বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে সাপের কামড়ে ঘুমন্ত শিশুর মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ২:৩৩ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে সাপের কামড়ে ঘুমন্ত শিশুর মৃত্যু

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে ঘুমন্ত অবস্থায় সাপের কামড়ে তানজিম হাসান নামে তিন বছরের এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

সোমবার (১৮ আগস্ট) দিনগত রাত ২টার দিকে উপজেলার সাহাপুর গ্রামে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত তানজিম ওই গ্রামের মোশাররফ ঢালীর ছেলে।

শিশুর পিতা মোশাররফ ঢালী জানান, সোমবার রাতে তাদের সাথে (মা-বাবার সঙ্গে) ঘুমিয়ে ছিল তানজিম। রাত ২টার দিকে তাকে সাপে কামড় দিলে সে আর্তচিৎকার ও কান্না শুরু করে। এতে তাদের ঘুম ভেঙে যায় এবং শিশুটির শরীরে সাপে কামড়ানোর চিহ্ন দেখতে পান তারা। পরে বিছানার পাশে একটি বিষধর কালাস সাপ দেখতে পাওয়া যায়।

নিহত শিশুটির চাচা মোস্তফা ঢালী জানান, প্রথমে তাকে স্থানীয় এক কবিরাজের কাছে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। তবে কবিরাজকে বাড়িতে না পেয়ে এবং শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকলে দ্রুত তাকে নিকটবর্তি হওয়ায় শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপে¬ক্সে নেওয়া হয়।

শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপে¬ক্সের জরুরী বিভাগের কর্তব্য চিকিৎসক ডা: সাকির হোসেন জানান, শিশুটিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল। স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিতেও দেরী করে। শিশুটিকে প্রথমেই প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাৎক্ষণিক তাকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। তিনি জানান, এসব বিষধর সাপের কামড়ের ক্ষেত্রে প্রাথমিক কিছু পদক্ষেপ বাসা থেকে নেয়া যেতে পারে তবে অবশ্যই বিলম্ব না করে চিকিৎসকের স্মরণাপন্ন হওয়া উচিত।

কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ-ওসি শাহিনুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সাপের কামড়ের পরে আসলে নানাভাবেই চিকিৎসার সুব্যবস্থা না হওয়ায় বা দেরী হওয়াতেই শিশুটির মৃত্যুর ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।

পরিবারের বরাতে ওসি শাহিনুর জানান, শিশুটিকে একবার কবিরাজ, তারপর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপে¬ক্স, সেখান থেকে রেফার হওয়ায় সামেক হাসপাতাল, পরে সেখানে নিয়ে যাওয়ার পথে আশাশুনির বুধহাটা এলাকায় বুধবার ভোরেই শিশুটির মৃত্যু হয়। ঘটনাটি বেশ দুঃখজনক।

