রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

রাষ্ট্র কি জাগবে, নাকি সংকটই জাগিয়ে দেবে জাতিকে?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৪৩ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্র কি জাগবে, নাকি সংকটই জাগিয়ে দেবে জাতিকে?

গাজী মুহাম্মদ আসাদুল্লাহ

একটি দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা বোঝার জন্য সব সময় বড় বড় পরিসংখ্যানের প্রয়োজন হয় না। কখনো কখনো একটি সাধারণ পরিবারের বাজারের তালিকা দেখলেই অনেক কিছু বোঝা যায়। মাসের শুরুতে যে পরিবার পাঁচ কেজি চাল, ডাল, তেল, মাছ ও সবজি কিনত, মাসের শেষে তাদের সেই তালিকা ছোট হয়ে যায়। একজন দিনমজুরের আয় একই থাকে, কিন্তু বাজারের খরচ বাড়তে থাকে। কৃষকের উৎপাদন খরচ বাড়ে, অথচ ফসলের ন্যায্য দাম পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকে যায়। এ বাস্তবতাই আজকের বাংলাদেশের অর্থনৈতিক চাপের একটি বড় চিত্র।

দ্রব্যমূল্যের চাপের সঙ্গে এখন বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি তেলের সংকটও মানুষের জীবন ও অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলছে। জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে পরিবহন খরচ বাড়ে; আর পরিবহন খরচ বাড়লে কৃষিপণ্যসহ প্রায় সব পণ্যের দাম বাড়ে। অন্যদিকে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংকট হলে শিল্পকারখানার উৎপাদন ব্যাহত হয় এবং উৎপাদন খরচ বাড়ে। শেষ পর্যন্ত সেই বাড়তি খরচের বোঝা গিয়ে পড়ে ভোক্তার ওপর। অর্থাৎ সমস্যাগুলো আলাদা নয়; একটি সংকট অন্য সংকটকে আরও বড় করে তুলছে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যুদ্ধ, জ্বালানি সংকট, বৈশ্বিক বাজারের অস্থিরতা ও সরবরাহব্যবস্থার সমস্যার প্রভাব পড়েছে। বাংলাদেশও এর বাইরে নয়। তবে এখানেই রাষ্ট্রের দায়িত্বের প্রশ্নটি সামনে আসে। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণে না থাকলেও সংকট মোকাবিলার প্রস্তুতি নেওয়া আমাদের নিয়ন্ত্রণের মধ্যেই আছে। আমাদের সমস্যা হলো, অনেক সময় সংকট দেখা দেওয়ার পর ব্যবস্থা নেওয়া শুরু হয়। বাজারে দাম বেড়ে গেলে অভিযান চালানো, জ্বালানি সংকট হলে জরুরি ভিত্তিতে আমদানি করা কিংবা খাদ্যঘাটতি হলে বাজার থেকে সংগ্রহ করাÑএভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা চলে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, সংকট তৈরির আগেই কি আমরা হিসাব করি না যে আগামী কয়েক মাসে কী হতে পারে?

রাষ্ট্রের দায়িত্ব শুধু সংকটের সময় ব্যবস্থা নেওয়া নয়; বরং সংকটের আগেই সম্ভাব্য ঝুঁকি চিহ্নিত করা। কোন খাদ্যপণ্যের মজুত কত আছে, কোন কৃষি উপকরণের ঘাটতি হতে পারে, জ্বালানির সরবরাহ কতটা নিরাপদ, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের চাহিদা কত বাড়তে পারেÑএসব বিষয়ে আগাম পরিকল্পনা থাকা দরকার।

দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির কারণে সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। একজন সচ্ছল মানুষ কোনো পণ্যের দাম বাড়লে অন্য খাতে খরচ কমাতে পারেন। কিন্তু একজন নি¤œআয়ের মানুষ কী কমাবেন? চাল, ডাল, তেল, সবজি কিংবা বাসাভাড়াÑএসব তো তাঁর জীবনের অপরিহার্য অংশ। তাই মূল্যস্ফীতির সবচেয়ে বড় বোঝা পড়ে দরিদ্র ও নি¤œমধ্যবিত্ত মানুষের ওপর। এ কারণে বাজারে শুধু অভিযান চালালেই হবে না। কোনো পণ্যের দাম কেন বাড়ছে, কোথায় সরবরাহের সমস্যা, কোথায় অস্বাভাবিক মুনাফা করা হচ্ছে আর কোথায় মজুত হচ্ছেÑরাষ্ট্রকে সঠিক তথ্য নিয়ে এসব বের করতে হবে। ব্যবসায়ী মাত্রই অসাধুÑএমন ধারণাও ঠিক নয়। আবার বাজারে কারসাজি হলে তা উপেক্ষা করারও সুযোগ নেই। এর জন্য প্রয়োজন স্বচ্ছ বাজারব্যবস্থা এবং আইনের নিরপেক্ষ প্রয়োগ।

