রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩
রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩

চিকিৎসার আশ্বাসে তালায় এনে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় নারীসহ গ্রেপ্তার ২

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৩৬ অপরাহ্ণ
চিকিৎসার আশ্বাসে তালায় এনে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় নারীসহ গ্রেপ্তার ২

নিজস্ব প্রতিনিধি: চিকিৎসা করিয়ে দেওয়ার আশ্বাসে খুলনার কয়রা উপজেলা থেকে এক গৃহবধূকে (৪০) সাতক্ষীরার তালায় এনে চেতনানাশক মিশ্রিত খাবার খাইয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় এক নারীসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রোববার (১৬ আগস্ট) পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনি এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন শিপ্রা ও অনুপ। তবে মামলায় আরও একজনের সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে।

পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে খুলনার কয়রা উপজেলার ঘুগরাকাঠি গ্রামের অসুস্থ ওই গৃহবধূকে উন্নত চিকিৎসার আশ্বাস দিয়ে সাতক্ষীরা সদরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নেওয়ার কথা বলা হয়। পরে সন্ধ্যা হয়ে যাওয়ায় সাতক্ষীরায় গিয়ে চিকিৎসক পাওয়া যাবে নাÑএমন কথা বলে তাকে কৌশলে তালা ব্রিজ মোড় এলাকার একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়।

স্বজনের অভিযোগ, রাজু নামে এক যুবক ওই গৃহবধূকে বাসাটিতে নিয়ে যান। তিনি সাতক্ষীরার একটি বেসরকারি ক্লিনিকে চাকরি করেন বলে পরিচয় দিয়েছিলেন।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, রাতে ওই বাসায় বসবাসকারী এক নারীর সহযোগিতায় গৃহবধূর খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক ওষুধ মেশানো হয়। খাবার খেয়ে তিনি অচেতন হয়ে পড়লে রাজু তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

পরে জ্ঞান ফেরার পর গৃহবধূ বিষয়টি বুঝতে পেরে বাসায় থাকা ওই নারীকে জানান। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় ওই নারী তাকে গালিগালাজ করেন এবং মোবাইলে ধারণ করা ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখান। এরপর রাতে দফায় দফায় রাজুসহ আরও এক যুবক তাকে ধর্ষণ করেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে। পরদিন শুক্রবার সকালে ওই গৃহবধূ কৌশলে বাসা থেকে বের হয়ে এক আত্মীয়কে সঙ্গে নিয়ে তালা থানায় গিয়ে অভিযোগ করেন।

তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবু বকর সিদ্দীক জানান, শুক্রবার প্রাথমিক তদন্ত শেষে অচেতন করে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগে দুই যুবক ও এক নারীর বিরুদ্ধে মামলা রেকর্ড করা হয়। তালা থানার মামলা নং-১০, তারিখ ১৪ আগস্ট ২০২৬। ভুক্তভোগীকে প্রয়োজনীয় ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় রোববার পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনি এলাকায় অভিযান চালিয়ে শিপ্রা ও অনুপকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। পুলিশ জানিয়েছে, মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে তাদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

Ads small one

আশাশুনিতে বাকপ্রতিবন্ধী যুবক নিখোঁজ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে বাকপ্রতিবন্ধী যুবক নিখোঁজ

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার শোভনালী গ্রামের আমির আলী গাজীর ছেলে বাকপ্রতিবন্ধী আলামিন হোসেন (২৫) নিখোঁজ হয়েছেন। শনিবার বেলা ১১টার দিকে কুঁন্দুড়িয়া গ্রামে তাঁর বড় ভাই হোসেন আলীর বাড়ি থেকে নিজেদের বাড়ি শোভনালীর উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার পর থেকে তাঁর কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না।
আলামিনের পরনে ছিল লুঙ্গি, কালো শার্ট এবং হাতে ছিল একটি সাদা শপিং ব্যাগ। তাঁর গায়ের রং শ্যামলা ও পরিষ্কার। তিনি অস্পষ্ট ভাষায় কথা বলতে পারেন। কোনো সহৃদয় ব্যক্তি তাঁর সন্ধান পেলে বড় ভাই হোসেন আলীর সাথে মোবাইল নম্বরে (০১৭৭৮-৮৩৩৫৯৫) যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

