মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

মুক্ত মতামত/ সাতক্ষীরায় জ্বালানি সংকট নিরসনে ‘ফুয়েল কার্ড’ এখন সময়ের দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৫৪ পূর্বাহ্ণ
মুক্ত মতামত/ সাতক্ষীরায় জ্বালানি সংকট নিরসনে ‘ফুয়েল কার্ড’ এখন সময়ের দাবি

মাসুদ রানা
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভয়াবহ যুদ্ধের উত্তাপ এবার সরাসরি আছড়ে পড়েছে বাংলাদেশের জ্বালানি বাজারে। দেশজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র জ্বালানি সংকট। সাতক্ষীরার প্রতিটি পেট্রোল পাম্পের সামনে এখন দিগন্তবিস্তৃত মোটরসাইকেলের সারি। তবে এই দীর্ঘ লাইনে কেবল সাধারণ মানুষই নন, রয়েছেন চিকিৎসক, সাংবাদিক, পুলিশ ও প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও মিলছে না পর্যাপ্ত তেল, যার ফলে ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে জরুরি সেবা খাত।
ভোগান্তির কবলে জরুরি সেবাদানকারীরা সবচেয়ে বিপাকে পড়েছেন গণমাধ্যমকর্মীরা। সংবাদের সন্ধানে যাদের প্রতিনিয়ত ছুটতে হয়, তাদের দিনের বড় একটি অংশ ব্যয় হচ্ছে পাম্পের লাইনে।সিনিয়র সাংবাদিক এস এম রেজাউল ইসলাম আক্ষেপ করে বলেন, “নিউজ কভার করতে যাব নাকি তেল খুঁজতে বের হব? ৮-১০ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পর যখন সিরিয়াল আসে, তখন শুনছি তেল শেষ। এভাবে চললে জনগনের কাছে তথ্য পৌঁছানো অসম্ভব হয়ে পড়বে।”
একই চিত্র চিকিৎসকদের ক্ষেত্রেও। একজন ভুক্তভোগী পশু চিকিৎসক জানান “অনেক দূরে যাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু বাইকে তেল নেই। ১০ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে মাত্র ৩০০ টাকার তেল পেয়েছি। এই সময়ের মূল্য কি ৩০০ টাকায় পরিমাপ করা সম্ভব?
তীব্র এই সংকটের মাঝেও একদল অসাধু ব্যক্তি মেতে উঠেছে কালোবাজারিতে। অভিযোগ উঠেছে, কিছু বাইকার যাদের ট্যাংকে পর্যাপ্ত তেল আছে, তারা পাম্প থেকে তেল নিয়ে কৌশলে পাইপ দিয়ে প-াস্টিক পটে সংগ্রহ করছে। পরবর্তীতে সেই তেল প্রতি লিটারে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা বাড়তি দামে বাইরে বিক্রি করা হচ্ছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, পাম্পে কখন তেল আসবে সেই তথ্য আগাম জেনে নিয়ে একটি চক্র ১০-১২ ঘণ্টা আগেই মোটরসাইকেল দিয়ে সিরিয়াল বুকিং দিয়ে রাখছে। ফলে প্রকৃত সংকটে থাকা বাইক চালকরা যখন পাম্পে পৌঁছান, তখন তারা সিরিয়ালের শেষে পড়ে যান এবং তাদের তকদিরে জোটে ‘তেল শেষ’ লেখা সাইনবোর্ড।
বিদ্যমান এই নৈরাজ্য রুখতে প্রস্তাবিত সমাধানগুলো হতে পারেÑ
ফুয়েল কার্ড প্রবর্তন: প্রতিটি যানবাহনের জন্য নির্দিষ্ট ‘ফুয়েল কার্ড’ চালু করা। এই কার্ডে গাড়ির রেজিস্ট্রেশন নম্বর, ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং তেল গ্রহণের তারিখ সংরক্ষিত থাকবে। তিন দিনের বিরতি: একবার তেল নেওয়ার পর পরবর্তী তিন দিন ওই কার্ডে আর তেল দেওয়া হবে না। সমন্বিত সরবরাহ: সকল পাম্পে একই সময়ে তেল সরবরাহ করতে হবে যাতে এক পাম্পে ভিড় না জমে। কার্ডধারীদের নির্দিষ্ট পাম্প নির্ধারণ করে দিতে হবে।
কঠোর নজরদারি ও জরিমানা: তেল দেওয়ার আগে চালকের হেলমেট, লাইসেন্স ও গাড়ির ট্যাংক পরীক্ষা করতে হবে। যদি দেখা যায় কারো ট্যাংকে ৩ লিটারের বেশি তেল আছে কিন্তু তিনি লাইনে দাঁড়িয়েছেন, তবে তাকে তাৎক্ষণিক জরিমানার আওতায় আনতে হবে। পেশাজীবীদের জন্য নির্ধারিত সময়: সরকারি চাকরিজীবী, চিকিৎসক ও সাংবাদিকদের মতো জরুরি পেশার মানুষের জন্য নির্দিষ্ট সময় বা আলাদা কাউন্টারের ব্যবস্থা করতে হবে।
শৃঙ্খলা রক্ষায় বাহিনী মোতায়েন: প্রতিটি পাম্পে বিশৃঙ্খলা ও কালোবাজারি রুখতে পুলিশ, সেনাবাহিনী অথবা বিজিবি সদস্যদের মোতায়েন করা এখন সময়ের দাবি। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাব কতটা দীর্ঘস্থায়ী হবে তা অনিশ্চিত। তবে দেশের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা এবং শৃঙ্খলা না ফিরলে এই জ্বালানি সংকট জনরোষে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

