বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

আমি এখনো আছি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১:০১ পূর্বাহ্ণ
আমি এখনো আছি

আসাদ মান্নান
শরীরটা আজ সমুদ্রের মতো উথাল-পাথাল,
ভেতরে জমে থাকা যত পুরনো ভয়
নোনা জলের মতো বেরিয়ে যেতে চাইছে।
আমি টের পাই,
আমার বুকের ভেতর একটা ছোট্ট ঘর আছে,
সেখানে কেউ বাতি নিভতে দিচ্ছে না Ñ
সে ঘরের নাম কবিতা।
দেয়াল গলে যাচ্ছে, জানালা উড়ে যাচ্ছে,
ছাদ নেমে আসছে কপাল ছুঁতে,
তবু সেই বাতিটা জ্বলছে,
আমি ওই আলোর দিকে তাকিয়ে
আরও একটা সকাল ধার নিচ্ছি।
মা যেমন জ্বরের কপালে হাত রাখে,
তেমনি একটা অদৃশ্য হাত আমার কপালে Ñ
বলছে, যেও না,
এখনো অনেক পঙক্তি বাকি।
আমি যাবো না।
এই তোলপাড়, এই নিঃসঙ্গ বিছানা, এই দীর্ঘ প্রহর পেরিয়ে
আমি একটা শব্দকে বাঁচিয়ে রাখবো Ñ
যে শব্দের মানে, আমি আছি,
এখনো আছি।

Ads small one

যুদ্ধের ক্ষত শুধু মানুষের নয়, প্রকৃতির বুকেও

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৪:৫১ অপরাহ্ণ
যুদ্ধের ক্ষত শুধু মানুষের নয়, প্রকৃতির বুকেও

সাকিবুর রহমান বাবলা

যুদ্ধ মানেই ধ্বংস, মৃত্যু, বাস্তুচ্যুতি ও মানবিক বিপর্যয়। যুদ্ধের ভয়াবহতা পরিমাপ করতে সাধারণত নিহত ও আহত মানুষের সংখ্যা, ধ্বংসপ্রাপ্ত নগরী ও ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামোর হিসাব করা হয়। কিন্তু যুদ্ধের আরেকটি নীরব শিকার প্রকৃতি ও পরিবেশ। গোলাবারুদ, রাসায়নিক পদার্থ, তেল নিঃসরণ এবং পরিকল্পিত ধ্বংসযজ্ঞের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বনভূমি, নদী, সমুদ্র, কৃষিজমি ও বন্যপ্রাণী। অথচ মানুষের জীবন, খাদ্য, পানি ও জীবিকার অন্যতম প্রধান অবলম্বন এই প্রকৃতি। তাই যুদ্ধের ক্ষত শুধু মানুষের শরীরে নয়, পৃথিবীর বুকেও দীর্ঘস্থায়ী ক্ষত তৈরি করে।

যুদ্ধ ও সশস্ত্র সংঘাতে পরিবেশের ধ্বংস ও শোষণ প্রতিরোধে বিশ্বব্যাপী সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে প্রতিবছর ৬ নভেম্বর পালিত হয় ‘যুদ্ধ ও সশস্ত্র সংঘাতে পরিবেশের শোষণ প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক দিবস’। ২০০১ সালের ৫ নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ৫৬/৪ নম্বর প্রস্তাব গ্রহণের মাধ্যমে দিবসটি ঘোষণা করা হয়। পরদিন ৬ নভেম্বর প্রথমবারের মতো দিবসটি পালিত হয়। যুদ্ধের সময় পরিবেশের ওপর সংঘটিত ধ্বংসযজ্ঞ সম্পর্কে বিশ্ববাসীকে সচেতন করা এবং পরিবেশ সুরক্ষাকে শান্তি ও টেকসই উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করাই দিবসটির মূল লক্ষ্য।

জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচির তথ্য অনুযায়ী, গত ৬০ বছরে সংঘটিত অভ্যন্তরীণ সংঘাতের অন্তত ৪০ শতাংশের সঙ্গে প্রাকৃতিক সম্পদের শোষণ ও নিয়ন্ত্রণের সম্পর্ক রয়েছে। এসব সম্পদের মধ্যে রয়েছে কাঠ, হীরা, সোনা, তেল, পানি ও উর্বর জমি। প্রাকৃতিক সম্পদকে কেন্দ্র করে সংঘটিত সংঘাতের ক্ষেত্রে শান্তিচুক্তির পর পুনরায় সংঘাত শুরু হওয়ার আশঙ্কাও অন্যান্য সংঘাতের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। এ কারণে সংঘাত প্রতিরোধ, শান্তিরক্ষা ও শান্তি প্রতিষ্ঠার কার্যক্রমে পরিবেশ সুরক্ষাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে থাকে জাতিসংঘ।

