মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩

পর্যটন শিল্পের স্বপ্নের মেগা প্ল্যান ও আমাদের করণীয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ১:১২ অপরাহ্ণ
পর্যটন শিল্পের স্বপ্নের মেগা প্ল্যান ও আমাদের করণীয়

মো: মামুন হাসান

একটি দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তিকে মজবুত করতে পর্যটন শিল্প কতটা শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে পারে তা বিশ্বের বহু দেশ প্রমাণ করেছে। বাংলাদেশও এখন সেই পথে হাঁটার জোরদার প্রস্তুতি নিচ্ছে। অতি সম্প্রতি সরকারের পক্ষ থেকে পর্যটন খাতকে ঘিরে যে মহাপরিকল্পনা ও নতুন লক্ষ্যমাত্রার কথা জানানো হয়েছে তা দেশের অর্থনীতিতে এক নতুন আশার আলো সঞ্চার করেছে।

 

২০৪০ সালের মধ্যে ৫ কোটি ৫৭ লাখ পর্যটক আকর্ষণ এবং ২ কোটি ১৯ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির যে লক্ষ্য ট্যুরিজম মেগা প্ল্যান ২০২৬-২০৪০ এ রাখা হয়েছে তা নিঃসন্দেহে অত্যন্ত সময়োপযোগী এবং সাহসী পদক্ষেপ। বর্তমানে আমাদের আন্তর্জাতিক পর্যটকের সংখ্যা তুলনামূলক কম যেখানে ২০২৪ সালে বাংলাদেশে বিদেশি পর্যটক এসেছেন প্রায় ৬ লাখ ৫০ হাজার। এই বাস্তবতাকে বদলে দিতে সরকার আগামীতে জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান ৬ থেকে ৭ শতাংশে উন্নীত করতে চায়।

 

এই লক্ষ্য অর্জনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের জন্য ১ হাজার ৮৮৪ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে যা এই খাতের প্রতি সরকারের দূরদর্শী ভাবনারই প্রকাশ। বিশ্বজুড়ে যেখানে ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে আন্তর্জাতিক পর্যটকের সংখ্যা ২ শতাংশ বেড়ে ৩০ কোটি ৭০ লাখে পৌঁছেছে সেখানে আমাদের এই বিশাল বৈশ্বিক বাজারের অংশীদার হতে হবে। অর্থমন্ত্রীর বাজেট বক্তৃতায় উঠে এসেছে একটি সমন্বিত বিনিয়োগ রোডম্যাপের কথা যেখানে পরিবেশবান্ধব ইকো ট্যুরিজম এবং গ্রামীণ পর্যটনের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।

 

বর্তমান বিশ্বে পর্যটকদের মাঝে কোয়ায়েট ট্রাভেল বা কোলাহলমুক্ত ভ্রমণ এবং স্থানীয় সংস্কৃতি ও জীবনধারাভিত্তিক অভিজ্ঞতা অর্জনের প্রবণতা দিন দিন বাড়ছে। সুন্দরবন, কক্সবাজার কিংবা সিলেটের চা বাগান অঞ্চলের মতো আমাদের যে প্রাকৃতিক সম্পদ রয়েছে সেগুলোকে পরিবেশবান্ধব উপায়ে উপস্থাপন করতে পারলে বিশ্ব দরবারে আমরা এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছাতে পারব। তবে শুধু পরিকল্পনা ও বাজেট বরাদ্দই যথেষ্ট নয় বরং এই মহাপরিকল্পনাকে বাস্তব রূপ দিতে আমাদের আরও কিছু কার্যকরী ও সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

প্রথমত আমাদের আন্তর্জাতিক প্রচারণায় আমূল পরিবর্তন আনা দরকার। বর্তমান যুগ ডিজিটাল মার্কেটিং এর যুগ হওয়ায় বিশ্বখ্যাত ট্রাভেল ইনফ্লুয়েন্সারদের বাংলাদেশে আমন্ত্রণ জানিয়ে আমাদের সুন্দরবন বা ষাট গম্বুজ মসজিদের মতো ইউনেস্কো স্বীকৃত ঐতিহ্যগুলোকে বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মে তুলে ধরতে হবে।

