শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩

শাহজাতপুর বাজার বণিক সমিতির আহ্বায়ক আকরাম, সদস্য সচিব শফিকুল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ৪:৪৭ অপরাহ্ণ
শাহজাতপুর বাজার বণিক সমিতির আহ্বায়ক আকরাম, সদস্য সচিব শফিকুল

তালা প্রতিনিধি: তালা উপজেলার খেশরায় শাহজাতপুর বাজার বণিক সমিতির ব্যবসায়িক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা এবং ব্যবসায়ীদের স্বার্থ সংরক্ষণের লক্ষ্যে নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে সর্বসম্মতিক্রমে পল্লী চিকিৎসক মো. আকরাম হোসেনকে আহ্বায়ক এবং মো. শফিকুল ইসলামকে সদস্য সচিব হিসেবে মনোনীত করা হয়।

বুধবার (২৯ জুলাই) সন্ধ্যায় বাজারের নবনির্মিত কাঁচাবাজার চাঁদনীর পাশে বিগত কমিটির সভাপতি এস.এম লিয়াকত হোসেনের সভাপতিত্বে এ সাধারণ সভার আয়োজন করা হয়। সভায় উপস্থিত ব্যবসায়ীদের সর্বসম্মতিক্রমে এ নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়।

কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন কোষাধ্যক্ষ মো. শাহাদাত গাজী, সদস্য মো. আহাদ আলী গাজী, প্রদীপ অধিকারী, পল্লী চিকিৎসক মো. মুন্তাজ ফকির, মো. কওছার গাজী, মো. হাফিজুল খাঁন, মীর শাহিন, মো. মোমিন মোড়ল, ইসমাঈল হোসেন (বাজু), মো. সোহেল মোড়ল এবং মো. আনার মোড়ল।

 

সভায় উপস্থিত ছিলেন শাহজাতপুর ইউসুফ স্মৃতি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক আব্দুল হক মোড়ল, ইউসুফ স্মৃতি সংঘের সভাপতি মো. মুজিবুর রহমান সরদার, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গণী গাজী, ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি এস.এম শামসুজ্জামান, ৯নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. হবিবুর রহমান মোড়ল, সাধারণ সম্পাদক সন্দীপ সরকার, ৮নং ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি মো. নাসির উদ্দীন মোড়ল, খেশরা ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম, বিএনপি নেতা মো. রুহুল মোড়ল, বণিক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক চৈতন্য বিশ্বাস, বাজার প্রতিষ্ঠাকালীন ব্যবসায়ী মো. ইউসুফ মোড়ল, মীর বাচ্চু ও জামায়াত নেতা ওমর ফারুকসহ বাজারের সর্বস্তরের সাধারণ ব্যবসায়ী এবং দোকান মালিকরা।

নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ব্যবসায়ীদের ঐক্যবদ্ধ রাখা, বাজারের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ক্রেতা-বিক্রেতাদের সুবিধা বৃদ্ধিতে এই কমিটি নিরলসভাবে কাজ করে যাবে। এজন্য আমরা সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি।’

কমিটির আহ্বায়ক পল্লী চিকিৎসক মো. আকরাম হোসেন বলেন, ‘বাজারের সার্বিক উন্নয়নে আমাদের ওপর যে দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে, তা পালনে আমরা দৃঢ় অঙ্গীকারবদ্ধ। আমরা চেষ্টা করব নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ব্যবসায়ীদের একটি নির্বাচিত কমিটি উপহার দেওয়ার। সেক্ষেত্রে দল-মত নির্বিশেষে সকল ব্যবসায়ী ও স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা প্রয়োজন।’

 

Ads small one

জুলাইয়ে মবে নিহত ৩১, কারা হেফাজতে মৃত্যু ৯ , অজ্ঞাতনামা ৫৬ লাশ, সাংবাদিক নির্যাতন বেড়েছে দ্বিগুণ: এমএসএফ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০৫ পূর্বাহ্ণ
জুলাইয়ে মবে নিহত ৩১, কারা হেফাজতে মৃত্যু ৯ , অজ্ঞাতনামা ৫৬ লাশ, সাংবাদিক নির্যাতন বেড়েছে দ্বিগুণ: এমএসএফ

