বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩
বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

শ্যামনগরে বিদ্যালয়ের অফিসে আগুন, পুড়ে গেছে কম্পিউটার, শিক্ষা উপকরণ ও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:২৭ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে বিদ্যালয়ের অফিসে আগুন, পুড়ে গেছে কম্পিউটার, শিক্ষা উপকরণ ও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার দক্ষিণ পাখিমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে অগ্নিকা-ে প্রায় তিন লাখ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে। গত সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকেল পাঁচটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করছে শিক্ষা বিভাগ। বিদ্যালয়টির নাম ১৭৫ নং দক্ষিণ পাখিমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

 

অগ্নিকা-ে দুটি প্রজেক্টর, একটি ল্যাপটপ, তিনটি সাউন্ড বক্স, একটি টেলিভিশন, দুটি টেবিল ফ্যান, দুটি রাউটার, একটি মেগাফোনসহ বিভিন্ন বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম পুড়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শিক্ষা উপকরণ, শিক্ষক সহায়িকা, প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির পাঠ পরিকল্পনা এবং ১০টি ডিজিটাল ব্যানারও। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জি এম মিজানুর রহমান উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে দেওয়া প্রতিবেদনে জানান, সোমবার বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে পাঠদান শেষে তিনি বিদ্যালয় থেকে বাড়ি চলে যান। পরে বিকেল পাঁচটার দিকে বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে আগুন লাগার খবর পান। দ্রুত বিদ্যালয়ে গিয়ে তিনি অফিসকক্ষ ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন দেখতে পান। এ সময় শোকেস ও সাউন্ড বক্সে আগুন জ্বলছিল। পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় পানি দিয়ে আগুন নেভানো হয়। অগ্নিকা-ে অফিসের আসবাব, পানির ফিল্টার, প্লাস্টিকের ওয়ারড্রব, র‌্যাক, দেয়ালঘড়ি, মনিটরিং বোর্ড, টেবিল ও চেয়ার পুড়ে গেছে।

 

এ ছাড়া কাঁচের গ্লাস, ডিনার সেট, মেলামাইনের প্লেট, গামলা ও চামচ, টেবিলের কাপড় এবং জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের রানারআপ ট্রফি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আগুনে বিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্রও পুড়ে গেছে। এর মধ্যে রয়েছে স্কুল ফিডিং রেজিস্টার, বই বিতরণ রেজিস্টার এবং তৃতীয় ও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের হাজিরা খাতা। প্রধান শিক্ষকের হিসাবে, অগ্নিকা-ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় তিন লাখ টাকা। ঘটনার পর গত মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির বিদ্যালয়টি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। তাঁর প্রতিবেদনে বলা হয়, বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষের অধিকাংশ মালামাল পুড়ে গেছে। কক্ষের দেয়াল ও সিলিং কালো হয়ে গেছে। সরেজমিন পর্যবেক্ষণে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. এনামুল হক প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার প্রতিবেদন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়েছেন।

এ বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রুহুল আমীন বলেন, “দক্ষিণ পাখিমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অগ্নিকা-ের ঘটনা সম্পর্কে আমরা অবগত হয়েছি। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে প্রতিবেদন পাওয়া গেছে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ সংগ্রহ করা হয়েছে। অগ্নিকা-ের প্রকৃত কারণ নির্ধারণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত মালামালের পরিমাণ যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম যাতে ব্যাহত না হয়, সে বিষয়েও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।”

Ads small one

সাতক্ষীরায় পুলিশের বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:২৪ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় পুলিশের বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলাদেশ পুলিশের বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা-২০২৬-এর অংশ হিসেবে সাতক্ষীরায় পদোন্নতিপ্রত্যাশী পুলিশ সদস্যদের চাকরির খতিয়ান বই পর্যালোচনা ও প্যারেড পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর ২০২৬) সাতক্ষীরা পুলিশ লাইন্স প্যারেড গ্রাউন্ডে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এএসআই (নিরস্ত্র) থেকে এসআই (নিরস্ত্র) এবং কনস্টেবল/নায়েক থেকে এএসআই (নিরস্ত্র) পদে পদোন্নতির লক্ষ্যে পরীক্ষার্থীরা এতে অংশগ্রহণ করেন।

সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো. আশরাফুল আলমের সভাপতিত্বে বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা পরিচালনা ও মূল্যায়ন বোর্ডের কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

পরীক্ষা বোর্ডের সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মো. মিরাজুল ইসলাম, পিপিএম; সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মিথুন সরকার এবং পুলিশ পরিদর্শক (সশস্ত্র) মো. নাজমুল হক মোল্লা।

পরীক্ষার অংশ হিসেবে পরীক্ষার্থীদের চাকরির খতিয়ান বই পর্যালোচনা এবং প্যারেডে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তাদের নির্ধারিত মূল্যায়ন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। বাংলাদেশ পুলিশের বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের পদোন্নতি প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

 

এ পরীক্ষার মাধ্যমে নির্ধারিত পদে পদোন্নতির জন্য বিবেচনাধীন সদস্যদের যোগ্যতা ও সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো মূল্যায়ন করা হয়।

আশাশুনিতে পুলিশের অভিযানে সন্ত্রাসবিরোধী ও ধর্ষণ মামলার আসামিসহ গ্রেপ্তার চার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে পুলিশের অভিযানে সন্ত্রাসবিরোধী ও ধর্ষণ মামলার আসামিসহ গ্রেপ্তার চার

বিএম আলাউদ্দীন, আশাশুনি: আশাশুনিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে সন্ত্রাসবিরোধী আইন মামলার আসামি, ধর্ষণ মামলার আসামিসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে গ্রেপ্তারকৃতদের পুলিশি পাহারায় বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-আশাশুনি উপজেলার বালিয়াপুর গ্রামের মৃত ছৈলুদ্দীন সরদারের ছেলে মো. জলিল সরদার (৬৪)। তিনি সাতক্ষীরা জেলা মৎস্যজীবী লীগের সহসভাপতি হিসেবে পরিচিত। তাঁর বিরুদ্ধে আশাশুনি থানার মামলা নং-২২, তারিখ ২১ জুন ২০২৬, সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ৬/৭/ ৮/৯/ ১০/১১/ ১২/১৩ ধারায় মামলা রয়েছে।

দ্বিতীয়জন বেউলা গ্রামের মো. শাহাজান আলীর ছেলে মো. রায়হানুজ্জামান। তিনি পি.ডি. নং-২৬৮/২৫ মামলায় তিন মাসের বিনাশ্রম সাজাপ্রাপ্ত আসামি।

তৃতীয়জন উত্তর চাপড়া গ্রামের মো. জেনারুল সরদারের ছেলে মো. আল আমিন (২৪)। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা আশাশুনি থানার মামলা নং-১৫, তারিখ ১৪ অক্টোবর ২০২৬, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০২৫)-এর ৯(খ) ধারার মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

চতুর্থজন আশাশুনি সদরের মৃত মো. জাকাত আলীর ছেলে আব্দুল মজিদ। তিনি সিআর নং-৩৪০/২৬ মামলার আসামি।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওসি শাহিদুর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে চারজনকেই পুলিশি পাহারায় বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

সাতক্ষীরায় জলবায়ু বাস্তুচ্যুত ৭৪.৯% মানুষ তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায়: খানি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:২৭ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় জলবায়ু বাস্তুচ্যুত ৭৪.৯% মানুষ তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায়: খানি

নিজস্ব প্রতিনিধি: ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও তীব্র নদীভাঙনে ভিটেমাটি হারিয়ে সাতক্ষীরা শহরের বস্তিতে আশ্রয় নেওয়া জলবায়ু বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর ৭৪.৯ শতাংশ মানুষ বর্তমানে তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। বাংলাদেশ খাদ্য নিরাপত্তা নেটওয়ার্ক (খানি)-র গবেষণায় দেখা যায়, দুর্যোগের মুখে বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর ৪১.১১ শতাংশ মানুষ তাঁদের আবাদি কৃষিজমি হারিয়েছেন। চরম খাদ্যাভাবের কারণে এসব পরিবারের ৫২.২ শতাংশ মানুষকে পুরো একদিন না খেয়ে কাটাতে হয়েছে। তা সত্ত্বেও মাত্র ৭.৫ শতাংশ পরিবার সরকারি সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির আওতায় আসতে পেরেছে।