 

বিবিসি ট্রাভেল বা আন্তর্জাতিক ভ্রমণবিষয়ক বিভিন্ন প্রতিবেদনে আলজেরিয়া, চিলি বা ভুটানকে ২০২৬ সালের সম্ভাবনাময় ভ্রমণ গন্তব্য হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে এবং সেই তালিকায় বাংলাদেশের নাম অন্তর্ভুক্ত করার জন্য কূটনৈতিক স্তরে জোর লবিং প্রয়োজন। শ্রীলঙ্কার সঙ্গে চা ও বৌদ্ধ ঐতিহ্যভিত্তিক যৌথ পর্যটন উদ্যোগের যে পরিকল্পনা চলছে তা আরও সম্প্রসারিত করে ভারত বা নেপালের মতো প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে যৌথ ট্যুরিজম সার্কিট তৈরি করা যেতে পারে।

দ্বিতীয়ত বিদেশি পর্যটকদের জন্য বাংলাদেশে আসার প্রক্রিয়াটিকে পানির মতো সহজ করতে হবে। ভিসা অন অ্যারাইভাল বা আগমনী ভিসা সুবিধার আওতা আরও বাড়াতে হবে এবং সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি অনলাইন ও ডিজিটাল করতে হবে যেন একজন বিদেশি পর্যটক বিমানবন্দরে নেমেই কোনো রকম হয়রানি ছাড়া দ্রুততম সময়ে দেশে প্রবেশ করতে পারেন। বিমানবন্দরে যাত্রীসেবা আধুনিকীকরণ ও ডিজিটাল সেবার সম্প্রসারণের যে কথা বাজেটে বলা হয়েছে তার দ্রুত বাস্তবায়ন জরুরি।

এর পাশাপাশি আরেকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো পর্যটন খাতে দক্ষ জনবল তৈরি করা। আমাদের দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিষয়ের ওপর জোর দিতে হবে এবং গাইডদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে যাতে তারা বিদেশি পর্যটকদের আমাদের সমৃদ্ধ ইতিহাস সঠিকভাবে বোঝাতে পারেন।

 

সবশেষে পর্যটকদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করা এই শিল্পের প্রাণ। ট্যুরিস্ট পুলিশের পরিধি ও কার্যকারিতা আরও বাড়াতে হবে বিশেষ করে নারী ও বিদেশি পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে রাত দিন চব্বিশ ঘণ্টা। কক্সবাজার, যশোর, সৈয়দপুর বা রাজশাহীর মতো বিমানবন্দরগুলোকে আন্তর্জাতিক গেটওয়ে হিসেবে উন্নয়ন করার যে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে সেগুলোর চারপাশের যোগাযোগ ব্যবস্থা ও হোটেল রিসোর্টের মানও আন্তর্জাতিক স্তরে উন্নীত করতে হবে।

 

সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি খাতের বিনিয়োগকে উৎসাহিত করতে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও করের বোঝা কমাতে হবে। পর্যটন শিল্প কেবল বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের হাতিয়ার নয় এটি দেশের লাখ লাখ বেকার যুবকের কর্মসংস্থানের এক বিশাল ক্ষেত্র। সঠিক সমন্বয় এবং বাস্তবমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারলে প্রস্তাবিত এই মেগা প্ল্যান বাংলাদেশের অর্থনীতিকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে এবং বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম প্রধান ও আকর্ষণীয় পর্যটন গন্তব্যে পরিণত হবে।

লেখক: মো: মামুন হাসান, ইনস্ট্রাক্টর (টেক) ও বিভাগীয় প্রধান,ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ, সাতক্ষীরা সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।

Ads small one

এআই দিয়ে মাদক কারবারির জার্সি বদল, এসআইকে শোকজ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ১২:২৬ পূর্বাহ্ণ
এআই দিয়ে মাদক কারবারির জার্সি বদল, এসআইকে শোকজ

ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হওয়া এক মাদক কারবারির গায়ে থাকা আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের জার্সি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ব্রাজিলের জার্সিতে পরিবর্তন করে গণমাধ্যমে ছবি পাঠানোর ঘটনায় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) মিডিয়া উইংয়ের উপ-পরিদর্শক (এসআই) তানজিল আহমেদকে কারণ দর্শানোর নোটিশ করা হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিএমপি কমিশনার মো. আশিক সাঈদের নির্দেশে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ করা হয়।

এর আগে, সোমবার (২৯ জুন) নগরীর মোহাম্মদপুর কলোনি এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ রাসেল হাওলাদার (৩৫) নামে এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করে কাউনিয়া থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারের সময় তার গায়ে আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের জার্সি ছিল। তবে পরে বিএমপির মিডিয়া উইং থেকে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ওই জার্সিকে ব্রাজিল ফুটবল দলের জার্সিতে পরিবর্তন করে ছবি গণমাধ্যমের হোয়াটসঅ্যাপে গ্রুপে পাঠানো হয়।

বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে প্রকৃত ছবি ও সঠিক তথ্যসহ নতুন করে ওই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে ও বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের পেজে পোস্ট করা হয়।

 

ঘটনার বিষয়ে এসআই তানজিল আহমেদ জানান, তিনি এটি দুষ্টুমির ছলে করেছিলেন। এ ঘটনায় তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

বিএমপি কমিশনার মো. আশিক সাঈদ জানান, শোকজের জবাব পাওয়ার পর বিষয়টি পর্যালোচনা করে পরবর্তী প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চামচ নয়- হাত দিয়ে খাওয়া অধিকতর স্বাস্থ্যকর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ১২:১২ পূর্বাহ্ণ
চামচ নয়- হাত দিয়ে খাওয়া অধিকতর স্বাস্থ্যকর

আমরা হাত দিয়ে খাবার খেতেই অভ্যস্ত বেশি। তবে অনেক দেশে সংস্কৃতির অংশ হিসেবে চপস্টিক বা কাঁটাচামচ দিয়ে খাওয়া হয়। অনেকে মনে করেন, হাত দিয়ে খাওয়া স্বাস্থ্যকর অভ্যাস নয়। তবে বিজ্ঞান বলছে, এই ধারণার ভিত্তি নেই। বরং চামচের চাইতে হাত দিয়ে খাওয়াটাই বেশি স্বাস্থ্যসম্মত। তবে খাওয়ার আগে হাত ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে অবশ্যই।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার একটি প্রতিবেদন জানাচ্ছে, কোন কোন কারণে চামচের বদলে হাত দিয়ে খাবার খাওয়া উচিত।

গবেষণা বলছে, হাত দিয়ে খাবার খাওয়ার অভ্যাস শরীর ও মস্তিষ্ককে এমনভাবে সক্রিয় করে, যা হজমশক্তি, মনোযোগ এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্য উন্নত করতে পারে। তাই এই প্রাচীন অভ্যাসকে এখন শুধু ঐতিহ্য নয়, বরং একটি স্বাস্থ্যকর জীবনধারা হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

১। আঙুলের সাহায্যে খাবার গ্রহণ করলে সেটা ইতিবাচক প্রভাব ফেলে হজমে। খাবার স্পর্শ করলে আঙুলের ত্বকে অবস্থিত স্নায়ু খাবারের ধরন মস্তিষ্ককে জানিয়ে দেয় এবং সেই অনুযায়ী পরিপাকতন্ত্র হজমের জন্য প্রয়োজনীয় পরিপাক রস নিঃসরণের জন্য প্রস্তুতি নিয়ে থাকে।

২। হাতে এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া থাকে যা ক্ষতিকারক নয় এবং হাত পরিষ্কার করার পরেও এটি হাতে রয়ে যায়। পরিবেশের বিভিন্ন ক্ষতিকারক জীবাণু থেকে শরীরকে রক্ষা করে এই ব্যাকটেরিয়া। ফলে হাত দিয়ে খেলে সুস্বাস্থ্য বজায় থাকে।

৩। হাত দিয়ে খাওয়া এক ধরনের পেশির ব্যায়াম- যা রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়।

