রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

শ্রীলঙ্কার কাছে হারল বাংলাদেশের মেয়েরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:৫৫ অপরাহ্ণ
শ্রীলঙ্কার কাছে হারল বাংলাদেশের মেয়েরা

স্পোর্টস ডেস্ক: তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে জয়ের পর দ্বিতীয় ম্যাচে হেরে সমতায় নেমে এসেছে বাংলাদেশ নারী দল। রাজশাহীতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শ্রীলঙ্কার কাছে ৪ উইকেটে পরাজিত হয়েছে নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। ফলে সিরিজ এখন ১-১ সমতায়। আগামী শনিবার অনুষ্ঠিত হবে সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ম্যাচ।

 

১৬৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় শ্রীলঙ্কা। ওপেনার হাসিনি পেরেরা ৫ রান করে বিদায় নেন। ইমেশা দুলানি করেন ৮ রান। তবে ওপেনার ও অধিনায়ক চামারি আতাপাত্তু আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে দলকে এগিয়ে নেন। ৩৯ বলে ৮টি চারে ৪০ রান করেন তিনি।

 

ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় চতুর্থ উইকেটে হারশিথা সামারাবিক্রমা ও হানসিমা করুনারত্নের ৭৭ রানের জুটিতে। করুনারত্নে ৪০ ও সামারাবিক্রমা ৫০ রান করে আউট হলেও জয়ের ভিত গড়ে দেন তারা। কৌশানি ৪ রান করে ফেরেন। পরে কাভিশা ও নীলাক্ষী দলকে জয় এনে দিয়ে মাঠ ছাড়েন।

বাংলাদেশের হয়ে নাহিদা আক্তার সর্বোচ্চ ৪টি উইকেট নেন। এছাড়া সুলতানা খাতুন ও রিতু মনি একটি করে উইকেট শিকার করেন।

 

এর আগে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। কিন্তু শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে দল। মাত্র ৪ রানে জুয়াইরিয়া ফেরদৌস (২) ও শারমিন আক্তার (০) আউট হয়ে যান।

 

একপ্রান্ত আগলে রেখে লড়াই করেন অধিনায়ক জ্যোতি। ১০১ বলে ৪টি চারে ৫৮ রান করে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ রান করেন তিনি। শারমিন সুলতানা ২৫, স্বর্ণা আক্তার ১৬, রিতু মনি ১৭, নাহিদা আক্তার ২০ ও রাবেয়া খান ১৫ রান করে কিছুটা অবদান রাখেন। এছাড়া সোবহানা মোস্তারি ৫, মারুফা আক্তার ১ ও সুলতানা খাতুন ১ রান করেন।

 

শেষ পর্যন্ত ১৬৫ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কার পক্ষে অধিনায়ক চামারি আতাপাত্তু সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট নেন। এছাড়া আরও তিন বোলার দুটি করে উইকেট শিকার করেন।

 

Ads small one

আর্থিক অপরাধ প্রতিরোধ যোদ্ধা দিবস: প্রেক্ষাপট ও বাংলাদেশের বাস্তবতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১০ অপরাহ্ণ
আর্থিক অপরাধ প্রতিরোধ যোদ্ধা দিবস: প্রেক্ষাপট ও বাংলাদেশের বাস্তবতা

সাকিবুর রহমান বাবলা

২৬ অক্টোবর পালিত হয় জাতীয় আর্থিক অপরাধ প্রতিরোধ যোদ্ধা দিবস। আর্থিক অপরাধ, অর্থপাচার ও সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন প্রতিরোধে নিয়োজিত পেশাজীবীদের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়াই এ দিবসের মূল উদ্দেশ্য। ব্যাংক কর্মকর্তা, আর্থিক গোয়েন্দা, কমপ্লায়েন্স বিশেষজ্ঞ, প্রযুক্তিবিদ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা এসব অপরাধ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

আর্থিক অপরাধ প্রতিরোধে ১৯৭০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাংক গোপনীয়তা আইন (ব্যাংকিং সিক্রেসি অ্যাক্ট) প্রণয়ন করা হয়। পরবর্তী সময়ে ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের সন্ত্রাসী হামলার পর অবৈধ অর্থপ্রবাহ ও সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন বন্ধে উদ্যোগ জোরদার হয়। একই বছরের ২৬ অক্টোবর ইউএসএ প্যাট্রিয়ট অ্যাক্ট স্বাক্ষরিত হয়। এই তারিখকে কেন্দ্র করে দিবসটি পালিত হয়। আর্থিক ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও প্রযুক্তি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান আব্রিগের উদ্যোগে দিবসটির সূচনা হয়।

