বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩

যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতি পেলেন ১৭২ কর্মকর্তা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ১১:০৫ অপরাহ্ণ
যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতি পেলেন ১৭২ কর্মকর্তা

জনপ্রশাসনের কর্মকর্তাদের বড় পদোন্নতি দিয়েছে সরকার। একসঙ্গে ১৭২ জন উপসচিবকে পদোন্নতি দিয়ে যুগ্ম সচিব করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তাদের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে। তবে নতুন যুগ্ম-সচিবদের পদায়ন করে আদেশ জারি করা হয়নি। বিএনপি সরকার গঠন করার পর প্রশাসনে এটিই প্রথম বড় পদোন্নতি।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা তাদের যোগদানপত্র সরাসরি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবর বা অনলাইনে ই-মেইলে (sa1@mopa.gov.bd) পাঠাতে পারবেন।

পদোন্নতির আদেশে উল্লিখিত কর্মস্থল থেকে কোনো কর্মকর্তার দপ্তর/কর্মস্থল এরই মধ্যে পরিবর্তন হলে কর্মরত দপ্তরের নাম, ঠিকানা উল্লেখ করে যোগদানপত্র দাখিল করবেন।

পরবর্তী সময়ে কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোনোরকম বিরূপ/ভিন্নরূপ তথ্য পাওয়া গেলে, তার ক্ষেত্রে এই আদেশের প্রয়োজনীয় সংশোধন/বাতিল করার অধিকার কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।

বর্তমানে প্রশাসনে যুগ্ম-সচিবের সংখ্যা হলো এক হাজার ৬১ জন। এ পদোন্নতির মূল বিবেচ্য ছিল বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) প্রশাসন ক্যাডারের ২৫তম ব্যাচ। এছাড়া এর আগে বঞ্চিত বিভিন্ন ব্যাচের কর্মকর্তারাও পদোন্নতির তালিকায় আছেন।

‘সরকারের উপসচিব, যুগ্মসচিব, অতিরিক্ত সচিব ও সচিব পদে পদোন্নতি বিধিমালা, ২০০২’- এ বলা হয়েছে, যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে ৭০ শতাংশ প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের ও ৩০ শতাংশ অন্যান্য ক্যাডারের উপসচিব পদে কর্মরতদের বিবেচনায় নিতে হবে।

বিধিমালা অনুযায়ী, উপসচিব পদে কমপক্ষে ৫ বছর চাকরিসহ সংশ্লিষ্ট ক্যাডারের সদস্য হিসেবে কমপক্ষে ১৫ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা বা উপ-সচিব পদে কমপক্ষে ৩ বছর চাকরিসহ ২০ বছরের অভিজ্ঞতা থাকলে কোনো কর্মকর্তা যুগ্মসচিব পদে পদোন্নতির জন্য বিবেচিত হন।

Ads small one

মনিরামপুর হাসপাতাল ১০১ শয্যায় উন্নীত হচ্ছে, স্বাস্থ্যসেবায় নতুন সম্ভাবনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ১১:৫০ অপরাহ্ণ
মনিরামপুর হাসপাতাল ১০১ শয্যায় উন্নীত হচ্ছে, স্বাস্থ্যসেবায় নতুন সম্ভাবনা

মনিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের মনিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, উদ্যোগটি বাস্তবায়িত হলে উপজেলার স্বাস্থ্যসেবার সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং দীর্ঘদিনের শয্যা সংকট ও রোগীদের ভোগান্তি অনেকাংশে লাঘব হবে। মনিরামপুরের সচেতন মহল এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। তাদের মতে, বর্তমান সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে সরকারি হাসপাতালগুলোর শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের উদ্যোগ জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
জানা যায়, মনিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিভিন্ন অবকাঠামোগত সমস্যা, জনবল সংকট এবং শয্যা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি জাতীয় সংসদে তুলে ধরেন যশোর-৫ (মনিরামপুর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট গাজী এনামুল হক। স্থানীয়দের দাবি, তাঁর ধারাবাহিক প্রচেষ্টার ফলেই হাসপাতালটি ১০১ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ বাস্তব রূপ পেতে যাচ্ছে।

