শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩

বিষে বিপন্ন কৃষি/ সচ্চিদানন্দ দে সদয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৫১ অপরাহ্ণ
বিষে বিপন্ন কৃষি/ সচ্চিদানন্দ দে সদয়

সচ্চিদানন্দ দে সদয়

বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি কৃষি। অথচ সেই কৃষিই আজ এক গভীর বৈপরীত্যের মুখোমুখি। বাংলাদেশ বিশ্বের ১৬০টির বেশি দেশে ওষুধ রপ্তানি করে। হাজার হাজার কোটি টাকার ওষুধ বিদেশে পাঠিয়ে আমাদের ওষুধশিল্প আন্তর্জাতিক সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছে। অথচ কৃষির অপরিহার্য উপকরণ কীটনাশকের চাহিদার প্রায় ৯০ শতাংশই পূরণ করতে হয় আমদানির মাধ্যমে। রোগ সারানোর ওষুধ তৈরিতে আমরা সক্ষমতা অর্জন করলেও খাদ্য উৎপাদনের রোগবালাই নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় উপকরণ তৈরিতে সেই সক্ষমতা কেন গড়ে উঠল নাÑএ প্রশ্ন এখন গুরুত্বের সঙ্গে ভাবার সময় এসেছে।তবে সংকট শুধু আমদানিনির্ভরতার নয়।

 

এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে কৃষি উৎপাদন, জনস্বাস্থ্য, পরিবেশ ও নিরাপদ খাদ্যের প্রশ্ন। ফসল রক্ষায় কীটনাশক প্রয়োজনীয় হাতিয়ার হলেও অতিরিক্ত ও অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার কৃষিকে এমন এক রাসায়নিকনির্ভর ব্যবস্থার দিকে ঠেলে দিচ্ছে, যার ক্ষতি বহন করতে হচ্ছে কৃষক, ভোক্তা ও পরিবেশÑতিন পক্ষকেই।গত কয়েক দশকে দেশে কীটনাশকের ব্যবহার আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে।

 

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭২ সালে দেশে বালাইনাশকের ব্যবহার ছিল প্রায় ৪ হাজার টন। ১৯৮০ সালে তা বেড়ে ৫ হাজার টন এবং ২০০০ সালে প্রায় ৮ হাজার টনে দাঁড়ায়। ২০২২ সালে ব্যবহার বেড়ে হয়েছে প্রায় ৪০ হাজার টন। অর্থাৎ কয়েক দশকে কীটনাশকের ব্যবহার বেড়েছে প্রায় ১০ গুণ।কৃষি উৎপাদন বাড়লে রোগবালাই নিয়ন্ত্রণে কীটনাশকের ব্যবহার কিছুটা বাড়তেই পারে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, আমরা কি প্রয়োজন অনুযায়ী তা ব্যবহার করছি? নাকি কৃষির রোগবালাই মোকাবিলায় রাসায়নিকই হয়ে উঠছে প্রথম ও প্রধান সমাধান?এর পেছনে কৃষকের বাস্তবতাও রয়েছে। রোগবালাইয়ের আক্রমণে একবার ফসল নষ্ট হলে পুরো মৌসুমের শ্রম, সময় ও বিনিয়োগ ঝুঁকিতে পড়ে। তাই ফসল বাঁচাতে কৃষক দ্রুত কীটনাশকের আশ্রয় নেন।

 

কিন্তু কোন রোগে কোন ওষুধ, কত মাত্রায় এবং কতবার প্রয়োগ করতে হবেÑএসব বিষয়ে অনেক কৃষকের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ নেই। ফসল সংগ্রহের কতদিন আগে কীটনাশক প্রয়োগ বন্ধ করতে হবে, সে বিষয়েও অনেক সময় যথেষ্ট সচেতনতা থাকে না।ফলে কোথাও কোথাও কৃষি কর্মকর্তার পরিবর্তে কীটনাশক বিক্রেতাই হয়ে ওঠেন কৃষকের পরামর্শদাতা। এখানেই তৈরি হয় স্বার্থের সংঘাত। কৃষকের প্রয়োজন আর বিক্রেতার ব্যবসায়িক স্বার্থ এক নয়। এর ফলে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি কীটনাশক ব্যবহার এবং উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির ঝুঁকি তৈরি হয়।

