রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

তালা উপজেলার শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক হলেন আবদুল মজিদ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ১১:২৭ অপরাহ্ণ
তালা উপজেলার শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক হলেন আবদুল মজিদ

তালা প্রতিনিধি: তালা উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন মো. আবদুল মজিদ। তিনি উপজেলার ধানদিয়া ইউনিয়নের ৯৯ নম্বর ঝড়গাছা দৌলতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন। রবিবার (১৭ মে) দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে ‘উপজেলা শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক বাছাই কমিটি’র চূড়ান্ত যাচাই-বাছাই শেষে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ অবদান, নিষ্ঠা, দায়িত্বশীলতা এবং পেশাগত দক্ষতার স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে এই সম্মানে ভূষিত করা হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ উদযাপনের অংশ হিসেবে আজ প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার ও অন্যান্য নথিপত্র মূল্যায়ন করা হয়। বাছাই কমিটির এই কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রতিনিধি রাহাত খান, উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা বাবলুর রহমান, উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের (ইউআরসি) ইন্সট্রাক্টর মো. ইমান উদ্দীন এবং উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার ও মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা প্রভাষ কুমার দাশ।
উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক নির্বাচিত হওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় মো. আবদুল মজিদ তাঁর অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, “এই স্বীকৃতি শুধু আমার একার নয়; এটি আমার বিদ্যালয়ের প্রতিটি সহকর্মী, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের ভালোবাসা ও সহযোগিতার ফল। শিক্ষকতা আমার কাছে কেবল একটি পেশা নয়, এটি একটি বড় দায়িত্ব এবং অঙ্গীকার। শিক্ষার্থীদের মাঝে জ্ঞান, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ ছড়িয়ে দিতে পারাটাই আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। এই সম্মান আমাকে ভবিষ্যতে আরও নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে অনুপ্রাণিত করবে।”আবদুল মজিদ শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক নির্বাচিত হওয়ায় ঝড়গাছা দৌলতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক, পরিচালনা পর্ষদ ও অভিভাবকেরা তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

Ads small one

শেড নেই পারুলিয়ার পশুরহাটে, গরমে ভুগছেন খামারি ও ক্রেতারা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ১২:৫৮ পূর্বাহ্ণ
শেড নেই পারুলিয়ার পশুরহাটে, গরমে ভুগছেন খামারি ও ক্রেতারা

পত্রদূত রিপোর্ট: পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ পশুর হাট সাতক্ষীরার দেবহাটার পারুলিয়া বাজারে বেচাকেনা জমে উঠতে শুরু করেছে। তবে হাটে কোনো শেড (ছাউনি) বা ছায়াযুক্ত স্থান না থাকায় তীব্র গরমে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন খামারি ও ক্রেতারা। ছায়া দেওয়ার মতো গাছগুলো মরে যাওয়ায় সকাল থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত তীব্র রোদে মাঠ উত্তপ্ত থাকে। প্রচ- গরমে অনেক পশু অসুস্থ হয়ে পড়ছে। এই পরিস্থিতিতে বড় আকারের গরু নিয়ে হাটে আসতে চাচ্ছেন না দূর-দূরান্তের খামারিরা।
রবিবার (১৭ মে) পারুলিয়া পশুরহাট ঘুরে দেখা যায়, অন্য বছরের তুলনায় এবার বিশালাকৃতির গরুর উপস্থিতি বেশ কম। হাতে গোনা কয়েকটি বড় গরু হাটে তোলা হলেও কাঙ্ক্ষিত দাম মিলছে না। খামারিরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা রোদে দাঁড়িয়ে থেকেও ক্রেতা পাচ্ছেন না। তীব্র রোদের কারণে অনেকে লোকসান দিয়ে বাড়ি থেকেই গরু বিক্রি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা ও বিক্রি বেশি। এবার মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের প্রধান ঝোঁক ছোট ও মাঝারি পশুর দিকে। হাটে গরুর আকার ও মানভেদে ৭০ হাজার থেকে সাড়ে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত দাম হাঁকা হচ্ছে। এছাড়া মাঝারি আকারের খাসি ১২ থেকে ১৫ হাজার এবং বড় আকারের খাসি ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।
হাটে আসা খামারি ও বিক্রেতারা জানান, গো-খাদ্যের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় এবার পশু পালনে খরচ অনেক বেশি হয়েছে। সেই তুলনায় হাটে কাক্সিক্ষত দাম মিলছে না। তবে ঈদের আগে সীমান্ত দিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে গরু না এলে শেষ মুহূর্তে ভালো দাম পাওয়ার আশা করছেন তাঁরা। অন্যদিকে ক্রেতারা অভিযোগ করেন, গত বছরের তুলনায় এবার পশুর দাম কিছুটা বেশি, যার কারণে সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে বাজার। অনেকেই বাজেট মেলাতে না পেরে গরুর বদলে ছাগল কেনার দিকে ঝুঁকছেন।
সার্বিক ব্যবস্থাপনার বিষয়ে পারুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক বাবু বলেন, “ক্রেতা-বিক্রেতারা যাতে শান্তিপূর্ণভাবে কেনাবেচা করতে পারেন, সেজন্য বাজারে গ্রাম পুলিশ ও পর্যাপ্ত স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করা হয়েছে। এছাড়া তীব্র গরমে কোনো পশু অসুস্থ হয়ে পড়লে তাৎক্ষণিক চিকিৎসার জন্য প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম হাটে সার্বক্ষণিক কাজ করছে।”
সার্বিক নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার বিষয়ে দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিলন সাহা বলেন, “হাটে জাল টাকা সরবরাহকারী বা প্রতারক চক্রের তৎপরতা ঠেকাতে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি রয়েছে। সব ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে এবং ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের নিয়মিত টহল টিম মোতায়েন করা হয়েছে।”