২০১৬ সালের ২৭ মে জাতিসংঘের পরিবেশ পরিষদে সংঘাতের ঝুঁকি কমাতে সুস্থ বাস্তুতন্ত্র ও প্রাকৃতিক সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে ২০৩০ সালের টেকসই উন্নয়ন এজেন্ডা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়। কারণ, বন, পানি, কৃষিজমি ও জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হলে মানুষের খাদ্যনিরাপত্তা, স্বাস্থ্য, জীবিকা ও অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার বাধাগ্রস্ত হয়। দূষিত পানি ও মাটি রোগের বিস্তার ঘটায়, খাদ্য উৎপাদন কমিয়ে দেয় এবং বাস্তুচ্যুত মানুষের দুর্ভোগ দীর্ঘায়িত করে। ফলে যুদ্ধ শেষ হওয়ার পরও পরিবেশগত ক্ষতির প্রভাব মানুষের জীবনকে বিপর্যস্ত করে রাখে।

বিশ্বের বিভিন্ন যুদ্ধের ইতিহাসে পরিবেশ ধ্বংসের ভয়াবহ দৃষ্টান্ত রয়েছে। ১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধের সময় কুয়েতের প্রায় ৭০০টি তেলকূপে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। কয়েক মাস ধরে জ্বলতে থাকা এসব কূপের কালো ধোঁয়া ও বিষাক্ত পদার্থ বায়ুমণ্ডল দূষিত করে। পারস্য উপসাগরে বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল ছড়িয়ে পড়ায় সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধেও ডিপ্লিটেড ইউরেনিয়ামসমৃদ্ধ গোলাবারুদের ব্যবহার পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করে।

ভিয়েতনাম যুদ্ধে মার্কিন বাহিনীর ব্যবহৃত এজেন্ট অরেঞ্জ নামের রাসায়নিকের কারণে বিস্তীর্ণ বনভূমি ও কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণের ফলে মানুষ ও প্রকৃতির ওপর তেজস্ক্রিয়তার ভয়াবহ প্রভাব পড়ে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ফ্রান্সের ‘জোন রুজ’ বা লাল অঞ্চল গোলাবারুদ ও রাসায়নিক দূষণে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যুদ্ধের বহু বছর পরও সেখানকার কিছু এলাকায় বসবাস ও কৃষিকাজ সীমিত রয়েছে।

সাম্প্রতিক সংঘাতেও পরিবেশ ধ্বংসের একই চিত্র দেখা যাচ্ছে। ফিলিস্তিনের গাজায় সামরিক হামলায় বিপুল পরিমাণ ধ্বংসস্তূপ তৈরি হয়েছে। এসব ধ্বংসস্তূপে অবিস্ফোরিত গোলাবারুদ, অ্যাসবেস্টস ও ক্ষতিকর বর্জ্য পরিবেশের জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে। কৃষিজমি, গাছপালা, পানি সরবরাহ ও পয়োনিষ্কাশনব্যবস্থা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি জানিয়েছে, এই পরিবেশগত ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে কয়েক দশক সময় লাগতে পারে। অন্যদিকে সুদানের দারফুরসহ বিভিন্ন সংঘাতকবলিত এলাকায় বাস্তুচ্যুত মানুষের জ্বালানির চাহিদা, বন উজাড়, মরুকরণ ও বন্যপ্রাণী নিধন জীববৈচিত্র্যের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে।

যুদ্ধের সময় পরিবেশ সুরক্ষায় আন্তর্জাতিক আইনও রয়েছে। ১৯৪৯ সালের জেনেভা কনভেনশনের ১৯৭৭ সালের প্রথম অতিরিক্ত প্রটোকলে পরিবেশের ব্যাপক, দীর্ঘস্থায়ী ও মারাত্মক ক্ষতি ঘটাতে পারে—এমন যুদ্ধপদ্ধতি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক আইন কমিশনের ২০২২ সালের ‘সশস্ত্র সংঘাতের সঙ্গে সম্পর্কিত পরিবেশ সুরক্ষার নীতিমালা’য় সংঘাতের আগে, চলাকালে ও পরবর্তী সময়ে পরিবেশ রক্ষার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পরিবেশ সুরক্ষায় জাতিসংঘ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের অংশীদারত্ব এবং সংঘাত-পরবর্তী শান্তি প্রতিষ্ঠায় প্রাকৃতিক সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনাবিষয়ক উদ্যোগও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস পরিবেশের অবক্ষয় ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সংঘাতের ঝুঁকি কমাতে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁর মতে, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং যুদ্ধের ধ্বংসাত্মক প্রভাব থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

যুদ্ধের ময়দানে মানুষের জীবন রক্ষার পাশাপাশি প্রকৃতি, জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায়ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে দায়িত্বশীল হতে হবে। সংঘাতের অবসানের পর ক্ষতিগ্রস্ত পরিবেশ পুনরুদ্ধার, প্রাকৃতিক সম্পদের ন্যায্য ব্যবহার এবং পরিবেশ ধ্বংসের জন্য দায়ীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি। যুদ্ধ থেমে গেলেই প্রকৃতির ক্ষত সেরে যায় না। তাই পরিবেশ ধ্বংসের দায়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জবাবদিহি নিশ্চিত করার পাশাপাশি যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলগুলোর পরিবেশ পুনরুদ্ধারে জলবায়ু ও আন্তর্জাতিক তহবিল থেকে বিশেষ বরাদ্দের ব্যবস্থা করতে হবে। মানুষের জন্য শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পৃথিবী গড়তে প্রকৃতির সুরক্ষার কোনো বিকল্প নেই।