কৃষকের অবস্থার দিকেও আমাদের নজর দিতে হবে। সার, বীজ, সেচ, বিদ্যুৎ, ডিজেল ও পরিবহন ব্যয় বাড়লে কৃষকের উৎপাদন খরচ বাড়ে। কিন্তু ফসল ওঠার পর অনেক সময় তিনি প্রত্যাশিত দাম পান না। অথচ একই পণ্য শহরের বাজারে গিয়ে কয়েক গুণ দামে বিক্রি হয়। এই ব্যবধানের কারণ খুঁজে বের করা জরুরি। কৃষককে শুধু উৎপাদনের সময় সহায়তা করলেই হবে না; বরং উৎপাদন থেকে বাজারজাতকরণ পর্যন্ত পুরো ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে হবে।

খাদ্যনিরাপত্তার ক্ষেত্রেও আমাদের দীর্ঘমেয়াদি চিন্তা দরকার। প্রয়োজন হলে খাদ্য আমদানি করতে হবেÑএটি স্বাভাবিক। তবে সব সংকটের সমাধান আমদানির মাধ্যমে করার প্রবণতা বিপজ্জনক। আন্তর্জাতিক বাজারে সংকট তৈরি হলে তখন আমদানিও ব্যয়বহুল হয়ে উঠতে পারে। তাই কৃষি উৎপাদন, খাদ্য সংরক্ষণ ও কৌশলগত মজুতের সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি।
জ্বালানি খাতের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জ্বালানি উৎসের বহুমুখীকরণ এবং বিদ্যুৎ সঞ্চালনব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন। বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি তেলের স্থিতিশীল সরবরাহ শুধু শিল্পের জন্যই নয়, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গেও সরাসরি যুক্ত।

তবে এসব পদক্ষেপ নিতে গিয়ে রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয় করা যাবে না। বড় প্রকল্পের প্রয়োজন আছে, উন্নয়নও প্রয়োজন। কিন্তু সংকটের সময়ে কোন ব্যয়টি জরুরি আর কোন ব্যয় কিছুটা পিছিয়ে দেওয়া যায়Ñসেটি নতুন করে বিবেচনা করা দরকার। জনগণের কষ্টের সময়ে রাষ্ট্রীয় তহবিলের প্রতিটি টাকার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রেরই দায়িত্ব।

নি¤œআয়ের মানুষের জন্য সামাজিক সুরক্ষার আওতাও বাড়াতে হবে। তবে সেই সহায়তা যেন প্রকৃত দরিদ্র মানুষের কাছে পৌঁছায়, তা নিশ্চিত করা জরুরি। শুধু তালিকায় নাম থাকলেই সহায়তা দেওয়া নয়; বাস্তবে কে সবচেয়ে বেশি সংকটে আছে, তা চিহ্নিত করতে হবে।

সরকারের সমালোচনা করা মানে রাষ্ট্রের বিরোধিতা করা নয়। বরং রাষ্ট্র কোথায় দুর্বল, কোথায় ভুল করছে এবং কোথায় সংশোধনের প্রয়োজনÑএসব বলা জনগণের স্বার্থেই প্রয়োজন। কোনো নীতি ভালো হলে তার প্রশংসা যেমন দরকার, তেমনি কোনো নীতি মানুষের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করলে প্রশ্ন তোলাও জরুরি।

(এটা লেখকের নিজস্ব মতামত)। লেখক: সাবেক ছাত্রনেতা ও উদ্যোক্তা

Ads small one

কাটারের জাদুতে ১১ বছর, মোস্তাফিজের জন্মদিনে চেন্নাই যা বললো

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:০৫ পূর্বাহ্ণ
কাটারের জাদুতে ১১ বছর, মোস্তাফিজের জন্মদিনে চেন্নাই যা বললো

বাংলাদেশ ক্রিকেটের ‘কাটার মাস্টার’ মোস্তাফিজুর রহমান। বল হাতে তার আগমনটা ছিল এমনই বিস্ময়কর যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রেখেই নিজের জন্য আলাদা এক জায়গা তৈরি করে ফেলেছেন। সময়ের স্রোতে সেই অভিষেকের ১১ বছর পেরিয়ে গেছে। এবার ৩১ বছরে পা দিয়েছেন বাংলাদেশের এই পেস তারকা।

রবিবার তার ৩১তম জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়েছে তার সাবেক আইপিএল দল চেন্নাই সুপার কিংস। কাটার মাস্টারের ছবি দিয়ে তারা ক্যাপশনে লিখেছে, ‘কাটারের জাদুতে গুরুত্বপূর্ণ সেই উইকেটগুলো ক্রিকেটপ্রেমীদের স্মৃতি থেকে কখনো মুছে যাবে না! শুভ জন্মদিন, ফিজ!’

