শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩

পাইকগাছায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কিশোরের মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৩ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কিশোরের মৃত্যু

কপিলমুনি (পাইকগাছা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মুন্না (১৭) নামের এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। তিনি পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সরকারি অ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভারের হেল্পার এবং ভিলেজ পাইকগাছা গ্রামের মাসুম বিল্লার ছেলে। শনিবার সকাল ৮:১৫ মিনিটে খুলনার একটি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

জানা যায়, কয়েক দিন ধরে জ্বরে ভোগার পর মুন্না স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে যান। সেখানে চিকিৎসকরা তার ডেঙ্গু পরীক্ষা করালে পজিটিভ আসে এবং তাকে ভর্তির পরামর্শ দেওয়া হয়। চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা একটি ক্লিনিকে রেফার করা হয়, সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার সকালে তার জীবন প্রদীপ নিভে যায়। মাত্র ১৭ বছর বয়সে তরতাজা এক যুবকের এমন মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সাম্প্রতিক সময়ে পাইকগাছায় ডেঙ্গুর প্রকোপ ও একাধিক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। এর আগে গত ৫ সেপ্টেম্বর পাইকগাছার ফসিয়ার রহমান মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক তাপস কুমার মন্ডল ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। বর্তমানে পাইকগাছা ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২৪ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদ বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। এই অল্প বয়সে এমন মৃত্যু মেনে নেওয়া যায় না।

Ads small one

বিশ্ব পরিচ্ছন্নতা দিবস: পরিচ্ছন্ন প্লেট থেকে পরিচ্ছন্ন নগর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৪১ অপরাহ্ণ
বিশ্ব পরিচ্ছন্নতা দিবস: পরিচ্ছন্ন প্লেট থেকে পরিচ্ছন্ন নগর

সাকিবুর রহমান বাবলা

একটি পরিচ্ছন্ন রাস্তা, ময়লামুক্ত নদীর পাড়, প্লাস্টিকবিহীন সমুদ্রসৈকত কিংবা আবর্জনামুক্ত শহরÑএসব শুধু সৌন্দর্যের বিষয় নয়; মানুষের স্বাস্থ্য, পরিবেশ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুরক্ষার সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। পরিচ্ছন্নতার এ বার্তা বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে দিতে প্রতি বছর ২০ সেপ্টেম্বর পালিত হয় বিশ্ব পরিচ্ছন্নতা দিবস।

২০২৬ সালের বিশ্ব পরিচ্ছন্নতা দিবসের প্রতিপাদ্যÑ“পরিচ্ছন্ন প্লেট থেকে পরিচ্ছন্ন নগর”। এবারের কর্মসূচিতে পরিচ্ছন্নতা অভিযানের পাশাপাশি খাদ্য অপচয় রোধ, জৈব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, চক্রাকার অর্থনীতি ও টেকসই নগর ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ চীনের ঝেজিয়াং প্রদেশের শাওশিং শহরে দিবসটির বৈশ্বিক আয়োজন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

বিশ্ব পরিচ্ছন্নতা দিবসের পেছনে রয়েছে দীর্ঘ নাগরিক আন্দোলনের ইতিহাস। ২০০৮ সালে এস্তোনিয়ায় মাত্র পাঁচ ঘণ্টার একটি পরিচ্ছন্নতা অভিযানে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ অংশ নেন। পুরো দেশকে এক দিনে পরিচ্ছন্ন করার সেই উদ্যোগ পরবর্তী সময়ে বিশ্বব্যাপী পরিচ্ছন্নতা আন্দোলনে অনুপ্রেরণা জোগায়। মানুষ নিজ উদ্যোগে জনপরিসর পরিষ্কারের পাশাপাশি বর্জ্য কমানো, পুনঃব্যবহার ও পুনঃচক্রায়নের বিষয়ে সচেতন হতে শুরু করে।

এই ব্যাপক নাগরিক অংশগ্রহণের ধারাবাহিকতায় ২০২৩ সালের ৮ ডিসেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৮তম অধিবেশনে গৃহীত রেজুলেশন ৭৮/১২২-এর মাধ্যমে প্রতি বছর ২০ সেপ্টেম্বরকে বিশ্ব পরিচ্ছন্নতা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। জাতিসংঘ মানব বসতি কর্মসূচি দিবসটি উদযাপনে সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করে।

হ্রাস, পুনঃব্যবহার ও পুনঃচক্রায়নÑএই ৩আর নীতি পরিচ্ছন্ন ও টেকসই জীবনযাপনের অন্যতম ভিত্তি। এবারের “পরিচ্ছন্ন প্লেট থেকে পরিচ্ছন্ন নগর” প্রতিপাদ্য খাবারের প্লেট থেকে শহরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার একটি প্রত্যক্ষ যোগসূত্র তুলে ধরে।

জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচির ‘ফুড ওয়েস্ট ইনডেক্স রিপোর্ট ২০২৪’ অনুযায়ী, ২০২২ সালে বিশ্বে প্রায় ১০৫ কোটি টন খাদ্য অপচয় হয়েছে। এর প্রায় ৬০ শতাংশ পরিবার, ২৮ শতাংশ খাদ্য পরিবেশন খাত এবং ১২ শতাংশ খুচরা বিক্রয় পর্যায়ে অপচয় হয়েছে। বিশ্বে বিপুল পরিমাণ খাদ্য প্রতিদিন অপচয় হলেও একই সময়ে কোটি কোটি মানুষ খাদ্যনিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। খাদ্য অপচয় পরিবেশের ওপরও বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করে এবং এর সঙ্গে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন ও অর্থনৈতিক ক্ষতি জড়িত।

পরিচ্ছন্নতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন দেশের নিজস্ব ও অনুকরণীয় পদ্ধতি রয়েছে। জাপানে বিদ্যালয় থেকেই শিক্ষার্থীদের পরিচ্ছন্নতার কাজে যুক্ত করার মাধ্যমে সামাজিক দায়িত্ববোধ গড়ে তোলা হয়। দক্ষিণ কোরিয়ায় খাদ্যবর্জ্য পৃথকভাবে সংগ্রহ ও ব্যবস্থাপনার ব্যবস্থা রয়েছে। সিঙ্গাপুরে পরিচ্ছন্নতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমে আইন, নাগরিক সচেতনতা ও পরিকল্পিত নগর ব্যবস্থাপনার সমন্বয় দেখা যায়।

বাংলাদেশের শহর ও পর্যটনকেন্দ্রে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এখনও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে প্লাস্টিক বর্জ্য, একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক, অপরিকল্পিত বর্জ্য ফেলা এবং পর্যাপ্ত বর্জ্য পৃথকীকরণের অভাব পরিবেশের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে।

বাংলাদেশ ন্যাশনাল থ্রি-আর স্ট্র্যাটেজি ফর ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট-এর মাধ্যমে বর্জ্য হ্রাস, পুনঃব্যবহার ও পুনঃচক্রায়নের নীতি গ্রহণ করেছে। পাশাপাশি প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় উৎপাদক ও আমদানিকারকদের দায়িত্বশীল করার লক্ষ্যে এক্সটেন্ডেড প্রডিউসার রেসপনসিবিলিটি (ইপিআর)-ভিত্তিক নীতিগত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব উদ্যোগ কার্যকর করতে সরকারি প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় সরকার, ব্যবসায়ী, নাগরিক সমাজ এবং সাধারণ মানুষের সমন্বিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন।

বিশ্ব পরিচ্ছন্নতা দিবস শুধু এক দিনের পরিচ্ছন্নতা অভিযান নয়; এটি প্রতিদিনের অভ্যাস পরিবর্তনের একটি আহ্বান। প্রয়োজন অনুযায়ী খাবার প্রস্তুত করা, বাজারে পুনঃব্যবহারযোগ্য ব্যাগ নেওয়া, প্লাস্টিকের বোতল ও অন্যান্য বর্জ্য যেখানে-সেখানে না ফেলা এবং জৈব বর্জ্য থেকে কম্পোস্ট তৈরির মতো ছোট ছোট অভ্যাস বড় পরিবর্তনের সূচনা করতে পারে।

একটি পরিচ্ছন্ন প্লেট থেকে শুরু হতে পারে পরিচ্ছন্ন রান্নাঘর, পরিচ্ছন্ন বাড়ি, পরিচ্ছন্ন পাড়া এবং পরিশেষে একটি পরিচ্ছন্ন নগর। আসুন, বর্জ্য ফেলার আগে এর পরিণতি নিয়ে ভাবি এবং পরিচ্ছন্নতাকে শুধু একটি দিবসের কর্মসূচি নয়, বরং দৈনন্দিন জীবনের অংশ করে তুলি।

 

গোদাড়া চিত্রানদীর তীরে হাজারো মানুষের ভিড় নামে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৩ অপরাহ্ণ
গোদাড়া চিত্রানদীর তীরে হাজারো মানুষের ভিড় নামে

সৈয়দ অনুজ, ফকিরহাট (বাগেরহাট): আশ্বিনের প্রখর রোদ, নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা আর এর সঙ্গে বইঠার ছন্দ, নৌকার গতি আর দর্শনার্থীদের উচ্ছ্বাস সব মিলিয়ে উৎসবে পরিণত হয় বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার মূলঘর ইউনিয়নের গোদাড়া চিত্রানদী।

