মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

শ্যামনগরে ২০০ কৃষককে লবণসহিষ্ণু চাষাবাদের প্রশিক্ষণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৪ পূর্বাহ্ণ
শ্যামনগরে ২০০ কৃষককে লবণসহিষ্ণু চাষাবাদের প্রশিক্ষণ

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার উপকূলীয় গাবুরা ইউনিয়নে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় ২০০ জন নারী ও পুরুষকে লবণসহিষ্ণু কৃষি ও সবজি চাষের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘ফেইথ ইন অ্যাকশন’-এর উদ্যোগে এবং কানাডিয়ান দাতা সংস্থা ‘ওয়ার্ল্ড রিনিউ’-এর আর্থিক সহযোগিতায় এই কর্মসূচি সম্পন্ন হয়।
গত ৭ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম গতকাল বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেলে ১৭৩ নম্বর সোরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে সমাপনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শেষ হয়। ‘জলবায়ু সহনশীল জনগোষ্ঠী তৈরি প্রকল্প’-এর আওতায় গাবুরা ইউনিয়নের ৪টি মৌজায় মোট ৮টি ব্যাচে এই প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।
সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান জি এম মাছুদুল আলম। তিনি বলেন, “ফেইথ ইন অ্যাকশন সঠিক কৃষক বাছাই করে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছে। গাবুরার প্রতিকূল পরিবেশে কৃষি সম্প্রসারণে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আমি আশা করি, প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা বাড়িতে এর সঠিক চর্চা করবেন।”
শ্যামনগর উপজেলা কৃষি অফিসের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আফতাবুজ্জামান প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত থেকে কৃষকদের হাতে-কলমে অভিযোজন কৌশল শেখান। তিনি বলেন, উপকূলীয় এলাকায় সবজি উৎপাদন বৃদ্ধিতে এমন নিবিড় প্রশিক্ষণ কৃষকদের সক্ষমতা অনেক বাড়িয়ে দেবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. মনজুর হোসেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ওমর ফারুক এবং শিক্ষক মিলন হোসেন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন প্রকল্পের প্রজেক্ট অফিসার পরিতোষ কুমার বৈদ্য, মিল অফিসার প্রিন্স মার্ক বিশ্বাস ও কমিউনিটি ফ্যাসিলিটেটর হৈমী মন্ডল। আয়োজক সংস্থা সূত্রে জানা গেছে, প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী ২০০ জন নারী ও পুরুষকে পরবর্তী সময়ে অভিযোজন কৃষি চর্চা অব্যাহত রাখতে উন্নত মানের বীজ, জৈব সারসহ প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ সহায়তা প্রদান করা হবে। বর্তমানে সংস্থাটি গাবুরার ৯টি ওয়ার্ডের ১৫টি গ্রামের ২ হাজার ১৫টি পরিবার নিয়ে জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধিতে কাজ করছে।

Ads small one

সাতক্ষীরা গণঅধিকার পরিষদের সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হলেন সাংবাদিক হাসান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১২:০৭ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরা গণঅধিকার পরিষদের সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হলেন সাংবাদিক হাসান
সাতক্ষীরা জেলা গণঅধিকার পরিষদের নবগঠিত কমিটিতে সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক (সুপার ফাইভ) পদে নির্বাচিত হয়েছেন তরুণ রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠক হাসানুর রহমান হাসান। এ উপলক্ষে তিনি কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি, সাবেক ভিপি এবং বিএনপি সরকারের প্রতিমন্ত্রী জনাব নুরুল হক নূর-এর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন। দলের সাক্ষরিত প্যাডে এই কমিটি ঘোষণা করেন গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি নুরুল হক নূর ও সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন।
এক প্রতিক্রিয়ায় হাসানুর রহমান হাসান বলেন, “দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব আমার ওপর যে আস্থা ও ভালোবাসা রেখেছেন, তার প্রতিদান দিতে সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সংগঠনের আদর্শ বাস্তবায়নে কাজ করে যাব, ইনশাআল্লাহ। আমি সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি। জয় হোক ন্যায়, অধিকার ও জনগণের।”
রাজনৈতিক অঙ্গনে দীর্ঘদিন সক্রিয় থাকা সাংবাদিক হাসানুর রহমান হাসান ছাত্রজীবনে ছাত্রশিবিরের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। পরবর্তীতে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দাবিতে সাতক্ষীরার রাজপথে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।
জুলাই আগষ্টের ফ্যাসিবাদের পতন আন্দোলনে সহ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি একাধিকবার জেল-জুলুমের শিকার হয়েছেন এবং কোটি কোটি টাকার ব্যবসায়িক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন বলেও জানা গেছে।
রাজনীতির পাশাপাশি সাংবাদিকতা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডেও রয়েছে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ। তিনি বাংলাদেশ সরকারের অনুমোদিত জনপ্রিয় স্যাটেলাইট টেলিভিশন আনন্দ টেলিভিশনের ও দৈনিক বাংলাদেশের আলো পত্রিকার সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন।
সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা থানার তৈলকুপী গ্রামের বাসিন্দা মোঃ মোসলেম সরদারের ছোট ছেলে হাসানুর রহমান হাসান সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ থেকে অ্যাকাউন্টিং বিষয়ে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন। এছাড়াও তিনি সাংবাদিকতা, মানবিক কর্মকাণ্ড এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। মাসিক “ভালো কাজ” গ্রুপের অ্যাডমিন হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তরুণ নেতৃত্ব ও মাঠ পর্যায়ের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে গণঅধিকার পরিষদের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে ভূমিকা রাখতে পারেন হাসানুর রহমান হাসান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

