মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩

২১ হাজার কর্মী ছাঁটাই করলো ওরাকল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ১:১৬ অপরাহ্ণ
২১ হাজার কর্মী ছাঁটাই করলো ওরাকল

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি একদিকে যেমন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে আরও দক্ষ করে তুলছে, অন্যদিকে সাধারণ কর্মীদের জন্য এটি তৈরি করছে চরম অনিশ্চয়তা। এর সর্বশেষ উদাহরণ হিসেবে সামনে এলো মার্কিন প্রযুক্তি জায়ান্ট ওরাকল। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে কেন্দ্র করে নিজেদের ব্যবসা নতুন করে সাজানোর অংশ হিসেবে কোম্পানিটি ২০১৬ অর্থবছরে বিশ্বব্যাপী প্রায় ২১ হাজার কর্মী ছাঁটাই করেছে। ওরাকলের সাম্প্রতিক বার্ষিক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বছরের তুলনায় কোম্পানিটির মোট জনবল এবার ১৩ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। গত বছর যেখানে ওরাকলের কর্মী সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৬২ হাজার, ২০২৬ সালের ৩১ মে পর্যন্ত তা কমে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪১ হাজারে।

তবে কর্মী ছাঁটাই এখানেই শেষ নাও হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

এআই কি পারবে একাকীত্ব দূর করতেএআই কি পারবে একাকীত্ব দূর করতে
গত সোমবার (২২ জুন) প্রকাশিত বার্ষিক প্রতিবেদনে ওরাকল জানিয়েছে, তাদের সামগ্রিক কার্যক্রমে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার ইতোমধ্যে জনবল হ্রাসের কারণ হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এর ফলে আরও কর্মী ছাঁটাই হতে পারে।

কোম্পানিটি তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে, আমাদের পুরো কার্যক্রম জুড়ে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার কর্মসংস্থান হ্রাসের কারণ হয়েছে এবং এটি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকতে পারে।

অবশ্য ওরাকল আরও জানিয়েছে, এই জনবল কাঠামোর সমন্বয় বা ছাঁটাইয়ের পেছনে আরও বেশ কিছু কারণ রয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে ব্যবস্থাপনা ও পণ্যের পরিবর্তন, পারফরম্যান্স বা কর্মদক্ষতার সমস্যা, কৌশলগত পরিবর্তন এবং নতুন কোম্পানি অধিগ্রহণ।

ভিক্ষুকরাও এআই যুগে নিরাপদ নয়!ভিক্ষুকরাও এআই যুগে নিরাপদ নয়!
চলতি বছরের শুরুর দিকেই অবশ্য এমন বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি। গত মার্চ মাসে ওরাকল তাদের বিশাল এআই ডেটা সেন্টার সম্প্রসারণের খরচের কারণে সৃষ্ট নগদ অর্থের সংকট বা ক্যাশ ক্রাঞ্চ মোকাবিলায় হাজার হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছিল।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

Ads small one

আশ্রয়কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা বিষয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সংলাপ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ৫:৫৩ অপরাহ্ণ
আশ্রয়কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা বিষয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সংলাপ

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় যুব-নেতৃত্বে দুর্যোগের উপর স্থায়ী আদেশাবলী (এসওডি) ও আশ্রয়কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা বিষয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সাথে সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন-২০২৬) সকাল ১০ টায় সদর উপজেলা উপজেলা পরিষদ হলরুমে বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা সিডো বাস্তবায়নে এবং একশনএইড বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় এ সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।

সিডো সংস্থার প্রধান নির্বাহী শ্যামল কুমার বিশ্বাস’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অর্ণব দত্ত।

এসময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো: শাহিনুল ইসলাম, জেলা ত্রাণ ও পূর্নবাসন অফিস সাতক্ষীরা বাবলু রাজা, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর সাতক্ষীরার প্রোগ্রাম অফিসার ফাতেমা জোহরা, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসের সেনেটারী ইন্সপেক্টর মো: আবুল হোসেন, উপজেলা ঈমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা শেখ মাহবুবুর রহমান, ব্রক্ষরাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান নুরুল হুদা,ক্রিসেন্ট এর পরিচালক আবু জাফর সিদ্দিকী, সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের ওসিসি আব্দুল হাই সিদ্দিক, গাভা আইডিয়াল কলেজের অধ্যক্ষ শিবপদ গাইনসহ সাংবাদিকবৃন্দ ।

দুর্যোগ সম্পর্কিত স্থায়ী আদেশাবলী (এসওডি) সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা প্রদান করা। ওয়ার্ড, ইউনিয়ন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটিসমূহকে সক্রিয় করা এবং ওয়ার্ড, ইউনিয়ন ও উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটিসমূহে যুবকদের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা। ঘাটতিসমূহ চিহ্নিত করে এবং নারী ও অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সহজলভ্য আশ্রয় সুবিধার পক্ষে সমর্থন জানিয়ে লিঙ্গ-সংবেদনশীল জরুরি আশ্রয় ব্যবস্থাপনার উন্নতি সাধন করা। যুব-নেতৃত্বাধীন সৃজনশীল অংশগ্রহণ ও যোগাযোগের মাধ্যমে দুর্যোগ প্রস্তুতি, আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা এবং ঝুঁকি হ্রাস বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা। উন্নত দুর্যোগ সুশাসন ও জবাবদিহিতার জন্য যুবসমাজ, স্থানীয় সরকার এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মধ্যে তথ্য-প্রমাণ ভিত্তিক সংলাপ সহজতর করার উদ্দেশ্যে এ সংলাপ অনুষ্ঠিত হয় ।