ঢাকায় শুরু ৩০তম ইউএস ট্রেড শো, গুরুত্ব পাচ্ছে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৪:৪২ অপরাহ্ণ
ঢাকায় শুরু ৩০তম ইউএস ট্রেড শো, গুরুত্ব পাচ্ছে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্য নিয়ে রাজধানীতে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী ৩০তম ইউএস ট্রেড শো ২০২৬। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকায় এ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হয়। আগামী ৭ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে এ আয়োজন।

আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচেম) এবং ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস যৌথভাবে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে। এতে মার্কিন বিভিন্ন পণ্য, সেবা ও উদ্ভাবনী প্রযুক্তি প্রদর্শনের পাশাপাশি দুই দেশের ব্যবসায়িক অংশীদারত্ব ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের সম্ভাবনা তুলে ধরা হচ্ছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। আরও উপস্থিত ছিলেন অ্যামচেম বাংলাদেশের সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ কামালসহ সরকারি কর্মকর্তা, কূটনীতিক, ব্যবসায়ী নেতা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক ও বিনিয়োগ সম্পর্ক রয়েছে। ইউএস ট্রেড শোর মতো আয়োজন দুই দেশের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন ব্যবসায়িক সুযোগ তৈরি করতে পারে। বাংলাদেশ বিনিয়োগবান্ধব অর্থনীতি গড়ে তোলা, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও টেকসই উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য বাণিজ্য ও বিনিয়োগ গুরুত্বপূর্ণ। শিল্প খাতে দক্ষতা বৃদ্ধি, পরিবেশগত স্থায়িত্ব এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক সক্ষমতা জোরদারে মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রযুক্তি, দক্ষতা ও বিনিয়োগ ভূমিকা রাখতে পারে।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ককে যুক্তরাষ্ট্র গুরুত্ব দেয়। মার্কিন কোম্পানিগুলোর পণ্য, সেবা ও প্রযুক্তি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক অংশীদারত্ব ও বিনিয়োগ বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্র আগ্রহী।

অ্যামচেম বাংলাদেশের সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল বলেন, তিন দশক ধরে ইউএস ট্রেড শো মার্কিন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের বাজারের সংযোগ তৈরিতে ভূমিকা রাখছে। এবারের আয়োজনও দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও ব্যবসায়িক সহযোগিতা সম্প্রসারণে নতুন সুযোগ তৈরি করবে।

প্রদর্শনীর পাশাপাশি জ্বালানি নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা ও চিকিৎসা প্রযুক্তি, নারী নেতৃত্ব, বিদেশে বিনিয়োগ, পারস্পরিক বাণিজ্য, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি এবং ডিজিটাল অর্থনীতি নিয়ে সেমিনার ও আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। এসব আয়োজনে নীতিনির্ধারক, শিল্প বিশেষজ্ঞ ও ব্যবসায়ী নেতারা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তাঁদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরবেন।

আয়োজকেরা জানান, প্রদর্শনীতে বিভিন্ন খাতের মার্কিন পণ্য, সেবা ও প্রযুক্তি সম্পর্কে জানার পাশাপাশি ব্যবসায়িক যোগাযোগ ও অংশীদারত্ব গড়ে তোলার সুযোগ পাবেন দর্শনার্থীরা। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

সরুলিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী মামুনুর রহমানের গণসংযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৪:১৯ অপরাহ্ণ
সরুলিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী মামুনুর রহমানের গণসংযোগ

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সাতক্ষীরার তালা উপজেলার সরুলিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে গণসংযোগ শুরু করেছেন সাবেক ইউপি সদস্য ও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহসাধারণ সম্পাদক চিকিৎসক মো. মামুনুর রহমান।

তিনি পাটকেলঘাটা বাজারের বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং সরুলিয়া ইউনিয়নের কাশিপুর, পুটিয়াখালী, খোর্দ ও বড়বিলাসহ বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন। এ সময় তিনি এলাকার মানুষের খোঁজখবর নিচ্ছেন এবং তাঁদের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা শুনছেন।

মামুনুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তিনি এলাকার সাধারণ মানুষের সঙ্গে রয়েছেন। নির্বাচিত হলে প্রতিশ্রুতির পরিবর্তে কাজের মাধ্যমে জনগণের আস্থা অর্জন করতে চান। একটি দুর্নীতিমুক্ত, জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব ইউনিয়ন পরিষদ গড়ে তোলাই তাঁর লক্ষ্য।