কীটনাশকের বাজারও ছোট নয়। সংশ্লিষ্ট সংগঠনের হিসাবে, দেশে বর্তমানে কীটনাশকের বাজার প্রায় সাড়ে ৭ হাজার কোটি টাকার। এর প্রায় ৫৫ শতাংশ, অর্থাৎ ৪ হাজার ১২৫ কোটি টাকার বাজার সাতটি বহুজাতিক কোম্পানির হাতে। স্থানীয় আমদানিকারকেরা চাহিদার প্রায় ৪১ শতাংশ বা ৩ হাজার ৭৫ কোটি টাকার কীটনাশক আমদানি করেন। আর দেশীয় উৎপাদনকারীদের হিস্যা মাত্র ৪ শতাংশ, প্রায় ৩০০ কোটি টাকা। এই পরিসংখ্যান শুধু একটি বড় ব্যবসায়িক বাজারের চিত্র নয়; এর সঙ্গে কৃষিনীতি ও অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন জড়িত।

 

কৃষির এত গুরুত্বপূর্ণ উপকরণের বাজারে দেশীয় উৎপাদনের অংশ এত কম কেন? আমাদের ওষুধশিল্প যদি আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা করতে পারে, তাহলে কৃষির জন্য নিরাপদ ও মানসম্পন্ন বালাইনাশক তৈরিতে গবেষণা ও উৎপাদন সক্ষমতা গড়ে তোলার উদ্যোগ আরও জোরালো হবে না কেন?অবশ্য কীটনাশক উৎপাদন ও ওষুধ উৎপাদন এক বিষয় নয়। বালাইনাশকের কার্যকারিতা, রাসায়নিক উপাদান, পরিবেশগত প্রভাব ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর গবেষণা ও মাননিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন। তাই দেশীয় উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি মান ও নিরাপত্তার বিষয়টিকেও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

 

সবচেয়ে বড় উদ্বেগ জনস্বাস্থ্য নিয়ে। কৃষকের জমিতে প্রয়োগ করা কীটনাশক শুধু জমিতে সীমাবদ্ধ থাকে না। এর অবশিষ্টাংশ ফসল, মাটি ও পানির মাধ্যমে খাদ্যশৃঙ্খলে প্রবেশ করতে পারে। অতিরিক্ত বা ভুলভাবে ব্যবহৃত কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। ফলে নিরাপদ খাদ্যের প্রশ্নটি এখন কৃষি উৎপাদনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত।আমাদের তাই প্রশ্ন করতে হবেÑআমরা কি শুধু বেশি খাদ্য উৎপাদন করতে চাই, নাকি নিরাপদ খাদ্যও উৎপাদন করতে চাই?খাদ্যনিরাপত্তার অর্থ শুধু দেশের মানুষের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য নিশ্চিত করা নয়; সেই খাদ্য নিরাপদ ও পুষ্টিকর হওয়াও জরুরি।

 

মাঠে ফলন বাড়ল, বাজারে সবজি ও ফলের সরবরাহ বাড়লÑকিন্তু সেই খাদ্যে ক্ষতিকর রাসায়নিকের অবশিষ্টাংশ থাকলে উৎপাদনের সাফল্যকে পূর্ণাঙ্গ সাফল্য বলা যায় না।পরিবেশের ওপর কীটনাশকের প্রভাবও কম নয়। অতিরিক্ত কীটনাশক মাটির উপকারী জীবাণু ও পোকামাকড়ের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। জলাশয়ে রাসায়নিক মিশলে মাছ ও জলজ জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ক্ষতিকর পোকার পাশাপাশি উপকারী পোকা ধ্বংস হওয়ায় প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হয়। এর ফলে অনেক ক্ষেত্রে কীটপতঙ্গের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং ভবিষ্যতে আরও বেশি কীটনাশকের প্রয়োজন দেখা দিতে পারে।

 

