রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

প্রসঙ্গ: মরুকরণ রোধ ও জলবায়ু সংকট

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ১১:২০ অপরাহ্ণ
প্রসঙ্গ: মরুকরণ রোধ ও জলবায়ু সংকট

সম্পাদকীয়

বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত এখন আর কোনো তাত্ত্বিক সতর্কবার্তা নয়, বরং আমাদের দৈনন্দিন জীবনের এক নির্মম বাস্তবতা। বিশেষ করে বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ও পরিবেশগত দুর্বলতার কারণে এই সংকট এক চরম উদ্বেগজনক রূপ ধারণ করেছে। প্রকৃতির তাপমাত্রা অনিয়মিত ও অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে, ঋতুচক্র হারিয়েছে তার চেনা রূপ। অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, দীর্ঘস্থায়ী খরা এবং উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততার আগ্রাসী বিস্তার আমাদের সামগ্রিক পরিবেশগত ভিত্তিকে কাঁপিয়ে দিচ্ছে। দেশের বহু নদ-নদী আজ নাব্যতা হারিয়ে মৃতপ্রায়, অসংখ্য খাল শুকিয়ে যাচ্ছে এবং জলাধার ভরাট হয়ে যাওয়ার কারণে কৃষিজমির উর্বরতা আশঙ্কাজনকভাবে হ্রাস পাচ্ছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে আমাদের খাদ্য উৎপাদন, জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশগত ভারসাম্যের ওপর। এমনকি বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনও আজ লবণাক্ততার চাপ এবং নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হওয়ায় নতুন নতুন অস্তিত্বের ঝুঁকিতে পড়েছে।

এই জলবায়ু সংকটের সবচেয়ে বড় মূল্য চকাতে হচ্ছে দেশের সাধারণ মানুষকে। তীব্র খরা ও দাবদাহের কারণে জনজীবন আজ বিপর্যস্ত, যার ফলে স্বাস্থ্যঝুঁকি ও অস্বাভাবিক মৃত্যুর হার বাড়ছে জ্যামিতিক হারে। প্রকৃতির এই বৈরী আচরণের কারণে অনেক অঞ্চলই ধীরে ধীরে মানুষের বসবাসের অনুপযোগী হয়ে উঠছে। ফলে বাধ্য হয়ে মানুষ নিজের ভিটেমাটি ছেড়ে জলবায়ু-উদ্বাস্তু হিসেবে অন্য অঞ্চলে পাড়ি জমাচ্ছে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত অভ্যন্তরীণ অভিবাসন মানুষের মনস্তত্ত্বে এক গভীর ক্ষত তৈরি করছে, যা প্রকারান্তরে দেশপ্রেম ও সামাজিক দায়বদ্ধতাকেও শিথিল করে দিচ্ছে। নিজের বাসভূমি যখন বাসযোগ্যতা হারায়, তখন মানুষের ভেতরের স্বাভাবিক মানবিক ও সামাজিক বোধগুলোও সংকটের মুখে পড়ে।

এই অবক্ষয় ও মরুকরণের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করার একমাত্র এবং সবচেয়ে কার্যকর প্রাকৃতিক হাতিয়ার হলো ব্যাপকভিত্তিক বনায়ন ও বৃক্ষরোপণ। একটি দেশের পরিবেশগত ভারসাম্যের জন্য মোট ভূখ-ের ২৫ শতাংশ বনভূমি থাকা আবশ্যক হলেও আমাদের দেশে তা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। বর্তমান সংকটে সুনাগরিক হিসেবে প্রত্যেকের সর্বোচ্চ দায়িত্ব হলো নিজ নিজ উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ করা, স্থানীয় খাল-নদী ও জলাশয় রক্ষা করা এবং প্রাকৃতিক সম্পদের অপচয় বন্ধে সচেষ্ট হওয়া। একটি গাছ কেবল অক্সিজেনই দেয় না, বরং তা মাটির আর্দ্রতা ও প্রকৃতি ধরে রাখতে, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর রক্ষা করতে এবং তাপমাত্রা কমাতে ঢাল হিসেবে কাজ করে।

