বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩

সম্পাদকীয়/ প্রসঙ্গ: বিদ্যালয় মাঠে জলাবদ্ধতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ১১:২৪ অপরাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ প্রসঙ্গ: বিদ্যালয় মাঠে জলাবদ্ধতা

সামান্য বৃষ্টি হলেই সাতক্ষীরার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠ ও আশপাশের এলাকা যেভাবে জলমগ্ন হয়ে পড়ছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বিশেষ করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিশুদের যেভাবে হাঁটুসমান পানি মাড়িয়ে, প্যান্ট গুটিয়ে ক্লাসে যেতে হচ্ছে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। জলাবদ্ধতার কারণে শিশুদের বই-খাতা ও স্কুলব্যাগ ভিজে যাওয়ার পাশাপাশি তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকিও চরমভাবে বাড়ছে। একটি সুস্থ ও সুন্দর পরিবেশে পড়াশোনা করা প্রতিটি শিশুর মৌলিক অধিকার। কিন্তু সাতক্ষীরার এই চিত্রটি প্রমাণ করে যে, মাঠপর্যায়ে আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামোগত দেখভালের ক্ষেত্রে কতটা উদাসীনতা রয়েছে।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার দক্ষিণ দেবনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং শ্যামনগরের ১৪৯ নম্বর শ্রীফলকাটি পশ্চিমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চিত্রটি মূলত একটি ব্যাপক সমস্যার খ-চিত্র মাত্র। দক্ষিণ দেবনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠটি নিচু হওয়ায় প্রতি বছর বর্ষায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এমনকি বিদ্যালয়ের শৌচাগারে যাওয়ার পথটিও পানির নিচে তলিয়ে থাকায় শিশুরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। এই দুরবস্থা থেকে মুক্তি পেতে বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা মাসের পর মাস ধরে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত আবেদন জানালেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বছরের পর বছর ধরে একই সমস্যার পুনরাবৃত্তি প্রশাসনের দায়িত্বশীলতার ওপর বড় প্রশ্নচিহ্ন খাড়া করে।

বর্তমান সরকার প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন, শতভাগ ভর্তি নিশ্চিতকরণ এবং শিশুদের খেলাধুলার উপযুক্ত পরিবেশ তৈরিতে নানামুখী অগ্রাধিকার দিচ্ছে। কিন্তু যদি একটি বিদ্যালয়ের মাঠই বছরের কয়েক মাস পানির নিচে তলিয়ে থাকে, তবে সেখানে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় থাকা অসম্ভব। জলাবদ্ধতার কারণে অনেক অভিভাবক বাধ্য হয়ে শিশুদের বিদ্যালয়ে পাঠানো বন্ধ করে দিচ্ছেন, কেউবা চরম ঝুঁকি নিয়ে সন্তানদের স্কুলে পৌঁছে দিচ্ছেন। এভাবে চলতে থাকলে ঝরে পড়ার হার বাড়ার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

শিক্ষকদের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পানি নিষ্কাশনের স্থায়ী ব্যবস্থা এবং মাঠ ভরাটের জন্য বারবার যে আকুতি জানানো হচ্ছে, তা অবিলম্বে আমলে নেওয়া দরকার। কেবল আশ্বাসের বৃত্তে আটকে না রেখে, দ্রুততম সময়ের মধ্যে এসব বিদ্যালয়ের মাঠ ভরাট এবং পানি অপসারণের জন্য প্রয়োজনীয় ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। আমরা আশা করি, সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন ও প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ দ্রুত সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। শিশুদের কষ্ট লাঘব করে জেলার প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অবিলম্বে পড়াশোনা ও খেলাধুলার নিরাপদ পরিবেশ ফিরিয়ে আনা হোক।

Ads small one

ভোমরায় ছাদ ভেঙে যুবক নিহত, আহত ৩

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬, ১:২৯ পূর্বাহ্ণ
ভোমরায় ছাদ ভেঙে যুবক নিহত, আহত ৩

পত্রদূত রিপোর্ট : সাতক্ষীরার ভোমরায় ফুটবল খেলা দেখার সময় একটি কবরস্থানের গেটের ছাদ ভেঙে পড়ে সজিব হোসেন (১৭) নামে এক যুবক নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আরও তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেল পৌনে ৬টার দিকে ভোমরা বলফিল্ডের পাশে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

 

নিহত সজিব হোসেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভোমরা গ্রামের আবুল হাসানের ছেলে।

দুর্ঘটনায় আহতরা হলেন—একই এলাকার আশিক, জয় ও তাজিম। তাঁদের উদ্ধার করে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভোমরা বলফিল্ডে ‘এভারগ্রিন ক্লাব’-এর উদ্যোগে একটি ফুটবল টুর্নামেন্ট চলছিল। সজিব তার তিন বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে মাঠের পাশে অবস্থিত একটি কবরস্থানের গেটের ছাদের নিচে দাঁড়িয়ে খেলা দেখছিলেন। বিকেল পৌনে ৬টার দিকে হঠাৎ গেটের ছাদটি ভেঙে তাদের ওপর পড়ে। এতে ছাদের নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই সজিবের মৃত্যু হয় এবং তার তিন বন্ধু গুরুতর আহত হন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনায় আহত আশিকের একটি পা, তাজিমের কোমরের হাড় এবং জয়ের একটি হাত ভেঙে গেছে। বর্তমানে তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

 

সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাঃ মাসুদুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

 

৮ কোটি টাকা বিতরণে ৫৩ কোটি ব্যয়: সেই বিতর্কিত প্রকল্প বাতিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬, ১:২৪ পূর্বাহ্ণ
৮ কোটি টাকা বিতরণে ৫৩ কোটি ব্যয়: সেই বিতর্কিত প্রকল্প বাতিল

ন্যাশনাল ডেস্ক: জলবায়ু উদ্বাস্তু ও অসহায় মানুষের সহায়তার নামে প্রস্তাবিত সমাজসেবা অধিদপ্তরের ‘ইন্টিগ্রেট’ শীর্ষক বিতর্কিত প্রকল্পটি বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বর্তমান সরকার। অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে প্রস্তাবিত প্রকল্পে মাত্র ৮ কোটি টাকা সহায়তা বিতরণের বিপরীতে ৫৩ কোটি টাকা প্রশাসনিক ও পরামর্শক ব্যয়ের অস্বাভাবিক প্রস্তাব নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

পরিকল্পনা কমিশনের প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভায়ও এ প্রকল্পের অস্বাভাবিক ব্যয় কাঠামো নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন তুলে বাতিলের পক্ষে মতামত দেওয়া হয়। এর আগে রোববার (০৫ জুলাই) একটি জাতীয় পত্রিকায় ‘৮ কোটি টাকা বিতরণে খরচ ৫৩ কোটি!’ শিরোনামে সংবাদ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিভিন্ন মহলে সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

 

বৃহস্পতিবার (০৯ জুলাই) এ বিষয়ে জানতে চাইলে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন পুতুল বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া ওই প্রকল্পটি বাতিল করা হয়েছে।’ জার্মান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জিআইজেড) অর্থায়নে বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ৬১ কোটি টাকার প্রস্তাবিত প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে পাঠায় সমাজসেবা অধিদপ্তর। পরে প্রকল্পটি যাচাইবাছাই করে গত ৫ জুলাই প্রকল্পটির ওপর মূল্যায়ন কমিটির সভা (পিইসি) অনুষ্ঠিত হয়। আর্থসামাজিক অবকাঠামো বিভাগের সদস্যের (সচিব) সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই সভার নোটিশ জারি করা হয় চলতি বছরের ২৪ জুন। সভায় পরিকল্পনা কমিশন ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভায় অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত ব্যক্তিদের নগর একীভূতকরণ সক্ষমতা শক্তিশালীকরণ এবং স্বাগতিক সম্প্রদায়কে সহায়তা প্রদান (ইন্টিগ্রেট) প্রস্তাবিত প্রকল্পের বিভিন্ন খাতে অপ্রয়োজনীয় এবং অস্বাভাবিক ব্যয় নির্ধারণ নিয়ে নানা প্রশ্ন তোলা হয়। প্রকল্পের ব্যয় কাঠামো এবং উপকারভোগী বাছাইয়ের অস্বচ্ছতা নিয়েও ব্যাখ্যা চাওয়া হয়। বিশেষ করে প্রকল্পের আওতায় অত্যধিক পরামর্শ নিয়োগ ও ব্যয় এবং বিদেশ ভ্রমণসহ অন্যান্য খাতের ব্যয়কে অস্বাভাবিক ও অগ্রহণযোগ্য বলে উল্লেখ করে অনুমোদন না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

পিইসি সভার আগে একই দিন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সমাজসেবা অধিদপ্তরের প্রস্তাবিত প্রকল্পটি বাতিলের বিষয়ে আলোচনা হয়। যার প্রতিফলন ঘটে পরিকল্পনা কমিশনের পিইসি সভায়। মন্ত্রণালয়ে আপত্তি এবং প্রকল্পের ব্যয় কাঠামোসহ নানা অসংগতি থাকায় শেষ পর্যন্ত প্রকল্পটি বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