অনলাইন ডেস্ক: দেশে গত জুন মাসের তুলনায় জুলাইয়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও নির্যাতনের ঘটনা বেড়েছে। জুনে দেশের প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও নির্যাতনের ঘটনা ছিল ১৮টি। জুলাইয়ে এই সংখ্যা দ্বিগুণ বেড়ে হয়েছে ৩৬টি। মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের (এমএসএফ) মাসিক মানবাধিকার পরিস্থিতি মনিটরিং প্রতিবেদনে এই চিত্র উঠে এসেছে।

সংস্থাটি বলছে, সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও নির্যাতনের ঘটনার দ্বিগুণ বৃদ্ধি মতপ্রকাশের স্বাধীনতার জন্য গুরুতর হুমকি। পাশাপাশি জুলাই মাসে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের আওতায় মামলা ও গ্রেপ্তারও বৃদ্ধি পেয়েছে, যা অনলাইন মতপ্রকাশের ওপর চাপ বাড়ার ইঙ্গিত দেয়।

আজ শুক্রবার এমএসএফ সভাপতি সুলতানা কামালের সই করা বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। দেশের শীর্ষস্থানীয় কয়েকটি জাতীয় দৈনিক ও স্থানীয় মানবাধিকারকর্মীদের পাঠানো তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসে মব সহিংসতায় নিহত হয়েছে ৩১ জন। জুনে এই সংখ্যা ছিল ৩২। এ মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত হয়েছে ৭ জন। সংস্থাটি বলছে, রাজনৈতিক ও আইনগত পরিস্থিতি অত্যন্ত স্পর্শকাতর অবস্থায় রয়েছে। সরকার পতন-পরবর্তী মামলায় জুলাই মাসে নতুন করে ৬০০ জনকে আসামি করা হয়েছে, যদিও গ্রেপ্তারের সংখ্যা কমে ১২৬-এ দাঁড়িয়েছে। রাজনৈতিক সহিংসতায় আহতের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমলেও (৩০৩ থেকে ৯৫), নিহতের সংখ্যা সামান্য বেড়েছে। যা সংঘর্ষের ভয়াবহতা অব্যাহত থাকার প্রমাণ।

এমএসএফ বলছে, জুলাই মাসে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে ২ জনের এবং কারাগারে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদি কাঠামোগত সমস্যার ইঙ্গিত দেয়। অন্যদিকে গোলাগুলিসংক্রান্ত ঘটনায় নিহত না থাকলেও আহতের সংখ্যা এক মাসের ব্যবধানে ২ জন থেকে বেড়ে ২১ জনে পৌঁছেছে। যা নিরাপত্তা পরিস্থিতির অস্থিরতা নির্দেশ করে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অজ্ঞাতনামা ও পরিচয় শনাক্ত হওয়া লাশ উদ্ধার বড় উদ্বেগের বিষয় হিসেবে উঠে এসেছে। জুলাই মাসে মোট ৮৯টি লাশ উদ্ধার হয়েছে (অজ্ঞাত ৫৬, পরিচয় শনাক্ত ৩৩। যা আগের মাসের তুলনায় বেশি। অধিকাংশ লাশের পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় বিচারপ্রক্রিয়া ও মানবাধিকার সুরক্ষা ব্যাহত হচ্ছে। সীমান্ত পরিস্থিতি এখনো ঝুঁকিপূর্ণ। পুশ-ইন, আটক এবং বিচ্ছিন্ন হত্যার ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। সংখ্যালঘু নির্যাতন ও ধর্মীয় সহিংসতার ঘটনাও বিচ্ছিন্নভাবে ঘটেছে, যা সামাজিক সম্প্রীতির জন্য উদ্বেগজনক। অন্যদিকে, বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। জুনে বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ছিল ২ হাজার ৮৯৭ জন। জুলাইয়ে এই সংখ্যা বেড়ে ৫ হাজার ১৯৬ জনে পৌঁছেছে। এই বৃদ্ধি আইন প্রয়োগের তৎপরতা বাড়ার ইঙ্গিত দিলেও এর স্বচ্ছতা ও মানবাধিকার মানদণ্ড নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে বলে মনে করে এমএসএফ।

