মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩

বাবার সেই না বলা কথাগুলো একত্রিত করে বলতে চাই

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ১১:০৪ অপরাহ্ণ
বাবার সেই না বলা কথাগুলো একত্রিত করে বলতে চাই

গাজী মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ

বাবা—মাত্র দুটি অক্ষরের একটি শব্দ। কিন্তু এই ছোট্ট শব্দের ভেতরে লুকিয়ে আছে একটি পরিবারের সবচেয়ে বড় শক্তি, সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য আশ্রয়, সবচেয়ে সাহসী অভিভাবক এবং সবচেয়ে নিঃস্বার্থ ভালোবাসার প্রতিচ্ছবি। পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি সন্তানই মায়ের ভালোবাসার প্রকাশ সহজে দেখতে পায়, কিন্তু বাবার ভালোবাসা অনেক সময় নীরব থাকে। তিনি কম কথা বলেন, নিজের কষ্ট আড়াল করে রাখেন, কিন্তু সন্তানের সুখের জন্য নিজের সবকিছু নিঃশব্দে বিলিয়ে দেন।

একজন বাবা হয়তো কখনো বলেন না, “আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি।” কিন্তু সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়তে দিনের পর দিন কঠোর পরিশ্রম করে তিনি সেই ভালোবাসারই সবচেয়ে বড় প্রমাণ রেখে যান। নিজের ইচ্ছা, স্বপ্ন এবং শখ বিসর্জন দিয়ে সন্তানের স্বপ্ন পূরণের জন্য সংগ্রাম করেন। অনেক বাবা নিজের প্রয়োজনকে দূরে সরিয়ে রেখে সন্তানের শিক্ষার খরচ জোগান, নতুন পোশাক না কিনে সন্তানের জন্য বই কিনে দেন, নিজের ক্লান্তি লুকিয়ে পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করেন।

জীবনের প্রতিটি কঠিন মুহূর্তে বাবাই হয়ে ওঠেন সাহসের প্রতীক। সন্তান যখন প্রথম হাঁটতে শেখে, তখন তাঁর হাতই ভরসা দেয়। সন্তান যখন হোঁচট খায়, তখন বাবাই তাকে আবার উঠে দাঁড়ানোর শিক্ষা দেন। সন্তান যখন ব্যর্থ হয়, তখন তিনিই নীরবে পাশে দাঁড়িয়ে সাহস জোগান। অথচ এই মানুষটিই নিজের কষ্ট, দুঃখ আর চোখের জলকে সবার আড়ালে লুকিয়ে রাখেন।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সন্তান বড় হয়ে যায়, নিজের জীবন নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। কিন্তু বাবা একইভাবে অপেক্ষা করেন একটি ফোনকলের জন্য, একটি খোঁজখবরের জন্য কিংবা সন্তানের সামান্য সময়ের জন্য। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাঁর চুলে পাক ধরে, শরীর দুর্বল হয়ে আসে, কিন্তু সন্তানের প্রতি তাঁর ভালোবাসা কখনো কমে না। বরং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই ভালোবাসা আরও গভীর হয়।

আজকের এই ব্যস্ত পৃথিবীতে আমরা অনেক সময় বাবার সেই নীরব ত্যাগগুলো ভুলে যাই। আমরা হয়তো তাঁকে ধন্যবাদ বলি না, তাঁর কষ্টের কথা জানতে চাই না কিংবা তাঁর সঙ্গে সময় কাটানোর প্রয়োজনীয়তাও অনুভব করি না। অথচ আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় নায়ক, সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা এবং সবচেয়ে বড় নিরাপত্তার নামই হলো বাবা।

আমি গাজী মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ। আমার জীবনের প্রতিটি সফলতা, প্রতিটি অর্জন এবং বড় হয়ে ওঠার পেছনে আমার বাবার অবদান অপরিসীম। তাঁর দোয়া, ত্যাগ, পরিশ্রম এবং অকৃত্রিম ভালোবাসা ছাড়া আমি আজকের আমি হতে পারতাম না। পৃথিবীর সমস্ত সম্পদ, সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য এবং বিলাসিতার চেয়েও আমার কাছে বাবার মূল্য অনেক বেশি। কারণ অর্থ-সম্পদ হারালে তা আবার ফিরে পাওয়া যায়, কিন্তু বাবার মতো একজন অভিভাবক, একজন পথপ্রদর্শক এবং একজন নিঃস্বার্থ ভালোবাসার মানুষকে কখনো ফিরে পাওয়া যায় না।

