি ৬০ লাখ থেকে ৩ কোটি রুপি।

অবশ্য ধোনির ২১ বছরের ক্রিকেট ক্যারিয়ার, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ও আইপিএল থেকে আয় এবং বিজ্ঞাপন থেকে পাওয়া বিপুল অর্থের তুলনায় এই অঙ্ক বেশ সামান্য। ধোনিকে বিশ্বের অন্যতম ধনী ক্রিকেটার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তার আনুমানিক সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি রুপি।

ডেঙ্গুতে ২ জনের মৃত্যু, নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি ৭৯০

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:১২ অপরাহ্ণ
ডেঙ্গুতে ২ জনের মৃত্যু, নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি ৭৯০

সারা দেশে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭৯০ জন।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় নতুন ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৩৭২ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৭৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৯৬ জন, খুলনা বিভাগে ৬০ জন, রংপুর বিভাগে ৩৮ জন, রাজশাহী বিভাগে ৩৩ জন এবং বরিশাল বিভাগের ১৮ জন। তবে এই সময়ে সিলেট বিভাগে নতুন করে কেউ আক্রান্ত হয়নি।

আরও জানানো হয়, চলতি বছরের শুরু থেকে আজকে পর্যন্ত সারা দেশে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪৯ হাজার ২২০ জন। এদের মধ্যে ৪৫ হাজার ৬৪৫ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। আর বর্তমানে হাসপাতালে ৩ হাজার ৪৩৪ জন চিকিৎসাধীন আছেন। এছাড়া এই সময়ের মধ্যে মারা গেছেন ১৪১ জন।

কানাডায় ববিতার ৩৬ ঘণ্টার সড়ক ভ্রমণ, সঙ্গে ছিলেন রাজ্জাকের ছেলে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:১১ অপরাহ্ণ
কানাডায় ববিতার ৩৬ ঘণ্টার সড়ক ভ্রমণ, সঙ্গে ছিলেন রাজ্জাকের ছেলে

কানাডায় ছেলে অনীকের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন চিত্রনায়িকা ববিতা। এর মধ্যে নায়ক রাজ্জাকের ছেলে বাপ্পী ও তার পরিবারের সঙ্গেও বেশ কিছুটা সময় কাটানোর সুযোগ হয়েছে তার।

ঘরোয়া আড্ডার পাশাপাশি বাপ্পীর সঙ্গে ৩৬ ঘণ্টার দীর্ঘ সড়ক ভ্রমণও করেছেন এই অভিনেত্রী।

ববিতা জানান, বাপ্পী ১৮ ঘণ্টা গাড়ি চালিয়ে তাকে নিয়ে কুইবেকে যান। সেখানে ঘোরাঘুরির পর তারা যান গেসপারে। একদিকে সমুদ্র, অন্যদিকে পাহাড়—প্রকৃতির এমন বৈচিত্র্য মুগ্ধ করেছে তাকে। পরে আরও ১৮ ঘণ্টার পথ পাড়ি দিয়ে তারা ফিরে আসেন।

এই দীর্ঘ যাত্রায় গল্প, স্মৃতি আর আনন্দে কেটেছে সময়। ববিতা বলেন, ‘সমুদ্রের ঢেউয়ের শব্দ এখনও কানে বাজে। সমুদ্রের কাছে প্রচণ্ড ঠান্ডা ছিল। তারপরও সবাই মিলে খুব উপভোগ করেছি। যেতে যেতে কত গল্প করেছি, ফেরার সময়ও গল্প করতে করতে ফিরেছি।’

 

বাপ্পীর সঙ্গে ববিতার সম্পর্ক দীর্ঘদিনের পারিবারিক। প্রতিবছর কানাডায় যাওয়ার আগে বাপ্পী তাকে ফোন করে জানতে চান কবে আসছেন। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

বাপ্পীর দুই সন্তান দাদাভাই রাজ্জাককে নিয়ে নানা গল্প শুনতে আগ্রহী। তাদের সঙ্গে আড্ডায় পুরোনো দিনের স্মৃতিচারণ করেন ববিতা। রাজ্জাকের বিপরীতে অভিনয় এবং তার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের সিনেমায় কাজের অভিজ্ঞতাও ভাগ করে নেন তিনি।

বাপ্পীর বাসায় কয়েক দিন কাটিয়ে আবার ছেলে অনীকের কাছে ফিরবেন ববিতা। নভেম্বরে দেশে ফেরার আশা করছেন এই অভিনেত্রী।