বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩

নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন: সমতার গণতন্ত্র গড়তে নেতৃত্বে সমঅংশগ্রহণের বিকল্প নেই

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ১:২৭ অপরাহ্ণ
নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন: সমতার গণতন্ত্র গড়তে নেতৃত্বে সমঅংশগ্রহণের বিকল্প নেই

মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জল

গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি হলো সকল নাগরিকের সমান অংশগ্রহণ ও সমান সুযোগ। কিন্তু বাংলাদেশের জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক নারী হওয়া সত্ত্বেও রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের বিভিন্ন স্তরে তাদের অংশগ্রহণ এখনও প্রত্যাশার তুলনায় অনেক কম। সংবিধান নারী-পুরুষের সমঅধিকার নিশ্চিত করলেও বাস্তবে রাজনৈতিক দলের বিভাগীয়, জেলা, উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের অধিকাংশ কমিটিতে নারীর প্রতিনিধিত্ব সীমিত। ফলে রাষ্ট্র ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারণে নারীর অভিজ্ঞতা, দৃষ্টিভঙ্গি ও অগ্রাধিকারের যথাযথ প্রতিফলন ঘটে না।

নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন কেবল ভোটাধিকার প্রয়োগ বা নির্বাচনে অংশগ্রহণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। প্রকৃত ক্ষমতায়ন তখনই নিশ্চিত হয়, যখন নারীরা রাজনৈতিক দলের নীতিনির্ধারণ, সাংগঠনিক নেতৃত্ব, সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট কর্মকান্ডে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন। নেতৃত্বের অবস্থানে নারীর উপস্থিতি শুধু লিঙ্গসমতা প্রতিষ্ঠাই করে না, বরং শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক নিরাপত্তা, শিশু অধিকার, পরিবেশ সংরক্ষণ ও মানবিক উন্নয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোকে আরও অগ্রাধিকার দেয়।

 

বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার থেকে শুরু করে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণে কিছু অগ্রগতি হয়েছে। সংরক্ষিত আসনের ব্যবস্থা এবং নির্বাচনী রাজনীতিতে নারীদের উপস্থিতি বৃদ্ধি ইতিবাচক দিক হলেও দলীয় কাঠামোর মূল নেতৃত্বে নারীর অংশগ্রহণ এখনও সীমিত। অনেক ক্ষেত্রেই তারা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের বাইরে থেকে যান অথবা প্রতীকী প্রতিনিধিত্বেই সীমাবদ্ধ থাকেন। একটি কার্যকর ও অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতন্ত্রের জন্য এই বাস্তবতা পরিবর্তন করা জরুরি।

রাজনৈতিক নেতৃত্বে নারীর অগ্রযাত্রার পথে এখনো নানা প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। সামাজিক কুসংস্কার, অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা, পারিবারিক দায়িত্বের অসম বণ্টন, রাজনৈতিক সহিংসতা, নিরাপত্তাহীনতা এবং দলীয় কাঠামোর বৈষম্য-এসব কারণে অনেক যোগ্য নারী নেতৃত্ব বিকাশের সুযোগ পান না। ফলে রাজনৈতিক অঙ্গনে দক্ষ ও সম্ভাবনাময় নারী নেতৃত্বের একটি বড় অংশ হারিয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে রাজনৈতিক দলগুলোকেই অগ্রণী ভূমিকা নিতে হবে।

দলীয় কমিটিতে নারীদের শুধু সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করাই যথেষ্ট নয়; সভাপতি, সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদকসহ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী পদগুলোতেও যোগ্য ও দক্ষ নারীদের নেতৃত্বের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে নারী নেতৃত্ব বিকাশে নিয়মিত প্রশিক্ষণ, সাংগঠনিক দক্ষতা উন্নয়ন, রাজনৈতিক পরামর্শদান, নিরাপদ অংশগ্রহণের পরিবেশ এবং আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন। নেতৃত্বের বিকাশ একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া; তাই পরিকল্পিতভাবে নারী নেতৃত্ব গড়ে তোলার বিকল্প নেই।

বিশ্বের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক দেশের অভিজ্ঞতা দেখায়, যেখানে রাজনৈতিক নেতৃত্বে নারীর অংশগ্রহণ বেশি, সেখানে সুশাসন, জবাবদিহিতা, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং মানব উন্নয়নের সূচকও তুলনামূলকভাবে উন্নত। নারীর অংশগ্রহণ নীতিনির্ধারণকে আরও ভারসাম্যপূর্ণ, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং জনমুখী করে তোলে। ফলে রাজনৈতিক ক্ষমতায়নকে কোনো বিশেষ সুবিধা বা অনুগ্রহ হিসেবে নয়, বরং সাংবিধানিক অধিকার এবং গণতন্ত্রের অপরিহার্য শর্ত হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।