জেলা জাতীয়তাবাদী ব্যাটারী চালিত থ্রি-হুইলারযান শ্রমিকদলের আহবায়ক কমিটি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১২:০১ পূর্বাহ্ণ
জেলা জাতীয়তাবাদী ব্যাটারী চালিত থ্রি-হুইলারযান শ্রমিকদলের আহবায়ক কমিটি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ব্যাটারী চালিত থ্রি- হুইলারযান শ্রমিকদল সাতক্ষীরা জেলা শাখার আহবায়ক  কমিটি অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় কমিটি।

 

২৬ মে সোমবার জাতীয়তাবাদী ব্যাটারী চালিত থ্রি- হুইলারযান শ্রমিকদলের (রেজিঃ নং- চ-২৪৫৩) কেন্দ্রীয় কমিটির প্রধান উপদেষ্টা এ এম নাজিম উদ্দীন, সভাপতি মো. শাহিনুর ইসলাম দুখু, সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার জসিম উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক  পত্রে শেখ ফেরদৌস আলম বাবুকে সভাপতি  ও মো. আব্দুর জলিলকে সদস্য সচিব করে সাতক্ষীরা জেলা শাখার ২১ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটির অনুমোদন প্রদান করে ।

 

কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ডাঃ আসাদুর জামান,  মোঃ হাফিজুল সরদার,  মোঃ আশানুর রহমান (আশা), মোঃ ইশারুল ইসলাম, মোঃ ইসমাইল সরদার,সদস্য,মোঃ মাসুদ হোসেন, মোঃ শুভো,মোঃ মুন্না, মোঃ ইকরামুল হোসেন,মোঃ রফিকুল গাজী, মোঃ আশরাফ,মোঃ রফিকুল ইসলাম ফটিক,মোঃ রফিকুল ইসলাম,মোঃ মোবারক হোসেন,মোঃ বাপ্পী, মো. রানা,সাহিদ হোসেন,আব্দুর সবুর,রেজাউল গাজী।

 

উল্লেখ অনুমোদিত সাতক্ষীরা জেলা কমিটি, পৌরসভাসহ সকল থানা ও উপজেলা কমিটি গঠন করে কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে কমিটির তালিকা প্রেরন করার নির্দেশনা দেন কেন্দ্রীয় কমিটি। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

শ্যামনগর উপজেলা জামায়াতের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১১:৫১ অপরাহ্ণ
শ্যামনগর উপজেলা জামায়াতের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

ম্যানগ্রোভ প্রজাতির গাছ কর্তনের প্রতিবাদ করে পুত্রসহ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন শ্যামনগর উপজেলা জামায়াত। ২৫ মে ২০২৬ শ্যামনগর উপজেলা জামায়াতের সহকারি সেক্রেটারি মহসিন আলম স্বাক্ষরিত একপত্রে এ প্রতিবাদ জানানো হয়। প্রতিবাদ পত্রে বলা হয়েছে, সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী মোঃ নজরুল ইসলাম এবং তাঁর পুত্রসহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সাম্প্রতিক চাঁদাবাজি ও হামলার নামে মিথ্যা মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, শ্যামনগর উপজেলা। ২৫ মে (সোমবার) এক যৌথ বিবৃতিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, শ্যামনগর উপজেলা আমীর মাওঃ আব্দুর রহমান ও উপজেলা সেক্রেটারী মাওঃ গোলাম মোস্তফা এ প্রতিবাদ জানান।