এই বিপজ্জনক চক্র থেকে বের হওয়ার অন্যতম পথ হলো সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা। কীটনাশক পুরোপুরি বাদ দেওয়ার কথা নয়; বরং যেখানে প্রয়োজন, সেখানে সঠিক ওষুধ সঠিক মাত্রায় ব্যবহার করতে হবে। পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধী জাত, জৈবিক নিয়ন্ত্রণ, ফেরোমোন ফাঁদ, আলোক ফাঁদ ও যান্ত্রিক পদ্ধতির মতো পরিবেশবান্ধব ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্ভিদ সংরক্ষণ উইংয়ের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। বালাইনাশক নিবন্ধন, লাইসেন্স প্রদান, মান নিয়ন্ত্রণ, উৎপাদন-বিক্রয়-ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ এবং কৃষকদের কারিগরি পরামর্শ দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।

 

মানহীন কীটনাশকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথাও বলা হয়েছে। তবে শুধু নীতি ঘোষণা করলেই হবে না, মাঠপর্যায়ে তার কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের বাজারগুলোতে নিয়মিত তদারকি বাড়াতে হবে। কোনো কীটনাশক নিবন্ধিত কি না, মেয়াদ আছে কি না, প্যাকেটের নির্দেশনা সঠিক কি না এবং নির্ধারিত মান বজায় রাখা হয়েছে কি নাÑএসব পরীক্ষা করা জরুরি। ভেজাল বা মানহীন পণ্য বিক্রির প্রমাণ পাওয়া গেলে কার্যকর ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।একই সঙ্গে কৃষককে দায়ী করার আগে তাকে প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও বিকল্প দিতে হবে। কোনো কৃষক যদি না জানেন কোন রোগে কতটুকু কীটনাশক ব্যবহার করতে হয়, তাহলে শুধু তাঁর ওপর দায় চাপানো ন্যায় সংগত নয়।

 

ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে নিয়মিত প্রশিক্ষণ এবং মাঠপর্যায়ে কৃষি কর্মকর্তাদের সক্রিয় উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে। কৃষিপণ্যে কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ পরীক্ষার সক্ষমতাও বাড়াতে হবে। শুধু আমদানিকৃত কীটনাশকের মান পরীক্ষা করলেই হবে না; বাজারে আসা কৃষিপণ্যও নিয়মিত পরীক্ষার আওতায় আনতে হবে। কোন অঞ্চলে কোন ফসলে কী ধরনের রাসায়নিক বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে, কোথায় ঝুঁকি বেশিÑএসব তথ্যের ভিত্তিতে নজরদারি গড়ে তুলতে হবে। দেশের সামনে একটি বড় সুযোগও রয়েছে।

 

জলবায়ু পরিবর্তন, মাটির স্বাস্থ্য, নিরাপদ খাদ্য ও টেকসই কৃষির গুরুত্ব বিশ্বজুড়ে বাড়ছে। কম রাসায়নিক ব্যবহার, পরিবেশবান্ধব উৎপাদন এবং আধুনিক সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনায় বিনিয়োগ বাড়ানো গেলে কৃষকের উৎপাদন ব্যয় কমার পাশাপাশি কৃষিপণ্যের বাজারও সম্প্রসারিত হতে পারে।টেকসই কৃষি মানে শুধু বেশি ফলন নয়। কৃষকের আয় বাড়ানো, উৎপাদন ব্যয় কমানো, মাটির উর্বরতা রক্ষা, পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখা এবং ভোক্তার জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করাই টেকসই কৃষির মূল লক্ষ্য। তাই এখন সময় এসেছে কীটনাশক ব্যবহারের পুরো ব্যবস্থাকে নতুন করে দেখার।

 

কোন কোম্পানি কী আমদানি করছে, কী উৎপাদন করছে, কীভাবে বাজারজাত করছে, কৃষককে কী পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে এবং শেষ পর্যন্ত সেই রাসায়নিকের প্রভাব কোথায় গিয়ে পড়ছেÑসবকিছুকে সমন্বিত নজরদারির আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে দেশীয় গবেষণা ও উৎপাদনে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। আমাদের ওষুধশিল্প বিশ্বের বহু দেশে পণ্য রপ্তানি করতে পারলে কৃষির জন্য নিরাপদ ও মানসম্পন্ন বালাইনাশক তৈরির সক্ষমতা গড়ে তোলাও অসম্ভব নয়। তবে সেই উদ্যোগ হতে হবে গবেষণাভিত্তিক, পরিবেশসম্মত ও কৃষকবান্ধব। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো কৃষককে কৃষিনীতি ও সিদ্ধান্তের কেন্দ্রে রাখা। কারণ কীটনাশকের দাম কৃষক দেন, অতিরিক্ত ব্যবহারের ক্ষতি কৃষক বহন করেন, খাদ্যে অবশিষ্টাংশের ঝুঁকি ভোক্তা বহন করেন এবং পরিবেশগত ক্ষতির বোঝা বহন করে পুরো সমাজ।

