শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩

শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. রিয়াদ হাসান: রোগী থাকে যতক্ষণ সেবা দেন ততক্ষণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৫৮ পূর্বাহ্ণ
শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. রিয়াদ হাসান: রোগী থাকে যতক্ষণ সেবা দেন ততক্ষণ

Oplus_131072

নিজস্ব প্রতিনিধি: ​চিকিৎসা পেশাকে বলা হয় সেবার ধর্ম। কিন্তু বর্তমান ব্যস্ত ও বাণিজ্যিক সময়ে একজন চিকিৎসকের দায়িত্ববোধ এবং আন্তরিকতার উদাহরণ যখন মানুষের মুখে মুখে ফেরে, তখন তা সমাজের জন্য আশার আলো তৈরি করে। সাতক্ষীরা জেলার শিশুদের স্বাস্থ্যসেবায় তেমনি এক আস্থার নাম ডাঃ মো. রিয়াদ হাসান। তিনি শুধু একজন চিকিৎসক নন, বরং অনেক শিশু ও অভিভাবকের কাছে এক পরম মানবিকতার প্রতীক।
ডা. মো. রিয়াদ হাসান একজন সুপরিচিত শিশু বিশেষজ্ঞ। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা ও পেশাগত অভিজ্ঞতা তাকে এই ক্ষেত্রে বেশ দক্ষ করে তুলেছে। তাঁর ডিগ্রিগুলো হচ্ছেÑএমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি (শিশু) (বিএসএমএমইউ)। তিনি সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের একজন কনসালট্যান্ট হিসেবে নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছেন।
ডা. মো. রিয়াদ হাসানের ভাষ্যমতে, তিনি সরকারি পদে কর্মরত থাকার পাশাপাশি তিনি সাধারণ মানুষের দোড়গোড়ায় চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে প্রতিদিন শত শত শিশু রোগী আসে। সেখানে তিনি নির্দিষ্ট সময়ে হাসপাতালে উপস্থিত হন এবং অত্যন্ত ধৈর্য ও নিষ্ঠার সাথে সেবা দেন। তার কর্মপদ্ধতির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো রোগীর প্রতি আন্তরিকতা।
শিশু রোগীর স্বজনরা জানান, হাসপাতালের নির্ধারিত সময়ের পরও যদি কোনো রোগী বাকি থাকে, তবে একজন শেষ রোগী পর্যন্ত না দেখে তিনি হাসপাতাল ত্যাগ করেন না। শত ব্যস্ততার মাঝেও প্রতিটি শিশুর শারীরিক সমস্যা মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং সঠিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।
সাতক্ষীরা রং-তুলি আর্টের সত্ত্বাধিকারী ও ব্লাড ডোনার এডমিন মোহেব উল্যাহ বলেন, শিশুরা স্বভাবতই কিছুটা ভীতু প্রকৃতির হয়ে থাকে, বিশেষ করে ডাক্তারের মুখোমুখি হলে তারা কান্না বা ভয় পেয়ে যায়। কিন্তু ডা. রিয়াদ হাসানের হাসিমুখ ও আন্তরিক কথোপকথন শিশুদের ভীতি দূর করে দেয়। শুধু রোগীই নয়, রোগীর সাথে আসা স্বজনদের সাথেও তিনি অত্যন্ত নম্র ও ধৈর্যশীল আচরণের পরিচয় দেন। অসুখের বিস্তারিত ব্যাখ্যা করা, কীভাবে যতœ নিতে হবে সে বিষয়ে বুঝিয়ে বলা এবং অভিভাবকদের আশ্বস্ত করার ক্ষেত্রে তার এই অমায়িক দৃষ্টিভঙ্গি রোগীদের মানসিকভাবে অর্ধেক সুস্থ করে তোলে। হাসপাতাল ছাড়াও তিনি বেসরকারিভাবে রোগী দেখেন।
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের কয়েকজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার বলেন, একটি সুস্থ সমাজ গঠনে প্রয়োজন ডা. রিয়াদ হাসানের মতো মানবিক ও দায়বদ্ধ চিকিৎসক। সরকারি দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মনে ভালোবাসা ও আস্থা অর্জন করা সহজ কথা নয়। তার এই মানবিক সেবা এবং সততা সাতক্ষীরার স্বাস্থ্যসেবায় এক অনন্য উদাহরণ সৃষ্টি করেছে। দেশের প্রতিটি চিকিৎসকের মধ্যে এই আন্তরিকতা ছড়িয়ে পড়লে স্বাস্থ্য খাত সাধারণ মানুষের প্রকৃত আশার স্থল হয়ে উঠবে।