 

 

 

 

চাঁদাবাজির অভিযোগ মিথ্যা, বায়নাকৃত জমি রেজিস্ট্রি নিয়ে তালবাহানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ১২:৫৭ পূর্বাহ্ণ
চাঁদাবাজির অভিযোগ মিথ্যা, বায়নাকৃত জমি রেজিস্ট্রি নিয়ে তালবাহানা

কলারোয়া প্রতিনিধি: জমির বায়নার টাকা পরিশোধের পরও জমি রেজিস্ট্রি করে না দিয়ে উল্টো মিথ্যা চাঁদাবাজির অভিযোগ তোলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন কলারোয়া পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ শরিফুজ্জামান তুহিন। রবিবার (১৭ মে) সন্ধ্যায় কলারোয়া প্রেস ক্লাবে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। লিখিত বক্তব্যে শরিফুজ্জামান তুহিন বলেন, কলারোয়া বলফিল্ড ময়দান সংলগ্ন ৬০ লাখ টাকা মূল্যের ৩.৫ শতক জমি কেনার জন্য তিনি জমির মালিক মুত্তাকিম বিল্লাহ ও মাসুম বিল্লাহকে বায়না বাবদ ৪৫ লাখ টাকা প্রদান করেন। ২০২৪ সালে বায়নাকৃত এই টাকা পরিশোধের বিষয়টি অ-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পেও লিখিত রয়েছে এবং জমিটি বর্তমানে তাঁর দখলেই আছে।
পৌর বিএনপির এই নেতা অভিযোগ করেন, বায়নার টাকা নেওয়ার পর থেকেই জমিটি রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার বিষয়ে মালিকপক্ষ তালবাহানা শুরু করে। এ নিয়ে কয়েক দফা সালিশি বৈঠক হলেও তারা কেবল সময় ক্ষেপণ করে আসছে।
বিএনপি নেতার দাবি, “হঠাৎ করেই গত শনিবার রাতে জমির মালিকের স্ত্রী পরিচয়ে একজন নারী আমার বিরুদ্ধে ৪৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। মূলত আমার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ও সামাজিক সুনাম ক্ষুণ্ন করতেই এই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নাটক সাজানো হয়েছে।”
শেখ শরিফুজ্জামান তুহিন সাংবাদিকদের মাধ্যমে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বায়নাকৃত জমি দ্রুত রেজিস্ট্রি করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন কলারোয়া পৌর বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি আখলাকুর রহমান শেলী, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম রসুল, কলারোয়া বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি শওকত হোসেন, বিএনপি নেতা আমানুল্লাহ আমান, খালিদ খান, আব্দুস সালাম দিলু এবং শিক্ষক নেতা মোস্তফা বাকীবিল্লাহসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

হরিণের মাংসসহ আটক ব্যক্তিকে ঘুষ নিয়ে ছেড়ে দেওয়ায় ২ কনস্টেবল প্রত্যাহার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ১২:৫২ পূর্বাহ্ণ
হরিণের মাংসসহ আটক ব্যক্তিকে ঘুষ নিয়ে ছেড়ে দেওয়ায় ২ কনস্টেবল প্রত্যাহার

পত্রদূত ডেস্ক: খুলনার ডুমুরিয়ায় ১৫ কেজি হরিণের মাংসসহ এক ব্যক্তিকে আটকের পর ৭০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দুই পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে। এই অভিযোগে রবিবার (১৭ মে) দুপুরে মাদারতলা পুলিশ ফাঁড়ির দুই কনস্টেবলকে সাময়িকভাবে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করে খুলনা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।
খুলনা জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) তাজুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক আদেশে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। প্রত্যাহার হওয়া দুই পুলিশ সদস্য হলেন—কনস্টেবল মো. মাইনুল ইসলাম ও কনস্টেবল মো. মুছাব্বির হোসেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১২ মে দুপুরে ডুমুরিয়ার মাদারতলা এলাকার একটি টাওয়ারের পাশ থেকে ১৫ কেজি হরিণের মাংসসহ সুফল মন্ডল নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেন ওই দুই কনস্টেবল। পরে মামলার ভয় দেখিয়ে সুফলের কাছ থেকে ৭০ হাজার টাকা ঘুষ নেন তাঁরা। টাকা নেওয়ার পর জব্দ করা হরিণের মাংস নিজেরা ভাগাভাগি করে নিয়ে সুফলকে ছেড়ে দেন ওই দুই কনস্টেবল।
ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। সুফল মন্ডলের স্বজনদের দাবি, বিষয়টি নিয়ে চতুর্মুখী চাপ তৈরি হলে অভিযুক্ত দুই পুলিশ সদস্য গত শনিবার সুফলের পরিবারের কাছে ৪০ হাজার টাকা ফেরত দিয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে ডুমুরিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আছের আলী শনিবার রাতেই মাদারতলা ফাঁড়ি পরিদর্শন করেন এবং ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পান।
খুলনার পুলিশ সুপার তাজুল ইসলাম বলেন, “আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে হরিণের মাংসসহ আটক এক ব্যক্তিকে ছেড়ে দেওয়ার একটি অভিযোগ আমরা পেয়েছি। প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা মেলায় ওই দুই কনস্টেবলকে সাময়িকভাবে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। বিষয়টি এখন পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযোগ পুরোপুরি প্রমাণিত হলে তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”