মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩

কাতারে গ্যাস কারখানায় বিস্ফোরণ: নিহত ১৩ জনের সবাই ভারতীয় ও পাকিস্তানি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ১:২০ অপরাহ্ণ
কাতারে গ্যাস কারখানায় বিস্ফোরণ: নিহত ১৩ জনের সবাই ভারতীয় ও পাকিস্তানি

কাতারের রাস লাফান শিল্প কমপ্লেক্সের ভেতরে একটি গ্যাস প্রক্রিয়াকরণ কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে ১৩ জন নিহত এবং আরও ডজনখানেক মানুষ আহত হয়েছেন। নিহতের সবাই ভারত ও পাকিস্তানের নাগরিক। সোমবার (২২ জুন) কাতারের জ্বালানিমন্ত্রী সাদ আল-কাতি এই তথ্য জানান। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

কাতারের জ্বালানিমন্ত্রী সাদ আল-কাবি সাংবাদিকদের বলেন, এই বিস্ফোরণে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান কাতারএনার্জি রাস লাফানে এলএনজি কার্যক্রম পুনরায় চালুর জন্য কাজ করে যাচ্ছে, যা গত মার্চ মাসে ইরানের হামলার পর বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত রবিবার সন্ধ্যায় বারজান লোকাল গ্যাস প্রক্রিয়াকরণ কারখানায় একটি ‘প্রযুক্তিগত দুর্ঘটনা’ ঘটে। কাবি সাংবাদিকদের জানান, জরুরি রক্ষণাবেক্ষণের কারণে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে কারখানাটির উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধ ছিল এবং মাত্র দুই দিন আগে এটি প্রথমবারের মতো পুনরায় চালু করা হয়েছিল।

লখনৌতে কোচিং সেন্টারে আগুন, নিহত ১৪ শিক্ষার্থীলখনৌতে কোচিং সেন্টারে আগুন, নিহত ১৪ শিক্ষার্থী
গ্যাস শিল্পে এর আগের বড় বিপর্যয়টি ঘটেছিল ২০০৪ সালে আলজেরিয়ার স্কিকদা এলএনজি কমপ্লেক্সে, যেখানে বিস্ফোরণে ২৭ জন নিহত হন। কাবি বলেন, বারজান বিস্ফোরণের পর আহত এবং চিকিৎসাধীন ৬৬ জনের মধ্যে কারও অবস্থাই আশঙ্কাজনক নয়। তিনি আরও জানান, নিহত ব্যক্তিরা ভারত ও পাকিস্তানের নাগরিক।

দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে কাবি জোর দিয়ে বলেন, কাতারএনার্জি ইতোমধ্যেই একটি পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে। তবে এটি কোনও ধরনের নাশকতা বা শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ড ছিল না এবং এতে পরিবেশের কোনও ক্ষতি বা ঝুঁকি নেই। তিনি আরও বলেন, এই বিস্ফোরণ ও আগুনের ফলে কাতারএনার্জির এলএনজি অবকাঠামো, রাস লাফান বন্দর এবং অন্যান্য লজিস্টিক কার্যক্রমের কোনো ক্ষতি হয়নি এবং এটি আমাদের রফতানি সক্ষমতায় কোনও প্রভাব ফেলবে না।

Ads small one

নগরঘাটা রহমতিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছাদে ধস, আতঙ্কে শিক্ষার্থী-অভিভাবক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ৫:৪৫ অপরাহ্ণ
নগরঘাটা রহমতিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছাদে ধস, আতঙ্কে শিক্ষার্থী-অভিভাবক

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ৭নং নগরঘাটা ইউনিয়নের রহমতিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি শ্রেণিকক্ষের ছাদের অংশ ফের ধসে পড়েছে। সোমবার (২২ জুন) বেলা আনুমানিক ১১টা ৫০ মিনিটে এ ঘটনা ঘটে। তবে ঘটনার সময় শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয় মাঠে সমাবেশে থাকায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাওয়া গেছে।

 