বাংলাদেশ ইতিমধ্যে নারীর সক্ষমতার বহু উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। প্রশাসন, বিচার বিভাগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ব্যবসা, কূটনীতি, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্যোক্তা খাতে নারীরা দক্ষতা ও নেতৃত্বের পরিচয় দিয়েছেন। বর্তমানে আমাদের দেশে ৬৪ জেলার মধ্যে ২১ জেলায় নারী জেলা প্রশাসক দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া ৪৯৯টি উপজেলার মধ্যে ১৯১টিতে নারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এই বাস্তবতা প্রমাণ করে, সুযোগ সৃষ্টি করা গেলে রাজনৈতিক নেতৃত্বেও নারীরা সমান দক্ষতার সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম।

সাতক্ষীরার রাজনীতিতে নারীদের অংশগ্রহণ আগের তুলনায় বাড়লেও সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর্যায়ে তাদের উপস্থিতি এখনও সীমিত। এর প্রধান বাধাগুলোর মধ্যে রয়েছে পুরুষতান্ত্রিক সামাজিক মানসিকতা, দলীয় নেতৃত্বে নারীদের কম সুযোগ, রাজনৈতিক সহিংসতা ও নিরাপত্তাহীনতা, অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা এবং রাজনৈতিক প্রশিক্ষণ ও নেটওয়ার্কের অভাব।

রাজনৈতিক দলে নারীদের নেতৃত্বের সুযোগ বৃদ্ধি, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন, নিরাপদ রাজনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিত করা, আর্থিক ও সাংগঠনিক সহায়তা প্রদান, এবং পরিবার ও সমাজে নারীর নেতৃত্বকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করার সংস্কৃতি গড়ে তোলা। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে সাতক্ষীরার রাজনীতিতে নারীদের কার্যকর অংশগ্রহণ ও নেতৃত্ব আরও শক্তিশালী হবে।

এখন সময় এসেছে রাজনৈতিক দলগুলো তাদের গঠনতন্ত্র ও সাংগঠনিক কাঠামোকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক করে তোলার। বিভাগীয়, জেলা, উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড-প্রতিটি স্তরের কমিটিতে নারীর অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি কমিটি গঠনে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, মেধা ও লিঙ্গসমতার নীতি অনুসরণ করতে হবে, যাতে নারীরা কেবল উপস্থিতিই নয়, কার্যকর নেতৃত্বও দিতে পারেন।

নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন কোনো একক গোষ্ঠীর দাবি নয়; এটি একটি শক্তিশালী, ন্যায়ভিত্তিক ও টেকসই গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র নির্মাণের পূর্বশর্ত। নারী ও পুরুষের সমান অংশীদারিত্ব ছাড়া উন্নয়নের সুফল সর্বস্তরে পৌঁছানো সম্ভব নয়। তাই প্রতীকী প্রতিনিধিত্বের গন্ডি পেরিয়ে নারীদের প্রকৃত নেতৃত্ব ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের কেন্দ্রে স্থান দেওয়ার এখনই উপযুক্ত সময়। রাজনৈতিক দল, রাষ্ট্র এবং সমাজ যদি এ বিষয়ে আন্তরিক ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করে, তবে বাংলাদেশের গণতন্ত্র আরও শক্তিশালী, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জনগণমুখী ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত হবে।
মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জল, সংবাদিক, উন্নয়ন ও মানবাধিকারকর্মী

Ads small one

সুন্দরবনে আত্মসমর্পণকারী বনদস্যুরা আবারও সক্রিয়? জেলেদের অভিযোগে নতুন আতঙ্ক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৩৯ অপরাহ্ণ
সুন্দরবনে আত্মসমর্পণকারী বনদস্যুরা আবারও সক্রিয়? জেলেদের অভিযোগে নতুন আতঙ্ক

উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: সুন্দরবনে আত্মসমর্পণকারী কয়েকজন সাবেক বনদস্যু আবারও বিভিন্ন সক্রিয় ডাকাত দলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ডাকাতি ও চাঁদাবাজিতে জড়িয়ে পড়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বনদস্যুদের কাছে জিম্মি থাকার পর সম্প্রতি ফিরে আসা কয়েকজন জেলে এমন অভিযোগ করেছেন। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বা বন বিভাগের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী এলাকার গনি সানার ছেলে ননে সানা, লোকমানের ছেলে বাবু এবং দাতিনাখালী এলাকার মনতেজ সরদারের ছেলে আসাদুল (ননি গোপাল) গত কয়েকদিন ধরে সুন্দরবনের বিভিন্ন ডাকাত দলের সঙ্গে মিশে পুনরায় বনদস্যু কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

