সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ২:২৬ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত

পত্রদূত ডেস্ক: সোমবার (১৮ মে ২০২৬) সাতক্ষীরা পুলিশ লাইন্স ড্রিলসেডে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত কল্যাণ সভায় সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার আবু সালেহ মোঃ আশরাফুল আলম।

কল্যাণ সভায় পুলিশ সুপার সকল পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যদের বিভিন্ন সমস্যার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং অধিকাংশ সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধানসহ বাকি সমস্যার দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন। পুলিশ সুপার সকল অফিসার ফোর্সদের উদ্দেশ্যে সার্ভিসরুলস মেনে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে ডিউটি করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন। মেসে উন্নত খাবার পরিবেশন, ড্রেসরুলস মেনে পোশাক পরিধান করা, ছুটি ও টিএ বিলে ন্যায্যতা রাখা, স্বাস্থ্য সচেতনতা, ব্যক্তিগত ও আবাসস্থলের পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, বিদ্যুৎ এর সঠিক ব্যবহার এবং জনসাধারণের সাথে উত্তম ব্যবহারসহ বিভিন্ন দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।

পরবর্তীতে নির্দিষ্ট ক্যাটাগরিতে ভালো কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যদের নগদ অর্থ ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

এরআগে সভার শুরুতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ শাহীনুর চৌধুরী বিগত মাসের কার্যবিবরণীর গৃহীত সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন পর্যালোচনা করেন এবং চলতি মাসে পুলিশ সদস্যদের বিভিন্ন আবেদনসমূহ উপস্থাপন করেন।


সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) এসএম রাজু আহমেদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) মোঃ আমিনুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মিথুন সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কালিগঞ্জ সার্কেল) মোঃ রাজীব, সহকারী পুলিশ সুপার (দেবহাটা সার্কেল) মোঃ বায়েজীদ ইসলাম, সহকারী পুলিশ সুপার (তালা সার্কেল) শেখ মোহাম্মদ নূরুল্লাহ, সহকারী পুলিশ সুপার (শিক্ষানবিশ) খালিদ মোঃ আরাফাত, সহকারী পুলিশ সুপার (শিক্ষানবিশ) মোঃ ইমরান খান, ডাঃ আবু হোসেনসহ সকল থানার অফিসার ইনচার্জগণ, ডিআইও-১, টিআই (অ্যাডমিন) এবং জেলা পুলিশের সকল পদমর্যাদার সদস্যবৃন্দ।

Ads small one

সাতক্ষীরার তালায় মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে বৃত্তি ও ক্রেস্ট প্রদান অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৪:৩৮ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরার তালায় মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে বৃত্তি ও ক্রেস্ট প্রদান অনুষ্ঠিত

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার তালা উপজেলার কাশীপুর ইসলামীয়া দাখিল মাদ্রাসার কৃতি ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি ও ক্রেস্ট প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৮ মে) বেলা ১১টায় মাদ্রাসার হলরুমে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শেখ মোকছেদ আলী কল্যাণ ট্রাস্টের সভাপতি শেখ মফিজুল ইসলাম। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মাছরাঙা টেলিভিশনের জেলা রিপোর্টার মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জ্বল।

বক্তারা বলেন, “শিক্ষাই মানুষকে আলোকিত করে। মেধাবীদের উৎসাহিত করতে এমন আয়োজন সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।”

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কাশীপুর ইসলামীয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার শেখ মমিনউদ্দীন, বিশিষ্ট সমাজসেবক মঞ্জুরুল ইসলাম, শেখ মুকিতুজ্জামান রুবেল, হাফেজ আব্দুর রাকিব, সমাজসেবক রবিউল ইসলাম, অভিভাবক মোক্তার হোসেন, সাংবাদিক রিয়াজুল ইসলাম রানা ও গোলাম মোস্তফা প্রমুখ।

বক্তারা শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষা, মানবিক মূল্যবোধ ও আধুনিক শিক্ষায় এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। তারা বলেন, মেধাবী শিক্ষার্থীদের যথাযথ মূল্যায়ন ও উৎসাহ প্রদান করলে ভবিষ্যতে তারা দেশ ও সমাজের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে।

অনুষ্ঠানে ১৫ জন মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীকে শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হয় এবং বৃত্তিপ্রাপ্তদের মধ্য থেকে ৩ জনকে বিশেষ সম্মাননা হিসেবে ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়। পরে অতিথিবৃন্দ শিক্ষার্থীদের হাতে বৃত্তির অর্থ ও ক্রেস্ট তুলে দেন।
এ সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।

 

খুলনা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে মালখানায় রক্ষিত নিলাম বিজ্ঞপ্তি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৪:৩২ অপরাহ্ণ
খুলনা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে মালখানায় রক্ষিত নিলাম বিজ্ঞপ্তি

চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট, খুলনার মালখানায় রক্ষিত নিলামযোগ্য আলামতসমূহ প্রকাশ্যে নিলাম বিক্রয়ের নিমিত্ত আগামী ২৩ মে ২০২৬ তারিখ বিকাল সাড়ে তিনটায় চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত খুলনা প্রাঙ্গণে (অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এজলাস কক্ষে) নিলাম কমিটির উপস্থিতিতে প্রকাশ্যে নিলাম ডাক অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত তারিখ ও সময়ে আগ্রহী ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানকে নিলাম ডাকে অংশগ্রহণ করার অনুরোধ করা হলো।

নিলামে বিক্রিত আলামতের বর্ণনা সিএমআর-৭৭৪৩/২৬ (মালখানা), দাকোপ থানার মামলা নং-০৫, তারিখ ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখ ধারা-৩৭৯/৪১১ পেনাল কোড জিআর-১০/২৬, তিনটি ছোট তেল রাখার ক্যানে রক্ষিত ১০৮ লিটার ডিজেল। সিএমআর-৭৭৪৯/২৬ (মালখানা), দাকোপ থানার মামলা নং-০৪, তারিখ ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখ ধারা-৩৭৯/৪১১ পেনাল কোড, জিআর-০৯/২৬, তিনটি ব্যারেলে ও দুইটি কন্টেনারে রক্ষিত ৬৪৩ লিটার ডিজেল এবং একটি ছোট ড্রামে ২৪ লিটার মবিল।

নিলামের শর্তাবলী: অগ্রহী ক্রেতাগণের সম্মুখে আগামী ২৩ মে বিকাল সাড়ে তিনটায় চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত খুলনা প্রাঙ্গণে (অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এজলাস কক্ষে) প্রকাশ্য নিলাম অনুষ্ঠিত হবে; নিলামে অংশগ্রহণের জন্য আগ্রহী ব্যক্তিদের ২০ টাকা (অফেরতযোগ্য) রেজিস্ট্রেশন ফি মালখানায় জমা প্রদান করতে হবে, নিলামে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিদের নিলাম ডাকের পূর্বে ১০ হাজার টাকা (অফেরতযোগ্য) জামানত স্বরূপ ইনচার্জ, মালখানার নিকট জমা প্রদান করতে হবে। জামানতের টাকা জমা প্রদান না করলে উক্ত ব্যক্তি নিলাম ডাকে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।

 

আগ্রহী ক্রেতাগণের মধ্যে থেকে নিলাম মালের সর্বোচ্চ ডাক প্রস্তাবকারীগণকে মূল্য পরিশোধের জন্য সর্বাগ্রে আহবান করা হবে; মনোনীত ক্রেতাকে ক্রয়-মূল্যের ওপর বিধি মোতাবেক ভ্যাট ও আয়করসহ সমুদয় অর্থ চালানযোগে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা প্রদান করতে হবে; চালান, ভ্যাট ও আয়করের মূল কপি দাখিল সাপেক্ষে বিক্রিত মালের মালিকানা এবং দখল হস্তান্তর করা হবে; আদালতের কোন কর্মচারী নিলাম ডাকে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না; এই নিলাম প্রসঙ্গে ভিন্নতর কোন আদেশ/বিজ্ঞপ্তি না হওয়া পর্যন্ত অত্র আদেশ বলবৎ থাকবে; নিলামকারী কর্তৃপক্ষ অনিবার্য কারণবসত নিলাম বাতিল করতে পারবেন; নিলাম সংক্রান্ত যেকোন কার্যক্রমে কোন ধরণের বিশৃঙ্খলা করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে; অংশগ্রহণকারীগণ জাতীয় পরিচয়পত্রসহ উপস্থিত থাকবেন; প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ট্রেড লাইসেন্সসহ উপস্থিত থাকতে হবে।

 

নিলামে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিবর্গ নিলাম ডাকের পূর্বেই নিজ নিজ জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, রেজিস্ট্রেশন ফি ও জামানতের টাকা ইনচার্জ মালখানার নিকট জমা প্রদান করতে হবে। অন্যথায় উক্ত ব্যক্তি নিলাম ডাকে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। নিলামে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিদের আলামতের প্রদর্শনের জন্য ২১ মে ২০২৬ তারিখ বেলা দুইটার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

প্রয়োজনে ০১৩২০-১৪০৪৩১ নম্বরে যোগাযোগ করা যেতে পারে। নিলামক্রেতা ২৪ ঘন্টার মধ্যে নিলামে বিক্রিত অর্থ জেলা কোর্ট, মালখানায় জমা প্রদান করতে হবে। টাকা জমা প্রদান করতে ব্যর্থ হলে নিলামক্রেতার জামানত বাজেয়াপ্ত হবে এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নিলাম ডাককারীর নিকট নিলামে বিক্রিত মালামাল হস্তান্তর করা হবে।