 

তাই কীটনাশকের সংকট কোনো একটি মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর কিংবা কৃষকের একার সমস্যা নয়। এটি অর্থনীতি, কৃষি, পরিবেশ, জনস্বাস্থ্য ও খাদ্যনিরাপত্তার সম্মিলিত সংকট। মনে রাখতে হবেÑকৃষকের জমিতে যে রাসায়নিকের যাত্রা শুরু হয়, তার শেষ হতে পারে মানুষের খাবারের টেবিলে। তাই কৃষি উৎপাদনের সাফল্য তখনই অর্থবহ হবে, যখন সেই উৎপাদন হবে নিরাপদ, টেকসই এবং কৃষকের জন্য লাভজনক। কীটনাশক হবে প্রয়োজনের উপকরণÑকৃষির নিয়ন্ত্রক নয়। এই নীতিই হতে পারে নিরাপদ খাদ্য ও টেকসই কৃষির পথে বাংলাদেশের পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

লেখক: সাংবাদকর্মী

Ads small one

মুঠো ভর্তি রোদ্দুর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৫৬ পূর্বাহ্ণ
মুঠো ভর্তি রোদ্দুর

 

কাজী গুলশান আরা
চোখ যায় যদ্দুর
তোমার অখ- বিস্তৃত ক্যানভাসÑ
চাইলেই আঁকতে পারো নীল সিঁড়ি
অরণ্যের গহীন শ্যামল
হতে পারোÑ
সৃষ্টির উন্মাদনায় নেশাতুর
চোখের তারায় বাঁধতে পারো সুনীল আকাশ
বুক ভর্তি বারুদ
পেরিয়ে যাও জোনাক জ্বলা মাঠ

ছুঁয়ে দাও মায়ের হাসি
বাগানের ফুল
অমরত্ব পাক বাবার শার্ট
মুছে ফেল অপ্রাপ্তির অমানিশাÑ
এসোÑ
সব ভুলে বলিÑভালোবাসি…

 

শেয়াল ঢুকেছে খোঁয়াড়ে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৫৫ পূর্বাহ্ণ
শেয়াল ঢুকেছে খোঁয়াড়ে

আমিন আজাদ
খোঁয়াড়ের মাঝে শেয়াল পড়েছে ঢুকে
সতর্ক হও, দাঁড়াতেই হবে রুখে।
এ শেয়াল চলে রিমোট কন্ট্রোলে
রিমোট চালায় কারা?
ভিনদেশী প্রেত যারা।
একতাবদ্ধ সম্প্রীতি নিয়ে
করে যায় পাঁয়তারা।

শেয়ালের হয়ে খাটাস ছড়ায়
মিথ্যা প- বোল,
শান্ত খোঁয়াড়ে ব্যস্ত শেয়াল
বাধাতে গন্ডগোল।

দেয়ালে এখন শেয়াল পড়েছে ঢুকে
সময় এখন ডেকে যায় সম্মুখে।

 

মা এবং আমি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৫৪ পূর্বাহ্ণ
মা এবং আমি

গাজী গিয়াস উদ্দিন
আমার মা আমার আল্লাহ আর আমি
আমরা তিনজনই একত্রে বাস করতাম
এখন মা নেই
প্রভু আছেন
মা প্রভুর কাছেই আছেন।

মা আমাকে সৃষ্টিকর্তার মতোই ভালোবাসতেন
মায়ের আঁচলের নিচেই ভালোবাসা ও আমি ঘুমাতাম
মা ফজরে আমাকে জাগাতেন
আমি ও মা আল্লাহর কাছে চলে যেতাম।

পৃথিবীর সকল বৈভব – সকল আশা আকাঙ্খা
জীবনের সকল সাহস ও সহায় মাকে ঘিরে পেয়েছি
এখন আর চিন্তা কিসের-
আমি ও মা দুজনই আল্লাহর কাছে আছি।