Ads small one

ঢাকার নেটওয়ার্ক আধুনিকায়ন সম্পন্ন, রাজধানীতে সবচেয়ে শক্তিশালী নেটওয়ার্ক রবির 

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৫:২২ অপরাহ্ণ
ঢাকার নেটওয়ার্ক আধুনিকায়ন সম্পন্ন, রাজধানীতে সবচেয়ে শক্তিশালী নেটওয়ার্ক রবির 
রবি আজিয়াটা পিএলসি বৃহত্তর ঢাকাজুড়ে তাদের মোবাইল নেটওয়ার্কের ব্যাপক আধুনিকায়ন কার্যক্রমের কাজ সম্পন্ন করেছে। দেশের সবচেয়ে বেশি ডেটা ব্যবহার হওয়া এই অঞ্চলে সংযোগ সেবার নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছে বলে জানিয়েছে রবি।
বর্তমানে হাতে গোনা কয়েকটি জেলা আধুনিকায়নের চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। রবির দাবি, এরই মধ্যে ঢাকার গ্রাহকরা আরও দ্রুতগতির ডেটা সেবা, আরও পরিষ্কার ভয়েস কল এবং আরও শক্তিশালী ইনডোর নেটওয়ার্ক কভারেজের সুবিধা পাচ্ছেন।
ঢাকার এই নেটওয়ার্ক আধুনিকায়ন রবির দেশব্যাপী নেটওয়ার্ক রূপান্তর কর্মসূচির অংশ। এই কাজে নতুন প্রজন্মের “গিগা গ্রিন ৪জি/৫জি রেডি” প্রযুক্তির যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়েছে। এর মাধ্যমে আরও শক্তিশালী, ভবিষ্যৎ উপযোগী এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী নেটওয়ার্ক তৈরি করা হচ্ছে। এখন রবি আধা-শহুরে (সেমি-আরবান) এলাকায় নেটওয়ার্ক আরও জোরদার করার দিকে নজর দিচ্ছে, যাতে এসব এলাকার দ্রুত বর্ধনশীল গ্রাহকদের চাহিদা পূরণ করা যায়।
গাজীপুর, সাভার, মানিকগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জসহ বৃহত্তর ঢাকায় ৪,৮০০টির বেশি সাইট আধুনিকায়ন করা হয়েছে। গ্রাহকসেবায় প্রায় কোনো বিঘ্ন ছাড়াই এই কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এর ফলে নেটওয়ার্ক ব্যবহারের অভিজ্ঞতায় বড় ধরনের উন্নতি হয়েছে। ডেটার গতি বেড়েছে, কল ড্রপ কমেছে এবং গ্রাহকরা ইনডোর আরও শক্তিশালী নেটওয়ার্ক পাচ্ছেন।
নেটওয়ার্কের পারফরম্যান্সেও উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। বিভিন্ন ক্লাস্টারে গ্রাহক অভিজ্ঞতা সর্বোচ্চ ১২৫ শতাংশ পর্যন্ত উন্নত হয়েছে। কল ড্রপ ২০ শতাংশ কমেছে। বৃহত্তর ঢাকা ও গাজীপুরের গ্রাহকরা ইনডোর আগের তুলনায় তিন গুণ ভালো কভারেজ ও সংযোগ পাচ্ছেন। নতুন বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী নেটওয়ার্কের কারণে প্রতি জিবি ডেটা ব্যবহারে বিদ্যুৎ খরচও ২০ শতাংশ কমেছে। এটি রবির টেকসই উন্নয়ন পরিকল্পনাকে আরও শক্তিশালী করছে।
এই আধুনিকায়নের ফলে রবির তরুণদের জন্য তৈরি ডিজিটাল লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড সার্কেল-এর গ্রাহকদের অভিজ্ঞতা আরও ভালো হবে। ভিডিও স্ট্রিমিং, গেমিং, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বেশি ডেটা প্রয়োজন এমন বিভিন্ন কাজে তারা আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংযোগ পাবেন। গতি, নির্ভরযোগ্যতা এবং ঘরের ভেতরের নেটওয়ার্ক মান উন্নত করার মাধ্যমে ঢাকায় নেটওয়ার্কের নেতৃত্বের দাবি আরও শক্তিশালী হয়েছে বলে জানিয়েছে রবি। একই সঙ্গে এটি বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমানভাবে নেটওয়ার্কে সংযুক্ত তরুণ জনগোষ্ঠীর চাহিদা পূরণে সহায়তা করবে।
আজ ঢাকার তেজগাঁওয়ে রবির করপোরেট অফিসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নেটওয়ার্ক আধুনিকায়নের বিস্তারিত তুলে ধরেন রবির চিফ টেকনোলজি অফিসার (সিটিও) পেরিহান এলহামে আহমেদ মেতাওয়েহ।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)-এর চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. এমদাদ উল বারী, রবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াদ সাতারা এবং প্রতিষ্ঠানের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা।
এ বিষয়ে মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, “আমাদের সরকার বেসরকারি খাতের বিনিয়োগের মাধ্যমে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। গ্রাহকদের আরও ভালো সেবা দিতে রবির নেটওয়ার্কে বড় বিনিয়োগ দেখে আমি উৎসাহিত। এই মাইলফলকের জন্য রবিকে অভিনন্দন জানাই। সব নাগরিকের কাছে ডিজিটাল সুবিধা পৌঁছে দিতে সরকার প্রয়োজনীয় সহায়তা করতে প্রস্তুত। তবে মোবাইল অপারেটরদের তাদের নেটওয়ার্কে বিনিয়োগ অব্যাহত রাখতে হবে।”
রেহান আসিফ আসাদ বলেন, “শিল্পখাত আরও পরিণত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেবার মানই এখন প্রতিযোগিতার প্রধান বিষয় হয়ে উঠেছে। ঢাকার নেটওয়ার্ক নতুন করে সাজিয়ে রবি তার প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়াচ্ছে দেখে আমি আনন্দিত। গ্রাহকরা ভালো মানের সেবা পেলে সেটি সবার জন্যই লাভজনক।”
বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব) এমদাদ উল বারী বলেন, “একজন প্রকৌশলী হিসেবে আমি বুঝতে পারি, মাত্র তিন মাসে প্রায় ৫,০০০টি সাইটে কাজ সম্পন্ন করা একটি অবিশ্বাস্য ও বিস্ময়কর অর্জন। এই অসাধারণ সাফল্যের জন্য আমি বিশেষভাবে রবি টেকনোলজি টিমকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। গ্রাহকদের জন্য মানসম্মত ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কারণে রবিকে দ্বিগুণ অভিনন্দন প্রাপ্য। ডিজিটাল বৈষম্য দূর করতে এই মুহূর্তে আমাদের ঠিক এ ধরনের উদ্যোগই প্রয়োজন।”
