বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

কপোতাক্ষ নদের মাঝ দিয়ে নির্মাণকরা অবৈধ ভেড়িবাঁধ অপসারণ করে পূর্বের সীমানায় না দিলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে -ইকবল কবির জাহিদ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ মার্চ, ২০১২, ১০:২৩ পূর্বাহ্ণ
কপোতাক্ষ নদের মাঝ দিয়ে নির্মাণকরা অবৈধ ভেড়িবাঁধ অপসারণ করে পূর্বের সীমানায় না দিলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে -ইকবল কবির জাহিদ

কপোতাক্ষ অঞ্চল প্রতিনিধি : বাংলাদেশ ওয়াকার্স পার্টির পলিট বুরে‌্যার সদস্য ও কপোতাক্ষ বাঁচাও আন্দোলন সমন্বয় কমিটির উপদেষ্টা ইকবল কবির জাহিদ বলেছেন, কপোতাক্ষ নদীর বুকে বাঁধ ১৫ লাখ মানুষের মরণ ফাঁদে পরিনত হবে। সম্প্রতি হাইকোর্টের রীট আবেদনের পরও সংশ্লিষ্টরা কপোতাক্ষের মাঝ দিয়ে অবৈধ ভাবে যে ভেড়িবাঁধ নির্মাণ করেছে তা এখনও অপসারণ করেনি। ভেড়িবাঁধের সঙ্গে জড়িতদের অবিলম্বে নিজ খরচে বাঁধ অপসারণ করে পূর্বের সীমানায় না দিলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। তিনি আরও বলেন, কপোতাক্ষ খননে বর্তমান সরকারের প্রায় ২৬২ কোটি টাকার মহাপরিকল্পনাকে বাঁধাগ্রস্ত করতে অপরিকল্পিত এই ভেড়িবাঁধ দেওয়া হয়েছে। ভূমিদস্যুদের দখল ও অপিরিকল্পিত বাঁধের কারণে কপোতাক্ষ নদ আজ ধ্বংসের দার প্রান্তে পৌঁছেছে। এভাবেই চলতে থাকলে মানচিত্র থেকে কপোতাক্ষ নদ ও জনপদ একদিন হারিয়ে যাবে।

গতকাল মঙ্গলবার সকালে তালায় কপোতাক্ষ নদের উপর অবৈধ বাঁধ অপসারণ, অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ, বরাদ্ধকৃত ২৬২ কোটি টাকার কাজের স্বচ্ছতাসহ দ্রুত খননের দাবীতে তালা উপজেলা শহরে বিক্ষোভ মিছিল শেষে তালা ডাকবাংলো চত্বরে সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

তালা উপজেলা ওয়াকার্স পার্টির আয়োজনে ও উপজেলা ওয়াকার্স পার্টির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক প্রভাষক রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা ওয়াকার্স পার্টির সম্পাদক কপোতাক্ষ বাঁচাও আন্দোলন কমিটির সদস্য সচিব এ্যাড. মোস্তফা লুৎফুল¬াহ, জেলা ওয়াকার্স পার্টির সম্পাদক মন্ডলির সদস্য কমরেড মহিবুল¬াহ মোড়ল প্রমুখ।

এদিকে কপোতাক্ষ নদ পূনঃ খননের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করায় জেলা প্রশাসক তালা ও কলারোয়া উপজেলাধীন নদীর সীমানা নির্ধারণের জন্য ২১ মার্চ নির্দেশ দিয়েছে। এই লক্ষ্যে কলারোয়া উপজেলা ভূমি অফিসের কানুনগো’কে আহবায়ক করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী ৭ দিনের মধ্যে উক্ত কমিটিকে নদীর সীমানা নির্ধারণ করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য বলা হয়েছে।

প্রসঙ্গত. অবৈধ ভাবে সম্প্রতি কাবিখা প্রকল্পের টাকা দিয়ে তালা সদর ইউনিয়ন পরিষদ ও বেসরকারী সংস্থা কারিতাস খলিলনগর ইউনিয়নে কপোতাক্ষ নদের মাঝ দিয়ে ভেড়িবাঁধ নির্মাণ করেছে। এ ব্যাপারে পত্রদূতসহ কয়েকটি পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর একটি মানবাধিকার সংগঠন ওই অবৈধ ভেড়িবাঁধ অপসরণের জন্য হাইকোর্টে রীট করে। বিচারক ওই অবৈধ ভেড়িবাঁধ নিজ খরচে অপসরন করে নেয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছে।

Ads small one

প্রতাপনগরে পিবিআই পরিচয় দিয়ে নারী নির্যাতন ও লুটের অভিযোগ, গ্রামবাসীর মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৩১ অপরাহ্ণ
প্রতাপনগরে পিবিআই পরিচয় দিয়ে নারী নির্যাতন ও লুটের অভিযোগ, গ্রামবাসীর মানববন্ধন

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগরে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) কর্মকর্তা পরিচয়ে এক গৃহবধূকে হাতকড়া পরিয়ে নির্যাতন, বাড়ি ভাঙচুর ও টাকা-স্বর্ণালংকার লুটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে এবং জড়িতদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

আশাশুনির প্রতাপনগর ইউনিয়নের দিঘলারআইট গ্রামে সড়কের ওপর এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