৪। যখন আমরা হাত দিয়ে খাই, তখন সাধারণত ধীরে ধীরে খাওয়া হয়। চামচের সাহায্যে খেলে দ্রæত খাওয়া হয়। ধীরে খাওয়া খাবার ভালোভাবে হজম করতে সাহায্য করে।

৫। হাত দিয়ে খাবার খেলে পরিমিত খাওয়া সম্ভব হয়। এতে স্থুলতা থেকে দূরে থাকা সম্ভব হয়।

মানব শরীরে অসংখ্য উপকারী ব্যাকটেরিয়া রয়েছে, যা হজম ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতায় ভূমিকা রাখে। পরিষ্কার হাত দিয়ে খাবার খেলে স্বাভাবিকভাবে কিছু উপকারী মাইক্রোফ্লোরা শরীরে প্রবেশ করতে পারে, যা অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে বলে কিছু গবেষণায় ধারণা পাওয়া যায়। তবে এটি এখনো পুরোপুরি প্রতিষ্ঠিত বৈজ্ঞানিক সিদ্ধান্ত নয়, গবেষণা চলমান।

ডট বিডি ও ডট বাংলা ডোমেইন সেবা দিচ্ছে আম্বার আইটি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ১২:০৭ পূর্বাহ্ণ
ডট বিডি ও ডট বাংলা ডোমেইন সেবা দিচ্ছে আম্বার আইটি

ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান (আইএসপি) আম্বার আইটি লিমিটেড এখন বিটিসিএলের অনুমোদিত পুনর্বিক্রেতা (রিসেলার) হিসেবে টপ লেভেল কান্ট্রি ডোমেইন ডট বিডি ও ডট বাংলা ডোমেইন নিবন্ধন ও ব্যবস্থাপনা সেবা প্রদান করছে।
অনলাইনে দেশীয় পরিচয় ও ডিজিটাল উপস্থিতি শক্তিশালী করতে ডট বিডি এবং ডট বাংলা ডোমেইনের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। এই চাহিদার কথা বিবেচনায় রেখে আম্বার আইটি গ্রাহকদের জন্য সহজ, নিরাপদ এবং ঝামেলামুক্ত ডোমেইন নিবন্ধন সেবা চালু করেছে।

আম্বার আইটির মাধ্যমে ডট বিডি ও ডট বাংলা ডোমেইন নিবন্ধনের ক্ষেত্রে গ্রাহকরা দ্রুত অ্যাক্টিভিশন সুবিধা পাবেন। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার প্রক্রিয়াও তুলনামূলক সহজ করা হয়েছে। মোবাইল আর্থিক সেবা (এমএফএস) ও ব্যাংকের মাধ্যমে অনলাইনে টাকা পরিশোধের সুবিধা থাকায় যেকোনও জায়গা থেকে সহজে আবেদন করা যাবে।

এছাড়া ডোমেইনের সঙ্গে বিনামূল্যে ডিএনএস হোস্টিং ও ব্যবস্থাপনা সুবিধা পাওয়া যাবে। গ্রাহকদের সুবিধার্থে ডোমেইন নবায়ন, মেয়াদ এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সম্পর্কে নিয়মিত এসএমএস ও ই-মেইল নোটিফিকেশন পাঠানো হবে। ডোমেইন ব্যবস্থাপনার জন্য থাকছে ব্যবহারবান্ধব গ্রাহক প্যানেল, যার মাধ্যমে গ্রাহকরা নিজেরাই প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন।

এছাড়া ডট কম ডট বিডি, ডট কম ডট নেট, ডট কম ডট ইনফো, ডট কম ডট ওআরজি ইত্যাদি ডেমেইনও আম্বার আইটি থেকে নিবন্ধন করা যাবে। সাথে ডিএনএস হোস্টিং, ওয়েব হোস্টিং ও ইমে-ইল সার্ভিসও দেওয়া হয়। ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, উদ্যোক্তা এবং বিভিন্ন সংগঠন এখন দ্রুত, সহজ ও নির্ভরযোগ্য উপায়ে নিজেদের নামে দেশীয় ডোমেইন নিবন্ধন করতে পারবেন।