শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩

বীর মুক্তিযোদ্ধা স.ম আলাউদ্দীন ছিলেন আধুনিক সাতক্ষীরার রূপকার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ জুলাই, ২০১২, ১০:৫৫ পূর্বাহ্ণ
বীর মুক্তিযোদ্ধা স.ম আলাউদ্দীন ছিলেন আধুনিক সাতক্ষীরার রূপকার

মুজিবর রহমান : বীর মুক্তিযোদ্ধা জননেতা স.ম আলাউদ্দীন ছিলেন সাতক্ষীরার রূপকার। তিনি সাতক্ষীরার সার্বিক উন্নায়নে আমৃত্য লড়াই করে গেছেন। অন্যায়কে কখন প্রশ্রয় দেন নি। তিনি আজীবন গরীব দুঃখী মেহনতী মানুষের জন্য সংগ্রাম করে গেছেন। প্রথিমধ্যে ঘাতকের একটি তাজা বুলেট কেড়ে নিল সেই মানুষটিকে। আর নিভে গেল সাতক্ষীরার উন্নায়নের সেই জীবন প্রদিপ। যার জন্ম ১৯৪৫ সালের ২৯শে আগষ্ট। তালা উপজেলার নগরঘাটা ইউনিয়নে মিঠাবাড়ী গ্রামে তার বাড়ি। পিতা-মরহুম সৈয়দ আলী সরদার। স.ম আলাউদ্দীন  ১৯৬২ সালে এস,এস,সি ১৯৬৪ এইচ, এস, সি এবং ১৯৬৭ সালে খুলনা বিএল কলেজ থেকে বিএ ও ১৯৭৫ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম এ পাস করেন। ১৯৬৭ সালের প্রথম দিকে তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন এবং পরবর্তীতে আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে তালা কলারোয়া নির্বাচনী এলাকা থেকে প্রাদেশিক সদস্য নির্বাচীত হন। এরপর কয়েক বার তালা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সহ বিভিন্ন পদে অধিষ্টিত হন। বর্নাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে একাধিক বার কারা বরণ করেন। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনি অংশ গ্রহণ করেন এবং দেশের স্বাধীনতা রক্ষার্থে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। তালার জালালপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষাগতার মধ্যে দিয়ে তিনি কর্মজীবন শুরু করেন। এরপর পাটকেলঘাটা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়েও তিনি কিছুদিন শিক্ষাগতা করেন। তিনি ছিলেন সমাজসেবক গরীব দুঃখি মেহনতী মানুষের অকৃতিম বন্ধু। মৃত্যুর ২বছর পূর্বে খুলনা সাতক্ষীরা মহাসড়কের কাপাসডাঙ্গা নামক স্থানে আলাউদ্দীন ফুডস্ এন্ড কেমিক্যাল নামক একটি বিস্কুট ফ্যাক্টারী প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি বঙ্গবন্ধু পেশা ভিত্তিক স্কুল এন্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা এবং অধ্যাক্ষ ছিলেন। এছাড়া সাতক্ষীরা চেম্বার অব কমার্সের প্রতিষ্ঠাতা  সভাপতি ভোমরা স্থাল বন্দর ব্যাবহারকারী সমিতির সভাপতি। সাতক্ষীরা জেলা ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি, মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদের সভাপতি, ঘাতক দালাল নিমূল কমিটির সাতক্ষীরা জেলা সভাপতি, সাতক্ষীরা উন্নায়ন সংগ্রাম সমন্নয় কমিটির সভাপতি সহ অশংখ সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে তিনি যুক্ত ছিলেন। তিনি ছিলেন সাতক্ষীরার নিরপেক্ষ দৈনিক পত্রদূতের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক। ১৯৯৬সালে ১৯শে জুন সাতক্ষীরার নিজ পত্রিকা অফিসে কর্মরত অবস্থায় রাত ১০টা ২৩ মিনিটে আততায়ীর হাতে খুন হন। তিনি ছিলেন বাঙ্গালী জাতীয়তা বাদের প্রতিষ্ঠা, গণমানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় তিনি আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। তার অকাল মৃত্যুতে সাতক্ষীরা বাসী অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। আমৃত্যু যা সবাইকে বহণ করে যেতে হবে। ১৯৯৬সাল থেকে ২০১০সময়ের ব্যাবধানে কেটেছে অনেক বছর আজও আলাউদ্দীন হত্যার বিচার হয়নি। “বিচারের বাণী নিভৃতে কাঁদে” মরহুম আলাউদ্দীন ভাই যে দলের নেতা ছিলেন সেই দল সরকারে থাকা অবস্থায় তিনি খুন হন।  তিনি শুধু রাজনৈতীক নেতা ও সমাজ কর্মী নন তিনি ছিলেন একজন সাংবাদিকও। দীর্ঘ ১৫বছর সাংবাদিক সমাজ এই ঘৃনিত বরবর হত্যার বিচার দাবী করে মাঠে রয়েছে। স.ম আলাউদ্দীন ঘুরে বেড়িয়েছেন শহর থেকে গ্রাম কখনো মটর সাইকেল, আবার কখনও পায়ে হেটে। সাধারন মানুষের কথা তিনি শুনেছেন কারোর অভাব, আভিযোগের কথা গুলো তিনি ভাল ভাবে শুনতেন মাটি ও মানুষের সাথে তার ছিল নিবিড় সম্পর্ক। এই মানুষটির মৃত্যুতে আজ তারা শোকাহত মর্মাহত আজও সাতক্ষীরা তথা তালার পাটকেলঘাটা হাজার হাজার মানুষ স.ম আলাউদ্দীনের কথা স্বরণ করে। আলাউদ্দীন ভাইকে কে বা কারা হত্যা করেছিল সাতক্ষীরায় এটা কারও অজানা নয়। আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে মামলাটি। খুনি চক্র কেন এই জনপ্রিয় মানুষটিকে খুন করেছিল বিষয়টি সবার কাছে স্পষ্ট। দীর্ঘ ১৫বছরেও এ হত্যা কান্ডের বিচার হয়নি। সাতক্ষীরা মানুষের কাছে তিনি আজও সাতক্ষীরার রূপকার হিসাবে চিরস্বরণীয় হয়ে আছেন। আজও মানুষ তার কথা স্বরণ করে। কবর জিয়ারত করে। ফেলে আসা দিন গুলো মনে করে স্বাধীনতা সংগ্রামে তিনি ছিলেন অকুতো ভয়। নিজের জীবনকে বাজী রেখে তিনি  দেশকে স্বাধীন করেছেন। আমরা সশ্রদ্ধ চিত্তে স্বরণ করি এই মানুষটিকে। কামনা করি তার রূহের মাগফিরাত।