 

 

আশাশুনিতে ‘প্রতিষ্ঠা’ প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৫৬ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে ‘প্রতিষ্ঠা’ প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা

সংবাদদাতা: আশাশুনি সদর ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে রবিবার ‘প্রতিষ্ঠা’ প্রকল্পের ইউনিয়ন পর্যায়ের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের মানবিক সহায়তা সংস্থা-এর অর্থায়নে, অ্যাকশন এগেইনস্ট হাঙ্গার-এর সহযোগিতায় এবং ‘উত্তরণ’-এর বাস্তবায়নে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সদর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. শরিয়তুল্লাহ। প্রকল্পের নানা দিক তুলে ধরেন উত্তরণের মনিটরিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন অফিসার মো. আল-আমিন মোল্লা।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন আশাশুনি সরকারি কলেজের প্রভাষক মাওলানা মো. বাকিবিল্লাহ, আশাশুনি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. আকাশ হোসেন, ইউপি সদস্য মো. আব্দুস সালাম, মো. সিরাজুল ইসলাম, তারকচন্দ্র ম-ল, এস এম তারিকুল আউয়াল ও মো. শাহিনুর ইসলাম শাহিন। উত্তরণের সহকারী প্রকল্প সমন্বয়ক মো. হেদায়েত উল্লাহ মুকুলসহ স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বেনাপোল বন্দরে পরিচালকের পদসহ ৭৯টি পদ শূন্য, ব্যাহত কার্যক্রম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৫৫ অপরাহ্ণ
বেনাপোল বন্দরে পরিচালকের পদসহ ৭৯টি পদ শূন্য, ব্যাহত কার্যক্রম

এমএ রহিম, বেনাপোল (যশোর): দেশের সর্ববৃহৎ আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর বেনাপোলে চরম জনবলসংকট তৈরি হয়েছে। বন্দরের অনুমোদিত পরিচালকের পদসহ মোট ৭৯টি পদ খালি থাকায় আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য ও প্রশাসনিক তদারকি মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
বন্দর সূত্রে জানা গেছে, গুদাম ও ইয়ার্ড পরিচালনাসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে অনুমোদিত ২১৬টি পদের বিপরীতে বর্তমানে কাজ করছেন মাত্র ১৪১ জন। অর্থাৎ প্রায় ৩৪.৭ শতাংশ পদই খালি রয়েছে। এর পাশাপাশি উপপরিচালকের ৪টি পদের মধ্যে ৩টিই শূন্য। অথচ একই পদে ঢাকার প্রধান কার্যালয়ে অনুমোদিত ৪টি পদের বিপরীতে ৭ জন কর্মকর্তা কর্মরত আছেন।
গত ৩ আগস্ট থেকে বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালকের পদটি খালি রয়েছে। প্রশাসনিক প্রধানের পদ শূন্য থাকায় সমন্বয় ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে বড় ধরনের সমস্যা হচ্ছে। একজন উপপরিচালককেই চারজন কর্মকর্তার কাজ সামলাতে হচ্ছে।
জনবলসংকটের কারণে আমদানিকৃত পণ্য খালাস ও লোড-আনলোডে অতিরিক্ত সময় লাগছে। এতে ব্যবসায়ীদের পরিবহন ও সংরক্ষণ ব্যয় বাড়ার পাশাপাশি বন্দরের অবকাঠামোগত সক্ষমতা কমে যাচ্ছে।
বেনাপোল আমদানিকারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জানান, সময়মতো পণ্য লোড-আনলোড না হওয়ায় এক দিনের কাজ সম্পন্ন করতে দুই দিন সময় লাগছে, যার প্রভাব পড়ছে দেশের সামগ্রিক বাজারে।
বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক লতা জানান, দ্রুত নতুন নিয়োগের পাশাপাশি ঢাকা থেকে অতিরিক্ত কর্মকর্তাদের মাঠে পদায়ন করে সংকট সাময়িক নিরসন করা সম্ভব।
বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. মানজারুল মান্নান জানান, বেনাপোল বন্দরের জনবলসংকট নিরসনে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়ার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।