এমএসএফের জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতার মাসিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত জুন মাসে দেশে নারী ও শিশু নির্যাতনের মোট ৩২০টি ঘটনা পেয়েছিল তারা। জুলাই মাসে পেয়েছে ৩০৬টি। সার্বিক ঘটনা প্রায় ৪ দশমিক ৪ শতাংশ কমলেও পরিস্থিতিকে উদ্বেগজনক বলছে সংস্থাটি। তাদের পর্যবেক্ষণ হলো, মোট অপরাধ কমলেও নির্যাতনের ধরন এখন আরও বেশি নৃশংস ও জটিল রূপ নিয়েছে। এমএসএফের পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, জুলাই মাসে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে ৯০টি। জুনে এই সংখ্যা ছিল ৬৮টি। অর্থাৎ এক মাসে ধর্ষণের ঘটনা বেড়েছে প্রায় ৩৩ শতাংশ। জুনে যৌন নিপীড়ন বা হয়রানির ঘটনা ছিল ২১টি। জুলাইয়ে তা বেড়ে হয়েছে ২২টি। অন্যদিকে জুনে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছিল ১৭টি। জুলাইয়ে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮ টিতে। এক মাসে আত্মহত্যা বেড়েছে প্রায় ৬৫ শতাংশ। এমএসএফ মনে করে, ধর্ষণের মতো ঘটনা বৃদ্ধি নারী ও শিশুদের চরম নিরাপত্তাহীনতার ইঙ্গিত দেয়। আর আত্মহত্যার উচ্চ হার সামাজিক নিপীড়ন ও বিচারহীনতার মানসিক প্রতিক্রিয়া হতে পারে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১১টি নবজাতক উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৮টি ছিল মৃত, আর ৩টি জীবিত। প্রতিবেদনে বলা হয়, সাধারণত এসব ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে পুলিশ কার্যকর কোনো তদন্ত করে না। ফলে অপরাধীরা আইনের আওতার বাইরেই থেকে যায়। মৃত নবজাতকের ক্ষেত্রে পুলিশ সাধারণত অপমৃত্যুর মামলা করে। আর জীবিত নবজাতকদের সমাজসেবা অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এমএসএফের মতে, বেআইনি সালিস ও নবজাতক পরিত্যাগের ঘটনাগুলো সমাজে দায়মুক্তির সংস্কৃতিকে আরও দৃঢ় করছে।

 

আশাশুনিতে ডা. নুরুল আমিন স্মৃতি পাঠাগারের উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ১১:৫৬ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে ডা. নুরুল আমিন স্মৃতি পাঠাগারের উদ্বোধন

আশাশুনি প্রতিনিধি: জ্ঞানচর্চা ও নৈতিক মূল্যবোধ বিকাশের লক্ষ্যে সাতক্ষীরার আশাশুনিতে ‘ডা. নুরুল আমিন স্মৃতি পাঠাগার’-এর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ উপলক্ষে শুক্রবার সকালে পাঠাগার প্রাঙ্গণে প্রথম সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রফেসর আব্দুস সবুরের সভাপতিত্বে সভায় আশাশুনির গণ্যমান্য ব্যক্তি ও শিক্ষাবিদেরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে পাঠাগারটি পরিচালনার জন্য ১০১ সদস্যবিশিষ্ট একটি পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়।
নবগঠিত কমিটিতে প্রফেসর আব্দুস সবুরকে সভাপতি এবং এবিএম আলমগীর পিন্টুকে সাধারণ সম্পাদক মনোনীত করা হয়েছে। সামাজিক পাঠঅভ্যাস বৃদ্ধি, সাহিত্যচর্চা ও বইভিত্তিক বিভিন্ন শিক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করাই এই পাঠাগারের মূল উদ্দেশ্য বলে জানানো হয়।

সীমান্তে বিজিবি’র অভিযানে প্রায় ১৩ লাখ টাকার চোরাচালানি মালামাল জব্দ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ১১:৫৬ অপরাহ্ণ
সীমান্তে বিজিবি’র অভিযানে প্রায় ১৩ লাখ টাকার চোরাচালানি মালামাল জব্দ

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরা ও কলারোয়া সীমান্তে বিজিবি সদস্যরা বিশেষ চোরাচালানবিরোধী অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণের ভারতীয় ওষুধ ও মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করেছেন। ৩১ জুলাই সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়নের (৩৩ বিজিবি) অধীনস্থ তলুইগাছা, কাকডাঙ্গা ও মাদরা বিওপির একাধিক টহল দল এসব অভিযান পরিচালনা করে।

বিজিবি সূত্র জানায়, সীমান্ত পেরিয়ে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে আনা ১২ লাখ ৭৭ হাজার ৫০০ টাকা মূল্যের ভারতীয় ওষুধ ও মোবাইল পার্টস আটক করা হয়। এসব চোরাচালানি মালামাল অবৈধভাবে দেশে আসায় দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি সরকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে বিজিবির প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। সীমান্ত এলাকায় এই চোরাচালানবিরোধী নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।