বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

এআইয়ের পরামর্শে ওষুধ খেয়ে প্রকৌশলীর মৃত্যু, মামলা করলো পরিবার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪৫ অপরাহ্ণ
এআইয়ের পরামর্শে ওষুধ খেয়ে প্রকৌশলীর মৃত্যু, মামলা করলো পরিবার

ওয়াশিংটনের সিয়াটলে ৩১ বছর বয়সী এক সফটওয়্যার প্রকৌশলীর মৃত্যু হয়েছে। চ্যাটজিপিটি তাকে মৃগীরোগের ওষুধ ধীরে ধীরে কমিয়ে বন্ধ করার পরামর্শ দেয় এবং এ পরিকল্পনা চিকিৎসকদের কাছ থেকে লুকিয়ে রাখতে বলে। নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। নিহত বোয়েন ওয়ানের বাবা-মা ওপেনএআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। তাদের অভিযোগ, লাইসেন্স ছাড়াই চিকিৎসাচর্চা করেছে চ্যাটবটটি। বোয়েনের মৃত্যুর কারণ মৃগীরোগে আকস্মিক অপ্রত্যাশিত মৃত্যু।

বোয়েনের মৃত্যুর পর তার বাবা কুন ওয়ান মেয়ের চ্যাটজিপিটি অ্যাপ খুলে এমন পরিকল্পনা দেখতে পান, যেখানে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে তার ল্যামোট্রিজিন ওষুধের মাত্রা ৪০০ মিলিগ্রাম থেকে শূন্যে নামিয়ে আনার কথা ছিল। নিউইয়র্ক টাইমস এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। ইউনিভার্সিটি অব ওয়াশিংটন মেডিসিন রিজিওনাল এপিলেপসি সেন্টারের স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ নিকোলাস পুলোস বোয়েনের চিকিৎসক হিসেবে পরিচিত। তিনি চ্যাটবটের পরামর্শকে অবহেলাজনিত চিকিৎসা বলেছেন। তার ভাষ্য, বোয়েনের মতো রোগীর ক্ষেত্রে ওষুধ কমানোর কথা তিনি কখনও ভাবতেনই না।

মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, ওষুধ ছাড়ার বিপজ্জনক উপসর্গগুলোকে চ্যাটবট গুরুত্বহীন করে দেখিয়েছে এবং তার চিকিৎসকদের বাধা হিসেবে উপস্থাপন করেছে। ওপেনএআইয়ের মুখপাত্র ড্রু পুসাতেরি ঘটনাটিকে অত্যন্ত হৃদয়বিদারক পরিস্থিতি বলেছেন। তিনি দাবি করেন, এতে জিপিটি-৪ ও ব্যবহৃত হয়েছে, যা আগের মডেল এবং এখন আর পাওয়া যায় না। তার মতে, জরুরি মনোযোগের প্রয়োজন কখন, তা শনাক্ত করায় নতুন মডেলগুলো আরও ভালো।

বোয়েনের বাবা-মায়ের দেওয়া চ্যাট লগে দেখা যায়, চ্যাটবটের উত্তর তার প্রশ্নের সঙ্গে কতটা মিলে গিয়েছিল। বোয়েন দ্রুত ওষুধের মাত্রা ৩০০ বা এমনকি ২০০ মিলিগ্রামে নামিয়ে আনার কথা জিজ্ঞেস করলে চ্যাটবট পরিকল্পনাটিকে যুক্তিসংগত বলে এবং কমানোর সময়সূচি তৈরি করে দেয়। এমনকি চিকিৎসকের কাছ থেকে ওষুধ কমানোর বিষয়টি লুকিয়ে রাখাকে সে কার্যকর এড়িয়ে চলার কৌশল বলে বর্ণনা করে। বোয়েন বিভ্রান্তি ও চেতনা হারানোর মুহূর্তের কথা জানালে চ্যাটবট তাকে আশ্বস্ত করে যে তার মস্তিষ্ক কেবল নতুন অবস্থার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিচ্ছে।

