শনিবার, ১ আগস্ট ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
শনিবার, ১ আগস্ট ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩

আন্তর্জাতিক রোমা হলোকাস্ট স্মরণ দিবস

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০৮ অপরাহ্ণ
আন্তর্জাতিক রোমা হলোকাস্ট স্মরণ দিবস

আন্তর্জাতিক রোমা হলোকাস্ট স্মরণ দিবস: বিস্মৃত গণহত্যার ইতিহাস, স্বীকৃতি ও মানবাধিকারের পাঠ

সাকিবুর রহমান বাবলা

প্রতি বছর ২ আগস্ট পালিত আন্তর্জাতিক রোমা হলোকাস্ট স্মরণ দিবস বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ অথচ দীর্ঘদিন উপেক্ষিত গণহত্যার স্মরণে উৎসর্গীকৃত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাৎসি জার্মানি ও তাদের সহযোগীদের হাতে রোমা ও সিন্টি জনগোষ্ঠীর ওপর সংঘটিত পরিকল্পিত নিধনযজ্ঞ মানবসভ্যতার ইতিহাসে এক গভীর কলঙ্কজনক অধ্যায়। এই গণহত্যা রোমানি ভাষায় “পোরাইমোস” বা “সামুদারিপেন” নামে পরিচিত, যার অর্থ ধ্বংস বা গণবিনাশ।

রোমা জনগোষ্ঠীর ইতিহাস ইউরোপে নয়, ভারতীয় উপমহাদেশে প্রোথিত। ভাষাতাত্ত্বিক, নৃতাত্ত্বিক এবং জিনগত গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে রোমাদের পূর্বপুরুষেরা প্রায় এক হাজার বছর আগে উত্তর-পশ্চিম ভারত, বিশেষত পাঞ্জাব ও রাজস্থান অঞ্চল থেকে পশ্চিমমুখী যাত্রা শুরু করেন। রোমানেস ভাষা ইন্দো-আর্য ভাষা পরিবারের অন্তর্ভুক্ত এবং এর সঙ্গে সংস্কৃত, পাঞ্জাবি, হিন্দি ও রাজস্থানি ভাষার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। আধুনিক জিনগত গবেষণাও রোমাদের উত্তর-পশ্চিম ভারতীয় উৎসের বিষয়টি সমর্থন করেছে।

পারস্য, আর্মেনিয়া ও বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের মধ্য দিয়ে ইউরোপে প্রবেশের পর রোমারা বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। পূর্ব ইউরোপ ও বলকান অঞ্চলে বসবাসকারী বৃহৎ অংশ “রোমা” নামে পরিচিত হয়, আর জার্মানি, ফ্রান্স ও মধ্য ইউরোপের অঞ্চলে বসবাসকারী গোষ্ঠী “সিন্টি” নামে পরিচিতি লাভ করে। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে তারা সামাজিক বর্জন, দাসত্ব, জোরপূর্বক স্থানান্তর এবং প্রাতিষ্ঠানিক বৈষম্যের শিকার হয়েছে।

রোমা জনগোষ্ঠী ইউরোপীয় সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাদের মৌখিক সাহিত্য, লোকসংগীত, নৃত্য, হস্তশিল্প ও পারিবারিক ঐতিহ্য শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে সংরক্ষিত হয়েছে। স্পেনের বিখ্যাত ফ্ল্যামেনকো সঙ্গীত ও নৃত্যের বিকাশেও রোমানি সংস্কৃতির উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। তবে সাংস্কৃতিক সমৃদ্ধির পাশাপাশি ইউরোপে তাদের ইতিহাস বৈষম্য, নিপীড়ন ও বঞ্চনারও ইতিহাস। মধ্যযুগ থেকে বিভিন্ন দেশে রোমারা বহিষ্কার, দাসত্ব, সম্পত্তি বাজেয়াপ্তকরণ এবং জোরপূর্বক সমন্বয় নীতির শিকার হয়েছে, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাৎসি বর্ণবাদী নিধনযজ্ঞের মাধ্যমে চরম পরিণতি লাভ করে।

নাৎসি জার্মানির বর্ণবাদী নীতিতে রোমা ও সিন্টিদের “জাতিগতভাবে নিকৃষ্ট” হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ইহুদিদের মতো তারাও “জাতিগত শুদ্ধতা” নীতির লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়। ১৯৩০-এর দশক থেকে শুরু করে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পুরো সময়জুড়ে রোমাদের গ্রেপ্তার, নির্বাসন, জোরপূর্বক শ্রম এবং হত্যার মাধ্যমে একটি সুসংগঠিত নিধনযজ্ঞ পরিচালিত হয়। বিভিন্ন গবেষণা ও ঐতিহাসিক নথি অনুযায়ী প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার থেকে ৫ লাখ বা তারও বেশি রোমা ও সিন্টি মানুষ এই গণহত্যার শিকার হন। ইউরোপীয় পার্লামেন্টের তথ্য অনুযায়ী অন্তত ৫ লক্ষ রোমা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত হয়েছিলেন এবং কিছু দেশে তাদের মোট জনসংখ্যার ৮০ শতাংশ পর্যন্ত নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়।

এই গণহত্যার সবচেয়ে ভয়াবহ অধ্যায় রচিত হয় পোল্যান্ডের আউশভিটস-বিরকেনাউ কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে। সেখানে “জিগয়নারলাগার” বা “জিপসি ফ্যামিলি ক্যাম্প” নামে একটি পৃথক অংশে রোমা ও সিন্টিদের বন্দি রাখা হতো। ইউরোপীয় পার্লামেন্টের নথি অনুসারে যুদ্ধ চলাকালে আউশভিটসের ওই ক্যাম্পেই ২৩ হাজারেরও বেশি রোমা মানুষকে হত্যা করা হয়।
১৯৪৪ সালের ২ আগস্ট রাত থেকে ৩ আগস্ট ভোর পর্যন্ত নাৎসি এসএস বাহিনী “জিপসি ফ্যামিলি ক্যাম্প” সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেয়। অধিকাংশই নারী, শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ বন্দি ছিলেন। ঐতিহাসিক নথি অনুযায়ী ওই রাতে অন্তত ২,৮৯৭ জন রোমা ও সিন্টিকে গ্যাস চেম্বারে হত্যা করা হয়। অন্য কিছু গবেষণা ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে নিহতের সংখ্যা ৪,২০০ থেকে ৪,৩০০ জন পর্যন্ত উল্লেখ করা হয়েছে। এই ঘটনাই আন্তর্জাতিক রোমা হলোকাস্ট স্মরণ দিবসের ঐতিহাসিক ভিত্তি।

যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে ইহুদি হলোকাস্ট আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেলেও রোমা গণহত্যা দীর্ঘদিন পর্যাপ্ত গুরুত্ব পায়নি। ইতিহাসবিদরা একে প্রায়ই “বিস্মৃত হলোকাস্ট” হিসেবে উল্লেখ করেছেন। শিক্ষাক্রম, গবেষণা এবং জনস্মৃতিতে এই গণহত্যা দীর্ঘ সময় অনুপস্থিত ছিল। ইউরোপীয় পার্লামেন্টও স্বীকার করেছে যে রোমা গণহত্যা বহু বছর ধরে সাধারণ মানুষের কাছে অজানা ও অবমূল্যায়িত ছিল।

রোমা অধিকারকর্মী, গবেষক এবং মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দীর্ঘ প্রচেষ্টার ফলে পরিস্থিতির পরিবর্তন শুরু হয়। ১৯৯৭ সালে পোল্যান্ড প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে দিবসটি স্বীকৃতি দেয়। পরবর্তীতে ২০১৫ সালের ১৫ এপ্রিল ইউরোপীয় পার্লামেন্ট ২ আগস্টকে “ইউরোপীয় রোমা হলোকাস্ট স্মরণ দিবস” হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। একই সঙ্গে রোমাবিরোধী বর্ণবাদ বা “অ্যান্টি-জিপসিইজম”-এর বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।

বর্তমানে ইউরোপে প্রায় ১ থেকে ১.২ কোটি রোমা জনগোষ্ঠীর মানুষ বসবাস করে, যা তাদেরকে ইউরোপের বৃহত্তম জাতিগত সংখ্যালঘুতে পরিণত করেছে। তবুও শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, আবাসন ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে তারা এখনো উল্লেখযোগ্য বৈষম্যের সম্মুখীন হয়। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, কাউন্সিল অব ইউরোপ এবং বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা রোমাদের সামাজিক অন্তর্ভুক্তি ও সমঅধিকার নিশ্চিত করতে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

আন্তর্জাতিক রোমা হলোকাস্ট স্মরণ দিবস ইতিহাসের এক উপেক্ষিত গণহত্যাকে স্মরণ করার পাশাপাশি মানবাধিকার, সমতা ও বৈচিত্র্যের প্রতি সম্মান পুনর্ব্যক্ত করার একটি বৈশ্বিক উপলক্ষ। এই দিবস স্মরণ করিয়ে দেয় যে বর্ণবাদ, জাতিগত বিদ্বেষ, বৈষম্য ও সামাজিক বর্জন দীর্ঘস্থায়ী হলে তা মানবিক বিপর্যয় এবং গণবিনাশের রূপ নিতে পারে। তাই ২ আগস্ট কেবল অতীতের স্মৃতি সংরক্ষণের দিন নয়; এটি ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যমুক্ত সমাজ গঠনের অঙ্গীকারের প্রতীক।

 

Ads small one

সাতক্ষীরা মিলগেট বাজার কমিটির নির্বাচনে সভাপতি সবুর ও সম্পাদক মিজানুর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ১১:২০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা মিলগেট বাজার কমিটির নির্বাচনে সভাপতি সবুর ও সম্পাদক মিজানুর

সাতক্ষীরা মিলগেট বাজার উন্নয়ন কমিটির দ্বিবার্ষিক নির্বাচন উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১ আগস্ট) সকাল আটটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

নির্বাচনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ১৩ নম্বর লাবসা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল আলিম। প্রধান নির্বাচন কমিশনার গাজী শাহজাহান সিরাজের পরিচালনায় ৯টি পদের জন্য মোট ১৫০ জন ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

নির্বাচনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদ দুটিতে মোট চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এতে ৭২ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মো. আব্দুস সবুর। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শেখ আমীরুল ইসলাম রাজু (মোরগ প্রতীক) পেয়েছেন ৫৫ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে গাভী প্রতীকে ৭২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন মো. মিজানুর রহমান। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শেখ শরিফুল ইসলাম পেয়েছেন ৫২ ভোট।

বাকি সাতটি পদে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁরা হলেন সহসভাপতি ইউসুফ আলী সরদার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নূর মোহাম্মদ, কোষাধ্যক্ষ মো. লুৎফর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ মাসুদ, প্রচার সম্পাদক মাদুর রহমান এবং কার্যকরী সদস্য তরিকুল ইসলাম ও মোহাম্মদ নুরু উদ্দিন। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

 

সুন্দরবনে লোকালয় থেকে ছাগল ধরে খেল বিশাল কুমির

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ণ
সুন্দরবনে লোকালয় থেকে ছাগল ধরে খেল বিশাল কুমির

পত্রদূত ডেস্ক: বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার সুন্দরবনসংলগ্ন ঢাংমারি খালের পার থেকে একটি গৃহপালিত ছাগল শিকার করে খেয়ে ফেলেছে একটি বিশাল আকৃতির কুমির। শনিবার (১ আগস্ট) সকালে ঢাংমারি খালে ঘটে যাওয়া ওই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

২১ সেকেন্ডের ভিডিওটিতে দেখা যায়, খালের ভেতরে বিশাল আকৃতির কুমিরটি ছাগলটিকে মুখে চেপে ধরে পানির ওপর আছড়ে মারছে। একপর্যায়ে পানির মধ্যেই ছাগলটিকে গিলে ফেলে কুমিরটি। নৌপথে যাওয়ার সময় প্রত্যক্ষদর্শীরা মুঠোফোনে দৃশ্যটি ধারণ করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন ও পর্যটন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাওলাদার মো. আজাদ কবির জানান, সুন্দরবনসংলগ্ন লোকালয়ের খালের পার থেকে গৃহপালিত প্রাণী শিকার করার এমন ঘটনা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রথম। ঢাংমারি খালটি চাঁদপাই রেঞ্জের একটি গুরুত্বপূর্ণ জলপথ। সুন্দরবনের ভেতরে কুমিরের নিয়মিত বিচরণ দেখা গেলেও লোকালয়ের এত কাছাকাছি এসে শিকার করার ঘটনায় স্থানীয় অধিবাসীদের মধ্যে বেশ কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে।

 

গণভোটের রায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে সাতক্ষীরায় জামায়াতের গণমিছিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ১১:১৪ অপরাহ্ণ
গণভোটের রায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে সাতক্ষীরায় জামায়াতের গণমিছিল

পত্রদূত ডেস্ক: গণভোটের রায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে সাতক্ষীরায় গণমিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ১ আগস্ট বিকেলে শহরের আমতলা বহুমুখী মাঠে জেলা জামায়াতের উদ্যোগে মিছিলপূর্ব এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশ শেষে একটি গণমিছিল শহরের খুলনা রোড মোড়, নিউমার্কেট মোড় ও পাকাপোল মোড় প্রদক্ষিণ করে পুনরায় আমতলা বহুমুখী মাঠে এসে শেষ হয়। মিছিল চলাকালে নেতাকর্মীরা ‘গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে’, ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে’, ‘ইনসাফ ও মানবিক বাংলাদেশ চাই’, ‘দুর্নীতি ও দুঃশাসনের অবসান চাই’ এবং ‘জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।

মিছিলপূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা জেলা শাখার আমীর অধ্যক্ষ শহীদুল ইসলাম বলেন, জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটেছে গণভোটের রায়ে। সেই রায়ের প্রতি সম্মান জানিয়ে দ্রুত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, একটি বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়তে প্রয়োজনীয় রাষ্ট্রীয় সংস্কার, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের ভোট ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করা সময়ের দাবি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, দুর্নীতি দমন, বিচারহীনতার অবসান এবং জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রেখে ন্যায্য দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানান তিনি।

সমাবেশে জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক ওমর ফারুক, মাওলানা ওসমান গনি, কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আব্দুল বারী, অফিস সেক্রেটারি মাওলানা রুহুল আমিন, সদর উপজেলা আমীর মাওলানা মোশাররফ হোসেন, সাতক্ষীরা শহর শিবিরের সভাপতি মেহেদী হাসান ও পৌর জামায়াতের সেক্রেটারি খোরশেদ আলম বক্তব্য দেন। কর্মসূচিতে জেলা, উপজেলা, পৌর ও ওয়ার্ড পর্যায়ের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থক অংশ নেন।