‘অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুতি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক জাতীয় কৌশলপত্র ২০২১’ গ্রহণের পাঁচ বছর পেরিয়ে গেলেও এর অঙ্গীকার ও সুফল বস্তিবাসীদের দৈনন্দিন জীবনে পৌঁছায়নি। ফলে বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলো নিরাপদ আবাস, পর্যাপ্ত খাবার, নিয়মিত কর্মসংস্থান এবং সরকারি সামাজিক সুরক্ষা ভাতা থেকে চরমভাবে বঞ্চিত হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১০টায় সাতক্ষীরার রয়েল গ্লাস কনভেনশন হল রুমে অনুষ্ঠিত ‘সহনশীলতার সূচনা নিজের ঘর থেকেই’ (Where does resilience start for those without a home?) শীর্ষক এক বহুপাক্ষিক সংলাপে এসব উদ্বেগজনক তথ্য তুলে ধরা হয়। বাংলাদেশ খাদ্য নিরাপত্তা নেটওয়ার্ক (খানি), পার্টিসিপেটরি RESEARCH অ্যান্ড অ্যাকশন নেটওয়ার্ক (প্রান) এবং উন্নয়ন সংগঠন ‘স্বদেশ’ যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। সংলাপে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন খানি-র বিভাগীয় প্রতিনিধি। অনুষ্ঠানের আগে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের হয়, যা সাতক্ষীরার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়।

সংলাপে বক্তারা বলেন, সিডর ও আইলার মতো ভয়াবহ দুর্যোগের পর বিপুল সংখ্যক মানুষ তাদের সবকিছু হারিয়ে আশ্রয়হীন হয়ে সাতক্ষীরা শহরে এসে মাথা গুঁজে আছেন। বক্তারা জোর দিয়ে বলেন, “বাস্তুচ্যুতির পরবর্তী খাদ্য অনিরাপত্তা কোনো সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নয়; এটি প্রকৃতপক্ষে দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমনের একটি প্রতিরোধযোগ্য ব্যর্থতা।”

অনুষ্ঠানে সরকারি কর্মকর্তারা আশ্বাস দিয়ে জানান, বস্তিবাসীদের মধ্যে যারা এখনো বয়স্ক বা বিধবা ভাতার আওতায় আসেননি, তাদের তালিকা প্রদান করা হলে দ্রুত ভাতার ব্যবস্থা করা হবে। এছাড়া পৌরসভার বাইরের ভূমিহীনরা আবেদন করলে সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী প্রতি পরিবারকে ২ একর পর্যন্ত কৃষি খাসজমি বন্দোবস্ত দেওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

উন্নয়ন সংগঠন ‘স্বদেশ’-এর নির্বাহী পরিচালক মাধব চন্দ্র দত্তের সভাপতিত্বে এবং বিশিষ্ট উন্নয়ন গবেষক ও সিইপিআর-এর নির্বাহী পরিচালক গৌরাঙ্গ নন্দীর সঞ্চালনায় সংলাপে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও সাতক্ষীরা পৌরসভার প্রশাসক শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন।

এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার অর্ণব দত্ত, সাতক্ষীরা পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান, সমাজ উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. জিয়াউর রহমান, জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক নাজমুন নাহার, জেলা নির্বাচন অফিসার মো. হযরত আলী এবং জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকৌশলী মো. জাহিদ পারভেজ।

সংলাপে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুল হামিদ, সিনিয়র সাংবাদিক ও ‘ডেইলি স্টার’-এর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি কল্যাণ ব্যানার্জি, দক্ষিণের মশাল’-এর সম্পাদক আশেক এ ইলাহী,  সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপী,  সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম কামরুজ্জামান ও মিজানুর রহমান, সাবেক শিক্ষা অফিসার কিশোরী মোহন সরকার, নাগরিক নেতা আলী নুর খান বাবুল, ‘এখন টেলিভিশনের আহসান রাজীব, বাংলা ট্রিবিউনের আসাদুজ্জামান সরদার, ভোরের বাণী’-র মো. মোকাররাম বিল্লাহ ইমনসহ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী, জনপ্রতিনিধি ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।