Ads small one

সরকারি নির্দেশ উপেক্ষা করে কলারোয়ায় রাস্তার ওপর পাকা ঘর নির্মাণের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ১:০১ পূর্বাহ্ণ
সরকারি নির্দেশ উপেক্ষা করে কলারোয়ায় রাস্তার ওপর পাকা ঘর নির্মাণের অভিযোগ

সংবাদদাতা: কলারোয়া উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নের ধানদিয়া এলাকায় সরকারি রাস্তার জমি দখল করে অবৈধভাবে পাকা ঘর নির্মাণ করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে কাজ বন্ধ রাখার এবং নির্মিত অবকাঠামো অপসারণের চূড়ান্ত নোটিশ দেওয়া হলেও তা তোয়াক্কা না করে নির্মাণকাজ চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
সোমবার (৮ জুন) বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায়, স্থানীয় বাসিন্দা ইউনুছ আলীর পরামর্শে অভিযুক্ত জহুরুল ইসলাম তিনজন নির্মাণশ্রমিক নিয়ে কাজ করাচ্ছেন। কাজের বিষয়ে জানতে চাইলে তারা দাবি করেন, আদালত তাদের পক্ষে রায় দিয়েছেন। তবে রায়ের কোনো অনুলিপি তারা দেখাতে পারেননি।
ভূমি অফিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ধানদিয়া এলাকার শেখ খোরশেদ আলী তাঁর নিজস্ব জমি সংলগ্ন সরকারি রাস্তার জায়গা দখল ও পাকা ঘর নির্মাণের বিরুদ্ধে ভূমি অফিসে একটি লিখিত অভিযোগ দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে জয়নগর ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার গাইন অভিযুক্ত জহুরুল ইসলাম ও ইউনুছ আলীকে কাজ বন্ধ করার জরুরি নোটিশ দেন। নোটিশে নিজ খরচে অবকাঠামো অপসারণের নির্দেশ থাকলেও বিবাদী পক্ষ তা অমান্য করে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
তফসিল অনুযায়ী, বিতর্কিত সম্পত্তিটি ধানদিয়া মৌজার ১ নম্বর খতিয়ানের আরএস ১৬১২ নম্বর দাগের ০.০৫ একর সরকারি রাস্তার জমি।
ভূমি অফিসের নোটিশ ছাড়াও এই জায়গা নিয়ে আদালতে ১৮৮ ধারার একটি মামলা (নং- পি ৪৫৩/২৬) চলমান রয়েছে। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের আদেশে কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) সরেজমিনে তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে এবং আগামী ২৩ জুন পর্যন্ত কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগকারীদের দাবি, আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও গত দুদিন ধরে কাজ চলছে। বিষয়টি কলারোয়া থানার ওসিকে জানানো হলে তিনি বলেন, “আমি তো থানা থেকে পুলিশ পাঠিয়েছি। আর কতবার পাঠাবো?” এ বিষয়ে বক্তব্যের জন্য কলারোয়া থানার ওসির মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
অভিযুক্ত ইউনুছ আলী বলেন, “ম্যাপ করার সময় ভুলবশত রাস্তা আমাদের জমির মধ্যে ঢুকে গেছে।” সরকারি এই রাস্তাটি ১৪ ফুট চওড়া থাকার কথা স্বীকার করলেও তাঁর নির্মাণাধীন ঘরের কারণে রাস্তার পরিমাপ ঠিক থাকছে কি না—এমন প্রশ্নে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।
ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রওশন আলী গাজী বলেন, “সরকারি রাস্তার ওপর ঘর তৈরি করতে আমি নিজে ইউনুছ ও জহুরুলকে অনেকবার নিষেধ করেছি। তারা আইন মানে না। নিজেদের ইচ্ছামতো যা ইচ্ছা তাই করে। লোকবল আছে বলে তারা কোনো নিয়ম মানতে চায় না। এ রাস্তা নিয়ে অনেকবার সালিস হলেও তারা তা মানেনি।”
সার্বিক বিষয়ে বক্তব্যের জন্য কলারোয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আরিফুল ইসলামের মুঠোফোনে গত দুদিনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

ধুলিহরে দুটি টিউবওয়েল স্থাপন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ১২:৪৯ পূর্বাহ্ণ
ধুলিহরে দুটি টিউবওয়েল স্থাপন

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর ইউনিয়নে বিশুদ্ধ পানির সংকট দূর করতে দুটি নলকূপ (টিউবওয়েল) স্থাপন করা হয়েছে। সোমবার (৮ জুন) আসরের নামাজের পর ধুলিহর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর কেন্দ্রীয় মাঞ্জেখানা মসজিদ ও বালুইগাছা আল মদিনা জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে এই নলকূপ দুটির উদ্বোধন করা হয়।
ব্রহ্মরাজপুর ও ধুলিহর ইসলামী সমাজকল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে স্থানীয় মুসল্লি ও সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা ও জার্মানপ্রবাসী জুলফিকার হায়দার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সিটি কলেজের সহকারী অধ্যাপক ও পরিষদের আহ্বায়ক শেখ আব্দুল ওয়াদুদ। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পরিষদের সদস্য শামীম সানা, আব্দুল হাকিম, আতাউর রহমান রিংকু ও মেহেদী হাসান শিমুল। অনুষ্ঠান শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন ব্রহ্মরাজপুর ও ধুলিহর ইসলামী সমাজকল্যাণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মনিরুল ইসলাম ফারুকী।

দেবহাটায় শাশুড়িকে হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি দেড় মাসেও গ্রেপ্তার হননি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ১২:৪৮ পূর্বাহ্ণ
দেবহাটায় শাশুড়িকে হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি দেড় মাসেও গ্রেপ্তার হননি

নিজস্ব প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলায় শাশুড়িকে চেতনানাশক স্প্রে করে এবং চাকু দিয়ে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টার মামলার একমাত্র আসামি আসাদুল ইসলাম (৩৮) ঘটনার দেড় মাস পরও গ্রেপ্তার হননি। মামলা হওয়ার পরও আসামি ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকায় চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। উপরন্তু মামলা তুলে নিতে আসামিপক্ষ থেকে প্রতিনিয়ত হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
মামলা ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ১ জানুয়ারি দেবহাটার নাজিরের ঘের গ্রামের নুর ইসলাম সানার মেয়ে নার্গিস খাতুনের (৩৬) সঙ্গে বিয়ে হয় কাশিপুর গ্রামের আইজুদ্দীন মোড়লের ছেলে আসাদুল ইসলামের। দাম্পত্য জীবনে তাঁদের এক কন্যা সন্তান রয়েছে এবং ঘটনার সময় নার্গিস ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। বিয়ের পর থেকেই যৌতুকসহ বিভিন্ন পারিবারিক কারণে নার্গিসের ওপর নির্যাতন চলত।
অভিযোগে বলা হয়, গত এপ্রিল মাসে অন্তঃসত্ত্বা নার্গিসকে মারধর করা হলে তাঁর বাবা-মা মেয়েকে উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসা দিয়ে নিজেদের বাড়িতে নিয়ে যান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আসাদুল ওই রাতেই শ্বশুরবাড়িতে চড়াও হন। সেখানে শাশুড়ি আদুরীনেছাকে (৭০) একা পেয়ে চেতনানাশক স্প্রে করে অচেতন করেন এবং চাকু দিয়ে কুপিয়ে চোখ ও মুখম-লসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করে শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা চালান। পরে বৃদ্ধাকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে সখিপুর হাসপাতাল এবং পরে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, ঘটনার পর দেবহাটা থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা না নিয়ে আদালতে যাওয়ার পরামর্শ দেয়। পরে আদালতের নির্দেশে ঘটনার ২০ দিন পর দেবহাটা থানা মামলাটি (সিআর ৮৭/২৬) রেকর্ড করে। তবে মামলা দায়েরের দেড় মাস পেরিয়ে গেলেও আসাদুলকে গ্রেপ্তার হয়নি।
এদিকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (আইও) উপপরিদর্শক (এসআই) তুহিন বাওয়ালী দেবহাটা থানা থেকে বদলি হওয়ায় তদন্ত কার্যক্রমে কিছুটা স্থবিরতা তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে ঘটনার সময় অন্তঃসত্ত্বা থাকা নার্গিস খাতুন সম্প্রতি একটি সন্তানের জন্ম দিলেও আসামি আসাদুল সন্তান বা স্ত্রীর কোনো খোঁজ নেননি।
নার্গিস খাতুনের বৃদ্ধ বাবা নুর ইসলাম সানা (৭৮) বলেন, “আমরা এখন জীবনের চরম ঝুঁকি নিয়ে দিন কাটাচ্ছি। আমার স্ত্রীকে যে মানুষটা কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করেছে, সে এখন বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং আমাদের মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে। দেড় মাস হয়ে গেল অথচ পুলিশ তাকে ধরছে না। আমরা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও নিরাপত্তা চাই।”
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্যের জন্য অভিযুক্ত আসাদুল ইসলামের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাঁর নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।
দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল আলিম বলেন, মামলাটিতে একজন আসামি এবং এর মধ্যে তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন হয়েছে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আসামি যদি বাদী পক্ষকে কোনো ধরনের হুমকি দিয়ে থাকে, তবে থানায় এসে জানালে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।