শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩

গ্রামীণ মেলা রঙ্গাতে মৃৎশিল্প

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
গ্রামীণ মেলা রঙ্গাতে মৃৎশিল্প

প্রকাশ ঘোষ বিধান
বাংলার মেলা আর মৃৎশিল্প যেন একই বৃন্তের দুটি ফুল। মেলার সঙ্গে মৃৎশিল্পের এই গভীর সম্পর্ক। মৃৎশিল্প বাংলার হাজার বছরের পুরনো ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ, যা মাটি ও কুমোরদের শৈল্পিক দক্ষতায় ফুটে ওঠে। পোড়ামাটির ফলক, হাঁড়ি-পাতিল, পুতুল ও শখের হাঁড়ি এই শিল্পের প্রধান নিদর্শন। মেলা মানেই যেখানে মাটির গন্ধে ম ম করা এক শৈল্পিক জগত। যা উৎসবের রঙকে আরও উজ্জ্বল করে তোলে।
গ্রামীণ মেলায় মৃৎশিল্পের উজ্জ্বল উপস্থিতি। কুমোরদের নিপুণ হাতে তৈরি মাটির তৈজসপত্র লাল, নীল ও হলুদ রঙের আলপনায় সজ্জিত হয়ে মেলার পরিবেশকে রঙ্গিন ও প্রাণবন্ত করে তোলে। এই শিল্পে মাটির পুতুল, হাঁড়ি-পাতিল, সরা ও শখের হাঁড়ি মানুষের হাসি-কান্নার গল্প ফুটিয়ে তোলে, যা নতুন প্রজন্মের কাছে গ্রামীণ ঐতিহ্যকে তুলে ধরে। গ্রামবাংলার বৈশাখী মেলা, রথ মেলা কিংবা পৌষ মেলায় মাটির তৈরি জিনিসের পসরাই সবচেয়ে বেশি নজর কাড়ে। বাহারি রঙের শখের হাঁড়ি, মাটির পুতুল, ঘোড়া, হাতি এবং ছোটদের খেলনা ছাড়া মেলার পূর্ণতা আসে না।
চৈত্র সংক্রান্তি হলো বাংলা সনের শেষ দিন। পুরোনো বছরের গ্লানি মুছে নতুন বছরকে বরণের প্রস্তুতি হিসেবে উৎসব ও মেলার মাধ্যমে উদযাপিত হয়। চৈত্র সংক্রান্তির পরের দিন পহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ। এটি হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান উৎসব হলেও গ্রামীণ জনপদে তা অসাম্প্রদায়িক রূপ পায়। সংক্রান্তির প্রধান আকর্ষণ চড়কপূজা, গাজন মেলা ও নানা লোকজ আয়োজন। চৈত্র সংক্রান্তি এবং পহেলা বৈশাখ বাঙালির হাজার বছরের পুরনো সংস্কৃতি ও লোকজ ঐতিহ্যের ধারক।
বাংলার লোকসংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতীক মেলা, যেখানে মেলার সঙ্গে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর কৃষ্টি ও সংস্কৃতির যোগাযোগ নিবিড়। বাংলার এই সংস্কৃতিতে থাকে সব ধর্মের মানুষের সংস্কৃতির সমন্বয়। কয়েকটি গ্রামের মিলিত এলাকায় বা কোন খোলা মাঠে আয়োজন করা হয় মেলার। মেলাকে ঘিরে গ্রামীণ জীবনে আসে প্রাণচাঞ্চল্য। গ্রামের মেলায় যাত্রা, পুতুল নাচ, নাগরদোলা, জারি-সারি, রামায়ণ, গম্ভীরা কীর্তন, পালার আসর, ষাঁড়ের লড়াই, মোরগের লড়াই, লাঠি খেলা, হাডুডু খেলা মুগ্ধ করে আগত দর্শনার্থীদের। এখনও নাগরদোলা সব বয়সীদের কাছে প্রধান আকর্ষণ। মেলায় আবার বিভিন্ন নাটক বা যাত্রাপালারও আয়োজন করা হয়।
