বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩

শ্যামনগরে এসএসসিতে পাশের হার ৬০ দশমিক ৫০ শতাংশ ও জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ১০১ জন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৫:২১ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে এসএসসিতে পাশের হার ৬০ দশমিক ৫০ শতাংশ ও জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ১০১ জন

সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় এসএসসিতে পাশের হার ৬০ দশমিক ৫০ শতাংশ ও এপ্লাস প্রাপ্ত শিক্ষার্থী ১০১ জন। উপজেলায় শতভাগ পাশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নেই তবে শূণ্য পাশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান একটি।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সুত্রে প্রকাশ, চলতি বছরে উপজেলায় মোট এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল ১৭০৪ জন এর মধ্যে পাশ করেছে ১০৩১ জন। ৪১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশ কৃত শিক্ষার্থীদের মধ্যে এ প্লাস প্রাপ্ত শিক্ষার্থী ১০১ জন, এ প্রাপ্ত ২৪১ জন, এ- প্রাপ্ত ২২০ জন, বি প্রাপ্ত ২৫২ জন, সি প্রাপ্ত ২১০ জন ও ডি প্রাপ্ত ৬ জন। মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেনি ৬৭৩ জন।

উপজেলায় প্রথম হয়েছে এ প্লাসপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলির মধ্যে নকিপুর সরকারি হরিচরণ পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এ প্রতিষ্ঠানে এ প্লাস প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৯ জন। দ্বিতীয় নকিপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়। এখানে এ প্লাস প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১১ জন। তৃতীয় এ প্লাস প্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কাশিমাড়ী আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ। এ প্লাস প্রাপ্ত শিক্ষার্থী ১০ জন। চতুর্থ এ প্লাস প্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নুরনগর আশালতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এ প্রতিষ্ঠানে এ প্লাস প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৯ জন।

শূণ্য পাশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হল সাহেবখালী সিদ্দিক গাজী মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এ প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৪ জন। ফেল করেছে ৪ জন।

দাখিল পরীক্ষায় পাশের হার ৫১ দশমিক ১৮ শতাংশ এবং এ প্লাস প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৯ জন। উপজেলায় ৩৫ টি মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১০৬৫ জন। এর মধ্যে পাশ করেছে ৫৪৫ জন। ফেল করেছে ৫২০ জন। শতভাগ পাশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নেই। এ প্লাস প্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রথম জয়নগর আমিনিয়া ফাজিল মাদ্রাসা। এ প্লাস প্রাপ্ত শিক্ষার্থী ২ জন।

 

বাঁকী ৭টি প্রতিষ্ঠান থেকে ৭ জন এ প্লাস প্রাপ্ত হয়েছেন। দাখিল পরীক্ষায় এ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৮৯ জন, এ- প্রাপ্ত ১৩০ জন, বি প্রাপ্ত ১৩৫ জন, সি প্রাপ্ত ১৭৪ জন ও ডি প্রাপ্ত ৮ জন।
এসএসসি কারিগরি ৬টি প্রতিষ্ঠানে পাশ করেছে ৫৩ জন। পরীক্ষার্থীর ছিল ৮৫ জন।

Ads small one

আন্তর্জাতিক যুব দিবসে টিআইবির ৯ দফা সুপারিশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০৫ অপরাহ্ণ
আন্তর্জাতিক যুব দিবসে টিআইবির ৯ দফা সুপারিশ

“জলবায়ুর অভিঘাত মোকাবিলা ও টেকসই উন্নয়নে দুর্জয় তারুণ্য”-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আন্তর্জাতিক যুব দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরায় সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) ও ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর যৌথ উদ্যোগে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকেলে সাতক্ষীরার ম্যানগ্রোভ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এ সভায় ১১টি যুব সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

সনাক সাতক্ষীরার সভাপতি তৈয়েব হাসান সামছুজ্জামানের সভাপতিত্বে সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন সনাক-ইয়েস উপকমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ভারতেশ্বরী বিশ্বাস। ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন ইয়েস সদস্য হেনা পারভীন।

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় তরুণদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সভায় টিআইবি ও সনাকের পক্ষে ৯ দফা সুপারিশ পেশ করা হয়। সুপারিশগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— তরুণদের উদ্ভাবনী উদ্যোগে আর্থিক সহায়তা ও স্বীকৃতি প্রদান, তারুণ্যনির্ভর জাতীয় জলবায়ু কৌশল প্রণয়ন, প্রান্তিক এলাকায় নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সুবিধা নিশ্চিত করা, তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা তহবিল গঠন, পরিবেশবান্ধব কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সরকারি-বেসরকারি সব নিয়োগপ্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা।

আলোচনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন সনাক সহ-সভাপতি ইয়াছীন ছিদ্দীকী, সদস্য প্রফেসর আব্দুল হামিদ, আবুল বাসার পল্টু ও ইয়েস আহ্বায়ক মো. অলিউর রহমান। বিডি ক্লিন, রেড ক্রিসেন্টসহ ১০টি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা জলবায়ু ঝুঁকি হ্রাসে তরুণদের ভূমিকা নিয়ে নিজস্ব মতামত ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সনাকের এরিয়া সমন্বয়কারী আল-আমিন। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

 

বুড়িগোয়ালিনীতে বিএনপির আলোচনা সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ণ
বুড়িগোয়ালিনীতে বিএনপির আলোচনা সভা

উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি ও স্থানীয় বাসিন্দাদের অংশগ্রহণে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকেলে নীলডুমুর আলাউদ্দিন মার্কেটে এ সভা হয়। ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি রবিউল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শ্যামনগর উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ নাজমুল হক।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেখ নাজমুল হক বলেন, দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে তৃণমূল পর্যায়ে দলকে সুসংগঠিত করার কোনো বিকল্প নেই। তিনি দলের হাতকে শক্তিশালী করতে ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

আলোচনা সভায় বক্তারা দলীয় কার্যক্রম আরও গতিশীল করা এবং এলাকার সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সভায় স্থানীয় বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

মৎস্য ঘেরের আইলে সবজি চাষে সাফল্য পাচ্ছেন তালার কৃষকেরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৫৮ অপরাহ্ণ
মৎস্য ঘেরের আইলে সবজি চাষে সাফল্য পাচ্ছেন তালার কৃষকেরা

মুজিবর রহমান: মৎস্য ঘেরের আইলে সবজি আর নিচের পানিতে মাছ—সমন্বিত এই চাষ পদ্ধতিতে নতুন সম্ভাবনার পথ দেখাচ্ছেন সাতক্ষীরার তালা উপজেলার কৃষকেরা। খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের দুপাশে ঘেরের আইলে মাচা পদ্ধতিতে সবজি চাষ করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন শত শত পরিবার।

তালা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নগরঘাটা, সরুলিয়া, খলিষখালীসহ আশপাশের ইউনিয়নগুলোতে ব্যাপকভাবে এ পদ্ধতিতে চাষাবাদ হচ্ছে। ঘেরের আইলে উৎপাদিত এসব সবজি সম্পূর্ণ ভেজালমুক্ত ও বিষমুক্ত।

সরেজমিনে দেখা গেছে, নগরঘাটা ইউনিয়নের মিঠাবাড়ি, নগরঘাটা ও শাকদাহ বিলে শত শত হেক্টর ঘেরের আইলে মাচায় ঝুলছে লাউ, মিষ্টি কুমড়া, করলা, খিরাই, বেগুন, পুঁইশাক, বরবটি, ঝিঙে ও লালশাক। কোনো কোনো ঘেরের বেড়িবাঁধে তরমুজ চাষেও সফলতা এসেছে।

পাটকেলঘাটার কৃষক শহিদুল ইসলাম জানান, ৩ বিঘা ঘেরে বাঁশ ও নেট দিয়ে মাচা তৈরিতে তাঁর খরচ হয়েছিল প্রায় ৬ হাজার টাকা। ইতোমধ্যে উৎপাদিত সবজি বিক্রি করে তাঁর আয় ৫০ হাজার টাকা ছাড়িয়েছে। পানি শুকিয়ে গেলে এই জমিতেই ধানের চাষ করবেন তিনি। আরেক কৃষক আব্দুর রহিম সরদার জানান, মাচা দুই-তিন বছর পর পর তৈরি করতে হয় বলে উৎপাদনের খরচ অনেক কমে যায়।

তালা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাজিরা খাতুন জানান, সমন্বিত এ পদ্ধতিতে মাছ ও সবজি চাষে চাষিদের সার্বিক কারিগরি সহায়তা ও পরামর্শ দিচ্ছেন মাঠপর্যায়ের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা।