শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩

সুন্দরবনে জিম্মি ৪ জেলে উদ্ধার, অস্ত্র-গুলিসহ ‘করিম-শরীফ’ বাহিনীর ২ দস্যু গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ১১:৩৩ অপরাহ্ণ
সুন্দরবনে জিম্মি ৪ জেলে উদ্ধার, অস্ত্র-গুলিসহ ‘করিম-শরীফ’ বাহিনীর ২ দস্যু গ্রেপ্তার

পত্রদূত ডেস্ক: সুন্দরবনে মুক্তিপণের দাবিতে দস্যুদের হাতে অপহৃত চার জেলেকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেছে কোস্ট গার্ড। এ সময় বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিসহ সুন্দরবনের ‘কুখ্যাত’ ডাকাত করিম-শরীফ বাহিনীর সেকেন্ড-ইন-কমান্ডসহ দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রবিবার (১৭ মে) ভোরে খুলনা জেলার দাকোপ উপজেলাধীন ঢাংমারী খাল এলাকায় ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া দস্যুরা হলেনÑবাগেরহাট জেলার রামপাল উপজেলার মো. রবিউল শেখ (৩০) এবং মোড়েলগঞ্জ উপজেলার রাজন শরীফ (২০)। কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, গ্রেপ্তার রাজন শরীফ সুন্দরবনের কুখ্যাত ‘করিম-শরীফ বাহিনীর’ সেকেন্ড-ইন-কমান্ড। দস্যুদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে একটি বিদেশি একনলা বন্দুক, দুটি দেশীয় একনলা বন্দুক এবং ২৪ রাউন্ড তাজা কার্তুজ।
কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, করিম-শরীফ বাহিনীর সদস্যরা সুন্দরবনের ঢাংমারী খাল-সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ ভোর চারটার দিকে কোস্ট গার্ডের একটি বিশেষ দল সেখানে অভিযান চালায়।
কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দল বনের গহিনে পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় কোস্ট গার্ড সদস্যরা ধাওয়া করে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ দস্যু বাহিনীর ওই দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন। পরে বনের ভেতর ডাকাতদের আস্তানা থেকে জিম্মি থাকা চার জেলেকে উদ্ধার করা হয়।
কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তার রাজন শরীফ দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবনে সাধারণ জেলে ও বাওয়ালিদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায় করে আসছিল। তাঁর বিরুদ্ধে বাগেরহাট সদর থানায় একটি হত্যা মামলাও রয়েছে।
জব্দ করা অস্ত্র, গোলাবারুদ ও গ্রেপ্তার ডাকাতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। এ ছাড়া উদ্ধার হওয়া জেলেদের প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাঁদের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার কাজ চলছে। সুন্দরবনকে সম্পূর্ণরূপে দস্যুমুক্ত করতে কোস্ট গার্ডের এই ধরনের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

 

Ads small one

আশাশুনির বিভিন্ন দুর্গাপূজা ম-প পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো. আশরাফুল আলম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫৫ অপরাহ্ণ
আশাশুনির বিভিন্ন দুর্গাপূজা ম-প পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো. আশরাফুল আলম

বিএম আলাউদ্দীন, আশাশুনি: আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে উপজেলার বিভিন্ন পূজাম-প পরিদর্শন করেছেন সাতক্ষীরা জেলার পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো. আশরাফুল আলম। বিকেলের দিকে তিনি বুধহাটা ও আশপাশের বিভিন্ন পূজাম-প ঘুরে দেখেন।

পরিদর্শনের শুরুতে তিনি বুধহাটা সুবর্ণ বণিকপাড়া পূজাম-প, বুধহাটা কাছারীবাড়ী সার্বজনীন দুর্গাপূজা ম-প, মহেশ্বরকাটি সার্বজনীন দুর্গা মন্দির, বুড়িয়া সার্বজনীন দুর্গা মন্দির এবং গোয়ালডাঙ্গা সার্বজনীন দুর্গা মন্দির পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি পূজা উদ্যাপন পরিষদ ও ম-প পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কথা বলেন এবং সার্বিক নিরাপত্তা ও পরিবেশের খোঁজখবর নেন। শান্তিপূর্ণ ও আনন্দমুখর পরিবেশে পূজা সম্পন্ন করার জন্য তিনি সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