মৃৎশিল্প বা মাটির কাজ বাঙালির হাজার বছরের পুরনো এক সমৃদ্ধ ঐতিহ্য। এটি কেবল একটি পেশা নয়, বরং আমাদের সংস্কৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ যা বংশপরম্পরায় কুমোররা বা পাল সম্প্রদায় টিকিয়ে রেখেছেন। এই শিল্পের মূল উপাদান হলো এঁটেল মাটি, তবে দোআঁশ বা কাদামাটিও ব্যবহৃত হয়। চাকা ঘুরিয়ে বা হাতে ছাঁচ তৈরি করে মাটি দিয়ে পাত্র বা মূর্তি বানানো হয়। এরপর সেগুলোকে কড়া রোদে শুকিয়ে চুল্লিতে (পন) উচ্চ তাপমাত্রায় পোড়ানো হয় যাতে সেগুলো টেকসই ও মজবুত হয়। মাটির তৈরি এই সামগ্রীগুলো সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক এবং পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর নয়।
মৃৎশিল্প মাটি আর রঙের খেলা, মেলা রঙ্গাতে মৃৎশিল্প। এই কথাটি সার্থক হয় যখন কুমোরদের নিপুণ হাতে তৈরি মাটির তৈজসপত্রে উজ্জ্বল লাল, নীল, হলুদ ও সাদা রঙের আলপনা ফুটে ওঠে। মাটির সামগ্রীতে মানুষের হাসি-কান্না, সুখ-দুখের অনুভূতি, প্রেম-বিরহের নানা দৃশ্যপট, মনোমুগ্ধকর ছবি হাতের স্পর্শে ফুটিয়ে তুলতেন শিল্পীরা। বিশেষ করে মাটির সরা এবং হাঁড়িতে আঁকা লোকজ মোটিফগুলো মেলাকে এক অনন্য রূপ দেয়।
অনেক মৃৎশিল্পী সারা বছর মেলা বা পার্বণের অপেক্ষায় থাকেন। বর্তমানে প্লাস্টিক ও অ্যালুমিনিয়ামের দাপটে এই শিল্প সংকটে পড়লেও মেলাগুলোতে এখনও মাটির নান্দনিক পণ্যের ভালো চাহিদা থাকে, যা এই শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করছে। এই পরিবেশবান্ধব শিল্প প্লাস্টিক দূষণ রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে, তবে আধুনিক উপকরণের দাপটে এটি বর্তমানে সংকটের পথ থেকে বেরুতে পারেনি।
গ্রামীণ মেলা আর মৃৎশিল্প যেন একই সুতায় গাঁথা। মেলা মানেই মাটির তৈজসপত্র আর খেলনার এক রঙিন দুনিয়া। গ্রামবাংলার চৈত্র সংক্রান্তি, বৈশাখী, বারুণী মেলা বা যে কোনো মেলা হোক, মৃৎশিল্পীদের নিপুণ হাতের কাজ ছাড়া মেলার পূর্ণতা আসে না। মাটির শিল্প আমাদের হাজার বছরের সংস্কৃতির বাহক। ময়নামতির শালবন বিহার বা বগুড়ার মহাস্থানগড়ে পাওয়া পোড়ামাটির ফলক বা টেরাকোটা আমাদের সেই প্রাচীন গৌরবের কথা মনে করিয়ে দেয়, যা আজও মেলার মাধ্যমে বেঁচে আছে।
বর্তমানে প্লাস্টিক ও টিন-লোহার ব্যবহারের ফলে মৃৎশিল্পের চাহিদা কমছে। অনেক কারিগরকে আর্থিক সংকটের মুখে ফেলছে। শত শত বছর ধরে বংশপরম্পরায় কুমোররা এই শিল্পকে টিকিয়ে রেখেছে। মেলা মানেই তাদের তৈরি পসরা বিক্রির প্রধান সুযোগ। প্লাস্টিক ও অ্যালুমিনিয়ামের সহজলভ্যতার কারণে এই শিল্পটি অনেকটা চ্যালেঞ্জের মুখে। তবুও বাংলার মেলাগুলো এই ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্পকে এখনও তার স্বমহিমায় টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করছে।
বর্তমান সময়ে আধুনিক সরঞ্জামের ভিড়ে মাটির জিনিসের চাহিদা কমলেও শৌখিন জিনিস হিসেবে মৃৎশিল্পের কদর রয়েছে। চৈত্র সংক্রান্তির মেলা ও পহেলা বৈশাখে মাটির সানকিতে পান্তা খাওয়া বা ঘর সাজাতে মাটির ফুলদানি ব্যবহারের রীতি একে আজও বাঁচিয়ে রেখেছে। পরিবেশ সচেতনতা বাড়ায় আধুনিক সময়ে ঘরের অন্দরসজ্জায় মাটির জিনিসের পুনরুত্থান ঘটছে। বাংলাদেশ থেকে বিদেশে মাটির পণ্য রপ্তানি হচ্ছে। লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট

 

 

 

 

 

Ads small one

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে মাদক ও চোরাচালানী পন্য আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৫ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে মাদক ও চোরাচালানী পন্য আটক

পত্রদূত ডেস্ক: শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ কুশখালি, কাকডাঙ্গা ও মাদরা বিওপি এর টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় মাদক ও চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ, কসমেটিক্স, জিরা ও কাজুবাদাম এবং মদ আটক করে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন জানায়, কুশখালি বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার চৌরঙ্গী হতে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। কাকডাঙ্গা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার ভাদিয়ালি হতে ৯ হাজার টাকার ভারতীয় মদ আটক করে।
এছাড়াও, মাদরা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার বারেকের মোড় হতে ১৬ হাজার ৭৭৮ টাকার ভারতীয় কসমেটিক্স, জিরা ও কাজুবাদাম আটক করে। আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ২ লাখ ৫ হাজার ৭৭৮ টাকা।

বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে। দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

কয়রায় বৃক্ষমেলা উদ্বোধন করলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক মনিরুল হাসান বাপ্পী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৭ অপরাহ্ণ
কয়রায় বৃক্ষমেলা উদ্বোধন করলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক মনিরুল হাসান বাপ্পী

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: বিএনপি সরকার সবসময় পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই উন্নয়নের বিষয়ে আন্তরিক। দেশের সবুজায়ন বৃদ্ধি, বনভূমি সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় সরকার জাতীয় পর্যায়ে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

 

স্থানীয় সরকার বিভাগের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের পাশাপাশি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সড়কের পাশে, খাল-বিলের তীরে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে চারা বিতরণ ও সরকারি স্থাপনায় পরিকল্পিতভাবে বৃক্ষরোপণকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিএনপির চেয়ারম্যান, দেশের প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ৫ বছরে দেশজুড়ে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ করা হবে মন্তব্য করেছেন খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব, জেলা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী।