কলকলিয়া ত্রিপল্লী মাঝি মিলন সংঘের আয়োজনে বৃহস্পতিবার বিকেলে চিত্রানদীতে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল গস্খামবাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা। বাইচ দেখতে নদীর দুই পাড়ে হাজারো মানুষের ঢল নামে। বাঙালি সংস্কৃতির প্রাচীনতম এ উৎসব উপভোগ করতে শিশু-কিশোর ও নারী-পুরুষেরা আনন্দে মেঠে উঠে।  উৎসবকে কেন্দ্র করে বসে গ্রামীণ মেলা। এদিন দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে এ প্রতিযোগিতা। এতে ৮টি নৌকা অংশগ্রহণ করে। কয়েকজন দর্শনার্থী জানান, তারা পরিবার নিয়ে নৌকা বাইচ দেখতে এসেছেন। প্রতিবছর এই দিনে এখানে নৌকা বাইচ দেখতে আসেন। নৌকা বাইচ দেখে তারা অনেক মুগ্ধ।

আয়োজন কমিটি বলেন, প্রতিবছরের ন্যায় এ বছর বিশ্বকর্মা পূজা উপলক্ষে এই নৌকা বাইচ এর আয়োজন করা হয়। নৌকা বাইচ দেখতে আশপাশের অঞ্চল থেকে হাজারো মানুষের উপস্থিতি ঘটে। নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফকিরহাট সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো: শরীফ নেওয়াজ।

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে আয়োজক কমিটির সভাপতি নরেন্দ্রনাথ মজুমদার, সাধারণ সম্পাদক পিযুষ কান্তি সরকার, ইউপি সদস্য মহাদেব বিশ্বাস মদন, মনোজ মজুমদার, জীবন সরকার, উপজেলা বিএনপি নেতা শেখ ইফতেখার আহমেদ পলাশ, মোড়ল কামরুজ্জামান, সাবেক উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক শেখ মুশফিকুজ্জামান রিপন, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব লায়ন দেলোয়ার হোসেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক কাজী মঈন উদ্দিন মেরু, মূলঘর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সুব্রত গোলদার শুভ, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মো: শরীফ রসরদার, ছাত্রদল নেতা সাবিতুল ইসলামসহ নানা শ্রেণিপেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশের অভিযানে আশাশুনিতে ৭ ও দেবহাটায় ১ জন গ্রেপ্তার, মোবাইল কোর্টে ১ জনের জেলা জরিমানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৫৩ অপরাহ্ণ
পুলিশের অভিযানে আশাশুনিতে ৭ ও দেবহাটায় ১ জন গ্রেপ্তার, মোবাইল কোর্টে ১ জনের জেলা জরিমানা

বিএম আলাউদ্দীন/কে এম রেজাউল করিম: আশাশুনিতে পুলিশের নিয়মিত বিশেষ অভিযানে ওয়ারেন্টভুক্ত ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে একজনকে ২ মাসের কারাদন্ড ও ১০১ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া দেবহাটায় আটক করা হয়েছে সিআর পরোয়ানাভুক্ত এক আসামিকে।

আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ জাহাঙ্গীর আরিফ জানান, থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদক ও আদালতের পরোয়ানাভুক্ত ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার দিবাগত গভীর রাতে পৃথক অভিযানে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, আশাশুনি উপজেলার রাজাপুর গ্রামের মোঃ আব্দুর খালেক শেখের ছেলে মোঃ সাইফুল ইসলাম, মোঃ ইসাহাক সরদারের ছেলে মোঃ রুহুল কুদ্দুস, মোঃ ফজোর আলী মোড়লের ছেলে মোঃ রবিউল ইসলাম, মোঃ মুনছুর গাজীর ছেলে মোঃ আব্দুর রহমান, মোঃ রহমাত কারিকরের ছেলে মোঃ আসাদুল কারিকর এবং সুরমান সরদারের ছেলে মোঃ লিয়াকত আলী সরদার।
অপরদিকে পুলিশের অভিযানে মাদকসহ গ্রেপ্তারকৃত একজনকে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও ১০১ টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয়েছে। দন্ডপ্রাপ্তের নাম রুহুল আমিন (৩০)। সে আশাশুনি সদরের পূর্বপাড়া গ্রামের আবুল বাশারের ছেলে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আশাশুনিতে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(৫) ধারায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দন্ডাদেশ দেওয়া হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শ্যামানন্দ কুন্ডু। আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাহাঙ্গীর আরিফের নেতৃত্বে এসআই লক্ষণ, এএসআই অমিত হাসান সহ সঙ্গীয় ফোর্সের সহায়তায় তাকে গ্রেপ্তার করে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সাতক্ষীরা জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

এদিকে দেবহাটায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে সিআর পরোয়ানাভুক্ত এক পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে দেবহাটা থানাধীন কোড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার মো. হাবিবুর রহমান উপজেলার কোড়া গ্রামের মো. হান্নান আলীর ছেলে।

দেবহাটা থানা সূত্রে জানা যায়, থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এইচএম শাহিন হোসেনের নেতৃত্বে এএসআই মো. ইব্রাহিম খলিল ও এএসআই রহমত আলী সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের পর তাকে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।