 

Ads small one

সাতক্ষীরায় ওলামা দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৪১ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ওলামা দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত

সংবাদদাতা: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরায় এক আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। শহরের রয়্যাল প্লাস কনভেনশন হলে জেলা ওলামা দলের উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

জেলা ওলামা দলের সভাপতি মাওলানা আনিসুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং জেলা শাখার সদস্যসচিব হাফেজ মো. সাইফুল্লাহ আল-কাফির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এইচএম রহমাতুল্লাহ পলাশ। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আবু জাহিদ ডাবলু। বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হাসান হাদি, সাবেক প্রধান সমন্বয়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জে এম দুদায়েভ মাসুদ খান (অর্ঘ্য), জেলা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভানেত্রী ফরিদা আক্তার বিউটি, জেলা তাঁতী দলের সাধারণ সম্পাদক এস এম সাহেব আলী, জেলা সাইবার দলের সভাপতি এস আই আশা, সদর উপজেলা জাসাসের আহ্বায়ক আব্দুল কাদের, পৌর মহিলা দলের সভানেত্রী মৌমি কুইন সাথী, পৌর ওলামা দলের আহ্বায়ক মো. কামরুজ্জামান এবং সদস্য সচিব একরামুল হোসেন মিলন প্রমুখ। এছাড়া অনুষ্ঠানে বিএনপি, ওলামা দল, ছাত্রদল, মহিলা দলসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা সংগঠনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর তাৎপর্য তুলে ধরে দলীয় আদর্শ বাস্তবায়ন ও সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। আলোচনা সভা শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি এবং কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত ও দোয়া করা হয়।

অসুস্থ বিএনপি সভাপতি আমিরুল ইসলামকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন কৃষক দল নেতা রবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৩৯ অপরাহ্ণ
অসুস্থ বিএনপি সভাপতি আমিরুল ইসলামকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন কৃষক দল নেতা রবি

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আগরদাঁড় ইউনিয়নভুক্ত ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আমিরুল ইসলাম অসুস্থ হয়ে বর্তমানে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতে এবং তাঁকে দেখতে নেতা-কর্মীদের নিয়ে হাসপাতালে যান সাতক্ষীরা জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব মো. রবিউল ইসলাম রবি। এ সময় তিনি দায়িত্বরত চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং অসুস্থ বিএনপি নেতার দ্রুত সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

শ্যামনগরে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে তথ্য সংগ্রহকারীদের প্রশিক্ষণ শুরু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে তথ্য সংগ্রহকারীদের প্রশিক্ষণ শুরু

সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: শ্যামনগর উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মাঠপর্যায়ের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে।

শ্যামনগর অফিসার্স ক্লাব হলরুমে এই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামসুজ্জাহান কনক। প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে তথ্য সংগ্রহকারীদের সম্পূর্ণ সততা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে মাঠপর্যায় থেকে সঠিক তথ্য সংগ্রহের নির্দেশ দেন এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে এই কার্যক্রমে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সোলায়মান কবীর, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম, শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সামিউল আযম মনির এবং উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আশেক এলাহী মুন্না। শনি ও রোববার দুই দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণে উপজেলার পদ্মপুকুর ও ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজাররা অংশ নিচ্ছেন।