এ বিষয়ে রবির ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং সিইও জিয়াদ সাতারা ঢাকার নেটওয়ার্ক আধুনিকায়নকে একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ঢাকায় এখন রবির নেটওয়ার্ক সবচেয়ে শক্তিশালী।
তিনি জানান, রবি শিগগিরই চট্টগ্রামের নেটওয়ার্ক আধুনিকায়নের কাজও শেষ করবে। এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি দেশের সেরা মানের নেটওয়ার্ক হিসেবে তার অবস্থান ধরে রাখবে। তার ভাষায়, এই শ্রেষ্ঠত্ব শুধু বিজ্ঞাপনে নয়, বাস্তব নেটওয়ার্ক অভিজ্ঞতাতেও দেখা যাবে।
তিনি আরও বলেন, “আধুনিকায়নের ফলে আমাদের নেটওয়ার্ক অনেক শক্তিশালী হয়েছে। তবে কিছু এলাকায় এখনও কাজ বাকি রয়েছে, কারণ সেখানে আমাদের নতুন সাইট প্রয়োজন। নতুন সাইটের জায়গা পাওয়া এখন ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। ঢাকার প্রতিটি এলাকায় একই মানের সেবা পৌঁছে দিতে সাইট স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় জায়গা পেতে মন্ত্রণালয় ও বিটিআরসির জরুরি সহযোগিতা চাই।”
রবি ধারাবাহিকভাবে নেটওয়ার্ক প্রযুক্তিতে নতুনত্ব এনেছে। ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠানটি দেশের সব ৬৪ জেলায় ৪জি সেবা চালু করে। বর্তমানে রবির ৪জি গ্রাহকের হার ৭২ শতাংশ, যা দেশের মোবাইল অপারেটরদের মধ্যে অন্যতম সর্বোচ্চ।
২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে রবি দেশের প্রথম অপারেটর হিসেবে নির্দিষ্ট উচ্চ-ট্রাফিক এলাকা, যেমন ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটে, বাণিজ্যিকভাবে ৫জি সেবা চালু করে।
২০২০ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার পর থেকে রবি নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে ৯,৩৩১ কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ করেছে। এই সময়ে ৪জি সাইটের সংখ্যা ১৩,১৭৩ থেকে বেড়ে ১৯,৬৪৬টিতে পৌঁছেছে। একই সময়ে রবির স্পেকট্রামও ৩.৪ গুণ বেড়ে ১২৪ মেগা হার্টজ হয়েছে।
শুধু ২০২৬ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (কিউ২) রবি ৭২১.৬ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। এর ফলে ৪জি সাইটের সংখ্যা ১৯,৬০০ ছাড়িয়েছে এবং দেশের জনসংখ্যার ৯৮.৯৮ শতাংশ এখন রবির ৪জি নেটওয়ার্ক কভারেজের আওতায়। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে নিমতলা–কন্দর্পপুর সড়কে কালভার্ট স্থাপন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৫:১৭ অপরাহ্ণ
প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে নিমতলা–কন্দর্পপুর সড়কে কালভার্ট স্থাপন
মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের মণিরামপুর উপজেলার ভোজগাতী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নিমতলা–কন্দর্পপুর সড়কের কাটা অংশে কালভার্ট স্থাপন করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির একটি অংশ কাটা থাকায় আশপাশের দুই থেকে তিনটি গ্রামের মানুষের চলাচল ব্যাহত হচ্ছিল। স্থানীয়দের দুর্ভোগের কথা বিবেচনায় নিয়ে সড়কটি সচল করার উদ্যোগ নেন ভোজগাতী ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. শামিম হোসেন।
বুধবার সকালে সড়কের কাটা অংশে কালভার্ট স্থাপনের কাজ শুরু হয়। একই সঙ্গে সড়কে মাটি ফেলার কাজও চলছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, কাজ শেষ হলে বৃহস্পতিবার থেকেই সড়কটি স্বাভাবিকভাবে চলাচলের উপযোগী হবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নিমতলা থেকে কন্দর্পপুর পর্যন্ত এ সড়কটি আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষের যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম। দীর্ঘদিন সড়কের একটি অংশ কাটা থাকায় পথচারী ও যানবাহন চলাচলে ভোগান্তি সৃষ্টি হয়। বিষয়টি স্থানীয়রা শামিম হোসেনকে জানালে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন।
শামিম হোসেন বলেন, “এলাকাবাসী বিষয়টি জানালে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি এবং সমস্যাটি সমাধানের আশ্বাস দিয়েছিলাম। সেই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বুধবার সকালে এখানে কালভার্ট স্থাপন করা হয়েছে। বর্তমানে মাটি ফেলার কাজ চলছে। আশা করছি, বৃহস্পতিবার থেকেই রাস্তাটি আগের মতো চলাচলের উপযোগী হবে, ইনশাআল্লাহ।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা সাধ্যমতো ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার চেষ্টা করছি। আপনাদের সহযোগিতা পেলে আমৃত্যু মানুষের পাশে থাকব, ইনশাআল্লাহ।”
কালভার্ট স্থাপনের সময় উপস্থিত ছিলেন ভোজগাতী ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা রহমত আলী, সাংগঠনিক সেক্রেটারি আবু বক্কার, মাওলানা মিজানুর রহমান, ৬ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি ইকবাল হোসেনসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
এদিকে কালভার্ট স্থাপনের উদ্যোগে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। দ্রুত মাটি ভরাট ও অন্যান্য কাজ শেষ করে সড়কটি পুরোপুরি চলাচলের উপযোগী করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

