সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

সীমান্তে বিজিবির অভিযানে পৌনে দুই লাখ টাকার মালামাল আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০২ অপরাহ্ণ
সীমান্তে বিজিবির অভিযানে পৌনে দুই লাখ টাকার মালামাল আটক

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরা ও কলারোয়া সীমান্তে পৃথক অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় পণ্য ও মাদকদ্রব্য জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সোমবার (২৭ এপ্রিল) দিনভর পরিচালিত এসব অভিযানে শাড়ি, মোবাইল ফোনের পার্টস এবং মাদকসহ প্রায় ১ লাখ ৯১ হাজার ৫০০ টাকার মালামাল উদ্ধার করা হয়। বিজিবি সূত্র জানায়, সোমবার সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়নের (৩৩ বিজিবি) অধীনস্থ কাকডাঙ্গা, ভোমরা ও মাদরা বিওপির সদস্যরা এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। কলারোয়া উপজেলার ভাদিয়ালী সীমান্ত এলাকা থেকে ৮৭ হাজার ৫০০ টাকা মূল্যের ভারতীয় শাড়ি জব্দ করে বিজিবির একটি টহল দল। সীমান্ত পিলার ১৩/৩-এস হতে প্রায় ৪৫০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে এই অভিযান চালানো হয়। কলারোয়ার রাজপুর নামক স্থানে অভিযান চালিয়ে ১ লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় মোবাইল ফোনের টাচ স্ক্রিন জব্দ করা হয়েছে। সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বাঁশকল চেকপোস্ট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১০ বোতল ভারতীয় নিষিদ্ধ ফেন্সিডিল সিরাপ আটক করা হয়।
বিজিবি জানায়, শুল্ক ফাঁকি দিয়ে ভারত থেকে এসব পণ্য অবৈধভাবে বাংলাদেশে আনা হয়েছিল। এসব চোরাচালানের ফলে একদিকে যেমন দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, অন্যদিকে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে।

Ads small one

তালায় শ্রমিক সংকটের কারণে বোরো সংগ্রহে হিমশিম খাচ্ছে কৃষক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ণ
তালায় শ্রমিক সংকটের কারণে বোরো সংগ্রহে হিমশিম খাচ্ছে কৃষক

filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; module: j; hw-remosaic: 0; touch: (-1.0, -1.0); modeInfo: ; sceneMode: Auto; cct_value: 0; AI_Scene: (-1, -1); aec_lux: 99.4615; hist255: 0.0; hist252~255: 0.0; hist0~15: 0.0;

মুজিবুর রহমান, পাটকেলঘাটা: শ্রমিক সংকটের কারণে বোরো ধানকাটা ও সংগ্রহের কাজে ব্যাপক সমস্যায় পড়েছেন তালা উপজেলার কৃষকরা। এতে সময়মতো ধান কেটে ঘরে তোলা নিয়ে যেমন শঙ্কা বাড়ছে, তেমনি বাড়তি খরচে শ্রমিক সংগ্রহের কারণে আর্থিক সংকটে পড়ছেন কৃষকরা।
জানা গেছে, স্থানীয় অনেক বোরোচাষি অতিরিক্ত টাকা দিয়ে শ্রমিক দিয়ে ধান কাটতে বাধ্য হচ্ছেন। তালা উপজেলার পাটকেলঘাটার দক্ষিন বিল ঘুরে দেখা যায়, প্রায় জমিতেই বাইরের শ্রমিক দিয়ে ধান কাটছেন কৃষকরা। তবে এতে অতিরিক্ত টাকা ব্যয় করতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কৃষকরা। ফলে অনেকেই নিজের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ধান কাটতে শুরু করেছেন।
কৃষকদের ভাষ্যমতে, শ্রমিক সংকট চরমে সংকটে দিন পার করছে কৃষকেরা। বাড়তি টাকা দিয়েও ধান কাটার লোক পাওয়া যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে এলাকার বাইরে থেকে অতিরিক্ত মুজুরি দিয়ে শ্রমিক নিয়ে ধান কাটতে হচ্ছে। তাতে উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় লোকসানের মুখে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তালা উপজেলার পাটকেলঘাটা গ্রামের কৃষক আজিবার রহমান জানান, প্রতিদিন মাথাপিছু ৬০০টাকা মজুরিতে শ্রমিক পাওয়া গেলেও এবার ৮০০/১০০০ টাকা দিয়েও লোক পাওয়া যাচ্ছে না। চোমরখালী গ্রামের আসাদুল ইসলাম জানান, এবার বোরো মৌসুমে প্রায় ৮বিঘা জমি চাষ করেছেন। শ্রমিক না পেয়ে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে চার দিন ধরে ধান কাটছেন। বাকি জমির ধান কাটতে আরও দু’দিন সময় লাগবে। কাশিয়াডাঙ্গা গ্রামের কৃষক শরিফুল, কুদ্দুস আলীর মতো অনেক কৃষক বলেছেন, অতিরিক্ত টাকা দিয়ে শ্রমিক সংগ্রহ করে ধানকাটা হচ্ছে। তিনি বলেন ঝড়-বৃষ্টি পুরোদমে শুরু হওয়ার আগে ধান কেটে শেষ করা না গেলে চরম বিপদে পড়বেন তাঁরা। রাত দিন কাজ করে বোরো সংগ্রহের কাজ করে যাচ্ছে কৃষক। তবে অধিকাংশ বিলে নারী শ্রমিকের উপস্থিতি অনেকাংশে চোখে পড়ার মত।
খলিষখালী ইউনিয়নের টিকারামপুর গ্রামের কৃষক ইয়াছিন আলী জানান কয়রা উপজেলা থেকে শ্রমিক সংগ্রহ করে সপ্তাহে (৬ দিন) ৭০০০ হাজার টাকা দিয়ে ধান কাটা কাজ চালিয়ে যাচ্ছি।
তালা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাজিরা খাতুন জানান শ্রমিক সংকটের কারণে বোরো ধান সংগ্রহ করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে কৃষকের। বৈরী আবহাওয়ার কারণে তাড়াতাড়ি ধান সংগ্রহ করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে কৃষক। কৃষি কর্মকর্তা আরো জানান তালা উপজেলায় রেকর্ড পরিমান জমিতে ইরি বোরো চাষাবাদ হওয়ার কারনে কৃষককে এক সাথে ধান সংগ্রহ করতে হিমশিম খেতে খাচ্ছে। যদি আবহাওয়া অনুকুলে থাকে তাহলে কৃষকের তেমন ক্ষতি হবে না।

