মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩

খোলপেটুয়া নদীর বেড়িবাঁধে ধস, সংস্কারকাজ শুরু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১:০৯ পূর্বাহ্ণ
খোলপেটুয়া নদীর বেড়িবাঁধে ধস, সংস্কারকাজ শুরু

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার তুয়ারডাঙ্গার মুচির কোনা এলাকায় খোলপেটুয়া নদীর উপকূলীয় ওয়াপদা বেড়িবাঁধে ধস নেমেছে। খবর পেয়ে দ্রুত জিওটিউব ফেলে কাজ শুরু করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।
পাউবোর শাখা কর্মকর্তা (এসও) আলমগীর হোসেন জানান, দুপুরে বেড়িবাঁধের আনুমানিক ৩০০ ফুট ধসে যাওয়ার খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে যান এবং বিকল্প বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু করেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দ্রুত কাজ শেষ না হলে জোয়ারের পানি ঢুকে খাজরা ও বড়দল ইউনিয়নের ১৫ থেকে ২০ হাজার বিঘা জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শ্যামানন্দ কুন্ডু জানান, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং পাউবোকে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করার প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন।

Ads small one

শারদীয় উৎসব উপলক্ষে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে শাড়ি বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৩২ অপরাহ্ণ
শারদীয় উৎসব উপলক্ষে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে শাড়ি বিতরণ

শ্যামনগর প্রতিনিধি: শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে শ্যামনগরের সনাতন সম্প্রদায়ের নারীদের মাঝে শাড়ি বিতরণ করেছে জামায়াতে ইসলামী। গত ২০ অক্টোবর সকাল ৯টায় পৌর সদরের দলীয় কার্যালয়ে জামায়াত নেতৃবৃন্দ শ্যামনগর উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের হাতে এসব শাড়ি হস্তান্তর করেন।

এ উপলক্ষে শ্যামনগর উপজেলা জামায়াতের উদ্যোগে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুর রহমান। সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি প্রাক্তন শিক্ষক রবীন্দ্রনাথ বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট কৃষ্ণপদ ম-ল, উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা মঈন উদ্দিন আহমেদ, জেলা জামায়াত নেতা অধ্যাপক আব্দুল জলিল, প্রেস ক্লাবের সভাপতি সামিউল মনিরসহ বিভিন্ন পূজাম-প কমিটির নেতৃবৃন্দ।

 

শ্যামনগর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা আব্দুর রহমান জানান, সাতক্ষীরা-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহর পক্ষ থেকে প্রাপ্ত ৩০০টি শাড়ি শ্যামনগর উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে উপজেলার ৭০টি পূজাম-প কমিটির নেতৃবৃন্দের হাতে হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

পাইকগাছায় সরকারি রাস্তার পাশের ইজারার স্থাপনা সরিয়ে দিল বিক্ষুব্ধ জনতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:২৫ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় সরকারি রাস্তার পাশের ইজারার স্থাপনা সরিয়ে দিল বিক্ষুব্ধ জনতা

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: পাইকগাছায় সরকারি রাস্তার পাশের ইজারার স্থাপনার একাংশ সরিয়ে দিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা। ইজারা বাতিল এবং স্থাপনা উচ্ছেদে খুলনা-৬ আসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংরক্ষিত সংসদ সদস্য ও খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসকের নির্দেশনা বাস্তবায়িত না হওয়ায় বিক্ষুব্ধ জনতা গত মঙ্গলবার সকালে রাস্তার পশ্চিম পাশের স্থাপনা সরিয়ে দিয়েছে বলে তারা দাবি করেছে। ইজারা সংক্রান্ত এ বিষয় নিয়ে প্রশাসন, ইজারাদার ও এলাকাবাসী বর্তমানে ত্রিমুখী অবস্থানে রয়েছে। ফলে বিষয়টি শান্তিপূর্ণভাবে নিষ্পত্তি না হলে ভবিষ্যতে ইজারাদার ও এলাকাবাসীর মধ্যে সংঘাত ও সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন অনেকেই।

চিত্তরঞ্জন ঘোষের ওয়ারিশদের পক্ষে তপন ঘোষ জানান, পাইকগাছা সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে দেওয়ানি মামলা (১১১৪৮/১২) করলে তাঁদের পক্ষে রায় ও ডিক্রি হয়। পরবর্তী সময়ে সরকারপক্ষ আপিল করলে উচ্চ আদালত নি¤œ আদালতের রায় ও ডিক্রি বহাল রাখেন। সম্প্রতি গোপালপুর মৌজার এসএ ৫৩ খতিয়ানের ৭২ দাগের ভিপি ১৬৭/৭৭-৭৮ লিজ কেসে ঘোষ পরিবারের জমির একাংশ একাধিক ব্যক্তির নামে পজেশন ইজারা দেয় উপজেলা ভূমি অফিস।