উপস্থিত অতিথিবৃন্দ বলেন, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে দুর্যোগের স্থায়ী আদেশাবলী (এসওডি) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যদের নিয়ে এ ধরণের প্রোগ্রাম করলে আর ও ভাল হবে। সাতক্ষীরা দুর্যোগ প্রবণ এলাকা এখানের মানুষকে অবশ্যই দুর্যোগ কালিন সময়ে নিজেদের সচেতন হতে হবে যুবদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাপ করতে হবে।

 

সকলের উপস্থিতিতে এ ধরণের যুগোপযোগি প্রোগ্রাম করলে সকলের দায়িত্ববোধ কাজ করবে তিনি বলেন যুবদের ইউনিয়নের অন্যান্য কমিটিতে অর্ন্তভূক্তি করার সম্মতি প্রদান করেন। যুব সদস্যরা ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটিতে অর্ন্তভূক্ত হওয়ার প্রস্তাব করেন যা আগামীতে অর্ন্তভূক্তি ও প্রস্তাবিত দাবসমুহ পুরণ করার আশ্বাস প্রদান করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রকল্প সমন্বয়কারী, মোঃ তহিদুজ্জামান (তহিদ), ইন্সপেরিটর একশনএইড বাংলাদেশ নয়ন হোসেন, প্রোগ্রাম অফিসার চন্দ্র শেখর হালদার প্রমুখ।

নগরঘাটা রহমতিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছাদে ধস, আতঙ্কে শিক্ষার্থী-অভিভাবক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ৫:৪৫ অপরাহ্ণ
নগরঘাটা রহমতিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছাদে ধস, আতঙ্কে শিক্ষার্থী-অভিভাবক

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ৭নং নগরঘাটা ইউনিয়নের রহমতিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি শ্রেণিকক্ষের ছাদের অংশ ফের ধসে পড়েছে। সোমবার (২২ জুন) বেলা আনুমানিক ১১টা ৫০ মিনিটে এ ঘটনা ঘটে। তবে ঘটনার সময় শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয় মাঠে সমাবেশে থাকায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাওয়া গেছে।

 

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ের একটি শ্রেণিকক্ষ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। সোমবার শিক্ষার্থীরা সকালের সমাবেশে অংশ নেওয়ার সময় হঠাৎ করে কক্ষটির ছাদের একটি অংশ ভেঙে নিচে পড়ে। বিকট শব্দে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় সূত্র ও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, এর আগেও একই শ্রেণিকক্ষের ছাদের অংশ ধসে পড়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা শিবানী ব্যানার্জী আহত হয়েছিলেন।

 

ওই ঘটনার পর ভবনটির সংস্কার বা ঝুঁকিমুক্ত করার দাবি উঠলেও স্থায়ী কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। বারবার ছাদ ধসের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম ভীতি তৈরি হয়েছে। অনেক শিক্ষার্থী ওই কক্ষে পাঠদান করতে অনীহা প্রকাশ করছে। অভিভাবকদেরও উদ্বেগ বেড়েছে। তাঁদের আশঙ্কা, যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

 

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিলুফার ইয়াসমিন বলেন, “বর্তমানে শিক্ষার্থীদের ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার মধ্যেই ক্লাস নিতে হচ্ছে। এতে অভিভাবকদের মধ্যেও দুশ্চিন্তা রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আমরা শিক্ষা অফিসে লিখিতভাবে জানিয়েছি এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করেছি।”

স্থানীয় অভিভাবকেরা বলেন, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমন ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে পাঠদান চলতে পারে না। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে দ্রুত ভবনটির সংস্কার কিংবা বিকল্প শ্রেণিকক্ষের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রুহুল আমীন বলেন, “বিদ্যালয় ভবনের ছাদ ধসের বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে লিখিত আবেদনও পাওয়া গেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। ভবনটির অবস্থা পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।”

 

শ্যামনগরে জলাবদ্ধতা নিরসনে মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ৫:৪১ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে জলাবদ্ধতা নিরসনে মানববন্ধন

সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: শ্যামনগর উপজেলায় জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবীতে মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করে বুড়িগোয়ালিনী ইউপির ভামিয়া ও বনবিবিতলা এলাকার ভুক্তভোগী বাসিন্দারা।

মঙ্গলবার (২৩জুন) উপজেলার মুন্সীগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডে সুন্দরবন প্রেসক্লাব চত্তরে এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন ভামিয়া ও বনবিবিতলা এলাকায় জলাবদ্ধতার কারণে জনজীবন বিপর্যস্থ হয়ে পড়েছে। বক্তারা জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে উপকূলীয় জনপদের দুভোর্গের চিত্র তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বুড়িগোয়ালিনী ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুর রউফ গাজী। অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন বুড়িগোয়ালিনী ইউপি সদস্য মাহাতাব উদ্দীন সরদার, মহিলা ইউপি সদস্য মাসুরা খাতুন, ফাতেমা বেগম। অতিথিবৃন্দ বক্তব্যে জলাবদ্ধতা নিরসনে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আব্দুল আজিজের সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ভামিয়া ও বনবিবিতলা সিসিআরসির সভাপতি আব্দুর রহিম গাজী, সহ-সভাপতি গাজী দিারুল ইসলাম, সদস্য শহর আলী সরদার, মাস্টার আব্দুর রউফ, রিয়াজুল ইসলাম, ময়না খাতুন, নাজমুল হোসেন প্রমুখ।

বক্তারা দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনে যথাযথ কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।