শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

ডুমুরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি লিয়াকত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৪৮ অপরাহ্ণ
ডুমুরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি লিয়াকত

তালা প্রতিনিধি: তালা উপজেলার খেশরা ইউনিয়নের ডুমুরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অ্যাডহক ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হয়েছেন তালা প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা এসএম লিয়াকত হোসেন। যশোর শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক ড. বিশ্বাস এনামুল কবীর স্বাক্ষরিত গত ১৫ সেপ্টেম্বরের এক চিঠিতে এ কমিটি অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন সাধারণ শিক্ষক প্রতিনিধি মো. হাছিবুর রহমান, অভিভাবক সদস্য মো. শাহিদুজ্জামান সেলিম এবং প্রধান শিক্ষক মো. ছাকির হোসেন (সদস্য সচিব)।

দায়িত্ব পাওয়ার পর এস এম লিয়াকত হোসেন বলেন, শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশিকা ও বিধিমালা অনুসরণ করে আগামী ছয় মাসের মধ্যে সুষ্ঠু ও নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বিদ্যালয়ের নিয়মিত ম্যানেজিং কমিটি গঠন করাই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়ন ও সুনাম বজায় রাখতে শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় সুধীজনকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করার কথাও জানান তিনি।

এদিকে ডুমুরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হওয়ায় এস এম লিয়াকত হোসেনকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি সেলিম হায়দার, সাধারণ সম্পাদক ফারুক জোয়ার্দ্দার, সহসভাপতি গাজী জাহিদুর রহমানসহ প্রেসক্লাবের সাংবাদিকেরা।

যশোর শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ উল্লেখ করেছে, বিদ্যালয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে সুষ্ঠু ও নিয়মতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমে স্থায়ী ম্যানেজিং কমিটি গঠন করাই অ্যাডহক কমিটির প্রধান দায়িত্ব। জনস্বার্থে ও শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখতে প্রয়োজনবোধে অনুমোদিত কমিটি পরিবর্তনের ক্ষমতাও বোর্ড কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে।

Ads small one

মামলা প্রত্যাহার করতে চাপ ও হামলার অভিযোগে থানায় জিডি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৪০ পূর্বাহ্ণ
মামলা প্রত্যাহার করতে চাপ ও হামলার অভিযোগে থানায় জিডি

পত্রদূত রিপোর্ট: আদালতে করা মামলা তুলে নেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি, গালিগালাজ এবং মারধরের অভিযোগে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন মো. আমজিয়ার হোসেন (৪৬) নামের এক ব্যক্তি। সোমবার (২৫ সেপ্টেম্বর) তিনি সাতক্ষীরা সদর থানায় উপস্থিত হয়ে এই ডায়েরিটি দায়ের করেন। জিডি নম্বর ১৭০২।

অভিযুক্তরা হলেনÑ সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কামালনগর গ্রামের মো. আব্দুস সবুরের ছেলে মো. পন্টু হোসেন (২৮) এবং একই এলাকার মৃত আব্দুর আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে মো. আব্দুস সবুর (৪৫)।

জিডি সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী আমজিয়ার হোসেন সম্প্রতি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন (মামলা নম্বর: সিআর ১১২২/২৩)। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ২৫ সেপ্টেম্বর সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে অভিযুক্তরা আমজিয়ার হোসেনের বাড়ির সামনে সরকারি রাস্তার ওপর এসে তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন। মামলাটি অবিলম্বে প্রত্যাহার করে নেওয়ার জন্য তাঁরা চাপ সৃষ্টি করেন। একপর্যায়ে তাঁরা আমজিয়ার হোসেনের নাকে-মুখে এলোপাতাড়ি থাপ্পড় মারেন।

ভুক্তভোগী আমজিয়ার হোসেন জানান, “মামলা তুলে না নিলে অভিযুক্তরা আমাকে ও আমার পরিবারের লোকজনকে মারধর, ঘরবাড়ি ভাঙচুর, মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো এবং প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। বর্তমানে আমি ও আমার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।” ঘটনাটি স্থানীয় মো. ইমরান আনছারী ও শরিফুল খাতুনসহ আরও কয়েকজন প্রত্যক্ষ করেছেন বলে জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাহমুদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জিডির ভিত্তিতে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পাটকেলঘাটা প্রেস ক্লাবের মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি বিলুপ্ত, নতুন নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২২ পূর্বাহ্ণ
পাটকেলঘাটা প্রেস ক্লাবের মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি বিলুপ্ত, নতুন নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: পাটকেলঘাটা প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে ২৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রেস ক্লাবের কার্যালয়ে সভাপতি শেখ আব্দুল মমিনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ইয়াসিন সরদারের সঞ্চালনায় এ সভা হয়।

