মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

বৈশাখ: উৎসবের আড়ালে বাঙালির আত্মপরিচয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৩৩ পূর্বাহ্ণ
বৈশাখ: উৎসবের আড়ালে বাঙালির আত্মপরিচয়

 

সচ্চিদানন্দ দে সদয়
বাংলা বছরের প্রথম দিন পহেলা বৈশাখ-শুধু একটি উৎসবের নাম নয়, এটি বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাস, জীবনযাপন ও সংস্কৃতির সম্মিলিত প্রতিচ্ছবি। ক্যালেন্ডারের একটি তারিখকে ঘিরে এত গভীর আবেগ, এত ব্যাপক অংশগ্রহণ এবং এত বহুমাত্রিক অর্থ-বাংলা নববর্ষকে তাই নিছক আনুষ্ঠানিকতার গ-িতে আটকে রাখা যায় না। এটি একদিকে আনন্দ, অন্যদিকে আত্মসমালোচনা; একদিকে ঐতিহ্য, অন্যদিকে সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার এক চলমান প্রক্রিয়া। পহেলা বৈশাখের শেকড় নিহিত রয়েছে মুঘল আমলে। সম্রাট আকবরের প্রবর্তিত ফসলি সন মূলত রাজস্ব আদায়ের সুবিধার্থে চালু হয়েছিল। কৃষকের ফসল তোলার সময়ের সঙ্গে খাজনা আদায়ের সময়কে সমন্বয় করার প্রয়োজনে যে বর্ষপঞ্জির জন্ম, সেটিই আজ বাঙালির সবচেয়ে বড় সাংস্কৃতিক উৎসবে পরিণত হয়েছে। এই ইতিহাস আমাদের শেখায়-বৈশাখের জন্ম অর্থনীতির ভেতর, কিন্তু তার বিকাশ সংস্কৃতির ভেতর। অর্থাৎ, জীবিকা ও জীবনবোধের এক অনন্য মেলবন্ধনই পহেলা বৈশাখ। গ্রামবাংলায় বৈশাখ মানে নতুন ফসলের আনন্দ, হালখাতা, মেলা, আর মানুষের আন্তরিক মিলন। কৃষক বছরের হিসাব মেলান, ব্যবসায়ী নতুন খাতা খোলেন, আর সাধারণ মানুষ উৎসবের আমেজে মেতে ওঠেন। পান্তা-ইলিশ, গ্রামীণ মেলা, লোকগান-এসব কেবল বিনোদন নয়; এগুলো একটি সমাজের স্মৃতি, অভ্যাস ও পরিচয়ের অংশ। এখানেই বৈশাখ সবচেয়ে প্রাণবন্ত, সবচেয়ে স্বতঃস্ফূর্ত। শহরে এসে বৈশাখ অনেকটাই বদলে গেছে। এখানে উৎসবের জায়গা নিয়েছে আয়োজন। রঙিন পোশাক, ব্র্যান্ডের প্রচারণা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উপস্থিতি-সব মিলিয়ে বৈশাখ এখন এক ধরনের “পাবলিক পারফরম্যান্স”। তবে এই রূপান্তরের মধ্যেও কিছু ইতিবাচক দিক আছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের মঙ্গল শোভাযাত্রা শহুরে বৈশাখকে নতুন অর্থ দিয়েছে। এটি কেবল আনন্দযাত্রা নয়, বরং একটি প্রতীকী প্রতিবাদ, যেখানে অসাম্প্রদায়িকতা, মানবতা ও সাম্যের বার্তা তুলে ধরা হয়। পহেলা বৈশাখের সবচেয়ে বড় দিক তার সর্বজনীনতা। ধর্মীয় উৎসবগুলো যেখানে নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ, সেখানে বৈশাখ সবার। এই উৎসব মানুষকে একত্রিত করে, বিভাজন ভুলিয়ে দেয়। আজকের বিশ্বে, যেখানে পরিচয়ের সংকট ও বিভাজন ক্রমশ বাড়ছে, সেখানে পহেলা বৈশাখ আমাদের মনে করিয়ে দেয়-আমাদের একটি অভিন্ন পরিচয় আছে, আমরা বাঙালি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বৈশাখ ক্রমশ বাণিজ্যিক হয়ে উঠছে। বড় বড় প্রতিষ্ঠান, ফ্যাশন