উপজেলার গদাইপুর ইউনিয়নের নতুন বাজারসংলগ্ন নবনির্মিত প্রধান সড়কের দুই পাশের নালিশি এই জমি অবৈধভাবে ইজারা দেওয়া হয়েছেÑএমন অভিযোগ এনে প্রথমে মানববন্ধন এবং পরে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। গত ১৫ অক্টোবর এলাকাবাসীর অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত হয়ে স্থানীয়দের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে খুলনা-৬ আসনের সংরক্ষিত সংসদ সদস্য ফাহমিদা হক ও খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী ইজারা বাতিলের জন্য জনসাধারণকে আশ্বাস দেন এবং এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে উপজেলা প্রশাসনকে নির্দেশনা দেন।

স্থানীয়দের দাবি, সংসদ সদস্য ও জেলা পরিষদের প্রশাসকের নির্দেশনা অনুযায়ী অবৈধ ইজারা বাতিল এবং স্থাপনা উচ্ছেদ কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়ন করা হোক। অন্যদিকে ইজারাদারদের দাবি, তাঁরা সরকারি সব প্রক্রিয়া অনুসরণ করে বৈধভাবে সরকারি রাজস্ব প্রদান সাপেক্ষে ইজারা গ্রহণ করেছেন। সে অনুযায়ী ইজারাকৃত জমি ভোগদখলের অধিকার তাঁদের রয়েছে। এ অবস্থায় প্রশাসনের কাছে একটি শান্তিপূর্ণ সমাধানের প্রত্যাশা করছেন সবাই।

 

 

দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় উপকূলের ১৪৪ মন্দির-মন্ডপে সাড়ে তিন হাজার কোস্ট গার্ড মোতায়েন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:২২ অপরাহ্ণ
দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় উপকূলের ১৪৪ মন্দির-মন্ডপে সাড়ে তিন হাজার কোস্ট গার্ড মোতায়েন

সংবাদদাতা: শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ধর্মীয় উপাসনালয়, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। পূজাম-পের নিরাপত্তা জোরদার, গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি এবং যেকোনো অনাকাক্সিক্ষত পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশজুড়ে কোস্ট গার্ডের ৩ হাজার ৫০০ সদস্য নিয়োজিত রয়েছেন। এর মধ্যে কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের আওতাধীন সাতক্ষীরা, খুলনা ও বাগেরহাটের উপকূলীয় এলাকায় ১৪৪টি মন্দির ও পূজাম-পের নিরাপত্তায় কাজ করছেন সদস্যরা।

গত ২০ অক্টোবর বিকেলে উপকূলীয় মন্দিরে দুর্গাপূজার নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. মঈনুল হাসান এসব তথ্য জানান।

এ সময় তিনি বলেন, দেশের উপকূলীয় ও নদীতীরবর্তী এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবে নিরাপত্তা প্রদান, ধর্মীয় উপাসনালয় ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা সুরক্ষা এবং সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষায়ও বাহিনীটি দায়িত্ব পালন করছে।
এরই ধারাবাহিকতায় শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে কোস্ট গার্ডের আওতাধীন এলাকাগুলোর পূজাম-পে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পূজার শুরু থেকেই সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।

 

পূজাকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন তাঁরা।
কোস্ট গার্ড মহাপরিচালক বলেন, হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা যেন নির্বিঘেœ, নিরাপদে ও উৎসবমুখর পরিবেশে তাঁদের ধর্মীয় উৎসব উদ্যাপন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বিতভাবে নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। বুধবার প্রতিমা বিসর্জনকে সামনে রেখে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন কোস্ট গার্ড মহাপরিচালক। বিসর্জনস্থলে সম্ভাব্য দুর্ঘটনা মোকাবিলায় কোস্ট গার্ডের বিশেষ ডুবুরি দল প্রস্তুত থাকবে বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, প্রতিমা বিসর্জনের সময় নদী বা জলাশয়ে নামার ক্ষেত্রে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। যেকোনো অনাকাক্সিক্ষত পরিস্থিতিতে দ্রুত সহায়তা পেতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের জরুরি সেবা নম্বর ১৬১১১-এ যোগাযোগ করার জন্য তিনি সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানান। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।

রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. মঈনুল হাসান আশা প্রকাশ করেন, প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে এবারের শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও আনন্দঘন পরিবেশে সম্পন্ন হবে। নিরাপত্তা পরিদর্শনকালে কোস্ট গার্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।