Ads small one

ভোমরা ইউনিয়নে ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী ডা. মমিনুল ইসলামের পরিচিতি সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২২ পূর্বাহ্ণ
ভোমরা ইউনিয়নে ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী ডা. মমিনুল ইসলামের পরিচিতি সভা

সীমান্ত প্রতিনিধি: আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সাতক্ষীরার ৬ নম্বর ভোমরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ডা. মমিনুল ইসলাম মধুর নির্বাচনী পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় শাখরা বাজার স্কুল মার্কেটের সামনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট মো. সিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ডা. মমিনুল ইসলাম মধু এলাকার অবহেলিত রাস্তাঘাটের উন্নয়ন ও সার্বিক জনকল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। নির্বাচিত হলে ভোমরা ইউনিয়নকে একটি আধুনিক ও মডেল ইউনিয়নে রূপান্তরিত করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। পরিচিতি সভায় স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

তোমার হাসি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২২ পূর্বাহ্ণ
তোমার হাসি

 

 

জহুরুল হক জুলু
তোমার হাসি আসে ভোরের সূর্যের মতো,
অন্ধকার ভেঙে আলো হয়ে নামে।
চোখের ভেতর জমে থাকা হাজার কান্না
গলে যায় এক নিমিষেÑ
যেন অদৃশ্য কোনো হাত
নীরবে ছুঁয়ে যায় হৃদয়।

তোমার হাসির শব্দে
শহরের সব কোলাহল যেন থেমে যায়,
এক মুহূর্তের জন্য থেমে থাকে সময়।
অবাক হয়ে আমি ভাবিÑ
কীভাবে সময়কেও তুমি
এত সহজে বন্দি করো!

আমি দেখিÑ
দেয়ালে ঝুলে থাকা পুরোনো ক্যালেন্ডার
হঠাৎ জীবন্ত হয়ে ওঠে।
দিন-তারিখের বিবর্ণ পাতার ভেতর
ফুঁড়ে ওঠে ভবিষ্যতের আলোকরেখা।

ক্লান্ত শরীরে তোমার হাসি
এক ফোঁটা বৃষ্টির মতো,
যেন মরুভূমির তৃষ্ণার মাঝে
হঠাৎ জন্ম নেয় স্বচ্ছ জলধারা।
পাথরের রুক্ষতা মুছে যায়,
মন ভরে ওঠে অচেনা ফুলের গন্ধে।

রাত গভীর হলে
জানালার ওপারে বাতাসের গুঞ্জন,
তবুও শুনি তোমার হাসির প্রতিধ্বনিÑ
যেন ভাঙা কাচে রোদের প্রতিফলন,
টুকরো টুকরো হয়েও
যে আলো ছড়িয়ে দেয় চারদিকে।

তুমি কি জানোÑ
তোমার হাসি শুধু ঠোঁটের বাঁক নয়,
এ যেন এক মহাবিশ্বের ভাষা,
যে ভাষা অচেনাকেও
এক মুহূর্তে করে তোলে আপন।

প্রতিটি শ্বাসে তোমার হাসি শুনি,
প্রতিটি নিঃশ্বাসে মন থমকে যায়।
ব্যস্ত শহরের কোলাহলের মাঝেও
মনে হয়, পৃথিবীর সব পথ
এক মুহূর্তের জন্য
তোমার দিকেই ফিরে যায়।

