বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

প্রবাসী কর্মীদের মেধাবী সন্তানদের শিক্ষাবৃত্তির আবেদন শুরু, শেষ সময় ২৪ নভেম্বর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:০৮ অপরাহ্ণ
প্রবাসী কর্মীদের মেধাবী সন্তানদের শিক্ষাবৃত্তির আবেদন শুরু, শেষ সময় ২৪ নভেম্বর

পত্রদূত ডেস্ক: প্রবাসী কর্মীদের মেধাবী সন্তানদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদানের জন্য আবেদন আহ্বান করেছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড। ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান, ২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমান এবং ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা এ বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। অনলাইনে আবেদনের শেষ সময় আগামী ২৪ নভেম্বর।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একাদশ শ্রেণি বা সমমান পর্যায়ে অধ্যয়নরত, ২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে বিশ্ববিদ্যালয় বা মেডিকেল কলেজে স্নাতক পর্যায়ে অধ্যয়নরত এবং একই বছর ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে বিএসসি ইন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রথম সেমিস্টারে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের যোগ্যতা হিসেবে শিক্ষার্থীর বাবা অথবা মাকে বিএমইটির বহির্গমন ছাড়পত্র গ্রহণকারী কিংবা ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের সদস্য হতে হবে। একজন প্রবাসী কর্মীর সর্বোচ্চ দুই সন্তান এ শিক্ষাবৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। এসএসসি ও এইচএসসি পর্যায়ে বিভাগভেদে নির্ধারিত জিপিএ এবং ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ন্যূনতম জিপিএ ৩ দশমিক ২৫ থাকতে হবে। প্রবাসে মৃত্যুবরণকারী কর্মীর সন্তানদের জন্য জিপিএর ক্ষেত্রে পৃথক শর্ত রয়েছে।

আবেদনের সঙ্গে প্রবাসী কর্মী হিসেবে বাবা-মায়ের প্রমাণপত্র, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানপ্রধানের মোবাইল নম্বরসহ প্রত্যয়নপত্র, শিক্ষার্থীর ব্যাংক হিসাবের বিবরণী ও ব্যাংক রাউটিং নম্বর, ছবি, স্বাক্ষর এবং জন্মনিবন্ধন বা জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি জমা দিতে হবে। প্রবাসে মৃত্যুবরণকারী কর্মীর সন্তানদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ মিশন থেকে দেওয়া এনওসি বা দূতাবাস সনদও সংযুক্ত করতে হবে। এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের হিসাব গ্রহণযোগ্য হবে না।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এসএসসি পর্যায়ে একাদশ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত দুই বছর এবং ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ চার বছর শিক্ষাবৃত্তি দেওয়া হবে। এইচএসসি পর্যায়ে ডিগ্রি (পাস) কোর্সে তিন বছর, স্নাতক পর্যায়ে চার বছর এবং এমবিবিএস, বিডিএস, ডিভিএম ও স্থাপত্য বিষয়ে পাঁচ বছর পর্যন্ত বৃত্তি দেওয়া হবে।

আগ্রহী শিক্ষার্থীদের https://portal.wewb.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে ২৫ অক্টোবর থেকে, চলবে ২৪ নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত। সরাসরি বা ডাকযোগে কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না। অসম্পূর্ণ কিংবা ভুল তথ্যসংবলিত আবেদন বাতিল বলে গণ্য হবে।

এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে দেশে প্রবাসী কল সেন্টারের টোল ফ্রি নম্বর ১৬১৩৫ এবং বিদেশ থেকে +৮৮০৯৬১০১০২০৩০ নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে বলে সাতক্ষীরা জেলা তথ্য অফিসের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

Ads small one

তালা সদর ইউনিয়নে সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, পুনঃতদন্ত দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৪:৩৪ অপরাহ্ণ
তালা সদর ইউনিয়নে সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, পুনঃতদন্ত দাবি

খলিশখালী (তালা) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার তালা উপজেলার ৬ নম্বর তালা সদর ইউনিয়নে সার ডিলার নিয়োগে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিয়োগ প্রক্রিয়া পুনরায় তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সার ব্যবসায়ী মো. শাহিনুর ইসলাম।