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ের একটি শ্রেণিকক্ষ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। সোমবার শিক্ষার্থীরা সকালের সমাবেশে অংশ নেওয়ার সময় হঠাৎ করে কক্ষটির ছাদের একটি অংশ ভেঙে নিচে পড়ে। বিকট শব্দে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় সূত্র ও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, এর আগেও একই শ্রেণিকক্ষের ছাদের অংশ ধসে পড়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা শিবানী ব্যানার্জী আহত হয়েছিলেন।

 

ওই ঘটনার পর ভবনটির সংস্কার বা ঝুঁকিমুক্ত করার দাবি উঠলেও স্থায়ী কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। বারবার ছাদ ধসের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম ভীতি তৈরি হয়েছে। অনেক শিক্ষার্থী ওই কক্ষে পাঠদান করতে অনীহা প্রকাশ করছে। অভিভাবকদেরও উদ্বেগ বেড়েছে। তাঁদের আশঙ্কা, যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

 

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিলুফার ইয়াসমিন বলেন, “বর্তমানে শিক্ষার্থীদের ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার মধ্যেই ক্লাস নিতে হচ্ছে। এতে অভিভাবকদের মধ্যেও দুশ্চিন্তা রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আমরা শিক্ষা অফিসে লিখিতভাবে জানিয়েছি এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করেছি।”

স্থানীয় অভিভাবকেরা বলেন, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমন ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে পাঠদান চলতে পারে না। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে দ্রুত ভবনটির সংস্কার কিংবা বিকল্প শ্রেণিকক্ষের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রুহুল আমীন বলেন, “বিদ্যালয় ভবনের ছাদ ধসের বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে লিখিত আবেদনও পাওয়া গেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। ভবনটির অবস্থা পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।”

 

শ্যামনগরে জলাবদ্ধতা নিরসনে মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ৫:৪১ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে জলাবদ্ধতা নিরসনে মানববন্ধন

সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: শ্যামনগর উপজেলায় জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবীতে মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করে বুড়িগোয়ালিনী ইউপির ভামিয়া ও বনবিবিতলা এলাকার ভুক্তভোগী বাসিন্দারা।

মঙ্গলবার (২৩জুন) উপজেলার মুন্সীগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডে সুন্দরবন প্রেসক্লাব চত্তরে এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন ভামিয়া ও বনবিবিতলা এলাকায় জলাবদ্ধতার কারণে জনজীবন বিপর্যস্থ হয়ে পড়েছে। বক্তারা জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে উপকূলীয় জনপদের দুভোর্গের চিত্র তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বুড়িগোয়ালিনী ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুর রউফ গাজী। অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন বুড়িগোয়ালিনী ইউপি সদস্য মাহাতাব উদ্দীন সরদার, মহিলা ইউপি সদস্য মাসুরা খাতুন, ফাতেমা বেগম। অতিথিবৃন্দ বক্তব্যে জলাবদ্ধতা নিরসনে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আব্দুল আজিজের সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ভামিয়া ও বনবিবিতলা সিসিআরসির সভাপতি আব্দুর রহিম গাজী, সহ-সভাপতি গাজী দিারুল ইসলাম, সদস্য শহর আলী সরদার, মাস্টার আব্দুর রউফ, রিয়াজুল ইসলাম, ময়না খাতুন, নাজমুল হোসেন প্রমুখ।

বক্তারা দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনে যথাযথ কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

সাতক্ষীরায় জেলা ক্রীড়া সংস্থার নবগঠিত কমিটির প্রথম সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ৫:৩৪ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় জেলা ক্রীড়া সংস্থার নবগঠিত কমিটির প্রথম সভা

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরায় জেলা ক্রীড়া সংস্থার নবগঠিত অ্যাডহক কমিটিকে সংবর্ধনা এবং জেলার বিভিন্ন ক্রীড়া সংগঠন ও ক্লাব প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় বক্তারা জেলার ক্রীড়া অবকাঠামোর উন্নয়ন, খেলাধুলার বিস্তার এবং তরুণ প্রজন্মকে মাঠমুখী করতে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন, মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে তরুণদের দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। এজন্য ক্রীড়াবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসন, ক্রীড়া সংগঠক এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের একযোগে কাজ করতে হবে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা জেলা স্টেডিয়ামের সম্মেলন কক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া সংস্থা।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি মিজ কাউসার আজিজ। এসময় তিনি বলেন, একটি জেলার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশে খেলাধুলার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তরুণদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে নিয়মিত ক্রীড়া চর্চা নিশ্চিত করতে হবে। জেলার ক্রীড়া প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও কার্যকর ও প্রাণবন্ত করে তোলার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