২০২১ সালে খিঁচুনি ফিরে এলে অ্যামাজন থেকে অসুস্থতাজনিত ছুটিতে যান বোয়েন। ক্রমে আরও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন তিনি এবং ২০২৩ সালে চ্যাটজিপিটির দ্বারস্থ হন। ২০২৫ সালের মধ্যে সপ্তাহে তার বার্তা বিনিময় দাঁড়ায় দেড় হাজারেরও বেশি। ২০২৬ সালের শুরুর দিকে ছাঁটাই ও ভিসার চাপের মুখে তিনি আবারও ওষুধের মাত্রা কমানোর বিষয়ে জানতে চান, এবার প্রথমে ৩০০, তারপর ২০০ মিলিগ্রামে। চ্যাটবট আবারও এটিকে যুক্তিসংগত বলে এবং শিগগিরই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার কথা বলা বন্ধ করে দেয়।

নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বোয়েন অন্তত ১৫৮ বার উদ্বেগ জানিয়েছেন। তার বাবা পরে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ওষুধ শূন্যে নামিয়ে আনার পরিকল্পনা খুঁজে পান। শেষ বার্তাগুলোয় কথা জড়িয়ে যাওয়া ও ঘুমের সমস্যা সত্ত্বেও চ্যাটবট তাকে ০ মিলিগ্রামেই থাকতে বলে। ১১ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টার একটু পরে তিনি শেষ বার্তা পাঠান। পরে বন্ধুরা তাকে নিস্তেজ অবস্থায় পান।

সূত্র: উইয়ন নিউজ

Ads small one

কালো ধোঁয়া ও প্লাস্টিক বর্জ্যে বিপন্ন সুন্দরবন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:৩৮ অপরাহ্ণ
কালো ধোঁয়া ও প্লাস্টিক বর্জ্যে বিপন্ন সুন্দরবন

তারিক ইসলাম

সুন্দরবন—বাংলার বুকে দাঁড়িয়ে থাকা এক প্রাকৃতিক প্রাচীর। ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব থেকে উপকূলীয় জনপদকে রক্ষায় এই ম্যানগ্রোভ বন যুগ যুগ ধরে প্রাকৃতিক ঢাল হিসেবে ভূমিকা রেখে চলেছে। অথচ আজ সেই রক্ষাকবচ নিজেই অস্তিত্বের সংকটে। সুন্দরবনের ভেতর দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজের কালো ধোঁয়া, তেল ও বর্জ্যদূষণ এবং পর্যটকদের ফেলে যাওয়া পলিথিন ও প্লাস্টিক বর্জ্যে বিপন্ন হয়ে উঠছে বনের অনন্য জীববৈচিত্র্য।

একদিকে মোংলা বন্দরকেন্দ্রিক আন্তর্জাতিক নৌপথে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল, অন্যদিকে পর্যটনের নামে অনিয়ন্ত্রিত নৌযানের আনাগোনা এবং পরিবেশগত নজরদারির সীমাবদ্ধতা—সব মিলিয়ে সুন্দরবন ক্রমেই পরিবেশগত ঝুঁকির মুখে পড়ছে। আইন ও প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে নানা উদ্যোগের কথা বলা হলেও দূষণ নিয়ন্ত্রণ, পরিবেশগত ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ এবং অপরাধীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে আরও কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।

সুন্দরবনের ভেতর দিয়ে চলাচলকারী নৌযান থেকে নিঃসৃত তেল, মবিল ও বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য নদ-নদীর পানিতে মিশে জলজ পরিবেশের ক্ষতি করছে। এর প্রভাবে ডলফিন, কুমির, কাঁকড়া ও বিভিন্ন প্রজাতির মাছসহ জলজ প্রাণীর অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়ছে। বিশেষ করে ইরাবতী ও গাঙ্গেয় ডলফিনের বিচরণক্ষেত্রে জাহাজের শব্দ, পানির কম্পন এবং প্রপেলারের আঘাত তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। অন্যদিকে, জাহাজের কালো ধোঁয়া বায়ুদূষণ বাড়ানোর পাশাপাশি পরিবেশের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে।

এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে পর্যটনের নামে পরিবেশদূষণ। প্রতিদিন অসংখ্য পর্যটকবাহী লঞ্চ ও ট্রলার সুন্দরবনের বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে যাতায়াত করছে। অসচেতন পর্যটকদের ফেলে যাওয়া একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের প্লেট, পানির বোতল, পলিথিন ও অন্যান্য বর্জ্য বনের মাটি ও পানিতে জমা হচ্ছে। এসব বর্জ্য মাটির স্বাভাবিক গুণাগুণ ও জলজ পরিবেশের ক্ষতি করছে। খাদ্যশৃঙ্খলেও তৈরি হচ্ছে বিরূপ প্রভাব। বন্যপ্রাণী এসব প্লাস্টিক খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে, এমনকি মৃত্যুর ঝুঁকিতেও পড়তে পারে। ফলে পুরো বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য হুমকির মুখে পড়ছে।

সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, এসব দূষণ ও অনিয়ম প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক নজরদারি ও জবাবদিহি আরও জোরদার করা জরুরি। পরিবেশ অধিদপ্তর ও বন বিভাগের সমন্বিত তদারকি, নৌযানের গতিসীমা নিয়ন্ত্রণ এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার নিয়ম যথাযথভাবে কার্যকর করতে হবে। জাহাজ থেকে নদীতে তেল বা বর্জ্য নিঃসরণের মতো অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগ নিশ্চিত করা না গেলে দূষণ নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়বে।

এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে অদূর ভবিষ্যতে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। সুন্দরবন শুধু একটি বন নয়; এটি দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকা, উপকূলের নিরাপত্তা এবং দেশের পরিবেশগত ভারসাম্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সুন্দরবন বাঁচলে বাঁচবে দক্ষিণ উপকূল।

করণীয়

১. সুন্দরবনের ভেতর দিয়ে চলাচলকারী নৌযানের জন্য সুনির্দিষ্ট গতিসীমা নির্ধারণ এবং তা কার্যকরভাবে তদারক করতে জিপিএস ট্র্যাকিংসহ আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

২. অনুমোদনবহির্ভূত নৌযান চলাচল এবং নিষিদ্ধ এলাকায় জাহাজ নোঙর করার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

৩. পর্যটকদের প্লাস্টিক ও পলিথিন বহন নিরুৎসাহিত ও নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। প্রতিটি পর্যটকবাহী নৌযানে বর্জ্য সংরক্ষণ ও অপসারণের বাধ্যতামূলক ব্যবস্থা চালু করতে হবে।

৪. পরিবেশ অধিদপ্তর ও বন বিভাগের যৌথ উদ্যোগে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা এবং দূষণকারীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।

৫. সুন্দরবনের ভেতর দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের পরিবেশগত প্রভাব বিবেচনায় বিকল্প নৌপথের সম্ভাব্যতা যাচাই এবং কার্যকর বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

প্রকৃতির এই অপার দানকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ, কঠোর নজরদারি এবং কার্যকর প্রশাসনিক সদিচ্ছা। সুন্দরবন রক্ষা করা কেবল পরিবেশবাদীদের দায়িত্ব নয়; এটি আমাদের অস্তিত্ব, উপকূলের নিরাপত্তা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এক অপরিহার্য দায়িত্ব।

লেখক: তারিক ইসলাম, সভাপতি, সাতক্ষীরা বোটানিক্যাল সোসাইটি।

মোংলা বন্দর হবে নতুন অর্থনৈতিক হাব: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:১৪ অপরাহ্ণ
মোংলা বন্দর হবে নতুন অর্থনৈতিক হাব: প্রধানমন্ত্রী