সভায় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি শেখ জোরুল হক, সহসভাপতি নাজমুল হক খান, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এম এম জামান মনি, মো. মুজিবুর রহমান, প্রভাষক ফিরোজ আহমেদ, আতাউর রহমান বক্তব্য দেন।

আলোচনা সভা শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে প্রেস ক্লাবের মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে ক্লাব পরিচালনায় নতুন নির্বাচন আয়োজনের উদ্দেশ্যে একটি নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সম্পাদকীয়/ উপকূলের বাঁচার লড়াই: প্রতিশ্রুতি ও সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১৭ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ উপকূলের বাঁচার লড়াই: প্রতিশ্রুতি ও সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ

জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাতে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চল, বিশেষ করে সাতক্ষীরা জেলা এখন এক চরম বাস্তবতার মুখোমুখি। বারবার আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড়, নদীভাঙন, লবণাক্ততার আগ্রাসন এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এখানকার মানুষের জীবন-জীবিকাকে প্রতিদিন বিপন্ন করছে। সম্প্রতি কপোতাক্ষ নদের তীরে ৫ হাজার ম্যানগ্রোভ ও ৮০০ নিম গাছের চারা রোপণ, ‘কমিউনিটি অ্যাকশন ফর ক্লাইমেট জাস্টিস’ প্রকল্পের সমাপনী সভা এবং আন্তর্জাতিক জলবায়ু সপ্তাহকে কেন্দ্র করে শ্যামনগরে তরুণদের ‘ক্লাইমেট স্ট্রাইক’-এর খবরগুলো উপকূলের একই অখ- বাস্তবতার চিত্র আমাদের সামনে তুলে ধরে।

প্রতাপনগরের রুইয়ারবিলে কপোতাক্ষ নদের পাড়ে ম্যানগ্রোভ চারা রোপণের উদ্যোগটি অত্যন্ত সময়োপযোগী। ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল কেবল পরিবেশের ভারসাম্যই রক্ষা করে না, বরং তা নদীভাঙন প্রতিরোধে একটি প্রাকৃতিক ও শক্ত প্রাচীর হিসেবে কাজ করে। বেসরকারি সংস্থা ‘উত্তরণ’-এর এ পদক্ষেপে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ততা প্রমাণ করে যে, টেকসই সুরক্ষার জন্য স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতা ও উদ্যোগ অত্যন্ত জরুরি।

তবে কেবল চারা রোপণই শেষ কথা নয়; সেই চারাগুলোকে টিকিয়ে রেখে পূর্ণাঙ্গ বনে রূপান্তর করাই আসল চ্যালেঞ্জ। প্রায়শই দেখা যায়, প্রকল্প শেষ হওয়ার পর সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এমন অনেক প্রশংসনীয় উদ্যোগ ভেস্তে যায়। ঠিক এই জায়গাতেই আলোকপাত করা হয়েছে সাতক্ষীরায় অনুষ্ঠিত জলবায়ু ন্যায়বিচার সংক্রান্ত সমাপনী অনুষ্ঠানে। বক্তারা যথার্থই বলেছেনÑপ্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও জলবায়ুঝুঁকি মোকাবিলা ও স্থানীয়দের সুরক্ষার কাজ থেমে থাকা চলবে না। সরকারি-বেসরকারি সংস্থা, গণমাধ্যম এবং তরুণ সমাজকে একযোগে এই ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে হবে।

শ্যামনগরের পদ্মপুকুরে তরুণদের ক্লাইমেট স্ট্রাইক আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর এই দুর্বিষহ পরিবেশগত সংকটের পেছনে তাদের নিজেদের দায় সামান্যই। জলবায়ু অর্থায়ন, ন্যায্য রূপান্তর এবং পরিবেশগত ন্যায়বিচারের দাবি আজ আর কেবল বৈশ্বিক মঞ্চের আলোচনার বিষয় নয়, তা উপকূলের তৃণমূল যুবসমাজের কণ্ঠে ধ্বনিত হচ্ছে। এই তরুণরা স্থানীয় সুরক্ষার দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিচ্ছে, যা এক আশাব্যঞ্জক দিক।

জলবায়ু সংকটের হাত থেকে উপকূলকে বাঁচাতে হলে টুকরো টুকরো উদ্যোগের পাশাপাশি প্রয়োজন সমন্বিত কৌশলগত পরিকল্পনা। ম্যানগ্রোভ সবুজ বেষ্টনী গড়ে তোলা, নদীর বাঁধ টেকসই করা এবং জলবায়ু ন্যায়বিচারের স্থানীয় ও বৈশ্বিক দাবিগুলোকে জোরদার করার ক্ষেত্রে সরকার, এনজিও এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর কার্যকর অংশীদারিত্বই হতে পারে একমাত্র পথ। দুর্যোগের অপেক্ষা না করে উপকূল রক্ষায় এখন থেকেই ধারাবাহিক ও টেকসই পদক্ষেপে জোর দেওয়ার সময় এসেছে।