খুলনা অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও নিলাম বিক্রয় সংক্রান্ত কমিটির সভাপতি মোঃ ফারুক আযম স্বাক্ষরিত এক নিলাম বিজ্ঞপ্তিতে এ সকল তথ্য জানানো হয়েছে। তথ্যবিবরণী

সাতক্ষীরায় বিলুপ্তির পথে ঐতিহ্যবাহী ধানের গোলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৩:০৪ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় বিলুপ্তির পথে ঐতিহ্যবাহী ধানের গোলা

আরিফ মাহমুদ: আধুনিক ইমারতের যুগে বিলুপ্তির পথে ঐতিহ্যবাহী ধানের গোলা ঘর। সাতক্ষীরা জেলায় প্রায় শূন্য হয়ে পড়ছে গ্রাম বাংলার নিদর্শন ধানের গোলা।

কয়েক যুগ আগেও গ্রামাঞ্চলের অনেকের কৃষকের বাড়িতে ধান রাখার জন্য ধানের গোলা থাকতো। সেটি এখন অনেকটা স্মৃতি। মাঠের পর মাঠ ধান ক্ষেত থাকলেও অধিকাংশ কৃষকের বাড়িতে নেই ধান মজুদ করে রাখা বাঁশের তৈরী গোলাকৃতির ধানের গোলা। একসময় কন্যা পাত্রস্থ করতে বর পক্ষের বাড়িতে ধানের গোলার খবর নিতো কন্যা পক্ষের বাড়ির লোকজন। যা এখন শুধু রূপকথা।

প্রবীন ব্যক্তি আনোয়ার হোসেন, রহিমা খাতুনসহ অনেকে জানান, গ্রামাঞ্চলে বাড়িতে বাড়িতে বাঁশ-চটা দিয়ে গোল আকৃতির তৈরী করা ধানের গোলা উঁচুতে বসানো হতো। গোলার মাথায় থাকতো টিন বা খড়ের ছাউনি। ছাউনি দেয়া হতো পিরামিড আকৃতির টাওয়ারের মতো। সর্বোচ্চ দুই হাতের মতো ছোট চতুর্ভূজ আকৃতির গোলার প্রবেশ মুখ বা দরজা রাখা হতো। সেটাও আবার গোলার উপরের দিকে, যেন কেউ সহজে চুরি করতে না পারে। ওই মুখ বা দরজা দিয়ে গোলার ভিতরে শুকনো ধান রাখা হতো ও পরবর্তীতে বাহির করা হতো।

তারা আরো জানান, সেসময় ধানের গোলা তৈরীর জন্য বিভিন্ন এলাকায় দক্ষ কারিগর ছিল। এখন গোলাও নেই, বাধ্য হয়ে গোলা নির্মানের কারিগরও সেই পেশা ছেড়ে অন্য পেশায় নিয়োজিত হয়েছেন।

তারা বলেন, গোলা সংষ্কারের জন্য বাঁশ-চটার চেয়ে কারিগর পাওয়া দুষ্কর হয়ে পড়ায় ধানের গোলা অবশিষ্ট থাকছে না। যাদের গোলা ছিলো এখন তাদের কেউ কেউ সেটি ব্যবহার বা স্মৃতি হিসেবে রাখলেও বেশির ভাগ পরিবারেই ধানের গোলা ভেঙ্গে অপসারণ করে ফেলেছে। এখন আর কেউ গোলায় ধান রাখে না। এর পরিবর্তে ইট-বালু-সিমেন্টের তৈরী পাকা ঘরে ধান রাখে বা আড়তদারদের নিকট বিক্রি করে দেয়।

তবে কালের সাক্ষী হয়ে আজও ধান রাখার গোলা রেখে স্মৃতি বহন করছেন যারা তাদেরই মধ্যে কলারোয়া উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের মোড়ল বাড়ির কৃষকরা। ওই গ্রামের কৃষক আব্দুর রশিদ জানান, ‘আমার দাদা, তারপর আমার বাপ-চাচারা ধানের গোলায় ধান রাখলেও এখন গোলার চলন নেই। তবে আমরা সেই গোলার স্মৃতি বহন করে চলেছি। এখন আর ধান গোলায় রাখা হয় না, বস্তাভর্তি করে গুদাম ঘরে রেখে দেয়া হয়।’

আগামি প্রজন্মের কাছে ধানের গোলা ঘর স্মৃতিতে পরিণত হচ্ছে। আধুনিক গুদাম ঘর ধান-চাল রাখার জায়গা দখল করছে। ফলে গোলা ঘরের ঐতিহ্য হারিয়ে যাচ্ছে।