বনদস্যুদের কাছ থেকে মুক্ত হয়ে ফেরা একাধিক জেলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, সুন্দরবনের ভেতরে এখনও কয়েকটি সশস্ত্র ডাকাত দল সক্রিয় রয়েছে। তারা জেলেদের নৌকা থামিয়ে জিম্মি করছে এবং মুক্তিপণ আদায় করছে। এসব দলে আত্মসমর্পণকারী কয়েকজন সাবেক বনদস্যুকেও দেখা গেছে বলে তাদের দাবি।

স্থানীয় বনজীবীদের মধ্যে এ ঘটনায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। তারা সুন্দরবনে নিরাপদে মাছ ও কাঁকড়া আহরণ নিশ্চিত করতে বন বিভাগ, কোস্টগার্ড ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়মিত অভিযান জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে সুন্দরবনে বনদস্যুদের পুনরায় সক্রিয় হওয়ার অভিযোগ বিভিন্ন গণমাধ্যমেও উঠে এসেছে এবং সরকার এ বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছে।
অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সাথে মোবাইল ফোনে কথা বলার চেষ্টা করলেও তাদের সাথে কথা বলা সম্ভব হয় নাই।

শ্যামনগরে ফাইটার ক্যারাতে ক্লাবের বেল্ট প্রদান অনুষ্ঠান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৩৪ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে ফাইটার ক্যারাতে ক্লাবের বেল্ট প্রদান অনুষ্ঠান

সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: শ্যামনগর উপজেলায় বুধবার(৫ আগস্ট) বিকালে উপজেলা পরিষদ হল রুমে শ্যামনগর ফাইটার ক্যারাতে ক্লাবের আয়োজনে বেল্ট পরীক্ষার ফলাফল ও বেল্ট প্রদান অনুষ্ঠান করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যসহ উত্তীর্ণদের মাঝে বেল্ট প্রদান করেন শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামসুজ্জাহান কনক। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ রাশেদ হোসাইন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ জিয়াউর রহমান, উপজেলা নির্বাচন অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার এস এম দেলোয়ার হোসেন, উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী কর্মকর্তা মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন শ্যামনগর ফাইটার ক্যারাতে ক্লাবের প্রশিক্ষক জি এম রাজগুল বাহার রাজু। ফলাফল অনুযায়ী সাদা থেকে হলুদ বেল্ট প্রাপ্তদের মধ্যে প্রথম হয়েছেন রাফিন, মাইনুল বুশরা, ২য় রাহাত, ৩য় তৈয়েব, ৪র্থ আজমাইন ও আফিফ, ৫ম মাইশা, ৬ষ্ঠ মেহেতাজ, ৭ম নিলয় ও ৮ম মাহির। হলুদ বেল্ট থেকে কমলা বেল্ট প্রাপ্তদের মধ্যে ১ম রাফিন ও ইমন,২য় তামিম।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক রনজিৎ বর্মন, শিক্ষক কওছারসহ অভিভাবকবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে ফাইটার ক্যারাতে ক্লাবের পক্ষ থেকে অতিথিবৃন্দকে ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

ভারত পাচারকালে বেনাপোল ইমিগ্রেশনে স্বর্ণেবারসহ পাসপোর্টযাত্রী আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৩০ অপরাহ্ণ
ভারত পাচারকালে বেনাপোল ইমিগ্রেশনে স্বর্ণেবারসহ পাসপোর্টযাত্রী আটক

Oplus_0

এম এ রহিম, বেনাপোল (যশোর): বেনাপোল চেকপোষ্ট দিয়ে ভারতে পাচারকালে স্বর্নের চালানসহ পাসপোর্টধারী যাত্রীকে আটক করেছে কাষ্টম। আটক স্বর্ন পাচারকারী মোবারক হোসেন মুনসিগঞ্জ সদর এলাকার তাজুউদ্দীনের ছেলে।

বেনাপোল কাস্টমস গোয়েন্দা শাখার সহকারি কমিশনার সাজিদ মাহাদুদ কৌশিক জানান, বুধবার (৫ আগস্ট) বিকালে যাত্রী মোবারক হোসেন বেনাপোল ইমিগ্রেশন দিয়ে ভারতে যাবার সময় ঐ যাত্রীর আচারন ও চলাফেরা সন্দেহ হলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা করা হয়। এসময় তার কাছে স্বর্ন থাকার কথা স্বীকার করে।

 

পরে তার প্যান্টের পকেট থেকে ১০০ গ্রাম ওজনের দুটি স্বর্নবার পাওয়া যায়। যার বাজার মুল্য আনুমানিক ২২ লাখ টাকা। পরে তার শরীরের ভেতর আরো স্বর্ন আছে সন্দেহে এক্সরে করে কিন্তু পাওয়া যায়নি। আটক পাসপোর্টধারীর বিরুদ্ধে স্বর্নপাচার আইনে মামলা করা হয়েছে। তাকে পোর্ট থানায় সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানান ইমিগ্রেশন পুলিশ।