বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

বেড়িবাঁধ সুরক্ষায় সচেতন হচ্ছেন সাতক্ষীরার উপকূলীয় নারীরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
বেড়িবাঁধ সুরক্ষায় সচেতন হচ্ছেন সাতক্ষীরার উপকূলীয় নারীরা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার উপকূলীয় জনপদ শ্যামনগর ও আশাশুনি। যা বারবার জলোচ্ছ্বাস ও ঘূর্ণিঝড়ের তান্ডবে ক্ষতবিক্ষত হয়েছে। সেখানে এখন পরিবর্তনের হাওয়া বইছে। দুর্যোগের পূর্বমুহূর্তে কেবল ত্রাণের জন্য অপেক্ষা না করে, নিজেদের জীবন ও সম্পদ রক্ষায় এবার সক্রিয় ভূমিকা নিচ্ছেন স্থানীয় নারীরা।

এর সর্বশেষ উদাহরণ দেখা গেল গভীর নিম্নচাপের কারণে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও উপকূলীয় এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্য ও ঝোড়ো হাওয়ার ফলে সাগর উত্তাল থাকার সতর্কবার্তা পাওয়ার পর আশাশুনির আনুলিয়া, প্রতাপনগর ও শ্যামনগরের পদ্মপুকুর, গাবুরা ইউনিয়নের নারী বাঁধ সুরক্ষা দলের সদস্যরা সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ড-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহমান তাযকিয়া এবং জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোঃ আলাউদ্দিন-এর কাছে উপকূলের বেড়িবাঁধ সম্পর্কিত সরেজমিন পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে নারী বাঁধ সুরক্ষা দলের নেতৃবৃন্দ বেড়িবাঁধ পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনটি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদ্বয়ের কাছে জমা দেন। নারী বাঁধ সুরক্ষা দলের প্রতিবেদনটি বিশ্লেষণে দেখা যায়, এটি কোনো গতানুগতিক আবেদনপত্র নয়, বরং একটি পেশাদার ও তথ্যসমৃদ্ধ পর্যবেক্ষণ।

গভীর নিম্নচাপের সতর্কবার্তা পাওয়ার পর গত ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে নারী বাঁধ সুরক্ষা দলগুলো মাঠে নামে। তারা সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নের শ্রীপুর, হাওলাদারবাড়ি, মাদারবাড়ি, আদর্শগ্রাম, কল্যাণপুর ও আনুলিয়া ইউনিয়নের বিছট, একসরা, কাকবাসিয়া এবং শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের চাঁদনীমুখা, ডুমুরিয়া, চকবারা, ৯নং সোরা ও পদ্মপুকুর ইউনিয়নের কামালকাঠি, খুটিকাটা, পাখিমারা, ঝাঁপা, পদ্মপুকুর গ্রামের বেড়িবাঁধের অতি-ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। কেবল পরিদর্শনই নয়, তারা স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানদের সাথে জরুরি বৈঠক করে মাঠের প্রকৃত পরিস্থিতি তুলে ধরেছেন।

নারী বাঁধ সুরক্ষা দলগুলোর বেড়িবাঁধ পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনটি গ্রহনকালে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোঃ আলাউদ্দিন বলেন, ‘উপকূলের নারীরা এখন দুর্যোগের ঝুঁকি বিশ্লেষণ করতে এবং তা নীতিনির্ধারকদের কাছে পৌঁছে দিতে সক্ষম হচ্ছে। এটি তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধির দৃষ্টান্ত।’
সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ড-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহমান তাযকিয়া বলেন, ‘স্থানীয় নারীরা নিজেদের এলাকার বেড়িবাঁধের দুর্বল জায়গা সম্পর্কে সবচেয়ে ভালো জানেন। তাদের দেওয়া তথ্য নির্ভুল হলে সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ নিতে আমাদের সহায়ক হবে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের উপকূলীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় নারীদের অংশগ্রহণ মূলত আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান বা প্রাথমিক প্রস্তুতি পর্যন্ত সীমাবদ্ধ ছিল। তবে, সুইডেন দূতাবাস ঢাকা এবং ইউএন উইমেন এর সহায়তায় ‘বিন্দু নারী উন্নয়ন সংগঠন’-এর বাস্তবায়নাধীন প্রকল্প এই ধারায় আমূল পরিবর্তন এনেছে। প্রকল্পের আওতায় গঠিত নারী বাঁধ সুরক্ষা দল বা (ইপিজি) এখন উপকূলের বেড়িবাঁধ সুরক্ষায় মাঠপর্যায়ে কাজ করছে।