বৃক্ষমেলা বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি সরদার মতিয়ার রহমানের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব সিরাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় কয়রার বেদকাশী কাছারীবাড়ী ঐতিহ্যবাহী বটতলায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে তিনি আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় এই অঞ্চলে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। সবাই মিলে নিজ নিজ বাড়ির আঙিনা, রাস্তার পাশে ও পতিত জমিতে বেশি করে গাছ লাগাই। সরকারের পাশাপাশি আমাদেরকেও এই অভিযানে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে হবে। ঘূর্ণিঝড় সহ পরিবেশের বায়ুদূষণ, বন্যা, খরতাপ, নদীভাঙ্গন রোধ, বজ্রপাত প্রতিরোধে বৃক্ষরোপণ গুরুত্বপূর্ণ। তেমনি সবুজায়নের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে টেকসই বাংলাদেশ গড়তে বৃক্ষরোপণ প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, কয়রা-পাইকগাছার অর্থ সামাজিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি। আধুনিক ছোঁয়া শুধুই নয় অত্যাধুনিক ভাবে এই অঞ্চল কে গড়ে তুলতে চাই। এই অঞ্চলের জন্য ইতিমধ্যে হাসপাতাল, স্টেডিয়াম, স্কুল, কলেজের নতুন নতুন ভবনের বরাদ্দ দিয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো কে জাতীয় জাতীয়করনে কাজ করছি, অনেক গুলোর যৌক্তিকতার আলোকে চিঠি ইস্যু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলো জাতীয়করণ হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি পাইকগাছা উপজেলা বিএনপি আহবায়ক ডাঃ আব্দুল মজিদ, খুলনা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এস এম শামীম কবির, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নূরুল আমিন বাবুল, জেলা বিএনপির সদস্য এম এ হাসান, জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের সদস্য সচিব আব্দুল মান্নান মিস্ত্রী, জেলা জাসাস আহবায়ক শহিদুল ইসলাম সহিদ।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মনিরুজ্জামান বেল্টু, জি এম মাওলা বক্স, শরিফুল আলম, আব্দুস সামাদ, প্রফেসর আবুল কালাম, জিএম রফিকুল, হাবিবুর রহমান, নাজমুল হুদা, সালাউদ্দিন লিটন, সাইফুজ্জামান, আইয়ুব আলী, রওশন মোল্লা, গোলাম রসুল, জেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক মোল্লা আইয়ুব হোসেন, জিএম রাসেল ইসলাম, জাহিদুর রহমান শোভন, পীর আলী, মোহতাসিম বিল্লাহ, জামাল জাফরিন, ডিএম হেলালউদ্দিন, আবুল কালাম আজাদ কাজল, আরিফ বিল্লাহ সবুজ, মামুন হাসান, এহসানুল ইছান, জুবায়ের হোসেন প্রমুখ।

বৃক্ষ মেলায় আরও উপস্থিত ছিলেন সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষার্থী, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ বিপুল সংখ্যক স্থানীয় জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।

উত্তর বেদকাশি ঐতিহ্যবাহী বৃক্ষ মেলা ২৬ বছর ধরে ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে। মেলায় উপজেলার বিভিন্ন নার্সারি শতাধিক স্টলে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ, ঔষধি ও সৌন্দর্যবর্ধক গাছ নিয়ে অংশগ্রহণ করে। মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করে জেলা পরিষদ প্রশাসক প্রদর্শিত চারা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং সাধারণ মানুষের মাঝে গাছ লাগানোর আহ্বান জানান। উত্তর বেদকাশী ইউনিয়ন পরিষদ বৃক্ষ মেলার সার্বিক তত্ত্বাবধানে রয়েছে।

এরপরে তিনি কয়রার সেন্ট্রাল হাসপাতাল উদ্বোধন করেন এবং কয়রা উপজেলা জামে মসজিদে উপস্থিত ধর্মপ্রাণ মুসুল্লিদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

সাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের ক্লাসভিত্তিক ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২৭ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের ক্লাসভিত্তিক ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

মাসুদ রানা: ‎বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সাতক্ষীরা শহর শাখার অন্তর্গত স্কুল বিভাগের উদ্যোগে সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ক্লাসভিত্তিক ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করা হয়েছে।

‎শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮:৩০ মিনিটে স্কুল বিভাগের পরিচালক তাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি রেদোয়ান কবির তাজিমের সঞ্চালনায় আয়োজিত এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা শহর শাখার প্রকাশনা সম্পাদক মো. মাসুদুজ্জামান।

‎উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধান অতিথি মো. মাসুদুজ্জামান বলেন, “শিক্ষার্থীদের শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না; সৎ, যোগ্য ও আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে শারীরিক সুস্থতা ও মেধা বিকাশের বিকল্প নেই। মাদক ও অনৈতিক কর্মকান্ড থেকে যুবসমাজকে দূরে রাখতে খেলাধুলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শিক্ষার্থীদের নৈতিক চরিত্রের পাশাপাশি শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ইসলামী ছাত্রশিবির সর্বদা এ ধরনের গঠনমূলক উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে।”

‎উদ্বোধনী ম্যাচে সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেণীর দলগুলো উৎসবমুখর পরিবেশে অংশ নেয়। খেলা দেখতে স্থানীয় শিক্ষার্থী ও যুবসমাজের উপস্থিতি মাঠে এক প্রাণবন্ত পরিবেশের সৃষ্টি করে