তোমার হাসিÑ
আমার অন্তহীন যাত্রার মানচিত্র,
ভাঙা আত্মার পুনর্গঠনের স্বপ্ন,
অদৃশ্য গন্তব্যের
একটি নীরব চাবি।

যখন বাতাস হালকা হয়ে আসে,
জলরাশিতে দেখি তোমার প্রতিচ্ছবি।
পথহারা ছায়াগুলো কেঁপে কেঁপে
চুপচাপ যেন বলেÑ
“এখানেই তো তুমি আছ।”

তোমার হাসি স্রোতের মতো,
বাঁকে বাঁকে মুছে দেয় দুঃখ,
নদীর মতো বয়ে চলে
হৃদয়ের গভীর ভেতর,
অজানা গন্তব্যের পথে
আলো ছড়িয়ে যায় নিরন্তর।

সকালের রোদ হোক
অথবা গভীর রাতের নিঃশ্বাস,
তোমার হাসি থেকে যায় জীবন্তÑ
যেন প্রতিটি মুহূর্তকে
নতুন রঙে এঁকে দেয়,
প্রতিটি নিঃশ্বাসে
গড়ে তোলে নতুন সকাল।

তোমার হাসিটা সত্যিই সকালের রোদ,
যা প্রতিদিন মনে করিয়ে দেয়Ñ
অন্ধকার কখনো চিরস্থায়ী নয়।
তোমার হাসির আলোয় ভেসে থাকে
আমার সমস্ত নিঃশ্বাস,
আমার সমস্ত পথ,
আমার ফিরে পাওয়ার সমস্ত সকাল।

নিঃশব্দ অনুরাগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২১ পূর্বাহ্ণ
নিঃশব্দ অনুরাগ

বাপী নাগ
পৃথিবীর কত নৈসর্গিক সৌন্দর্য রয়ে গেল অধরা,
জ্যোৎস্নার সুধা, নীলিমার বিস্তারÑসবই যেন মরীচিকা-ভরা।
আত্মহারা শীতল বাতাস ছুঁয়ে যায় অনন্ত প্রাণ,
তবু তার মিষ্টি পরশে জাগে’নি আমার অব্যক্ত অভিমান।

দূরত্বের অন্তরালে দেখেছি মায়ার গহন আবেশ,
দু”হাত স্পর্শ করা হয়নি, রয়ে গেছে অপূর্ণ রেশ।
নয়নের নীরব ক্যানভাসে আঁকি তার প্রতিচ্ছবি,
অলক্ষ্যে হৃদয় জুড়ে বাজে এক অশ্রুত রাগিণী।

আমি এক নির্বোধ পথিক, অধরাকে ছুঁতে চাই বারংবার,
অপ্রাপ্যের মায়াবী মোহে হারাই নিজেকে অনিবার।
আমার সুখের সংজ্ঞাটি যে অদ্ভুত, অচেনা তার ভাষা,
সে নিজেও জানে নাÑতবু তাকে ঘিরেই আমার প্রত্যাশা।

দুই নয়নের অন্তঃপুরে তারই কল্পিত ছবি জাগে,
নিঃশব্দ অনুরাগ এসে অব্যক্ত স্বপ্নের অনুরাগে।
দুটি হাতের উষ্ণতা আজন্মের এক আসা জাগায়।
স্পর্শহীন সেই আকাক্সক্ষাই বয়ে বেড়াই নিশিদিন নিরুপায়।

কিছু অনুভব উচ্চারিত হয় না, থাকে নীরবতার অন্তরালে,
কিছু মায়া স্পর্শহীন থেকেও হৃদয়ের গভীরতম কুঠুরিতে জ্বলে।
অধরা বলেই হয়তো সে এত আপন, এত চিরন্তন,
দুটি হাত ছোঁয়া হয়নি কখনোÑতবু সে-ই আমার অনির্বচনীয় স্পন্দন।