ফকিরহাটে ফলতিতা বাজারে ১৩টি দোকান আগুনে পুড়ে ছাই

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৫:১৩ অপরাহ্ণ
ফকিরহাটে ফলতিতা বাজারে ১৩টি দোকান আগুনে পুড়ে ছাই

ফকিরহাট (বাগেরহাট) প্রতিনিধি: বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার ফলতিতা বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে ১৩টি ছোট-বড় দোকান পুড়ে ছাই  হয়ে গেছে। ফায়ার সার্ভিসের একটি দল প্রায় দুই ঘন্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

ফায়ার সার্ভিস, ক্ষতিগ্রস্ত দোকানদার ও স্থানীয়রা জানান, বুধবার (১৯ আগষ্ট) রাত সাড়ে ৩টার দিকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। মুহুর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ফকিরহাট ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে এসে আগুন নেভাতে চেষ্টা করে। প্রায় দুই ঘন্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এরমধ্যে ১৩টি দোকান এবং দোকানে থাকা নগদ টাকাসহ, মালামাল ও জিনিপত্র পুড়ে ভস্মিভূত হয়ে গেছে।

এসব দোকানের মধ্যে দুটি মিষ্টির দোকান, দুটি ভাতের হোটেল, দুটি মুদি দোকান, ১টি ফাষ্টফুডের দোকান, অন্যান্য খাবারের দোকান ছিল।

ক্ষতিগগ্রস্থ দোকানদার আরিফ শেখ, মো: বক্কার, নিমাই, রুপ সাহাসহ অন্যান্যরা জানান, তারা ভোর ৪টার দিকে খবর পেয়ে দোকানে এসে দেখেন সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

ফকিরহাট ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন কর্মকর্তা মো: শাহাজাহান মিয়া বলে, বৈদ্যুতিক সর্ট সার্কিটের মাধ্যমে এই অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটতে পারে। অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে প্রায় দুই ঘন্টার চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।