তবে আজকের এই লেখা শুধু আমার বাবাকে নিয়ে নয়। এটি পৃথিবীর প্রতিটি বাবার প্রতি একজন সন্তানের হৃদয়ের গভীরতম শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার প্রকাশ। কারণ প্রতিটি বাবাই তাঁর পরিবারের জন্য একজন নীরব যোদ্ধা। কেউ রোদে পুড়ে, কেউ বৃষ্টিতে ভিজে, কেউ দিন-রাত পরিশ্রম করে পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করেন। তাঁদের ত্যাগের গল্প হয়তো সংবাদ শিরোনাম হয় না, কিন্তু প্রতিটি সন্তানের সফলতার পেছনে একজন বাবার অদৃশ্য অবদান জড়িয়ে থাকে।

বাবার সেই না বলা কথাগুলো একত্রিত করলে হয়তো একটি বাক্যই দাঁড়ায়—
“সন্তান, আমি তোমার জন্যই বেঁচে আছি। তোমার হাসিই আমার সুখ, তোমার সফলতাই আমার গর্ব, আর তোমার নিরাপত্তাই আমার সবচেয়ে বড় শান্তি।”

বাবা দিবস আমাদের শুধু একটি দিন উদযাপনের কথা মনে করিয়ে দেয় না; এটি আমাদের দায়িত্ব, ভালোবাসা এবং কৃতজ্ঞতার কথাও স্মরণ করিয়ে দেয়। আসুন, আমরা শুধু বাবা দিবসে নয়, বছরের প্রতিটি দিন বাবাকে সম্মান করি, তাঁর খোঁজ নিই, তাঁর কষ্ট বুঝতে চেষ্টা করি এবং তাঁকে জানাই— তিনি আমাদের জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান মানুষ।
হে আল্লাহ, পৃথিবীর সকল বাবাকে সুস্থতা, দীর্ঘ নেক হায়াত, মানসিক প্রশান্তি ও সম্মান দান করুন। যেসব বাবা জীবিত আছেন, তাঁদের আপনার হেফাজতে রাখুন। আর যারা এই পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন, তাঁদের কবরকে নূরে ভরে দিন এবং জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করুন। আমিন।

বাবা দিবসে পৃথিবীর সকল বাবার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা, অফুরন্ত ভালোবাসা ও অন্তহীন কৃতজ্ঞতা।

 

 

 

Ads small one

বিশ্ব মস্তিষ্ক দিবস: জ্ঞানের আলো, চেতনার কেন্দ্র ও মানবসভ্যতার চালিকাশক্তি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ১০:৪৫ অপরাহ্ণ
বিশ্ব মস্তিষ্ক দিবস: জ্ঞানের আলো, চেতনার কেন্দ্র ও মানবসভ্যতার চালিকাশক্তি

সাকিবুর রহমান বাবলা

প্রতিদিন আমরা চিন্তা করি, স্মরণ করি, সিদ্ধান্ত নিই, স্বপ্ন দেখি, ভালোবাসি, সৃষ্টি করি এবং পৃথিবীকে নতুনভাবে আবিষ্কার করি। এই সবকিছুর নেপথ্যে নিরলসভাবে কাজ করে আমাদের শরীরের সবচেয়ে বিস্ময়কর অঙ্গ—মস্তিষ্ক। মানুষের জ্ঞান, কল্পনাশক্তি, প্রজ্ঞা, নৈতিকতা ও সভ্যতার অগ্রযাত্রার কেন্দ্রবিন্দু এই অঙ্গটিকে ঘিরেই প্রতি বছর ২২ জুলাই বিশ্বব্যাপী পালিত হয় বিশ্ব মস্তিষ্ক দিবস।

বিশ্ব মস্তিষ্ক দিবসের পেছনে রয়েছে একটি তাৎপর্যপূর্ণ ইতিহাস। ১৯৫৭ সালের ২২ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয় ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন অব নিউরোলজি। সংগঠনটির জনসচেতনতা ও অ্যাডভোকেসি কমিটি ২০১৩ সালে ২২ জুলাইকে “বিশ্ব মস্তিষ্ক দিবস” হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব উত্থাপন করে। পরবর্তীতে বিশ্ব স্নায়ুবিজ্ঞান কংগ্রেসের প্রতিনিধিরা প্রস্তাবটি সর্বসম্মতভাবে গ্রহণ করেন এবং ২০১৪ সাল থেকে দিবসটি আনুষ্ঠানিকভাবে পালিত হয়ে আসছে। এর মূল লক্ষ্য হলো স্নায়বিক রোগ সম্পর্কে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণে উৎসাহ প্রদান এবং আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য উন্নত চিকিৎসা ও সামাজিক সহায়তা নিশ্চিত করা।