আশাশুনিতে ইএসডিওর কার্যক্রম পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৪৪ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনিতে ইএসডিওর কার্যক্রম পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ইএসডিওর (ইকো-সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন) বিভিন্ন মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক মিজ আফরোজা আখতার। সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকালে তিনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নের বিভিন্ন প্রকল্প এলাকা ঘুরে দেখেন।
পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক ইএসডিও বাস্তবায়িত প্রকল্পের আওতায় ধান্যহাটি কমিউনিটি ক্লিনিকের সংস্কারকাজের উদ্বোধন করেন। একই সঙ্গে তিনি ইকো-ফ্রেন্ডলি মোবাইল অ্যাম্বুলেন্স সেবারও উদ্বোধন করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শ্যামানন্দ কুন্ডু, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা নিতিশ কুমার গোলদার, মুসলিম এইডের কর্মকর্তারা, উপজেলা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসী।
জেলা প্রশাসক বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা উপকূলীয় অঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি উন্নয়ন সংস্থাগুলোর অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
প্লান্ট পরিচালনা কমিটির সভাপতি রতœা বিশ্বাস ও সদস্যসচিব রূপা দাস তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ হাজার লিটার পানি পরিশোধনের সক্ষমতা রয়েছে প্লান্টটির, যার মাধ্যমে প্রায় ৪০০পরিবার নিরাপদ পানির সুবিধা পাচ্ছে।

আশাশুনির গোয়ালডাঙ্গায় নদীভাঙন তীব্র, দ্রুত ব্যবস্থার নির্দেশ ডিসির

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৪২ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনির গোয়ালডাঙ্গায় নদীভাঙন তীব্র, দ্রুত ব্যবস্থার নির্দেশ ডিসির

সচ্চিদানন্দ দে সদয়, আশাশুনি: সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার গোয়ালডাঙ্গা বাজারসংলগ্ন নদীবাঁধে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙনকবলিত এলাকার পরিস্থিতি সরেজমিন পর্যবেক্ষণ করতে সোমবার দুপুরে এলাকাটি পরিদর্শন করেছেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ আফরোজা আখতার। পরিদর্শন শেষে তিনি বাঁধ রক্ষায় দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, খোলপেটুয়া নদীর তীব্র স্রোতে গোয়ালডাঙ্গা বাজারসংলগ্ন বেড়িবাঁধের বড় একটি অংশ ধসে পড়েছে। ভাঙন বৃদ্ধি পাওয়ায় আশপাশের জনপদ ও বাজার এখন ঝুঁকির মুখে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছে।
পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের আশ্বস্ত করেন। এ সময় তিনি পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের মুঠোফোনে দ্রুত সংস্কার কাজ শুরু করার নির্দেশনা দেন। জেলা প্রশাসকের পরিদর্শনকালে ভারপ্রাপ্ত ইউপি প্রশাসক আক্তার ফারুক বিল্লাল, বাজার কমিটির সভাপতি মহির উদ্দিন ফকির, বীর মুক্তিযোদ্ধা মাস্টার আব্দুল ওয়াবসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
ভাঙন এলাকা পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক আশাশুনি সদর ইউনিয়ন পরিষদও পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি পরিষদের দাপ্তরিক নথিপত্র যাচাই, গ্রাম পুলিশের কার্যক্রম এবং সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে কথা বলে সেবার মান পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শ্যামানন্দ কুন্ডু, সদর ইউপি চেয়ারম্যান এস এম হোসেনুজ্জামান এবং আশাশুনি প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ। পরে জেলা প্রশাসক উপজেলা সদর ইউনিয়ন ভূমি অফিস, সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয় এবং ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ প্রকল্পের কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট কাজে স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা বজায় রাখতে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তাগিদ দেন।