শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩
শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযান, ১০ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫৯ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযান, ১০ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য আটক

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরা ও কলারোয়া উপজেলার বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে মাদক ও ওষুধসহ ১০ লাখ ৫২ হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় মালামাল আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দিনভর সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়নের (৩৩ বিজিবি) অধীনস্থ আটটি সীমান্ত চৌকির (বিওপি) সদস্যরা এসব অভিযান পরিচালনা করেন। বিজিবি সূত্র জানায়, চোরাচালান রোধে বিজিবির তলুইগাছা, কাকডাঙ্গা, মাদরা, চান্দুরিয়া, হিজলদী, ভোমরা, কালিয়ানী ও কুশখালী বিওপির টহল দল নিজ নিজ দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে ভারতীয় মদ, ক্যাটাগ্রা ও টারপেন্টাডল ট্যাবলেট, বিভিন্ন ধরনের ওষুধ, শাড়ি এবং মোবাইল ফোনের পিন উদ্ধার করা হয়।
বিজিবির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, উল্লেখযোগ্য জব্দের তালিকায় রয়েছে চারাবাড়ি ও কেড়াগাছি এলাকা থেকে ৩ লাখ ৮৫ হাজার টাকার ভারতীয় ওষুধ। চান্দা ও কাঁদপুর এলাকা থেকে ২ লাখ ৬ হাজার টাকার ওষুধ ও ক্যাটাগ্রা ট্যাবলেট। লক্ষীদাড়ি ও তালশারী এলাকা থেকে ৩ লাখ ২১ হাজার টাকার মদ, মাদকজাতীয় ট্যাবলেট ও মোবাইলের পিন। ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা মূল্যের শাড়ি ও ওষুধ। বিজিবি জানায়, চোরাকারবারিরা শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে এসব পণ্য ভারত থেকে বাংলাদেশে পাচার করছিল। জব্দকৃত মালামালের মোট মূল্য ১০ লাখ ৫২ হাজার টাকা।
৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সীমান্ত দিয়ে অবৈধ পণ্য প্রবেশের ফলে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে। জনস্বার্থে ও রাজস্ব ফাঁকি রোধে সীমান্তের এই কঠোর নজরদারি এবং চোরাচালানবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।

Ads small one

সালমান শাহর মৃত্যুবার্ষিকীতে বিনামূল্যে দেখা যাবে তিন সিনেমা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩৪ পূর্বাহ্ণ
সালমান শাহর মৃত্যুবার্ষিকীতে বিনামূল্যে দেখা যাবে তিন সিনেমা

রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) প্রয়াত নায়ক সালমান শাহর ৩০তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৯৬ সালের এ দিনে তিনি মারা যান। তার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিনামূল্যে তার অভিনীত তিনটি সিনেমা প্রদর্শনের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি)।

সিনেমাপ্রেমী দর্শক ও প্রয়াত এই নায়কের ভক্ত-অনুরাগীদের জন্য বিশেষ এ আয়োজন সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

বিএফডিসির এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বিএফডিসি প্রাঙ্গণের ভিআইপি প্রজেকশন হলে অনুষ্ঠিত হবে এ বিশেষ সিনেমা প্রদর্শনী। ৬ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়ে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে এ আয়োজন। প্রতিদিন বিকেল ৪টায় দর্শকদের জন্য পর্দায় দেখানো হবে সালমান শাহ অভিনীত জনপ্রিয় সিনেমা।

আয়োজনের প্রথম দিন ৬ সেপ্টেম্বর প্রদর্শিত হবে সালমান শাহ অভিনীত সিনেমা ‘স্বপ্নের ঠিকানা’। দ্বিতীয় দিন ৭ সেপ্টেম্বর বিকেল ৪টায় দেখানো হবে সালমান শাহ ও মৌসুমী অভিনীত ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’। ১৯৯৩ সালে এ সিনেমার মাধ্যমেই চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় তার।

আয়োজনের শেষ দিন ৮ সেপ্টেম্বর একই সময়ে প্রদর্শিত হবে সালমান শাহ ও শাবনূর অভিনীত ‘তোমাকে চাই’। জনপ্রিয় এই জুটির সিনেমাটি নব্বইয়ের দশকে দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল।

এক্সপ্রেসওয়েতে মুখে স্কচটেপ প্যাঁচানো মরদেহ ফেলে যাওয়া গাড়ির চালক গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২৭ পূর্বাহ্ণ
এক্সপ্রেসওয়েতে মুখে স্কচটেপ প্যাঁচানো মরদেহ ফেলে যাওয়া গাড়ির চালক গ্রেপ্তার