পিইসি সভায় বাতিলের সিদ্ধান্ত হলেও আনুষ্ঠানিক রেজল্যুশন বা কার্যবিবরণী চূড়ান্ত হয়নি। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন, এ ধরনের ব্যয় কাঠামো অনুমোদনের সুযোগ নেই। এমনকি সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকেও প্রকল্পটি বাতিলের নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।

সভায় উপস্থিত এক কর্মকর্তা বলেন, ‘প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য খরচের চেয়ে আনুষঙ্গিক খাতে ব্যয় কয়েকগুণ বেশি হওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ছাড়া প্রকল্পের সময়সীমা বা টাইমিং নিয়েও সভায় গুরুতর প্রশ্ন তোলা হয়েছে। যদিও দাপ্তরিক রেজল্যুশন বা কার্যবিবরণী এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে এ প্রকল্পটি অনুমোদনের সুযোগ কম।’ প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়, প্রস্তাবিত এ প্রকল্পের মোট বাজেট ধরা হয়েছিল ৬১ কোটি ২৯ লাখ ৬৪ হাজার টাকা।

 

যার লক্ষ্য খুলনা, সাতক্ষীরা, রাজশাহী ও সিরাজগঞ্জের ৩০০ জন অসহায় মানুষকে ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য অনুদান দেওয়া। তবে এ বাজেটের মধ্যে প্রকৃত অভাবী মানুষের হাতে অনুদান হিসেবে পৌঁছানোর কথা ছিল মাত্র ৮ কোটি ১০ লাখ ৯০ হাজার টাকা, যা মোট বাজেটের মাত্র ১৩ দশমিক ২৩ শতাংশ। বাকি ৫৩ কোটি ১৮ লাখ ৭৪ হাজার টাকা রাখা হয়েছিল কর্মকর্তাদের ব্যবস্থাপনা খরচ, অফিস ভাড়া, বিদেশ ভ্রমণ ও পরামর্শকদের পেছনে।

প্রকল্পের নথিপত্র বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদনে বলা হয়, মাত্র ৩০০ জন দরিদ্র মানুষের জন্য পরামর্শ দেশি-বিদেশি পরামর্শকদের পেছনে ব্যয় ধরা হয় ২৯ কোটি ৬২ লাখ টাকা। এ ছাড়া ব্যবস্থাপনা চার্জ ও অফিস ভাড়া বাবদ প্রায় ১৩ কোটি ২৭ লাখ টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে। সরকারের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণে ৩ কোটি ৫১ লাখ টাকা এবং অভ্যন্তরীণ ভ্রমণে ১ কোটি ২৭ লাখ ৭৬ হাজার টাকা বরাদ্দেরও প্রস্তাব করা হয়েছে।

 

ছেলে কারাগারে, খবর শুনে মায়ের মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬, ১২:৫৪ পূর্বাহ্ণ
ছেলে কারাগারে, খবর শুনে মায়ের মৃত্যু

কপিলমুনি (পাইকগাছা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছায় আলোচিত হাসান হত্যা মামলার কাউন্টার (পাল্টা) মামলায় ছেলে গ্রেপ্তার হওয়ার খবর শুনে স্ট্রোক করে মারা গেছেন ছবিতে বেগম (৬৫) নামের এক বৃদ্ধা। বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে উপজেলার কালিদাসপুর গ্রামে নিজ বাড়িতে তাঁর মৃত্যু হয়। ছবিরন বেগম মৃত আনার সরদারের স্ত্রী।
পারিবারিক সূত্র জানায়, গত ৭ জুন হাসান সরদার নামের এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় হাসানের বাবা বাদী হয়ে ১০ জনের নামে মামলা করেন। পরবর্তীতে আসামিপক্ষ নিজেদের ঘর পুড়িয়ে নিহত হাসানের পরিবারের ১২ জনের নামে পাল্টা মামলা করে। সেই মামলায় গত ২ জুলাই ছবিরন বেগমের ছেলে সালাম সরদারসহ অন্য আসামিরা আদালতে হাজিরা দিলে বিচারক তাঁদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠান। ছেলে কারাগারে—এই খবর জানার পর থেকেই ছবিরন বেগম তীব্র মানসিক শান্তিতে ভুগছিলেন এবং বুধবার সন্ধ্যায় তিনি মারা যান।