মানবদেহের কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র হলো মস্তিষ্ক। প্রায় ১.৪ কেজি ওজনের এই অঙ্গটি আমাদের শরীরের মোট শক্তির প্রায় এক-পঞ্চমাংশ ব্যবহার করে। আধুনিক স্নায়ুবিজ্ঞানের মতে, মানবমস্তিষ্কে প্রায় ৮৬ বিলিয়ন নিউরন এবং অসংখ্য সিন্যাপস রয়েছে, যেগুলো তথ্য আদান-প্রদান, স্মৃতি সংরক্ষণ, অনুভূতি প্রকাশ এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের মতো জটিল কাজ সম্পাদন করে। গুরুমস্তিষ্ক, মধ্যমস্তিষ্ক ও লঘুমস্তিষ্কের সমন্বয়ে গঠিত এই বিস্ময়কর কাঠামো মানব অস্তিত্বের প্রতিটি মুহূর্তকে নিয়ন্ত্রণ করে।

এই বুদ্ধিবৃত্তিক কেন্দ্রের বিকাশ ও কার্যক্ষমতা অনেকাংশে নির্ভর করে আমাদের জীবনযাত্রার ওপর। নিয়মিত পড়াশোনা, নতুন কিছু শেখা, ধাঁধা সমাধান, বই পড়া, দাবা খেলা কিংবা নতুন ভাষা শেখা স্নায়ুকোষগুলোকে সক্রিয় রাখে। সুষম খাদ্য, পর্যাপ্ত ঘুম, নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ সুস্থ কার্যপ্রবাহ বজায় রাখতে অপরিহার্য। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সামাজিক যোগাযোগ বজায় রাখা, ইতিবাচক মনোভাব গড়ে তোলা এবং সৃজনশীল কর্মকা-ে অংশগ্রহণও দীর্ঘমেয়াদে জ্ঞানীয় সক্ষমতা রক্ষায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে।

বিজ্ঞান যেমন মস্তিষ্কের গঠন ও কার্যপ্রণালি ব্যাখ্যা করে, তেমনি বিশ্বের বিভিন্ন ধর্ম, দর্শন ও সভ্যতায় জ্ঞান, মনন, চিন্তাশক্তি এবং আত্মশৃঙ্খলার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। মানুষের চিন্তাশক্তি, নৈতিকতা, সৃজনক্ষমতা ও চেতনার বিকাশকে প্রায় সব ঐতিহ্যই মানবজীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করেছে। ফলে মস্তিষ্ক কেবল একটি জৈবিক অঙ্গ নয়; এটি ব্যক্তি, সমাজ ও সভ্যতার অগ্রগতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি।

অন্যদিকে এই অঙ্গের বিকৃতি বা অস্বাভাবিকতার কারণও বহুমাত্রিক। গর্ভাবস্থায় জিনগত ত্রুটি, অপুষ্টি কিংবা ক্ষতিকর পদার্থ ও মাদকের প্রভাবে শিশুর মস্তিষ্ক বিকাশ ব্যাহত হতে পারে। পরবর্তী জীবনে আঘাত, টিউমার বা স্নায়বিক রোগ (যেমন—আলঝেইমারস, পার্কিনসন্স) এবং স্ট্রোক মস্তিষ্কের কার্যকারিতা ক্ষতিগ্রস্ত করে যেটি বিশ্ব স্বাস্থ্য ব্যবস্থার অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। তাই বিশ্ব মস্তিষ্ক দিবস শুধু সচেতনতা নয়, প্রতিরোধ ও গবেষণার গুরুত্বও স্মরণ করিয়ে দেয়। শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি বিষণ্নতা ও উদ্বেগ রোধে মানসিক ভারসাম্য রক্ষা এবং সময়োপযোগী চিকিৎসাও সমান জরুরি।

আজকের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মহাকাশ প্রযুক্তি, চিকিৎসাবিজ্ঞান এবং ডিজিটাল বিপ্লবের যুগেও মানুষের মস্তিষ্কই সর্বশ্রেষ্ঠ বিস্ময়। বিজ্ঞান যত অগ্রসর হচ্ছে, মানবমস্তিষ্কের অজানা রহস্য ততই নতুন মাত্রায় উন্মোচিত হচ্ছে। তবুও মানবচেতনা, নৈতিকতা, মানবিক উপলব্ধি এবং সৃজনক্ষমতার অনেক প্রশ্ন এখনো গবেষণার বিষয়। ডিজিটাল আসক্তি, ঘুমের অনিয়ম, অতিরিক্ত মানসিক চাপ এবং অস্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা আজ এই মূল্যবান স্নায়ুকেন্দ্রের জন্য নতুন হুমকি হয়ে উঠেছে। তাই ব্যক্তি, পরিবার ও রাষ্ট্র—সব পর্যায়ে এর সুরক্ষা ও সুস্থ বিকাশে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।