আশাশুনির বড়দলে যাত্রীবাহী বাসে হামলা ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ১১:৪৯ অপরাহ্ণ
আশাশুনির বড়দলে যাত্রীবাহী বাসে হামলা ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের গোয়ালডাঙ্গা বাজারে রাস্তার পাশে রাখা ভ্যান ও ইজিবাইক সরানোকে কেন্দ্র করে যাত্রীবাহী বাসে হামলা, ভাংচুর, নগদ টাকা ও মোবাইল ছিনতাইঢের অভিযোগ পাওয়া গেছে। হামলায় বাসের সুপারভাইজার ও চালক আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আশাশুনি থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
লিখিত এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা মেট্রো-জ-১১-১০৭১ নং যাত্রীবাহী মিনি বাস সাতক্ষীরা বাসস্ট্যান্ড থেকে বড়দলের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। দুপুর ১২টার দিকে বাসটি গোয়ালডাঙ্গা বাজারে তিন রাস্তার মোড়ে পৌঁছালে রাস্তার দুই পাশে রাখা ভ্যান ও ইজিবাইকের কারণে যান জটের সৃষ্টি হয়। হর্ন বাজিয়েও রাস্তা ফাঁকা না হওয়ায় বাসের সুপারভাইজার রবিউল ইসলাম কয়েকটি ভ্যান সরিয়ে রাস্তার পাশে রাখেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযুক্তরা সংঘবদ্ধভাবে সুপারভাইজারের ওপর হামলা চালিয়ে মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করা হয় ও শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করা হয়। এসময় তার কাছে থাকা যাত্রী ভাড়ার ৩ হাজার ৭০০ টাকা, বাস মালিকের ৭ হাজার টাকা এবং প্রায় ১৭ হাজার ৯৯৯ টাকা মূল্যের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়। তাকে রক্ষা করতে বাসচালক মোজাম্মেল হোসেন এগিয়ে গেলে ইটের আঘাতে আহত করা ও ১ হাজার ২০০ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে। এ ছাড়া বাসের গ্লাস ভাঙচুর করে প্রায় ৩ হাজার ৫০০ টাকার ক্ষয়ক্ষতি করা হয়েছে। আহত চালক ও সুপারভাইজারকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় ৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ১৮-২০ জনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত এজাহার দাখিল করা হয়েছে।
আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ শামীম আহমদ খান বলেন, এজাহার পেয়েছি, প্রাথমিক অনুসন্ধানের জন্য অফিসার পাঠানো হয়েছে। তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

 

পাইকগাছায় বৃষ্টিতে বিপাকে নি¤œ আয়ের মানুষ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ১১:৪৮ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় বৃষ্টিতে বিপাকে নি¤œ আয়ের মানুষ

পলাশ কর্মকার, পাইকগাছা (খুলনা): খুলনার পাইকগাছা উপজেলায় টানা তিন দিনের অবিরাম বর্ষণ ও বৈরী আবহাওয়ায় স্বাভাবিক জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গত কয়েকদিন ধরে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকা এবং একটানা বৃষ্টিপাতের কারণে চরম বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া নি¤œ আয়ের মানুষ।
টানা বৃষ্টির কারণে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের নিচু এলাকা ও কাঁচা রাস্তাঘাট জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। পৌর সদরসহ বিভিন্ন বাজারের সড়কগুলোতে লোকজনের উপস্থিতি অন্য দিনের তুলনায় অনেক কম। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। ফলে চিরচেনা ব্যস্ত রাস্তাঘাট ও বাজারগুলো এখন অনেকটাই জনশূন্য।
এই দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় সবচেয়ে বেশি সংকটে পড়েছেন দিনমজুর, ভ্যানচালক, রিকশাচালক, কৃষিশ্রমিক ও মৎস্যজীবীসহ দৈনিক আয়ের ওপর নির্ভরশীল মানুষেরা। বৃষ্টির কারণে বাইরে কোনো কাজ না থাকায় টানা তিন দিন ধরে পুরোপুরি বেকার বসে আছেন দিনমজুররা।
ক্ষেতে কাজ করা শ্রমিক ইসলাম সরদার বলেন, ‘একদিন কাজ না করলে ঘরে উনুন জ্বলে না, সেখানে টানা তিন দিন ধরে কোনো কাজ নেই। এভাবে বৃষ্টি চলতে থাকলে পরিবার নিয়ে না খেয়ে থাকতে হবে।’
পৌর সদরের ভ্যানচালক নজরুল ইসলাম জানান, রাস্তায় যাত্রী না থাকায় দিনভর ভিজেও কাঙ্ক্ষিত উপার্জন হচ্ছে না। বাজারে অন্য দিনের মতো লোকজন না আসায় আয় কমে গেছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী শেখ মামুনুর রশিদ বলেন, হঠাৎ এই টানা বৃষ্টিতে স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থবিরতা নেমে এসেছে। উপজেলার কাঁচাবাজার ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকানগুলোতে ক্রেতার সমাগম নেই বললেই চলে। বেচাকেনা বন্ধ থাকায় লোকসানের মুখে পড়েছেন ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা।
এছাড়া বৃষ্টির কারণে উপজেলার কিছু কিছু এলাকার আমন চাষী ও বীজতলার সামান্য ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া আরও কয়েকদিন স্থায়ী হলে নি¤œ আয়ের মানুষের কষ্ট আরও কয়েক গুণ বেড়ে যাবে।