আর্থিক অপরাধ প্রতিরোধে নিয়োজিত পেশাজীবীরা সন্দেহজনক লেনদেন শনাক্ত, অবৈধ অর্থের উৎস অনুসন্ধান, কর ফাঁকি, সাইবার জালিয়াতি, পরিচয় চুরি এবং মাদক ও মানব পাচার থেকে অর্জিত অর্থের প্রবাহ চিহ্নিত করতে কাজ করেন। তাঁদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও প্রশিক্ষণে বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং পেশাজীবী সংগঠন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধবিষয়ক দপ্তরের (ইউএনওডিসি) বহুল উদ্ধৃত হিসাব অনুযায়ী, বিশ্বে প্রতিবছর প্রায় ৮০০ বিলিয়ন থেকে ২ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থপাচার হয়, যা বৈশ্বিক মোট দেশজ উৎপাদনের প্রায় ২ থেকে ৫ শতাংশ। দুর্বল আইন প্রয়োগ, দুর্নীতি ও প্রাতিষ্ঠানিক সীমাবদ্ধতা অর্থপাচারের ঝুঁকি বাড়ায়।

বাংলাদেশেও অর্থপাচার ও আর্থিক অপরাধ অর্থনীতি ও জনজীবনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। আমদানি-রপ্তানিতে পণ্যের মূল্য কম বা বেশি দেখানো, হুন্ডি, ব্যাংকঋণ জালিয়াতি, ঘুষ-দুর্নীতি, কর ফাঁকি, পুঁজিবাজারে কারসাজি এবং প্রতারণার মাধ্যমে মানুষের অর্থ আত্মসাতের মতো ঘটনা আর্থিক ব্যবস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অবৈধ অর্থপ্রবাহ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে চাপ সৃষ্টি, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান ব্যাহত এবং সরকারের রাজস্ব আয় কমিয়ে দিতে পারে। একই সঙ্গে বাড়ে সম্পদের বৈষম্য এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থার সংকট।

এসব অপরাধ প্রতিরোধে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর কার্যকর প্রয়োগ এবং বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি। ই-কেওয়াইসি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে সন্দেহজনক লেনদেন শনাক্ত, আমদানি-রপ্তানির নথি যাচাই এবং উচ্চঝুঁকির গ্রাহকদের লেনদেনে বাড়তি নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি দুর্নীতি দমন কমিশন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, অপরাধ তদন্ত বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে তথ্য বিনিময়, নিয়মিত নিরীক্ষা এবং কর্মীদের প্রশিক্ষণ জোরদার করা প্রয়োজন।

জাতীয় আর্থিক অপরাধ প্রতিরোধ যোদ্ধা দিবসের মূল বার্তা হলো—আর্থিক অপরাধ প্রতিরোধ রাষ্ট্র, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও সমাজের সম্মিলিত দায়িত্ব। স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার এবং আইনের কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করার পাশাপাশি এ কাজে নিয়োজিত পেশাজীবীদের দক্ষতা ও কাজের স্বাধীনতা বাড়াতে হবে। এর মাধ্যমে দেশের সম্পদ সুরক্ষা, বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নয়ন এবং আর্থিক ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা প্রতিষ্ঠা সম্ভব।

কামার বায়সা গ্রামে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রমজান আলীর মতবিনিময়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:২৮ পূর্বাহ্ণ
কামার বায়সা গ্রামে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রমজান আলীর মতবিনিময়

0-0x0-0-0#

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ১ নম্বর বাঁশদহা ইউনিয়নের কামার বায়সা গ্রামে সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও মতবিনিময় করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও উপজেলা কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা রমজান আলী।

 

শনিবার (২৪ অক্টোবর) তিনি গ্রামের সাধারণ মানুষের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে কুশল বিনিময় করেন এবং তাঁদের খোঁজখবর নেন। এ সময় মাওলানা রমজান আলীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা বি. এম. নুরুজ্জামান।

বাঁশদহায় মদিনাবাগ মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা আব্দুল বাকের আলীর দাফন সম্পন্ন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:২৭ পূর্বাহ্ণ
বাঁশদহায় মদিনাবাগ মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা আব্দুল বাকের আলীর দাফন সম্পন্ন

0-0x0-0-0#

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ১ নম্বর বাঁশদহা ইউনিয়নের মদিনাবাগ মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ আব্দুল বাকের আলীর জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

 

শনিবার (২৪ অক্টোবর) মাগরিবের নামাজের পর জানাজায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, আলেম-ওলামা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ অসংখ্য মুসল্লি অংশ নেন।

 

জানাজার আগে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বাঁশদহা ইউনিয়ন আমির মাওলানা এ.টি.এম. নাজমুল হুদা, উপজেলা কর্মপরিষদ সদস্য ও জামায়াত মনোনীত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মাওলানা রমজান আলী, স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. বকুল হোসেন এবং মদিনাবাগ মাদরাসার সভাপতি ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এএসএম কামরুজ্জামানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।

 

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন হাফেজ মাওলানা মুফতি আজমাল হোসেন।