Ads small one

মুখে লাথির পরও হলুদ কার্ড, রেফারিং নিয়ে প্রশ্ন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৫২ অপরাহ্ণ
মুখে লাথির পরও হলুদ কার্ড, রেফারিং নিয়ে প্রশ্ন

মুখে সরাসরি পা চালিয়ে দিলেন প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়। মাঠে লুটিয়ে পড়লেন ফর্টিস এফসির নোরিকি আকাদা। দৃশ্যটি দেখে লাল কার্ডের অপেক্ষায় ছিলেন সতীর্থরা। কিন্তু রেফারির সিদ্ধান্তে বিস্ময়ে হতবাক হন তারা। কারণ লাল কার্ডের জায়গায় দেখানো হলো হলুদ কার্ড! ফেডারেশন কাপ ফুটবলের ম্যাচে এমন সিদ্ধান্তে রেফারিং নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।

গোপালগঞ্জে ফর্টিস এফসি ও ফকিরেরপুল ইয়ংমেন্সের ম্যাচটি শেষ হয়েছে ১-১ গোলে ড্রয়ে। তবে ফল ছাপিয়ে ম্যাচের ৮২ মিনিটের একটি ঘটনা নিয়েই এখন বেশি আলোচনা।

ফর্টিসের নোরিকি আকাদাকে আটকাতে গিয়ে ইয়ংমেন্সের মোহামেদ ফোফানা সরাসরি তার মুখ বরাবর পা চালিয়ে দেন। আঘাত পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন নোরিকি। ঘটনাস্থলে দৌড়ে আসেন রেফারি জুনায়েদ শরীফ। কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে তিনি ফোফানাকে লাল কার্ড না দেখিয়ে হলুদ কার্ড দেখান।

রেফারির এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করেন ফর্টিসের খেলোয়াড়রা। তবে তাতে সিদ্ধান্তের কোনো পরিবর্তন হয়নি।

ঘটনাটি নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ফর্টিস এফসির সভাপতি শাহীন হাসান। তিনি বলেন, ‘এই সব কিছুর জন্য যদি আমরা কিছু বলি, তাহলে ওনাদের ডিসিপ্লিনারি কমিটি আমাদের শাস্তি দেবে, জরিমানা করবে। আর খেলার জন্য মাঠে ঢোকা যাবে না। কিন্তু কখনও এর জন্য রেফারি কোনও শাস্তি পাবে না।’

দেশের ফুটবল নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, ‘আজব এক আমাদের দেশের ফুটবল। কেন জানি না এই ফুটবল খেলা নিয়ে পড়ে আছি। আমার মনে হয়, এই ফুটবল খেলা থেকে সরে আসা উচিত।’

রেফারিং নিয়ে একই ধরনের হতাশা ফর্টিসের ম্যানেজার রাশেদুল ইসলামের কণ্ঠেও। তিনি বলেন, ‘এখন আর চিঠি দেই না। কারণ এতে কোনো লাভ হয় বলে মনে হয় না। রেফারিদের মধ্যে যারা ভুল করেন, তারা নিজেরা ভুল শুধরাতে না চাইলে কেউ শুধরাতে পারবে না। আমাদের দেশেও ভালো রেফারি আছেন। সমস্যাটা হলো, ভালোর সংখ্যাটা কম।’

ম্যাচের ওই ঘটনা ও কার্ডের সিদ্ধান্ত নিয়ে সঙ্গে কথা বলেছেন বাফুফের বিদায়ী হেড অব রেফারিজ আজাদ রহমান। তার মতে, ফোফানার ওই চ্যালেঞ্জ সরাসরি লাল কার্ডের যোগ্য, ‘ওই ডিফেন্ডার যেভাবে চার্জ করেছে, তাতে করে তো সরাসরি লাল কার্ড হয়। ম্যাচে রেফারি কেন লাল কার্ড দেখালো না, বোধগম্য হচ্ছে না। শুধু রেফারি নন, দুই সহকারী রেফারিও তো ঠিকমতো অ্যাসিস্ট করতে পারেননি। এখন দেখি রিপোর্ট কী আসে।’

সম্পাদকীয়/ আশাশুনির প্রতাপনগর: টেকসই সমাধানের অপেক্ষায় ২৮ হাজার মানুষ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৪৭ অপরাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ আশাশুনির প্রতাপনগর: টেকসই সমাধানের অপেক্ষায় ২৮ হাজার মানুষ

ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের ছয় বছর পেরিয়ে গেলেও সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নের ছয়টি গ্রামের প্রায় ২৮ হাজার মানুষের জীবনযাত্রা স্বাভাবিক যোগাযোগব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন। ২০২০ সালের ভয়াবহ দুর্যোগে ভাঙা সড়ক ও সেতু আজও পুনর্নির্মিত হয়নি। বাধ্য হয়ে ভাসমান সেতু, ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো আর নৌকাই এখন স্থানীয়দের যোগাযোগের একমাত্র ভরসা। এমনকি নৌকার ওপর নির্মিত ভাসমান মসজিদে নামাজ আদায় করার চিত্রই বলে দেয় সেখানকার মানুষের নিত্যদিনের মানবিক সংকটের ভয়াবহতা।

দুর্যোগের দুর্যোগময় স্মৃতি মুছে গেলেও প্রতাপনগরের বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগ মোছার কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। প্রায় চার কিলোমিটারের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মূল সেতুগুলো যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় প্রতিদিন চরম ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে শিক্ষার্থী, প্রবীণ ও জরুরি চিকিৎসাপ্রার্থী রোগীদের। একটি স্বাধীন দেশে ছয় বছর ধরে হাজার হাজার মানুষ এভাবে মৌলিক অবকাঠামোগত সুবিধা থেকে বঞ্চিত থাকবেÑতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বাসিন্দারা বারবার টেকসই সমাধানের আকুতি জানালেও আমলাতান্ত্রিক জটিলতার দোহাই দিয়ে উন্নয়নকাজ আটকে আছে।

উপজেলা এলজিইডি দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের অনাপত্তি সনদ (এনওসি) না পাওয়ায় সড়ক ও সেতু পুনর্নির্মাণের কাজ শুরু করা যাচ্ছে না। আন্তর্জাতিক ও জাতীয় উন্নয়ন সংস্থাগুলোর অসম্পূর্ণ কাজ বা সাময়িক সহায়তার ওপর নির্ভর করে এত মানুষের দৈনন্দিন জীবন চলতে পারে না। আমলাতান্ত্রিক এনওসি জটিলতার অজুহাতে হাজার হাজার মানুষের জীবনকে বছরের পর বছর ঝুঁকিতে ফেলে রাখা প্রশাসনিক স্থবিরতারই এক চরম দৃষ্টান্ত।

উপকূলীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা ও যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়ন কেবল স্থানীয় নয়, জাতীয় দায়িত্বের অংশ। আমরা আশাশুনির প্রতাপনগরে এলজিইডি ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের মধ্যকার এই প্রশাসনিক দীর্ঘসূত্রতা অবিলম্বে অবসানের জোর দাবি জানাচ্ছি। জরুরি ভিত্তিতে এনওসি প্রদান করে টেকসই বেড়িবাঁধ, সড়ক ও স্থায়ী সেতু নির্মাণের কাজ শুরু করা হোক। প্রতাপনগরের হাজার হাজার মানুষের ভাসমান জীবনের অবসান ঘটিয়ে স্বাভাবিক ও সম্মানজনক জীবনযাত্রা ফিরিয়ে দেওয়াই হোক সরকারের অগ্রাধিকার।

আমরা কাউকে ভয় পেতে আসিনি: হামজা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৪৪ অপরাহ্ণ
আমরা কাউকে ভয় পেতে আসিনি: হামজা

সামনে কঠিন প্রতিপক্ষ, র‌্যাঙ্কিংয়েও অনেক এগিয়ে। তবু ভয় নয়, বরং নিজেদের সামর্থ্যের ওপর আস্থা নিয়ে ফিফা আসিয়ান কাপে খেলতে এসেছে বাংলাদেশ। এমনটাই জানালেন হামজা চৌধুরী। ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় দলের অনুশীলনে যোগ দিয়ে টুর্নামেন্ট নিয়ে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছেন বাংলাদেশ দলের এই তারকা মিডফিল্ডার।

ফিফা আসিয়ান কাপ সামনে রেখে জাকার্তায় চলছে বাংলাদেশের প্রস্তুতি। হামজার সঙ্গে প্রবাসী অন্য ফুটবলাররাও দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন। অনুশীলনের এক ফাঁকে আসন্ন টুর্নামেন্ট নিয়ে কথা বলেন শেফিল্ড ইউনাইটেডের এই ফুটবলার, ‘আমরা এই টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পেরে খুবই রোমাঞ্চিত এবং সম্মানিত বোধ করছি। এটি অবশ্যই আমাদের চেয়ে উঁচু র‌্যাঙ্কিংয়ের দলগুলোর বিপক্ষে খেলার বড় একটি সুযোগ। তাই আমাদের অভ্যন্তরীণ লক্ষ্য হলো যতটা সম্ভব বেশি পয়েন্ট অর্জন করা।’

এরপরই আত্মবিশ্বাসের কথাটা স্পষ্ট করে দিয়েছেন হামজা, ‘আপনারা জানেন, আমরা এখানে কাউকে ভয় পেতে আসিনি। আমরা আমাদের সামর্থ্য সম্পর্কে জানি। তবে ইনশাআল্লাহ, এটি আমাদের জন্য শেখার একটি পথও। আমরা এখানে যতটা সম্ভব অভিজ্ঞতা অর্জন করতে এসেছি, যাতে আমাদের দেশকে সম্মানিত ও গর্বিত করতে পারি।’

জাকার্তায় এসে সুযোগ-সুবিধা ও স্থানীয় মানুষের আতিথেয়তায়ও মুগ্ধ হামজা। তিনি বলেন, ‘অসাধারণ। সত্যি বলতে, আমি ঠিক যেমনটা আশা করেছিলাম, তেমনই। খুবই বন্ধুত্বপূর্ণ মানুষ, খুবই দয়ালু মানুষ। এখানকার ফুটবলের প্রতি আগ্রহ অনেক বেশি এবং সুযোগ-সুবিধাগুলোও খুবই চমৎকার ছিল। তাই হ্যাঁ, আমি শুক্রবারের ম্যাচ খেলার জন্য মুখিয়ে আছি। দেখা যাক, আমরা কেমন করি।’

প্রতিপক্ষ ইন্দোনেশিয়া সম্পর্কেও যথেষ্ট সমীহ দেখিয়েছেন হামজা। র‌্যাঙ্কিংয়ে তাদের অবস্থান এবং দলের শক্তিমত্তার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় তারা র‌্যাঙ্কিংয়ে বেশ ভালো অবস্থানে আছে। তাদের দলে খুব ভালো মানের খেলোয়াড় রয়েছে। তাদের একজন খুব দক্ষ হেড কোচও আছেন।’

ইন্দোনেশিয়ার সাম্প্রতিক অগ্রগতির প্রশংসা করে হামজা আরও বলেন, ‘বিশেষ করে আগামী বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে তারা যদি বিশ্বকাপের পথে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় না থাকে, তাহলে আমি সত্যিই অবাক হবো। আমার মনে হয়, একটি দেশ হিসেবে আপনারা ফুটবলের ওপর অনেক জোর দিচ্ছেন। আর হ্যাঁ, তাদের খুব ভালো একটি দল রয়েছে।’