তবে কেবল ব্যক্তিগত সচেতনতাই এই বিশাল সংকট মোকাবিলায় যথেষ্ট নয়; এখানে রাষ্ট্রের ভূমিকা হওয়া উচিত আরও আগ্রাসী ও কার্যকর। নদী ও খালগুলোর অবৈধ দখলদারিত্ব উচ্ছেদ করে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনা, টেকসই ভূমি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা, বনায়ন সম্প্রসারণ এবং জলবায়ু সহনশীল কৃষিনীতি দ্রুত বাস্তবায়ন করা এখন সময়ের দাবি। একই সাথে, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য বাংলাদেশ দায়ী না হয়েও যেহেতু অন্যতম প্রধান ভুক্তভোগী, তাই জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত জলবায়ু তহবিল নিশ্চিত করা। প্রযুক্তি হস্তান্তর ও গবেষণার মাধ্যমে বাংলাদেশের অভিযোজন সক্ষমতা বৃদ্ধিতে উন্নত বিশ্বকে তাদের ঐতিহাসিক দায়বদ্ধতা স্বীকার করতে হবে।

মরুকরণ রোধের এই সংগ্রাম মূলত মানুষের অস্তিত্ব, খাদ্য নিরাপত্তা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী রেখে যাওয়ার সংগ্রাম। জলবায়ু পরিবর্তনের এই মরণকামড় থেকে বাঁচতে হলে বৃক্ষরোপণকে কেবল আনুষ্ঠানিকতা বা দিবসভিত্তিক কর্মসূচির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না; একে একটি সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে হবে। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা ও নাগরিক সচেতনতার সম্মিলিত প্রয়াসই পারে আমাদের এই প্রিয় সুজলা-সুফলা ভূখ-কে মরুকরণের হাত থেকে রক্ষা করতে। আর দেরি করার সময় নেই, এখনই উপযুক্ত সময় মাটির টানে, জীবনের টানে চারপাশকে সবুজে সুশোভিত করে তোলার।

 

 

 

 

 

Ads small one

দর্শক খরায় বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ, টিকিটের দামে ছাড় দিয়েও মিলছে না ক্রেতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:২১ পূর্বাহ্ণ
দর্শক খরায় বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ, টিকিটের দামে ছাড় দিয়েও মিলছে না ক্রেতা

সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে ইংল্যান্ড এবং স্পেনের কাছে ফ্রান্সের বিদায়ের পর দুই দলের সমর্থকদের মাঝেই যেন বিশ্বকাপের আমেজ অনেকটাই স্তিমিত হয়ে পড়েছে। তারই সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশ সময় রবিবার রাত ৩টায় মায়ামি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য দুই ইউরোপীয় জায়ান্টের মধ্যকার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী বা ব্রোঞ্জ মেডেল ম্যাচে। ম্যাচটি মাঠে গড়ানোর আগমুহূর্তেও ফিফার অফিসিয়াল সাইটগুলোতে হাজার হাজার টিকিট অবিক্রিত পড়ে রয়েছে।

ফিফার টিকিট পোর্টাল এবং অফিসিয়াল রিসেল প্ল্যাটফর্মগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের এই ম্যাচটি ঘিরে এখনও প্রায় ৭,০০০ টিকিট অবিক্রিত অবস্থায় তালিকাভুক্ত রয়েছে। সাধারণ ক্যাটাগরিতে ১,২৪৬টি টিকিট অবিক্রিত আছে, যার একেকটির মূল্য হাঁকা হচ্ছে ৮৬৫ মার্কিন ডলার (প্রায় ৬৫৭ পাউন্ড) থেকে ১,১২৫ মার্কিন ডলার (প্রায় ৮৫৫ পাউন্ড) পর্যন্ত।