পূজাম-প ঘুরে দেখার সময় তিনি প্রতিমা দর্শন করেন এবং উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, সাতক্ষীরা জেলায় এ বছর ৬০৯টি পূজাম-পে পূজা উদযাপিত হচ্ছে। সাতক্ষীরা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য জনপদ, যেখানে হিন্দু-মুসলিম সবাই মিলেমিশে বসবাস করে এবং উৎসবগুলো একত্রে পালন করে। নিরাপত্তার বিষয়ে তিনি জোর দিয়ে বলেন, পূজার দিনগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অধিকাংশ পূজাম-পে ইতিমধ্যে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে এবং বাকিগুলোও দ্রুত সিসি ক্যামেরার আওতায় আসবে।

এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মিঠুন কুমার সরকার, দেবহাটা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. বায়েজীদ ইসলাম, আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিদুর রহমান, থানার সেকেন্ড অফিসার লক্ষণ চন্দ্র দাস এবং বুধহাটা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই সেকেন্দার আলীসহ পুলিশ বাহিনীর বিভিন্ন স্তরের সদস্য ও স্থানীয় মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দ।

বুধহাটায় জমি দখল ও ঘর নির্মাণের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫৩ অপরাহ্ণ
বুধহাটায় জমি দখল ও ঘর নির্মাণের অভিযোগ

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার বুধহাটায় জোরপূর্বক জমি দখল ও সেখানে স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে এক অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তার বাড়ির সীমানা প্রাচীরের গ্রেডবিম কেটে পুকুরে ফেলে দেওয়ারও গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে গত ১০ সেপ্টেম্বর থানায় অভিযোগ দিয়েও কোনো প্রতিকার না পেয়ে তিনি ১৫ সেপ্টেম্বর আদালতে ১৪৫ ধারায় মামলা করেন। কিন্তু বিজ্ঞ আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অভিযুক্ত মিজানুর লাঠিয়াল বাহিনী নিয়ে পুনরায় নির্মাণকাজ চালাতে থাকেন। স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের অসহযোগিতায় তিনি এই সুযোগ পেয়েছেন দাবি করে ভুক্তভোগী গত ৮ অক্টোবর আদালতে আরও একটি মামলা দায়ের করেন, যেখানে আদালত আশাশুনি থানাকে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। অন্যদিকে, একই এলাকার সাবেক সেনা কর্মকর্তা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ইউনুছ আলী অভিযোগ করেন, তিনি সুশীল কর্মকারের নিকট থেকে ১৯৯৭ সালে জমি কিনে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছেন এবং বাড়ির সীমানায় নিরাপদে গ্রেডবিম নির্মাণ করেছিলেন। কিন্তু গত ১০ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে অভিযুক্ত মিজানুর লোকজন নিয়ে এসে তাঁর সীমানা প্রাচীরের গ্রেডবিম কেটে পাশের পুকুরে ফেলে দেন। এ ঘটনায় তিনি অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করলে আদালত আশাশুনি থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। এসআই লিটন কুমার ঘোষ তদন্ত শেষ করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন বলে তিনি জানতে পেরেছেন।

এই ভূমিদস্যুর হাত থেকে রক্ষা পেতে ও পৈতৃক বা কেনা সম্পত্তি রক্ষায় ভুক্তভোগীরা প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

শ্যামনগরে জামায়াতের পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ডেঙ্গু সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫০ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে জামায়াতের পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ডেঙ্গু সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ

শ্যামনগর প্রতিনিধি: ক্রমবর্ধমান ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলা ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। দলীয় কেন্দ্রঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার সকাল ১০টা থেকে শ্যামনগর পৌরসভার নকিপুর বাজারসহ জনবহুল এলাকাগুলোতে এই প্রচারপত্র বিলি করা হয়।
উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুর রহমানের নেতৃত্বে কর্মসূচিতে অংশ নেন পৌর জামায়াতের আমির হারুন-অর রশীদ সাচ্চু, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা মঈনুদ্দীন, গোলাম মোস্তফা, যুব বিভাগের সাঈদী হাসান বুলবুল এবং ছাত্রশিবিরের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। এর আগে সকালে জামায়াতের একটি দল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করে।
কর্মসূচিপালনের সময় নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে ডেঙ্গুর প্রকোপ মারাত্মক আকার ধারণ করেছে, যা সাধারণ মানুষের জনজীবন ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে। এই মহামারি থেকে রক্ষা পেতে হলে নিজের আঙিনাসহ চারপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং জমে থাকা পানি নিয়মিত অপসারণ করা অত্যন্ত জরুরি। একই সঙ্গে ডেঙ্গু লক্ষণে ভয় না পেয়ে চিকিৎসকের পরমর্শ অনুযায়ী সঠিক ওষুধ সেবন ও মানসিক শক্তি ধরে রাখার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান তাঁরা।