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মোস্তাফিজের অভিষেক হয়েছিল পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ২০১৫ সালের ২৪ এপ্রিল। আর প্রথম ম্যাচেই বুঝিয়ে দিয়েছিলেন তাকে নিয়ে বড় কিছু ভাবা যেতেই পারে।

পাকিস্তানের তারকা শহীদ আফ্রিদিকে ফিরিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজের প্রথম উইকেটের দেখা পান তিনি। এরপর শিকার করেন আরেক অভিজ্ঞ ব্যাটার মোহাম্মদ হাফিজকেও।

চার ওভারে মাত্র ২০ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়ে অভিষেক স্মরণীয় করে রাখেন। সেই ম্যাচে জিতেছিল বাংলাদেশই। সব মিলে দেশের হয়ে তিনি ১২৪টি ওয়ানডে, ১২৮টি টি-টোয়েন্টি ও ১৫টি টেস্ট খেলেছেন। টেস্টে তার শিকার ৩১টি। ওয়ানডেতে ১৯৩ এবং টি-টোয়েন্টিতে নিয়েছেন ১৬০ উইকেট!

বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন বিএনপির ৩১সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৫৫ অপরাহ্ণ
বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন বিএনপির ৩১সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন

উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: শ্যামনগর উপজেলার ৯ নম্বর বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৩১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। শ্যামনগর উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব আশেক এলাহী মুন্নার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।
অনুমোদিত কমিটিতে গাজী আবিদ হাসানকে আহ্বায়ক এবং জি এম রুস্তম আলীকে সদস্যসচিব করা হয়েছে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তৃণমূল পর্যায়ে বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করা, দলীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করা এবং সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এ আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।
নতুন কমিটির নেতাদের আগামী দিনে ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে দলীয় কার্যক্রম জোরদার, নেতাকর্মীদের সংগঠিত করা এবং দলের সাংগঠনিক কর্মকা- আরও বেগবান করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এদিকে নতুন আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদনের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। নবগঠিত কমিটির নেতারা দলকে আরও শক্তিশালী ও সুসংগঠিত করতে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
৩১ সদস্যের অনুমোদিত কমিটিতে আহ্বায়ক ও সদস্যসচিব ছাড়াও বিভিন্ন পদে ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কমিটির পূর্ণাঙ্গ সদস্যদের নামসহ সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর স্থানীয় পর্যায়ে দলীয় সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও দৃশ্যমান হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জেলায় বাড়ছে মাদক ও অনলাইন জুয়ার আসক্তি, সামাজিক অপরাধ নিয়ে উদ্বিগ্ন অভিভাবকেরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৫৪ অপরাহ্ণ
জেলায় বাড়ছে মাদক ও অনলাইন জুয়ার আসক্তি, সামাজিক অপরাধ নিয়ে উদ্বিগ্ন অভিভাবকেরা

জিএম আমিনুল হক: সাতক্ষীরার শহরাঞ্চল থেকে শুরু করে গ্রামপর্যায়ে যুবসমাজসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ মাদক ও অনলাইন জুয়ার আসক্তিতে জড়িয়ে পড়ছে। এর প্রভাবে জেলায় চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের মতো সামাজিক অপরাধ আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। এতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটার পাশাপাশি গভীর উদ্বেগে রয়েছেন অভিভাবকেরা। স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, মাদক ও জুয়ার টাকা জোগাড় করতে গিয়ে অনেকেই অপরাধমূলক কর্মকা-ে যুক্ত হচ্ছে। এতে রাতে চুরির আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন সাধারণ মানুষ।
আশাশুনি উপজেলার প্রতাপ নগর গ্রামের বাসিন্দা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মোনাওয়ার হুসাইন জানান, প্রত্যন্ত অঞ্চলেও মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিস্তার উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। প্রযুক্তির সহজলভ্যতার কারণে কিশোর ও যুবকেরা সহজেই জুয়ার ফাঁদে পা দিচ্ছে। দ্রুত এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে সামাজিক কাঠামো ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সচেতন মহলের মতে, তরুণদের মেধা ও সম্ভাবনাকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে হলে পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বড় ভূমিকা পালন করতে হবে। সন্তান কার সঙ্গে মিশছে এবং কীভাবে সময় কাটাচ্ছে, সে বিষয়ে অভিভাবকদের নজরদারি বাড়ানো জরুরি।
এ বিষয়ে সাতক্ষীরা সিটি কলেজের ইসলামিক ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রধান এবং ইসলামি সমাজকল্যাণ পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক শেখ আবদুল ওয়াদুদ বলেন, তরুণদের মেধা ও শক্তিকে শিক্ষা, খেলাধুলা ও সামাজিক কর্মকা-ে কাজে লাগাতে হবে। বর্তমানে সব বয়সের মানুষের মধ্যে মাদক ও জুয়ার আসক্তি দেখা যাচ্ছে, যা সামাজিক অপরাধ বাড়িয়ে দিচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, প্রতিটি এলাকায় শিক্ষক, পুলিশ, সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে প্রতিরোধ কমিটি গঠন করা প্রয়োজন। মাদক কেনাবেচা বন্ধ করতে পারলে অপরাধ অনেকটাই কমে আসবে।