সবচেয়ে বড় চমক দেখা গেছে অফিসিয়াল রিসেল বা পুনঃবিক্রয় প্ল্যাটফর্মে। সেখানে প্রায় ৫,৮৬৪টি টিকিট বিক্রির জন্য জমা পড়ে আছে। সমর্থকরা তাদের কেনা টিকিট নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করে দিতে চাইছেন। সবচেয়ে সস্তা ক্যাটাগরি-৩-এর টিকিটগুলো ফেস ভ্যালু ৪৫৫ ডলারে পাওয়া যাচ্ছে (এর সঙ্গে ফিফার ১৫ শতাংশ অতিরিক্ত ফি যুক্ত হবে)।

ম্যাচের আকর্ষণ ও দর্শক আগ্রহ কমে যাওয়ায় সবচেয়ে বড় ধাক্কা লেগেছে প্রিমিয়াম বা ক্যাটাগরি-১-এর টিকিটগুলোতে। যে টিকিটগুলোর মূল ক্রয়মূল্য ছিল ১,১২৫ ডলার, সেগুলো এখন প্রায় অর্ধেক বা বিশাল ডিসকাউন্টে মাত্র ৬৫৯ ডলারে রিসেল প্ল্যাটফর্মে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

মেসিদের মুখোমুখি হওয়ার আগে বড় ধাক্কা স্পেনের, অনুশীলন বাতিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:১০ পূর্বাহ্ণ
মেসিদের মুখোমুখি হওয়ার আগে বড় ধাক্কা স্পেনের, অনুশীলন বাতিল

উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপের মহারণে নামার ঠিক আগের দিন বড়সড় ধাক্কা খেলো স্পেন শিবির। নিউজার্সির বৈরী আবহাওয়ার কারণে শেষ মুহূর্তের চূড়ান্ত প্রস্তুতি আর ঠিকঠাকভাবে সম্পন্ন করতে পারলো না লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা। প্রবল বৃষ্টি ও লাগাতার বজ্রপাতের কারণে শনিবারের (১৮ জুলাই) নির্ধারিত শেষ দিনের পুরো অনুশীলন সেশনটিই বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন।

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, শনিবার নিউজার্সির হুইপ্যানিতে স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায়) স্পেনের অনুশীলনে নামার কথা ছিল। স্প্যানিশরা এই সেশনের জন্য বেছে নিয়েছিল নিউইয়র্ক রেড বুলসের সাবেক অনুশীলন কেন্দ্র এবং বর্তমানে এনডব্লিউএসএল ক্লাব গথাম এফসির ভবিষ্যৎ ট্রেনিং কমপ্লেক্সটি। কিন্তু সকাল থেকেই শুরু হয় তীব্র বজ্রঝড়। প্রথমে অনুশীলন কিছুটা পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও পরিস্থিতির কোনও উন্নতি না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত পুরো সেশনই বাতিল ঘোষণা করা হয়। মাঠে প্রবেশের অপেক্ষায় থাকা সংবাদকর্মীদেরও নিরাপত্তার স্বার্থে তাৎক্ষণিকভাবে নির্ধারিত কর্মক্ষেত্রের ভবনের ভেতরে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ।

যুক্তরাষ্ট্রে বজ্রঝড় নিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা নিখুঁত ও কঠোর, তা প্রকাশ পেয়েছে মাঠের এক কর্মকর্তার দেওয়া তথ্যে। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানান, অনুশীলন বা ম্যাচ ভেন্যুর ৮ মাইলের মধ্যে কোথাও বজ্রপাত শনাক্ত হলেই নিয়ম অনুযায়ী মাঠের সব ধরনের কার্যক্রম সঙ্গে সঙ্গে স্থগিত করা হয়। এরপর প্রতি ৩০ মিনিট পরপর পরিস্থিতি গভীরভাবে মূল্যায়ন বা পর্যবেক্ষণ করা হয়।