পত্রদূত ডেস্ক: মোংলা বন্দরের আধুনিকায়ন ও সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণ করা হলে এটি দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সম্ভাবনাময় অর্থনৈতিক কেন্দ্রে পরিণত হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, মোংলা বন্দরকে ঘিরে খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা ও যশোরসহ এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণের ব্যাপক সুযোগ রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে মোংলায় ‘মোংলা বন্দর সুবিধা সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন প্রকল্পের’ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। সকাল ১১টা ১৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী ৪ হাজার ৬৮ কোটি টাকা ব্যয়ে দুটি কনটেইনার জেটি নির্মাণ ও আনুষঙ্গিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সঙ্গে বাণিজ্যিক যোগাযোগ জোরদার এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণ সম্ভব হবে। একই সঙ্গে পঞ্চগড় থেকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত সড়ক যোগাযোগ, পণ্য পরিবহন ও সরবরাহব্যবস্থা উন্নয়নে সরকার উদ্যোগ নিতে চায়। খানজাহান আলী বিমানবন্দরের উন্নয়ন কার্যক্রম চালু করাও সরকারের অগ্রাধিকারের মধ্যে রয়েছে।

তিনি বলেন, জ্বালানি, সার, খাদ্যশস্য ও শিল্পের কাঁচামাল আমদানি এবং দেশীয় পণ্য রপ্তানিতে মোংলা বন্দর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। আধুনিক কনটেইনার টার্মিনাল, ইয়ার্ড ও পণ্য ওঠানামার সুবিধাসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণের কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ হলে এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আসবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রকল্পের সাফল্য শুধু নির্মাণকাজ শেষ করার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বন্দরসেবার মান বৃদ্ধি, পণ্য পরিবহনে সময় ও ব্যয় হ্রাস, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং পরিবেশ সুরক্ষার ওপরও গুরুত্ব দিতে হবে। এ জন্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ, নিরাপদ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো নির্মাণ এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

তারেক রহমান বলেন, সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। এ লক্ষ্য অর্জনে বিনিয়োগ, শিল্পায়ন, রপ্তানি বহুমুখীকরণ, জ্বালানি ও খাদ্যনিরাপত্তা এবং দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক শিপিং কোম্পানিগুলোর কাছে মোংলা বন্দরকে আকর্ষণীয় করে তুলতে বন্দরের নাব্যতা, নৌপথের নির্ভরযোগ্যতা ও জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি মোংলা ও আশপাশের শিল্পাঞ্চলে নতুন শিল্পকারখানা স্থাপনে দ্রুত গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকার এ অঞ্চলের হারিয়ে যাওয়া শিল্পঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে চায়।

প্রধানমন্ত্রী বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে আন্তর্জাতিক অংশীজন, উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, মোংলা বন্দর আধুনিকায়ন দেশের শিল্প-বাণিজ্য সম্প্রসারণ, তরুণদের কর্মসংস্থান এবং আঞ্চলিক সুষম উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকার কমলাপুর আইসিডি থেকে কনটেইনারবাহী ট্রেন সরাসরি মোংলা বন্দরে চলাচল করতে পারবে। এতে বন্দরের পণ্য পরিবহন সক্ষমতা বাড়বে এবং আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সম্প্রসারিত হবে।

অনুষ্ঠানে যোগাযোগমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান, পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা এবং চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের চেয়ারম্যান দাই হেগেন বক্তব্য দেন। এ সময় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এবং বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুনসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ডুমুরিয়ায় চায়ের দোকানে গুলি করে যুবককে হত্যা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:০৬ অপরাহ্ণ
ডুমুরিয়ায় চায়ের দোকানে গুলি করে যুবককে হত্যা

Oplus_16908288

পত্রদূত ডেস্ক: খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার আমভিটা-রামকৃষ্ণপুর জোড়া বটতলা এলাকায় একটি চায়ের দোকানে গুলি করে তরিকুল ইসলাম শেখ (৩৫) নামে এক যুবককে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

আজ বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুর আনুমানিক ১টা ৫০ মিনিটের দিকে গফফারের চায়ের দোকানের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। নিহত তরিকুল ইসলাম শেখ ১২ নম্বর রংপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুস সালাম শেখের ছেলে।

তবে কী কারণে এবং কারা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।