হাউস, রেস্তোরাঁ-সবাই এই উৎসবকে কেন্দ্র করে ব্যবসার সুযোগ নিচ্ছে। এটি একদিকে অর্থনীতির জন্য ভালো, কিন্তু অন্যদিকে প্রশ্ন তোলে-উৎসবের মূল চেতনা কি হারিয়ে যাচ্ছে? বৈশাখ কি এখন শুধুই “ডিসকাউন্ট সিজন”? একসময় যে গ্রাম ছিল বৈশাখের প্রাণকেন্দ্র, আজ সেখানে উৎসবের জৌলুস কমে এসেছে। অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা, সাংস্কৃতিক চর্চার অভাব এবং আধুনিক প্রযুক্তির প্রভাব-সব মিলিয়ে গ্রামীণ বৈশাখ অনেকটাই নিস্তেজ। অন্যদিকে শহরে আয়োজনের জাঁকজমক বাড়লেও অনেক সময় তা হয়ে উঠছে কৃত্রিম। এই বৈপরীত্য আমাদের ভাবায়। বর্তমানে পহেলা বৈশাখের সামনে কয়েকটি বড় চ্যালেঞ্জ দাঁড়িয়ে আছে- নতুন প্রজন্মের মধ্যে ঐতিহ্যচর্চার আগ্রহ কমে যাচ্ছে। বড় জনসমাগমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ছে। প্লাস্টিক ও বর্জ্যের কারণে উৎসবের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। যদিও নানা চ্যালেঞ্জ রয়েছে, তবুও আশার জায়গা আছে। নতুন প্রজন্ম যদি সচেতন হয়, যদি তারা বৈশাখের প্রকৃত অর্থ বুঝতে পারে, তবে এই উৎসব তার স্বকীয়তা হারাবে না। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, পরিবার ও গণমাধ্যম এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। পহেলা বৈশাখকে টিকিয়ে রাখতে রাষ্ট্রেরও সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন। লোকসংস্কৃতি সংরক্ষণ, গ্রামীণ মেলা পুনরুজ্জীবন, শিল্পীদের সহায়তা-এসব উদ্যোগ না নিলে এই ঐতিহ্য ধীরে ধীরে ক্ষয়ে যেতে পারে। পহেলা বৈশাখ আমাদের শেখায়-পুরনোকে ঝেড়ে ফেলে নতুনকে গ্রহণ করতে। এটি কেবল একটি উৎসব নয়, বরং একটি দৃষ্টিভঙ্গি। জীবনের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব, নতুন করে শুরু করার সাহস-এসবই বৈশাখের মূল শিক্ষা। বৈশাখকে আমরা কীভাবে দেখব-সেটাই আজ সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। এটি কি কেবল একটি দিন, নাকি একটি চেতনা? যদি আমরা এর গভীর অর্থ উপলব্ধি করতে পারি, তবে পহেলা বৈশাখ শুধু উৎসব হয়ে থাকবে না; এটি হয়ে উঠবে আমাদের আত্মপরিচয়ের শক্তিশালী ভিত্তি। বৈশাখ তখনই সত্যিকার অর্থে ‘সবার উৎসব’ হয়ে উঠবে, যখন তা আমাদের জীবনের প্রতিটি স্তরে প্রতিফলিত হবে। পহেলা বৈশাখ আমাদের কেবল আনন্দ দেয় না; এটি আমাদের চিন্তা করতে শেখায়। এটি আমাদের শিকড়ের সঙ্গে যুক্ত করে, আবার ভবিষ্যতের পথও দেখায়। এই উৎসব আমাদের শেখায়-
পুরোনোকে ভুলে নয়, বরং তাকে ধারণ করেই নতুনকে গ্রহণ করতে হয়।নতুন বছরের সূর্য তাই শুধু একটি দিন নয়, এটি একটি দর্শন-পুনর্জন্মের, পুনর্গঠনের, পুনরুত্থানের। এসো, আমরা পহেলা বৈশাখকে কেবল উৎসব হিসেবে নয়, একটি দায়িত্ব হিসেবে দেখি। সংস্কৃতি রক্ষা, মানবিকতা চর্চা এবং অসাম্প্রদায়িক সমাজ গঠনের অঙ্গীকার করি। শুভ নববর্ষ