বজ্রপাতের এই ঝুঁকি যখন পুরোপুরি কেটে যায়, তখনই কেবল নিরাপত্তা বিভাগ থেকে ‘অল ক্লিয়ার’ সংকেত দেওয়া হয়। এই সবুজ সংকেত পাওয়ার পরই খেলোয়াড়রা মাঠে প্রবেশের অনুমতি পান। তবে শনিবার সকালে হুইপ্যানির পরিস্থিতি এতটাই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল যে স্পেনকে মাঠে নামার অনুমতি দেওয়াই সম্ভব হয়নি।

চলতি বিশ্বকাপজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ভেন্যুগুলোতে একই বজ্রঝড়-সংক্রান্ত কঠোর নিরাপত্তা নীতিমালা অনুসরণ করা হচ্ছে। এর আগে এই নিয়মের মারপ্যাঁচে পড়ে চলমান টুর্নামেন্টের একাধিক ম্যাচের সময়সূচিতে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছিল। কোনও কোনও ম্যাচ দীর্ঘ সময় স্থগিতও রাখতে হয়েছিল।

বাংলাদেশ সময় রবিবার (১৯ জুলাই) দিবাগত রাত ১টায় (স্থানীয় সময় সন্ধ্যা) নিউজার্সির বিখ্যাত মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বসেরার মুকুটের লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে স্পেন ও আর্জেন্টিনা। যেখানে আর্জেন্টিনা দল তাদের প্রস্তুতি ঠিকঠাক সারতে পেরেছে, সেখানে অনুশীলনের এই ঘাটতি স্পেনের জন্য কতটা ভোগান্তি বাড়াবে তা বলা মুশকিল। তবে ফুটবলপ্রেমীদের মনে এখন সবচেয়ে বড় শঙ্কা— নিউজার্সির এই বৈরী আবহাওয়া ফাইনালকেও কোনও বিঘ্নের মুখে ফেলে কি না!

বিলাসবহুল ট্রাঙ্কে চড়ে ফাইনালের মঞ্চে পৌঁছাবে বিশ্বকাপ ট্রফি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:০৬ পূর্বাহ্ণ
বিলাসবহুল ট্রাঙ্কে চড়ে ফাইনালের মঞ্চে পৌঁছাবে বিশ্বকাপ ট্রফি

বিশ্বকাপ ট্রফি শুধু ফুটবলের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত পুরস্কারই নয়, এটি মর্যাদা ও ঐতিহ্যেরও প্রতীক। সেই ট্রফিকে ফাইনালের মঞ্চে নিয়ে যেতে এবারও বিশেষ ট্রাঙ্ক তৈরি করেছে ফরাসি বিলাসবহুল ফ্যাশন প্রতিষ্ঠান লুই ভিতোঁ। ২০১০ সাল থেকে টানা পঞ্চম বিশ্বকাপে এই দায়িত্ব পালন করছে প্রতিষ্ঠানটি।

নিউইয়র্ক-নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে বিশেষভাবে তৈরি লুই ভিতোঁর এই ট্রাঙ্কে করেই মাঠে আনা হবে বিশ্বকাপ ট্রফি।

বিশেষ এই ট্রাঙ্কের সামনে রয়েছে সোনালি রঙের ইংরেজি অক্ষর ‘ভি’। যা একদিকে ভিক্টরি তথা জয় -এর প্রতীক, অন্যদিকে ভিতোঁর আলাদা পরিচয় বহন করছে। ট্রাঙ্কজুড়ে রয়েছে লুই ভিতোঁর পরিচিত নকশা এবং সোনালি আবরণযুক্ত পিতলের কর্নার প্রটেক্টর।

এটি টানা পঞ্চম বিশ্বকাপ যেখানে ট্রফির জন্য বিশেষ ট্রাঙ্ক তৈরি করেছে লুই ভিতোঁ। এর আগে ২০১০, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপেও একই দায়িত্ব পালন করেছিল ফরাসি এই বিলাসবহুল ব্র্যান্ড।