বুধবার (৪ নভেম্বর) তালা উপজেলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি এসব অভিযোগ করেন। শাহিনুর ইসলাম মেসার্স মারিয়া এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী। তিনি জানান, দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে তালা বাজারে সুনামের সঙ্গে সার ও কীটনাশকের ব্যবসা পরিচালনা করছেন।

সংবাদ সম্মেলনে তাঁর অভিযোগ, নতুন সার ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রকৃত ও অভিজ্ঞ ব্যবসায়ীদের বিবেচনায় না নিয়ে অনিয়মের মাধ্যমে মেসার্স নূরী এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. আব্দুল্লাহ আল মামুনকে ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, আব্দুল্লাহ আল মামুনের নিজস্ব সার ব্যবসা বা এ বিষয়ে পূর্ব অভিজ্ঞতা নেই। তাঁর ভাই সার সাব-ডিলার হিসেবে ব্যবসা করেন।

লিখিত বক্তব্যে শাহিনুর ইসলাম আরও অভিযোগ করেন, ডিলার নিয়োগের জন্য গোডাউন তদন্তের সময় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বাড়িতে ইরানি হোমিও ফার্মেসির ব্যবসা পরিচালিত হচ্ছিল। অথচ ওই স্থানকে সার গোডাউন হিসেবে দেখানো হয়েছে। এ ছাড়া নিয়োগপ্রাপ্ত ডিলারের বাবা মো. আবুল কালাম বিশ্বাস তালা উপজেলা বিআরডিবির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সংবাদ সম্মেলন থেকে তিনটি দাবি জানানো হয়। এগুলো হলো—সার ডিলার নিয়োগের পুরো প্রক্রিয়া স্বচ্ছতার সঙ্গে পুনরায় যাচাই-বাছাই, তদন্তে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে বিতর্কিত ডিলারশিপ বাতিল করে প্রকৃত সার ব্যবসায়ীকে নিয়োগ এবং এলাকার কৃষকদের কাছে সুষ্ঠুভাবে সার সরবরাহ নিশ্চিত করা।

শাহিনুর ইসলাম সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ডিলার বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য সংবাদ সম্মেলনের তথ্যবিবরণীতে পাওয়া যায়নি।

শ্যামনগরে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণাধার উদ্বোধন, সুপেয় পানির সংকট মোকাবিলায় উদ্যোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৪:০১ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণাধার উদ্বোধন, সুপেয় পানির সংকট মোকাবিলায় উদ্যোগ

উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার উপকূলীয় ইউনিয়ন বুড়িগোয়ালিনীতে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণাধার উদ্বোধন করা হয়েছে। উপকূলীয় এলাকায় সুপেয় পানির সংকট মোকাবিলা এবং নিরাপদ পানির বিকল্প উৎস তৈরির লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল ১০টায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে সংরক্ষণাধারটির উদ্বোধন করা হয়। জেআই জেডের অর্থায়নে এবং বেসরকারি সংস্থা লিডার্সের বাস্তবায়নে এ পানির প্ল্যান্ট স্থাপন করা হয়েছে।

উপকূলীয় অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে সুপেয় পানির সংকট রয়েছে। বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে নিরাপদ খাবার পানির অভাবে স্থানীয় বাসিন্দাদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এ অবস্থায় বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করে পরবর্তী সময়ে ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হওয়ায় স্থানীয় মানুষের পানির চাহিদা পূরণে সংরক্ষণাধারটি ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। পাশাপাশি ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরশীলতা কমাতেও এটি সহায়ক হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট স্টেশনের স্টেশন কর্মকর্তা এরফান উদ্দিন, লিডার্সের নির্বাহী পরিচালক মোহন কুমার মণ্ডল, উপকূলীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি এম এ হালিম, সুন্দরবন প্রেসক্লাবের সভাপতি বিলাল হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

এ সময় অতিথিরা উপকূলীয় জনপদে নিরাপদ সুপেয় পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণসহ পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সংরক্ষিত পানির যথাযথ ব্যবহার ও রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করা গেলে এ উদ্যোগ দীর্ঘমেয়াদে এলাকাবাসীর পানির সংকট নিরসনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

মাথিনের কূপের নায়ক ধীরাজ ভট্টাচার্যের জন্মদিন আজ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:৫১ অপরাহ্ণ
মাথিনের কূপের নায়ক ধীরাজ ভট্টাচার্যের জন্মদিন আজ

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: উপমহাদেশের প্রখ্যাত চলচ্চিত্রাভিনেতা ও সাহিত্যিক ধীরাজ ভট্টাচার্যের জন্মদিন ৫ নভেম্বর। ১৯০৫ সালের এই দিনে যশোরের কেশবপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী পাঁজিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। কালজয়ী প্রেমকাহিনি ‘মাথিনের কূপ’-এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে তাঁর নাম। জন্মদিন উপলক্ষ্যে আলোচনা সভাসহ নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে শুভসংঘ।

ধীরাজ ভট্টাচার্যের বাবা ললিতমোহন ভট্টাচার্য ও মা লীলাবতী। চার ভাইবোনের মধ্যে তিনি ছিলেন দ্বিতীয়। পাঁজিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রাথমিক শিক্ষা শেষে পরিবারের সঙ্গে কলকাতায় চলে যান। ১৯২৩ সালে মিত্র ইনস্টিটিউশন থেকে ম্যাট্রিক পাস করেন। পরে আশুতোষ কলেজে আইএসসিতে ভর্তি হন। তবে অভিনয়, গান, বাজনা ও নাটকের প্রতি প্রবল আগ্রহ তাঁকে ভিন্ন পথে নিয়ে যায়। কর্মজীবনের শুরুতে তিনি পুলিশ বিভাগে যোগ দেন।

১৯২৩-২৪ সালের দিকে কলকাতা থেকে বদলি হয়ে চট্টগ্রাম এবং পরে টেকনাফ থানায় দায়িত্ব পালন করেন ধীরাজ। সেখানেই স্থানীয় রাখাইন জমিদার ওয়াংথিনের মেয়ে মাথিনের সঙ্গে তাঁর পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রতিদিন টেকনাফ থানার কূপে পানি আনতে আসতেন মাথিন। থানার বারান্দায় বসে থাকা ধীরাজের সঙ্গে চোখাচোখি থেকেই তাঁদের পরিচয়, পরে তা গভীর প্রেমে রূপ নেয়।

কিন্তু পারিবারিক কারণে বাবার চিঠি পেয়ে মাথিনকে না জানিয়েই কলকাতায় ফিরে যান ধীরাজ। তাঁর ফিরে না আসার আশঙ্কায় মাথিন খাওয়া-দাওয়া ছেড়ে দেন। প্রচলিত কাহিনি অনুযায়ী, তিনি কূপের পাশে অনশন শুরু করেন এবং একপর্যায়ে মৃত্যুবরণ করেন। এভাবেই ধীরাজ-মাথিনের অসমাপ্ত প্রেমের করুণ কাহিনি ইতিহাস ও লোকমুখে জায়গা করে নেয়। টেকনাফ থানার সেই কূপ আজও তাঁদের প্রেমের স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে পরিচিত।

কলকাতায় ফিরে ধীরাজ আবার অভিনয়জগতে যুক্ত হন। নায়ক থেকে খলনায়ক—বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করে তিনি দর্শকের হৃদয়ে স্থান করে নেন। দুই শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। তাঁর অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে ‘কালপরিণয়’, ‘নৌকাডুবি’, ‘যমুনা পুলিন’, ‘চাঁদ সওদাগর’, ‘দক্ষযজ্ঞ’, ‘সোনার সংসার’, ‘পাষাণ দেবতা’ ও ‘অভয়ের বিয়ে’।

অভিনয়ের পাশাপাশি সাহিত্যিক হিসেবেও পরিচিতি লাভ করেন ধীরাজ ভট্টাচার্য। তাঁর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ ‘যখন পুলিশ ছিলাম’ ও ‘যখন নায়ক ছিলাম’ পাঠকমহলে সমাদৃত। তিনি মোট পাঁচটি গ্রন্থ রচনা করেন। ১৯৫৯ সালের ৪ মার্চ এই গুণী অভিনেতা ও সাহিত্যিক মৃত্যুবরণ করেন।

ধীরাজ ভট্টাচার্যের জীবন ও কর্ম আজও চলচ্চিত্রপ্রেমী ও সাহিত্যপাঠকদের কাছে স্মরণীয় হয়ে আছে। তাঁর জন্মস্থান পাঁজিয়া এবং টেকনাফের মাথিনের কূপ তাঁর জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ স্মারক।