Ads small one

নবনিযুক্ত প্রশাসক হাবিবকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছে পাটকেলঘাটা ক্লাব ও পাঠাগারের সদস্যরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৭:৪৬ অপরাহ্ণ
নবনিযুক্ত প্রশাসক হাবিবকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছে পাটকেলঘাটা ক্লাব ও পাঠাগারের সদস্যরা

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন সাতক্ষীরা জেলার পাটকেলঘাটা ক্লাব ও পাঠাগারের সদস্যরা।

মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুর ১২টায় জেলা পরিষদের প্রশাসকের কার্যালয়ে পাটকেলঘাটা ক্লাব ও পাঠাগার এর সভাপতি মকবুল হোসেন এর নেতৃত্বে এ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন পাটকেলঘাটা ক্লাব ও পাঠাগারের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান, হাফিজুর রহমান হাফিজ সাংবাদিক আব্দুল মোমিন, মিহির সাধু মনা, উদায় ঘোস, মাহমুদুল হক লাল্টু, মোসফেক বিশ্বাস, আনিছুর জামান।

শুভেচ্ছা বিনিময়কালে জেলা প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব বলেন নতুন প্রজন্মকে বিভিন্ন খেলাধুলার দিকে মননিবাস করতে হবে। বর্তমান সমাজ থেকে মাদক দূর করতে হবে আর মাদক থেকে দুরে রাখার জন্য এবং শরীর ঠিক রাখার জন্য খেলাধুলার বিকল্প কিছু নাই।

 

পাটকেলঘাটা ক্লাব ও পাঠাগারটি অনেক পুরাতন এই ক্লাব থেকে অনেক খেলোয়ার একসময় তৈরি হয়েছে। ক্লাবটির সুনাম ধরে রাখতে হবে এবং এ ক্লাবের মাধ্যমে ক্রীড়া ক্ষেত্রে বিভিন্ন ভালো ভালো প্লেয়ার তৈরি করতে হবে। খেলাধুলাসহ বিভিন্ন ভালো কাজের জন্য আমার পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

 

পাইকগাছায় বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ এর চিরবিদায়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ এর চিরবিদায়

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছা উপজেলার রাড়ুলী ইউনিয়নের ৬ বারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ (৮২) পৃথিবী থেকে চির বিদায় নিয়েছেন। ৯ জুন মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে হৃদরোগে আক্রান্ত হলে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। তিনি সাতক্ষীরা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলাম টুকুর পিতা।

শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক আবুল কালাম আজাদ ঐতিহ্যবাহী আর কে বি কে হরিশ্চন্দ্র কলেজিয়েট স্কুলের অধ্যক্ষ ও বাঁকা শহীদ কামরুল মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দীর্ঘদিনের প্রধান শিক্ষকসহ উপজেলা চেয়ারম্যান এসোসিয়েশনের সভাপতি ও মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
মৃত্যুকালে স্ত্রীসহ ১ মেয়ে, ৪ ছেলেসহ বহু আত্মীয় স্বজন রেখে গেছেন। সকালে তার মৃত্যুর খবর পেয়ে উপজেলার সর্ব মহলে শোকের ছায়া নেমে আসে।

দখিনার শোক:
ঐতিহ্যবাহী খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলার সমন্বয়ে গঠিত অরাজনৈতিক জন ও সমাজকল্যাণমূলক সংগঠন দখিনা এর আজীবন সদস্য, পাইকগাছা রাড়–লি ইউনিয়নের বার বার নির্বাচিত চেয়ারম্যান, সাবেক অধ্যক্ষ আলহাজ¦ আবুল কালাম আজাদ মঙ্গলবার সকালে ষ্ট্রোকজনিত কারনে মৃত্যু বরণ করায় দখিনা’র পক্ষ থেকে গভীর শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবার বর্গের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করে বিবৃতি দিয়েছেন।