সভায় সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব। তিনি বলেন, সাতক্ষীরায় খেলাধুলার দীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে। এই ঐতিহ্য ধরে রাখতে এবং নতুন প্রজন্মকে খেলাধুলার সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে পরিকল্পিত উদ্যোগ প্রয়োজন। জেলার প্রতিটি উপজেলায় ক্রীড়া কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করে তাদের প্রশিক্ষণ ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আহবায়ক এইচ এম রহমাতুল্লাহ পলাশ বলেন, খেলাধুলা শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, এটি একটি সুস্থ সমাজ গঠনের অন্যতম হাতিয়ার। তরুণদের মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধপ্রবণতা থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার চর্চা বাড়ানোর বিকল্প নেই। এজন্য জেলার ক্রীড়া সংগঠনগুলোকে আরও সক্রিয় ও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।

জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু বলেন, নবগঠিত অ্যাডহক কমিটি জেলার ক্রীড়াঙ্গনকে গতিশীল করতে কাজ করবে। দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করে সেগুলো সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে মাঠ, প্রশিক্ষণ সুবিধা ও খেলোয়াড়দের উন্নয়নে বাস্তবমুখী পরিকল্পনা গ্রহণের কথাও জানান তিনি।

সভায় আরও বক্তব্য দেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক এস এম রফিকুল ইসলাম এবং সহকারী কমিশনার সাহেদ হোসেন। বক্তারা বলেন, বর্তমান সময়ে তরুণদের মধ্যে প্রযুক্তিনির্ভর জীবনযাপনের কারণে মাঠভিত্তিক কর্মকান্ড কমে যাচ্ছে। এই প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আনতে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি এবং নিয়মিত প্রতিযোগিতার আয়োজন প্রয়োজন।

মতবিনিময় পর্বে জেলার বিভিন্ন ক্লাব ও ক্রীড়া সংগঠনের প্রতিনিধিরা মাঠের সংকট, প্রশিক্ষণের অভাব, ক্রীড়া সামগ্রীর স্বল্পতা, প্রতিযোগিতা আয়োজনের সীমাবদ্ধতাসহ বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি জেলার ক্রীড়া উন্নয়নে সম্ভাবনা ও করণীয় সম্পর্কেও তারা মতামত দেন। বক্তারা স্থানীয় পর্যায়ে নিয়মিত টুর্নামেন্ট আয়োজন, স্কুল-কলেজভিত্তিক ক্রীড়া কার্যক্রম জোরদার এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের দাবি জানান।

নবগঠিত অ্যাডহক কমিটির সদস্যরা জেলার ক্রীড়া উন্নয়নে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। তারা বলেন, ক্রীড়াঙ্গনের সকল অংশীজনকে সঙ্গে নিয়ে একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার মাধ্যমে জেলার খেলাধুলাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হবে।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিএনপি নেতা মো. হাবিবুর রহমান হাবিব, মীর তাজুল ইসলাম রিপন, গোলাম ফারুক বাবু, মো. কামরুজ্জামান রাসেল, আ ম আখতারুজ্জামান মুকুল, শফিকুল আলম বাবু, খন্দকার আরিফ হাসান প্রিন্স, ইকবাল কবির খান বাপ্পি, শেখ মাসুদ আলী প্রমুখ।

এ সময় জেলা ক্রীড়া সংস্থার অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন ক্লাব ও ক্রীড়া সংগঠনের প্রতিনিধি, নবগঠিত অ্যাডহক কমিটির সদস্য, ক্রীড়া সংগঠক, সাবেক খেলোয়াড় এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের সার্বিক সঞ্চালনা করেন জেলা ক্রীড়া অফিসার মো. মাহবুবুর রহমান।