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে মুখে স্কচটেপ প্যাঁচানো অবস্থায় ইসমাইল হোসেন (৫০) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ ফেলে পালিয়ে যাওয়া গাড়ির চালক সোহেল রানাকে (৪০) গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-১। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মহাখালী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাতে এক ক্ষুদে বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে র‌্যাব-১।

নিহত ইসমাইল হোসেন গাজীপুরের বাসিন্দা। মেয়ের বিয়ের জন্য জমি বিক্রির টাকা নিয়ে জামালপুরের গ্রামের বাড়ি থেকে গাজীপুরে ফিরছিলেন তিনি। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ওপর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে বনানী থানা পুলিশ। তখন তার মুখে স্কচটেপ মারা ছিল। পরনে ছিল অটোরিকশাচালকদের ইউনিফর্মের মতো নীল রঙের শার্ট ও লুঙ্গি।

পুলিশের মাধ্যমে খবর পেয়ে শনিবার ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করেন স্বজনরা। ইসমাইল জামালপুর সদর উপজেলার জালাল উদ্দিনের ছেলে।

স্বজনরা জানান, ইসমাইলের একমাত্র মেয়ে শারমিনের বিয়ে ঠিক হয়েছে। এ জন্য গ্রামের জমি বিক্রি করে টাকা নিয়ে গাজীপুরে পরিবারের কাছে ফিরছিলেন তিনি। বাড়িতে ফিরেই মেয়ের বিয়ের দিন-তারিখ চূড়ান্ত করার কথা ছিল তার। কিন্তু পথে কোনও এক জায়গা থেকে নিখোঁজ হন ইসমাইল।

ঢামেক হাসপাতালে মরদেহ শনাক্তের পর ইসমাইলের ছেলে হাসান জানান, তার বাবার কাছে ৫ লাখ টাকা ও দুটি মোবাইল ফোন ছিল। সেগুলো পাওয়া যায়নি।

বনানী থানার এসআই নজরুল ইসলাম তালুকদার বলেন, আঙুলের ছাপ নিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যভাণ্ডারের সঙ্গে মিলিয়ে ইসমাইলের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে।

স্বজনদের বরাত দিয়ে তিনি জানান, ইসমাইল ডেল্টা স্পিনিং মিলে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে চাকরি করতেন। অসুস্থতার কারণে নয় মাস আগে চাকরি ছেড়ে দেন। তিনি গাজীপুরের কাশিমপুর এলাকায় স্ত্রী, দুই সন্তান ও ছেলের বউকে নিয়ে থাকতেন। প্রায় চার মাস আগে তিনি জামালপুরের গ্রামের বাড়িতে যান। সেখানে তার মা ও বড় বোন থাকেন।

ইসমাইলের ছেলে হাসান বলেন, ‘বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে গাজীপুরে যাওয়ার উদ্দেশে জামালপুর থেকে রওনা হয়েছিলেন বাবা। রাত ১১টার দিকে তিনি আমাকে ফোন করে জানান, সকালে পৌঁছাবেন। আমার ছোট বোন শারমিনের বিয়ের কথা-বার্তা চূড়ান্ত করতেই তিনি ঢাকায় ফিরছিলেন। বাড়িতে এসেই বিয়ের দিন-তারিখ ঠিক করার কথা ছিল।’

হাসান বলেন, ‘বোনের বিয়ের জন্য গ্রামের ১১ শতাংশ জমি সাড়ে ১০ লাখ টাকায় বিক্রি করেছিলেন বাবা। এর মধ্যে ২ লাখ টাকা ঋণ শোধ করেন। কিছু টাকা দিয়ে গ্রামে একটি ঘর দেন। বাকি ৫ লাখ টাকা নগদ এবং কিছু বাজার নিয়ে গাজীপুরে ফিরছিলেন। বাবার সঙ্গে একটি অ্যান্ড্রয়েড ফোন ও একটি বাটন ফোনও ছিল। সেগুলো পাওয়া যায়নি।’

তিনি জানান, শুক্রবার সকালে গাজীপুরের জিরানীতে বাবার নামার কথা ছিল। সেই অনুযায়ী জিরানীতে গিয়ে তাকে অনেকবার ফোন দিলেও মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। পরে বনানী থানা পুলিশ বিষয়টি জামালপুর থানা পুলিশকে জানায়। সেখান থেকে খবর পেয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে বাবার মরদেহ পান তিনি।

এসআই নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা ধারণা করছি, তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে গাড়িতে করে এনে লাশটি ফেলে দেওয়া হয়েছে। ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরার ভিডিও সংগ্রহ করে গাড়ি শনাক্তের কাজ চলছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা হয়েছে।’

বনানী থানার ওসি ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘ইসমাইলের মরদেহ ফেলে পালিয়ে যাওয়া গাড়িটি শনাক্ত করা হয়েছে। ফলে ঘটনায় জড়িতদের বিষয়ে জানা সম্ভব হবে। আশা করছি, দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে।’