 

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী মোঃ নজরুল ইসলাম এবং তাঁর পুত্রসহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সাম্প্রতিক চাঁদাবাজি ও হামলার মামলাকে আমরা গভীর উদ্বেগের সাথে পর্যবেক্ষণ করেছি। প্রাপ্ত তথ্য, স্থানীয় জনগণের বক্তব্য এবং ঘটনাপ্রবাহ পর্যালোচনায় প্রতীয়মান হচ্ছে যে, উক্ত মামলা বাস্তবতার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়; বরং এটি একটি পরিকল্পিত, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও প্রতিহিংসামূলক হওয়ার যথেষ্ট আশঙ্কা রয়েছে।

 

বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, অভিযোগে উল্লিখিত ঘটনার সময় চেয়ারম্যান হাজী মোঃ নজরুল ইসলাম বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদের বার্ষিক উন্মুক্ত বাজেট অধিবেশনে সভাপতিত্ব করছিলেন- যেখানে স্থানীয় প্রশাসন, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। এ সংক্রান্ত তথ্য-প্রমাণ বিদ্যমান থাকায় তাঁর বিরুদ্ধে উত্থাপিত সরাসরি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে।

 

আমরা আরও লক্ষ্য করছি, জাইকা (JICA) অর্থায়নে চলমান বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ প্রকল্প ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে ভূমি ব্যবহার, ক্ষতিপূরণ ও পরিবেশগত প্রভাব নিয়ে স্থানীয় জনগণের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, প্রকল্প সংশ্লিষ্ট ইজারাদার কর্তৃক অনুমোদিত চিংড়ি মহাল দখল, ভূমি ব্যবহারে অনিয়ম, পরিবেশের ক্ষতি এবং ভূমিহীন মানুষের উচ্ছেদের মতো বিষয়গুলো স্থানীয়ভাবে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। এসব বিষয়ে জনপ্রতিনিধি হিসেবে চেয়ারম্যান হাজী নজরুল ইসলাম জনস্বার্থে সোচ্চার ভূমিকা পালন করে আসছেন বলে এলাকাবাসীর একাংশ জানিয়েছে।

 

আমাদের মতে, জনগণের ন্যায্য অধিকার, ক্ষতিপূরণ ও পরিবেশ রক্ষার দাবিকে ‘চাঁদাবাজি’ হিসেবে উপস্থাপন করা হলে তা কেবল বিভ্রান্তি সৃষ্টি করবে এবং প্রকৃত সমস্যার সমাধানকে বিলম্বিত করবে। একইসঙ্গে, এ ধরনের মামলা স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশ ও জনস্বার্থে অবস্থান নেওয়ার ক্ষেত্রে নেতিবাচক বার্তা বহন করতে পারে।

 

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, শ্যামনগর উপজেলা শাখা মনে করে- আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হলে এ ঘটনার পূর্ণাঙ্গ, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত অপরিহার্য। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর প্রভাবমুক্ত থেকে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করতে হবে। পাশাপাশি, চলমান প্রকল্প সংশ্লিষ্ট ভূমি, পরিবেশ ও ক্ষতিপূরণের বিষয়গুলোও গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।

 

আমরা সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানাই-ঘটনার সকল দিক যাচাই-বাছাই করে নিরপরাধ ব্যক্তিদের হয়রানি বন্ধ এবং প্রকৃত দায়ীদের আইনের আওতায় আনা হোক। একইসঙ্গে, চলমান উন্নয়ন প্রকল্প যেন জনস্বার্থ ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে বাস্তবায়িত হয়, সে বিষয়েও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। জনগণের মধ্যে সৃষ্ট ক্ষোভ ও উদ্বেগ নিরসনে দ্রুত ন্যায়সঙ্গত সমাধানই বর্তমান সময়ের প্রধান দাবি। প্রেসবিজ্ঞপ্তি