বিশ্ব মস্তিষ্ক দিবস আমাদের মস্তিষ্ককে স্মরণ করিয়ে দেয়—সুস্থ মস্তিষ্ক ছাড়া সুস্থ ব্যক্তি, সুস্থ সমাজ কিংবা উন্নত সভ্যতা কল্পনা করা যায় না। তাই এর যতœ নেওয়া কেবল ব্যক্তিগত দায়িত্ব নয়; এটি জাতীয় উন্নয়ন ও মানবকল্যাণেরও অন্যতম পূর্বশর্ত। জ্ঞানের আলো, মানবিক মূল্যবোধ ও সুস্থ চিন্তার বিকাশের মাধ্যমে আমরা গড়ে তুলতে পারি একটি সচেতন, সৃজনশীল এবং মেধাভিত্তিক সমাজ। আর সেই পথচলায় বিশ্ব মস্তিষ্ক দিবস হয়ে উঠতে পারে আত্মবিশ্লেষণ, সচেতনতা এবং অনুপ্রেরণার এক তাৎপর্যপূর্ণ উপলক্ষ।

কেশবপুরে বিপুল পরিমাণ অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল ধ্বংস

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ৭:৩৩ অপরাহ্ণ
কেশবপুরে বিপুল পরিমাণ অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল ধ্বংস

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুর মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা প্রশাসন ও সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসারের কার্যালয়ের উদ্যোগে বিভিন্ন জলাশয়ে এই অভিযান পরিচালনা করে চায়না দুয়ারী জাল উদ্ধার করে ধ্বংস ও পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন, কেশবপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী মেশকাতুল ইসলাম।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, কেশবপুর উপজেলার বিভিন্ন জলাশয়ে অবাধে অবৈধ চায়না দুয়ারি জাল ব্যবহার করায় দেশীয় মাছ ও জলজ প্রাণীর অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়েছে। চায়না দুয়ারি জাল ব্যবহার করে সাতবাড়িয়া ও সাগরদাঁড়ির কপোতাক্ষ নদ এলাকায় মাছ ধরা হচ্ছে ইউনিয়ন আনসার দলনেতারা খবর দিলে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় বিলের পানি থেকে আনুমানিক দুই হাজার মিটার চায়না দুয়ারি জাল উদ্ধার করা হয়।

 

পরবর্তীতে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী মেশকাতুল ইসলামের নির্দেশনায় জনসম্মুখে উদ্ধারকৃত জাল পুড়িয়ে ধ্বংস ও বিনষ্ট করা হয়েছে। এ সময় সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার সুদীপ বিশ্বাস, উপজেলা আনসার ভিডিপি অফিসার মিয়াজান আলীসহ পুলিশ ও আনসার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সাতক্ষীরায় প্রাইভেটকার চালক সুমন হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ৭:৩০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় প্রাইভেটকার চালক সুমন হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা

পত্রদূত রিপোর্ট: ছেলে সুমন হুসাইনকে মোবাইল ফোনে বাড়ি থেকে ডেকে এনে পরিকল্পিতভাবে হত্যার পর পানিতে ডুবিয়ে লাশ গুমের চেষ্টার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহতের পিতা আব্দুল হামিদ সরদার বাদি হয়ে সোমবার রাতে কারো নাম উল্লেখ না করে সাতক্ষীরা সদর থানায় এ মামলা দায়ের করেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, রবিবার রাত ১১টার দিকে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার লাবসা ইউনিয়নের পূর্ব কৈখালি গ্রামের আব্দুল হমিদ সরদারের ছেলে প্রাইভেটকার চালক সুমন হুসাইনকে মুঠোফেনে ডেকে নিয়ে যায় অজ্ঞাতনামা কয়েক জন। পরদিন সকালে কেসমত আলীর মাছের ঘের থেকে তার বিবস্ত্র মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশ লাশের পাশ থেকে ৩৩ ভোল্টের বৈদ্যুতিক তার, দুটি লোহা কাটা ব্লেড ও সিমবিহীন একটি বাটাম ফোন উদ্ধার করে।

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মাসুদুর রহমান জানান, এ ঘঁনায় নিহতের পিতা আব্দুল হামিদ সরদার বাদি হয়ে কারো নাম উল্লেখ না করে অজ্ঞতনামা ৩/৪জনকে আসামী করে সোমবার রাতে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ ঘটনার ক্লু উদ্ধার করে দোষীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে।