বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

আজ আন্তর্জাতিক চা দিবস

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ১০:৩৬ পূর্বাহ্ণ
আজ আন্তর্জাতিক চা দিবস

 

২১ মে পালিত হয় আন্তর্জাতিক চা দিবস। ধারণা করা হয়, চায়ের উৎপত্তি উত্তর-পূর্ব ভারত, উত্তর মিয়ানমার কিংবা দক্ষিণ-পশ্চিম চীনের কোনো অঞ্চলে। তবে ঠিক কোথায় প্রথম চা–গাছ জন্মেছিল, তা আজও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। পানীয় হিসেবে চায়ের ব্যবহার নিয়ে একটি প্রাচীন চৈনিক কিংবদন্তি প্রচলিত আছে। চৈনিক পুরাণমতে, ঘটনাটি প্রায় ২৭৩৭ খ্রিষ্টপূর্বাব্দের।
সে সময়কার চীন সম্রাট শেন নাং তার ভৃত্যকে পানীয় জল ফুটিয়ে বিশুদ্ধ করতে বলেছিলেন। ভৃত্য যখন পানি গরম করছিল, তখন আশপাশের কোথাও থেকে কয়েকটি চা–পাতা উড়ে এসে পড়ে ফুটন্ত পানিতে। সঙ্গে সঙ্গে পানির রং হালকা বাদামি হয়ে যায় এবং ছড়িয়ে পড়ে মিষ্টি এক সুগন্ধ। সম্রাট কৌতূহলী হয়ে সেই পানীয় পান করেন। মুহূর্তেই তার শরীর চাঙা হয়ে ওঠে। স্বাদ ও গুণে মুগ্ধ হয়ে তিনি পানীয়টি গ্রহণ করেন। কিংবদন্তি অনুযায়ী, এভাবেই মানুষের খাদ্যাভ্যাসে যুক্ত হয় চা।

এটি নিঃসন্দেহে বহু-বহু পুরোনো গল্প। কিন্তু সন্দেহ নেই, চা বহু শতাব্দী ধরে মানুষের প্রিয় পানীয় হিসেবে খাদ্যসংস্কৃতির অংশ হয়ে আছে। প্রমাণসিদ্ধ তথ্যমতে, প্রায় পাঁচ হাজার বছর আগে চীনের মানুষ প্রথম চা পান শুরু করেছিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে চায়ের জনপ্রিয়তা আরও বেড়েছে। বর্তমানে পানির পর বিশ্বে সবচেয়ে বেশি পান করা পানীয় হচ্ছে চা।

জাতিসংঘের উদ্যোগে বিশ্বব্যাপী দিনটি উদ্‌যাপন করা হয়। স্বাস্থ্য, সংস্কৃতি ও আর্থসামাজিক উন্নয়নে চায়ের অবদান তুলে ধরতেই এই দিবসের প্রচলন। বর্তমানে বিশ্বের অল্প কিছু নির্দিষ্ট অঞ্চলে চা চাষ হয় এবং এই শিল্প প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ মানুষের জীবিকার উৎস। এদের মধ্যে রয়েছেন ক্ষুদ্র চাষি ও তাদের পরিবার, যারা প্রত্যক্ষভাবে চা–শিল্পের ওপর নির্ভরশীল। বিশেষ করে স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে চা–শিল্প জীবন-জীবিকার অন্যতম প্রধান অবলম্বন।

বাংলাদেশে প্রথম চা উৎপাদন শুরু হয় ১৮৪০ সালে। তবে বাণিজ্যিকভাবে চা উৎপাদনের সূচনা ঘটে ১৮৫৭ সালে, সিলেটের মালনীছড়া চা বাগান–এ।

Ads small one

আশাশুনিতে ভূমি সেবা মেলা শেষ, কুইজে পুরস্কৃত ৩ শিক্ষার্থী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ১১:১৬ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে ভূমি সেবা মেলা শেষ, কুইজে পুরস্কৃত ৩ শিক্ষার্থী

আশাশুনি প্রতিনিধি: ‘জনবান্ধব অটোমেটেড ভূমি ব্যবস্থাপনা: সুরক্ষিত ভূমি, সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ’ স্লোগানকে সামনে রেখে সাতক্ষীরার আশাশুনিতে তিন দিনব্যাপী ভূমি সেবা মেলা ২০২৬ শেষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলা ভূমি অফিস চত্বরে মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) (অতিরিক্ত দায়িত্বে) শ্যামানন্দ কুন্ডু। অনুষ্ঠানে মেলা উপলক্ষে আয়োজিত ভূমি বিষয়ক কুইজ প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। কুইজে প্রথম স্থান অধিকার করেছে আশাশুনি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী নুসরত জাহান মিম।

 

দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে যথাক্রমে আশাশুনি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির সাদিয়া নওসিন এবং আশাশুনি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির সানজিদা সুলতানা। অনুষ্ঠানে আশাশুনি প্রেসক্লাবের সভাপতি এস কে হাসান, সাধারণ সম্পাদক আকাশ হোসেন, প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জিএম মুজিবুর রহমানসহ স্থানীয় শিক্ষক ও সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।

 

 

 

 

 

 

আশাশুনিতে স্বেচ্ছাসেবকদের প্রাথমিক চিকিৎসা বিষয়ক প্রশিক্ষণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ১১:১৪ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে স্বেচ্ছাসেবকদের প্রাথমিক চিকিৎসা বিষয়ক প্রশিক্ষণ

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে জরুরি পরিস্থিতি ও দুর্যোগকালে জীবন রক্ষায় স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দিনব্যাপী ‘প্রাথমিক চিকিৎসা’ (ফার্স্ট এইড) বিষয়ক এক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার আশাশুনি উপজেলা মডেল মসজিদ প্রশিক্ষণ কক্ষে ইএসডিও ও মুসলিম এইডের যৌথ উদ্যোগে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শ্যামানন্দ কুন্ডু। তিনি দুর্যোগকালীন সময়ে প্রাথমিক চিকিৎসার গুরুত্ব তুলে ধরে এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান।

দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণে কারিগরি সেশন ও ব্যবহারিক প্রদর্শনী পরিচালনা করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নিতীশ চন্দ্র গোলদার, মেডিকেল অফিসার ডা. এস এম নাঈম হোসাইন, সিপিপির সহকারী পরিচালক মুন্সি নুর মোহাম্মদ ও মুসলিম এইডের কর্মকর্তা এস এম মনোয়ার হোসেন। উপজেলা প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের সক্রিয় অংশগ্রহণে প্রাক ও পর মূল্যায়ন এবং প্রশ্নোত্তর পর্বের মধ্য দিয়ে প্রশিক্ষণটি শেষ হয়। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রকল্প ব্যবস্থাপক মো. শামসুল হক মৃধা।

 

 

 

 

 

 

 

কেশবপুরে জমি দখল ও চাঁদা দাবির অভিযোগে থানায় অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ১১:১১ অপরাহ্ণ
কেশবপুরে জমি দখল ও চাঁদা দাবির অভিযোগে থানায় অভিযোগ

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ী ইউনিয়নে জমি দখলের চেষ্টা, চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার (১৯ মে) ভুক্তভোগী জিয়াউর রহমান (৪২) বাদী হয়ে কেশবপুর থানায় এই অভিযোগ করেন। তিনি সাগরদাঁড়ী গ্রামের মৃত ছফেদ আলী মোড়লের ছেলে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ৪৫ নম্বর সাগরদাঁড়ী মৌজার ১৪ দশমিক ৭৫ শতক জমির বৈধ মালিক জিয়াউর রহমান। এর মধ্যে ১০ শতক জমি তিনি পৈতৃক সূত্রে এবং আদালতের দেওয়ানি মামলার রায়ের মাধ্যমে পেয়েছেন। বাকি ৪ দশমিক ৭৫ শতক জমি ২০২৪ সালের জুলাই মাসে দলিলমূলে ক্রয় করেন। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে একই এলাকার মোস্তফা মুন্সি (৪৫), পলাশ মুন্সি (৪২), আনছার গাজী (৫৫) ও জসিম মুন্সিসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জন ওই জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন।

জিয়াউর রহমানের অভিযোগ, বিবাদীরা প্রভাব খাটিয়ে গত তিন বছর ধরে জমিটি নিজেদের দখলে রেখেছেন। তিনি জমিতে যেতে চাইলে বিবাদীরা তার কাছে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দিলে তাকে বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। সর্বশেষ গত ১৯ মে সকালে তিনি নিজের জমিতে গিয়ে আগাছা পরিষ্কার ও বেড়া মেরামতের কাজ শুরু করলে অভিযুক্তরা বাধা দেন এবং তাকে ধাক্কা দিয়ে জমি থেকে বের করে দেন।
কেশবপুর থানা সূত্র জানায়, “অভিযোগটি আমরা পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

অবশ্য অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বিবাদী মোস্তফা মুন্সি দাবি করেন, “ওই জমিতে আমরা দীর্ঘদিন ধরে একটি কোম্পানির কাছ থেকে লিজ নিয়ে বিভিন্ন ফসল ও সবজি চাষ করে আসছি। উল্টো আমাদের অনেকগুলো গাছ কেটে নষ্ট করা হয়েছে। আমাদের বিরুদ্ধে আনা চাঁদা দাবি বা হুমকির অভিযোগটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।”