সম্পাদকীয়/ নদী ও জলাশয় রক্ষায় চাই কঠোর পদক্ষেপ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ নদী ও জলাশয় রক্ষায় চাই কঠোর পদক্ষেপ

উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরায় নদী ও প্রাকৃতিক জলাশয় রক্ষা নিয়ে গভীর উদ্বেগের চিত্র ফুটে উঠেছে দুটি সাম্প্রতিক ঘটনায়। একদিকে সদর উপজেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত বেতনা নদীতে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে খননকাজ চালানোর পর পলি জমে নাব্যতা হারানোর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বেআইনি আড় জালের জন্য। অন্যদিকে শ্যামনগরের অন্তাখালী খালে অভিযান চালিয়ে জব্দ করা হয়েছে ক্ষতিকর চায়না দুয়ারী ও বুলেট নেট জাল, যা পরে জনসম্মুখে পুড়িয়ে ফেলা হয়। ঘটনা দুটি ভিন্ন উপজেলার হলেও তাদের মূল সংকট অভিন্নÑআইন অমান্য করে ক্ষতিকর জালের অবাধ ব্যবহার এবং জলজ জীববৈচিত্র্যের ধ্বংস সাধন।

বেতনা নদী সাতক্ষীরা অঞ্চলের নিষ্কাশন ব্যবস্থার অন্যতম মূল ধমনি। কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নদীটি খনন করার মূল উদ্দেশ্য ছিল জোয়ার-ভাটা স্বাভাবিক রাখা এবং এলাকাকে দীর্ঘমেয়াদি জলাবদ্ধতা থেকে রক্ষা করা। কিন্তু সদর উপজেলার বিনেরপোতা, শাল্যে, মাছখোলা ও কামারডাঙ্গা এলাকায় নদীর এক তীর থেকে অন্য তীর পর্যন্ত আড়াআড়িভাবে আড় জাল পেতে রাখা হচ্ছে। এর ফলে পানির গতিপথ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং দ্রুত পলি জমে তলদেশ ভরাট হয়ে যাওয়ার চরম ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এই প্রবণতা রোধ করা না গেলে স্লুইসগেট দিয়ে বিলের পানি নদীতে নিষ্কাশিত হতে পারবে না, যার খেসারত দিতে হবে পুরো সাতক্ষীরা অঞ্চলের সাধারণ মানুষকে।

অন্যদিকে, ক্ষুদ্র ফাঁসের চায়না দুয়ারী কিংবা বুলেট জালের মতো প্রাণঘাতী জালের সয়লাব দেশের মৎস্য সম্পদের জন্য এক নীরব মহামারি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এতে কেবল বড় মাছই ধরা পড়ে না, রেনু পোনা থেকে শুরু করে জলজ সব কীটপতঙ্গ ও জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হয়ে যায়। শ্যামনগরে মৎস্য বিভাগের অভিযানে এই ক্ষতিকর জাল জব্দ ও ধ্বংস করার ঘটনা ইতিবাচক ও প্রশংসনীয়। কিন্তু সাময়িক অভিযান চালিয়ে এমন ভয়াবহ প্রবণতা স্থায়ীভাবে থামানো কঠিন।

নদী বা খাল পুনঃখননে যে বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ ব্যয় হয়, অসচেতনতা ও গুটিকয়েক সুযোগসন্ধানী লোকের প্রভাবে যদি তার সুফল নষ্ট হয়, তবে তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে কেবল প্রথাগত অভিযানে সীমাবদ্ধ না থেকে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নিতে হবে। সেগুলো হলোÑ বেতনা নদীসহ স্পর্শকাতর নদ-নদীগুলোতে নিয়মিত তদারকি ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের টহল জোরদার করতে হবে। নদীতে অবৈধভাবে জাল স্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। ক্ষতিকর চায়না দুয়ারী বা অন্যান্য নিষিদ্ধ জাল বাজারে বেচাকেনা ও প্রস্তুত বন্ধে এর উৎসমুখ ও কারখানাগুলোতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করতে হবে। নদী রক্ষা ও মাছের প্রজনন সুরক্ষায় ইউপি সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সম্পৃক্ত করে সামাজিক সচেতনতা বাড়িয়ে পাহারাদার কমিটি গঠন করা যেতে পারে।

নদ-নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখা এবং দেশীয় মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ আমাদের অস্তিত্বের সঙ্গে জড়িত। আইনের কঠোর প্রয়োগ এবং জনসচেতনতা নিশ্চিত করে নদী ও জলাশয়গুলোকে দখল ও ক্ষতিকর ফাঁদের হাত থেকে মুক্ত রাখা এখনই সময়ের বড় দাবি।