শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩

নাট্যকর্মী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:১১ অপরাহ্ণ
নাট্যকর্মী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

নাট্যকর্মী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। জানা যায়, রবিবার (২৬ এপ্রিল) দরজা ভেঙে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে তার পরিবার। এসময় তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।

মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি  নিশ্চিত করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার ও পারফরম্যান্স বিভাগের শিক্ষক আশিক রেহমান লিওন। মিমো একই বিভাগের মাস্টার্স ফাইনাল ইয়ারের শিক্ষার্থী ছিলেন।

ওই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষক ও এক শিক্ষার্থীকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

জানা যায়, মৃত্যুর আগে ডায়েরি ও হোয়াটসঅ্যাপে সুইসাইড নোট লিখে গিয়েছিলেন মিমো। সেখানে তার সহপাঠী উম্মে হানিকে উদ্দেশ করে লেখা ছিল- “তুই আর সুদীপ স্যার ভালো থাকিস।”

এদিকে মিমোর সুইসাইডের খবর পেয়ে বিভাগের শিক্ষকরা ছুটে যান তার বাসায়। সেখানে গিয়ে তাকে বিছানায় শায়িত অবস্থায় দেখতে পান বলে  জানিয়েছেন শিক্ষক আশিক রহমান লিওন। তিনি বলেন, “সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ আমরা যখন জানতে পারি। তখনই ছুটে যাই তার বাসায়। গিয়ে দেখি তাকে বিছানায় শুইয়ে রাখা হয়েছে। তার বাবা জানান, কখনও দরজা বন্ধ করে ঘুমাতো না মিমো। সেদিনই দরজা বন্ধ করে ঘুমিয়েছিল। সকালে অনেকবার ডেকেও না খোলায় দরজা ভেঙে এই অবস্থায় দেখতে পান তার পরিবার।

ডিএমপির গুলশান বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) জুয়েল জানিয়েছেন, ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

Ads small one

আজ রাতের ঘুম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬, ১২:১২ পূর্বাহ্ণ
আজ রাতের ঘুম

মোঃ রহমত আলী
আজ রাতের ঘুম
আর নাও ভাঙতে পারে,
আফসোসে লাভ নেই কোনো..
জেগে উঠবোই হাশরের ময়দানে।

ইনসাফ ঠিকই হবে
আমলের হিসেবে,
হয় আগুনে.. নয় গুলবাগে।

আজ রাতে ঘুমের আগেই
তওবা করে নাও মন,
সকাল তোমার.. কবে হবে কেমন..?

সৃষ্টির সুখ অল্প

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬, ১২:১১ পূর্বাহ্ণ
সৃষ্টির সুখ অল্প

জয়ন্ত কুমার চঞ্চল
মন ভালো নাই কিন্তু আছে
বৃষ্টি পাড়ায় গল্প,
হতাশ হাওয়ায় তাই ফুলেছে
কৃষ্টি সেথায় স্বল্প।
তপ্ত পোড়া দাগ গুলো সেই
দৃষ্টি এড়ায় কল্প,
কি আর করা মেনেই নিই
সৃষ্টির সুখ অল্প।

সেঁজির ঘেরায় ফুল ফুটেছে
কাঁটার সাথে দোস্তি,
ডাহুক পাখির ছা গুলো তাই
ফুড়ুৎ উড়ে স্বস্তি।

কদম কেয়ার বাহারে আজ
খোঁপায় গুঁজে শান্তি,
বাদলা বিকেল বিক্রি করে
উড়ার যত ক্লান্তি।

শোভনা খালে নেটের জালে
আটল পেতে রোজ,
বৃষ্টি-বাদল ভাইবোন মিলে
স্বপ্নের করে খোঁজ।

নষ্ট রোদের সোনালী আভায়
মেঘের আনাগোনা,
বৃষ্টির রাতে একাকী ঘুমায়
সুখের ছানা পোনা।

চেনাকে চিনে চল
মো: রহমত আলী
এক নদী শত ঘাট
মানুষেও বহু জাত
আজ রাত কাল প্রভাত।

এক মনে কত ভেদ
মানুষে বহু ভেদাভেদ
ভালো মন্দের নেই শেষ।

এক গাছে কত ফল
মানুষের মনে ছল
চেনাকে আরো চিনে চল।

 

সূবর্ন কিরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬, ১২:১০ পূর্বাহ্ণ
সূবর্ন কিরণ

মো: হায়দার আলি শান্ত
ভাবের মহলে সুপ বন দোলে
কোন কবি আসিয়া রচিতে কহিল
অমর প্রেম কাহিনি অশ্রু জলে
শব্দ ছন্দ মোর অন্তরে বাজিল।
মহা মায়া কাননে যাঁর আসন
সে কেন আসে ভাবের সংসারে
যার হাতে গড়া মায়া কানন
কোন স্বপ্ন চারিণী আসে অন্তরে।
সুবর্ন কিরণ জ্বেলে চলে যায়
ঐ সুদুর নীল আকাশ পানে
মোর ভাবনা বাড়ে গোধূলি বেলায়
যমের ভয়ে আমি ভীত ক্রন্দনে।
সেই কবির আসন পাতা জগৎ সভায়
তাঁরি মনে পড়ে ক্ষনে ক্ষনে।