ভুক্তভোগী গৃহবধূ অভিযোগ করেন, বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর কয়েকজন ব্যক্তি নিজেদের পিবিআই কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে তাঁর হাতে হাতকড়া পরিয়ে টেনে-হিঁচড়ে বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে অস্ত্রের মুখে ভয় দেখিয়ে মারধর করা হয় এবং হাতুড়ি দিয়ে ট্রাঙ্ক ভেঙে সঞ্চিত নগদ টাকা, মোবাইল ফোন ও অলংকার ছিনিয়ে নেওয়া হয়।

স্থানীয় ইউপি সদস্য ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পোশাক বা পরিচয় দিয়ে এভাবে তা-ব চালানো অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বের করে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান তাঁরা।

নম্বর বন্ধ থাকায় অভিযুক্ত পরিচয়দানকারী ব্যক্তিদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

সীমান্তে বিজিবির অভিযান, ৬৩ হাজার টাকার চোরাচালানি পণ্য উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:২৮ অপরাহ্ণ
সীমান্তে বিজিবির অভিযান, ৬৩ হাজার টাকার চোরাচালানি পণ্য উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা ও কলারোয়ার সীমান্ত এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৬২ হাজার ৯০০ টাকা মূল্যের মাদক ও চোরাচালানি মালামাল জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে আনা ভারতীয় জিরা, শাড়ি, মদ ও ফেন্সিডিলজাতীয় ‘ফেন্সিডিল/ডেক্সপোটেন’ সিরাপ এসব চালানের মধ্যে রয়েছে।

সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন (৩৩ বিজিবি) জানায়, ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ বৈকারী, কাকডাঙ্গা ও মাদরা বিওপির টহল দল দায়িত্বপূর্ণ সীমান্তে এই অভিযান পরিচালনা করে।

বৈকারী বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল সীমান্ত পিলার ৭/৬৫-এস থেকে আনুমানিক ১০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সাতক্ষীরা সদর থানার ভাদিয়ালি এলাকা থেকে ৬,৪০০ টাকা মূল্যের ভারতীয় কাশির সিরাপ আটক করে। অপরদিকে কাকডাঙ্গা বিওপির দুটি দল সীমান্ত পিলার ১৩/৩-এস এর ৪ ও ৫ আরবি থেকে প্রায় ২০০ গজ ভেতরে কলারোয়া থানার কেড়াগাছি এলাকা থেকে ১১,৫০০ টাকা মূল্যের ভারতীয় জিরা ও মদ উদ্ধার করে।

এ ছাড়া মাদরা বিওপির অপর একটি দল সীমান্ত পিলার ১৩/৩-এস এর ৮ আরবি থেকে ২০০ গজ অভ্যন্তরে কলারোয়ার ভাদিয়ালি এলাকা থেকে ৪৫,০০০ টাকা মূল্যের ভারতীয় শাড়ি জব্দ করে। বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, চোরাকারবারিরা রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে এসব মালামাল অবৈধভাবে ভারত থেকে বাংলাদেশে পাচার করছিল।

ভুল নম্বরে চলে যাওয়া টাকা উদ্ধার করে মালিককে দিল শ্যামনগর থানা পুলিশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:২৫ অপরাহ্ণ
ভুল নম্বরে চলে যাওয়া টাকা উদ্ধার করে মালিককে দিল শ্যামনগর থানা পুলিশ

শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগর উপজেলার পদ্মপুকুর ইউনিয়নের নুর আলম নামে এক ব্যক্তির বিকাশ অ্যাকাউন্ট থেকে ভুল নম্বরে চলে যাওয়া ৯ হাজার ৬০০ টাকা তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় উদ্ধার করে বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার সময় প্রকৃত মালিকের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে শ্যামনগর থানা পুলিশ।

জানা যায়, সম্প্রতি নুর আলম ভুলবশত ৯ হাজার ৬০০ টাকা অন্য একটি বিকাশ নম্বরে পাঠিয়ে দেন। বিষয়টি বুঝতে পেরে তিনি শ্যামনগর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জের (ওসি) নির্দেশনায় এএসআই জাফর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় লেনদেনের সূত্র অনুসন্ধান শুরু করেন।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ভুল নম্বরে পাঠানো ওই টাকা কিশোরগঞ্জের ভৈরব থানা এলাকার একটি নম্বরে চলে গেছে। পরবর্তীতে ভৈরব থানা পুলিশের সহযোগিতা ও প্রযুক্তিগত তথ্যের ভিত্তিতে ৯ হাজার ৬০০ টাকা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত টাকা শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জের মাধ্যমে নুর আলমের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

নুর আলম বলেন, এত দ্রুত সময়ের মধ্যে টাকা উদ্ধার করে শ্যামনগর থানার ওসি টাকা বুঝিয়ে দিয়েছেন। এটা একটা দৃষ্টান্ত স্থাপন হয়েছে শ্যামনগর থানা পুলিশকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
এ বিষয়ে শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ জানিয়েছে, সাধারণ ডায়রির অভিযোগের ভিত্তিতে ভুল লেনদেনের অর্থ উদ্ধারে আইনগত প্রক্রিয়া ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অর্থ উদ্ধার করে প্রকৃত মালিককে দেয়া হয়েছে।