বিবৃতিদাতারা হলেন দখিনার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, সাবেক সংসদ সদস্য ও পাইকগাছা উপজেলা পরিষদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান এডভোকেট স.ম বাবর আলী, দখিনার উপদেষ্টা যথাক্রমে আলহাজ¦ আব্দুলজব্বার মোল্লা, আলহাজ¦ শেখআব্দুল্লাহ, প্রকৌশলী মোঃ আব্দুল আজিজ, অধ্যাপক মোঃ জোবায়ের হোসেন ও ডাঃ মুহাম্মাদ কাওসার আলী গাজী, দখিনার সভাপতি আলহাজ¦ ওহিদুজ্জামান খান পল্টু, সহ সভাপতি যথাক্রমে ড. মোঃ হারুনর রশিদ, মোঃ ইউনুস আলী গাজী, অধ্যক্ষ এ কে এম গোলাম আযম, প্রফেসর অশোক কুমার ঘোষ, প্রফেসর এসএম মাহবুবুর রহমান, আলহাজ¦ খুরশিদ আলম কাগজি, রোটাঃ এসএম মফিজুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকদ্বয় জি, এম, ইউনুস আলী, মোঃ শরিফুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ মোঃ ওসমান গনি, সাংগঠনিক সম্পাদক জিএম মইন উদ্দিন, দপ্তর সম্পাদক মোঃ রাশেদ রানা, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক নাজমুলহক খোকন, সমাজকল্যাণ সম্পাদক এমডি আশরাফ হোসেন, সহসমাজ কল্যাণ সম্পাদক মোঃ খলিলুর রহমান, মহিলা সম্পাদিক এড. শারমিন মারিয়া মুক্তি, মানবাধিকার সম্পাদক শেখ মনিরুল ইসলাম মনি, ক্রীড়া সম্পাদক জি,এম রেজাউল ইসলাম, নির্বাহী সদস্য যথাক্রমে আলহাজ¦ জাহিদ হাবিব, এড. মোঃ নজরুল ইসলাম, মোঃ সেকেন্দার, মোঃ নুরুল ইসলাম কালু, জিএম নজরুল ইসলাম, মোঃ জহির হোসেন, জিএম আব্দুস সাত্তার, আবুবকর সিদ্দিক নান্না, হাসিবুর রহামন রকি, কাজী আমিনুল ইসলাম, শেখ মইনুল ইসলাম জুয়েল প্রমুখ।

 

হাসান হত্যা মামলার ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই প্রধান আসামি মিন্টু আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৭:২৭ অপরাহ্ণ
হাসান হত্যা মামলার ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই প্রধান আসামি মিন্টু আটক

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছায় আলোচিত হাসান হত্যা মামলার প্রধান আসামি মোঃ নাজমুল হুদা মিন্টুকে ঘটনার ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই আটক করেছে পুলিশের বিশেষ টিম।

থানা সূত্রে জানা গেছে, ৯ জুন মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে খুলনা নগরীর লবণচোরা এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। আটককৃত মিন্টু হত্যা মামলার ১ নম্বর আসামি। নিহত হাসানের পিতা মালেক বাদী হয়ে ৮ জুন সোমবার রাতে পাইকগাছা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় মোঃ নাজমুল হুদা মিন্টুসহ ১০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৮ জনকে আসামি করা হয়েছে। থানার মামলা নং-৯।

পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, ৭ জুন রবিবার বিকেলে উপজেলার চাঁদখালী গরুর হাটে একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এ সময় হাসান প্রতিবাদ করলে মিন্টুসহ তার সহযোগীরা তাকে মারধর করে গুরুতর আহত অবস্থায় হসপিটালে নিয়ে আসার সময় হাসানের মৃত্যু হয় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।

পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ গোলাম কিবরিয়া জানান, নিহতের পিতা বাদী হয়ে সোমবার রাতে মামলা দায়ের করেন। মামলার প্রধান আসামি নাজমুল হুদা মিন্টুকে আটকের জন্য পুলিশের বিশেষ টিম অভিযান পরিচালনা করে এবং ২৪ ঘণ্টা পূর্ণ হওয়ার আগেই খুলনার লবণচোরা এলাকা থেকে তাকে আটক করতে সক্ষম হয়। মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।