মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩

মানবিক সংহতি ও শরণার্থী সংকট: একটি সমন্বিত বিশ্বদৃষ্টিভঙ্গি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ১০:১৯ অপরাহ্ণ
মানবিক সংহতি ও শরণার্থী সংকট: একটি সমন্বিত বিশ্বদৃষ্টিভঙ্গি

সাকিবুর রহমান বাবলা

২০ জুন, ‘বিশ্ব শরণার্থী দিবস’। আজকের এই দিনটি বিশ্ববিবেকের কাছে এক গভীর সংবেদনশীল অনুভূতি নিয়ে আসে। ২০২৬ সালের প্রতিপাদ্য—‘শরণার্থীদের প্রতি সংহতি’Ñআমাদের স্পষ্ট বার্তা দেয় যে, কেবল সহানুভূতি প্রদর্শনই যথেষ্ট নয়; বরং যুদ্ধ, নিপীড়ন, ধর্মভিত্তিক, জাতিগত, ভূ-রাজনৈতিক সহিংসতা, জলবায়ু পরিবর্তনের শিকার হয়ে বাস্তুচ্যুত কোটি মানুষের অধিকার রক্ষায় প্রয়োজন কার্যকর ও সাহসী পদক্ষেপ।

বাংলাদেশ এই মানবিক সংকট ও সংহতির ইতিহাসের সাথে ঐতিহাসিকভাবে সম্পৃক্ত। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় লাখো বাংলাদেশি প্রতিবেশী রাষ্ট্রে আশ্রয় নিয়েছিল। সেই দুঃসহ অভিজ্ঞতার আলোকে আজ বাংলাদেশ রোহিঙ্গা সংকটের মতো একটি জটিল মানবিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। রাষ্ট্রের ভূ-রাজনৈতিক সীমাবদ্ধতা, সীমিত সম্পদ ও অর্থনৈতিক চাপ সত্ত্বেও বাংলাদেশ কেবল জরুরি ত্রাণই দিচ্ছে না, বরং আন্তর্জাতিক কূটনীতির মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা ও মিয়ানমারে তাদের মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের পথ প্রশস্ত করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। এটি কেবল একটি মানবিক সাহায্য নয়, বরং জাতীয় ও আঞ্চলিক এমনকি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার সাথেও গভীরভাবে সম্পর্কিত।

দীর্ঘমেয়াদী শরণার্থী সংকটে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সাথে আশ্রিতদের একটি সামাজিক মিথস্ক্রিয়া তৈরি হয়। রাষ্ট্রকে একদিকে আইনের শাসন, স্থানীয়দের অধিকার ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করতে হয়, অন্যদিকে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিতে শরণার্থীদের ন্যূনতম মর্যাদা নিশ্চিত করার চ্যালেঞ্জ নিতে হয়। ভবিষ্যতে শরণার্থীদের আইনি সুরক্ষা ও সুষ্ঠু অভিবাসন প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে একটি শক্তিশালী আঞ্চলিক কাঠামো গড়ে তোলা অপরিহার্য।

বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও একটি বিশেষ দায়িত্ববোধ কাজ করে। তারা যেন স্বাগতিক দেশের আইনের প্রতি যথার্থ শ্রদ্ধাশীল থেকে কর্মদক্ষতা ও ইতিবাচক সংস্কৃতির মাধ্যমে অবদান রাখতে পারেন, সেটিই কাম্য। কারণ, একজন প্রবাসীর সুশৃঙ্খল আচরণ কেবল তার নিজের নয়, বরং পুরো জাতির ভাবমূর্তিকে বিশ্বমঞ্চে উজ্জ্বল করে।

পরিশেষে, শরণার্থী সংকটের মূল সমাধান কেবল দান বা আশ্রয়ে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এর স্থায়ী সমাধান নিহিত রয়েছে সংঘাত নিরসন, টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং প্রতিটি মানুষের মর্যাদা রক্ষার বৈশ্বিক রাজনৈতিক সদিচ্ছার ওপর। শরণার্থী কোনো ‘শব্দ’ নয়, বরং তারা আমাদের একই সৃষ্টি কর্তার সৃষ্টি স্বপ্নদ্রষ্টা মানুষ। তাই সম্মিলিত মানবিক প্রচেষ্টাতেই সম্ভব একটি নিরাপদ পৃথিবী গড়ে তোলা, যেখানে প্রতিটি মানুষ নিজ ভূমিতে সম্মানের সাথে বেঁচে থাকার নিশ্চয়তা পায়। এটাই হোক বিশ্ব শরণার্থী দিবসের অঙ্গীকার।

Ads small one

এআই দিয়ে মাদক কারবারির জার্সি বদল, এসআইকে শোকজ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ১২:২৬ পূর্বাহ্ণ
এআই দিয়ে মাদক কারবারির জার্সি বদল, এসআইকে শোকজ

ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হওয়া এক মাদক কারবারির গায়ে থাকা আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের জার্সি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ব্রাজিলের জার্সিতে পরিবর্তন করে গণমাধ্যমে ছবি পাঠানোর ঘটনায় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) মিডিয়া উইংয়ের উপ-পরিদর্শক (এসআই) তানজিল আহমেদকে কারণ দর্শানোর নোটিশ করা হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিএমপি কমিশনার মো. আশিক সাঈদের নির্দেশে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ করা হয়।

এর আগে, সোমবার (২৯ জুন) নগরীর মোহাম্মদপুর কলোনি এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ রাসেল হাওলাদার (৩৫) নামে এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করে কাউনিয়া থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারের সময় তার গায়ে আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের জার্সি ছিল। তবে পরে বিএমপির মিডিয়া উইং থেকে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ওই জার্সিকে ব্রাজিল ফুটবল দলের জার্সিতে পরিবর্তন করে ছবি গণমাধ্যমের হোয়াটসঅ্যাপে গ্রুপে পাঠানো হয়।

বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে প্রকৃত ছবি ও সঠিক তথ্যসহ নতুন করে ওই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে ও বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের পেজে পোস্ট করা হয়।

 

ঘটনার বিষয়ে এসআই তানজিল আহমেদ জানান, তিনি এটি দুষ্টুমির ছলে করেছিলেন। এ ঘটনায় তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

বিএমপি কমিশনার মো. আশিক সাঈদ জানান, শোকজের জবাব পাওয়ার পর বিষয়টি পর্যালোচনা করে পরবর্তী প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চামচ নয়- হাত দিয়ে খাওয়া অধিকতর স্বাস্থ্যকর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ১২:১২ পূর্বাহ্ণ
চামচ নয়- হাত দিয়ে খাওয়া অধিকতর স্বাস্থ্যকর

আমরা হাত দিয়ে খাবার খেতেই অভ্যস্ত বেশি। তবে অনেক দেশে সংস্কৃতির অংশ হিসেবে চপস্টিক বা কাঁটাচামচ দিয়ে খাওয়া হয়। অনেকে মনে করেন, হাত দিয়ে খাওয়া স্বাস্থ্যকর অভ্যাস নয়। তবে বিজ্ঞান বলছে, এই ধারণার ভিত্তি নেই। বরং চামচের চাইতে হাত দিয়ে খাওয়াটাই বেশি স্বাস্থ্যসম্মত। তবে খাওয়ার আগে হাত ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে অবশ্যই।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার একটি প্রতিবেদন জানাচ্ছে, কোন কোন কারণে চামচের বদলে হাত দিয়ে খাবার খাওয়া উচিত।

গবেষণা বলছে, হাত দিয়ে খাবার খাওয়ার অভ্যাস শরীর ও মস্তিষ্ককে এমনভাবে সক্রিয় করে, যা হজমশক্তি, মনোযোগ এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্য উন্নত করতে পারে। তাই এই প্রাচীন অভ্যাসকে এখন শুধু ঐতিহ্য নয়, বরং একটি স্বাস্থ্যকর জীবনধারা হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

১। আঙুলের সাহায্যে খাবার গ্রহণ করলে সেটা ইতিবাচক প্রভাব ফেলে হজমে। খাবার স্পর্শ করলে আঙুলের ত্বকে অবস্থিত স্নায়ু খাবারের ধরন মস্তিষ্ককে জানিয়ে দেয় এবং সেই অনুযায়ী পরিপাকতন্ত্র হজমের জন্য প্রয়োজনীয় পরিপাক রস নিঃসরণের জন্য প্রস্তুতি নিয়ে থাকে।

২। হাতে এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া থাকে যা ক্ষতিকারক নয় এবং হাত পরিষ্কার করার পরেও এটি হাতে রয়ে যায়। পরিবেশের বিভিন্ন ক্ষতিকারক জীবাণু থেকে শরীরকে রক্ষা করে এই ব্যাকটেরিয়া। ফলে হাত দিয়ে খেলে সুস্বাস্থ্য বজায় থাকে।

৩। হাত দিয়ে খাওয়া এক ধরনের পেশির ব্যায়াম- যা রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়।

৪। যখন আমরা হাত দিয়ে খাই, তখন সাধারণত ধীরে ধীরে খাওয়া হয়। চামচের সাহায্যে খেলে দ্রæত খাওয়া হয়। ধীরে খাওয়া খাবার ভালোভাবে হজম করতে সাহায্য করে।

৫। হাত দিয়ে খাবার খেলে পরিমিত খাওয়া সম্ভব হয়। এতে স্থুলতা থেকে দূরে থাকা সম্ভব হয়।

মানব শরীরে অসংখ্য উপকারী ব্যাকটেরিয়া রয়েছে, যা হজম ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতায় ভূমিকা রাখে। পরিষ্কার হাত দিয়ে খাবার খেলে স্বাভাবিকভাবে কিছু উপকারী মাইক্রোফ্লোরা শরীরে প্রবেশ করতে পারে, যা অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে বলে কিছু গবেষণায় ধারণা পাওয়া যায়। তবে এটি এখনো পুরোপুরি প্রতিষ্ঠিত বৈজ্ঞানিক সিদ্ধান্ত নয়, গবেষণা চলমান।

ডট বিডি ও ডট বাংলা ডোমেইন সেবা দিচ্ছে আম্বার আইটি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ১২:০৭ পূর্বাহ্ণ
ডট বিডি ও ডট বাংলা ডোমেইন সেবা দিচ্ছে আম্বার আইটি

ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান (আইএসপি) আম্বার আইটি লিমিটেড এখন বিটিসিএলের অনুমোদিত পুনর্বিক্রেতা (রিসেলার) হিসেবে টপ লেভেল কান্ট্রি ডোমেইন ডট বিডি ও ডট বাংলা ডোমেইন নিবন্ধন ও ব্যবস্থাপনা সেবা প্রদান করছে।
অনলাইনে দেশীয় পরিচয় ও ডিজিটাল উপস্থিতি শক্তিশালী করতে ডট বিডি এবং ডট বাংলা ডোমেইনের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। এই চাহিদার কথা বিবেচনায় রেখে আম্বার আইটি গ্রাহকদের জন্য সহজ, নিরাপদ এবং ঝামেলামুক্ত ডোমেইন নিবন্ধন সেবা চালু করেছে।

আম্বার আইটির মাধ্যমে ডট বিডি ও ডট বাংলা ডোমেইন নিবন্ধনের ক্ষেত্রে গ্রাহকরা দ্রুত অ্যাক্টিভিশন সুবিধা পাবেন। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার প্রক্রিয়াও তুলনামূলক সহজ করা হয়েছে। মোবাইল আর্থিক সেবা (এমএফএস) ও ব্যাংকের মাধ্যমে অনলাইনে টাকা পরিশোধের সুবিধা থাকায় যেকোনও জায়গা থেকে সহজে আবেদন করা যাবে।

এছাড়া ডোমেইনের সঙ্গে বিনামূল্যে ডিএনএস হোস্টিং ও ব্যবস্থাপনা সুবিধা পাওয়া যাবে। গ্রাহকদের সুবিধার্থে ডোমেইন নবায়ন, মেয়াদ এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সম্পর্কে নিয়মিত এসএমএস ও ই-মেইল নোটিফিকেশন পাঠানো হবে। ডোমেইন ব্যবস্থাপনার জন্য থাকছে ব্যবহারবান্ধব গ্রাহক প্যানেল, যার মাধ্যমে গ্রাহকরা নিজেরাই প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন।

এছাড়া ডট কম ডট বিডি, ডট কম ডট নেট, ডট কম ডট ইনফো, ডট কম ডট ওআরজি ইত্যাদি ডেমেইনও আম্বার আইটি থেকে নিবন্ধন করা যাবে। সাথে ডিএনএস হোস্টিং, ওয়েব হোস্টিং ও ইমে-ইল সার্ভিসও দেওয়া হয়। ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, উদ্যোক্তা এবং বিভিন্ন সংগঠন এখন দ্রুত, সহজ ও নির্ভরযোগ্য উপায়ে নিজেদের নামে দেশীয় ডোমেইন নিবন্ধন করতে পারবেন।