filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; module: j;
hw-remosaic: 0;
touch: (-1.0, -1.0);
modeInfo: ;
sceneMode: Auto;
cct_value: 0;
AI_Scene: (-1, -1);
aec_lux: 99.4615;
hist255: 0.0;
hist252~255: 0.0;
hist0~15: 0.0;
মুজিবুর রহমান, পাটকেলঘাটা: শ্রমিক সংকটের কারণে বোরো ধানকাটা ও সংগ্রহের কাজে ব্যাপক সমস্যায় পড়েছেন তালা উপজেলার কৃষকরা। এতে সময়মতো ধান কেটে ঘরে তোলা নিয়ে যেমন শঙ্কা বাড়ছে, তেমনি বাড়তি খরচে শ্রমিক সংগ্রহের কারণে আর্থিক সংকটে পড়ছেন কৃষকরা।
জানা গেছে, স্থানীয় অনেক বোরোচাষি অতিরিক্ত টাকা দিয়ে শ্রমিক দিয়ে ধান কাটতে বাধ্য হচ্ছেন। তালা উপজেলার পাটকেলঘাটার দক্ষিন বিল ঘুরে দেখা যায়, প্রায় জমিতেই বাইরের শ্রমিক দিয়ে ধান কাটছেন কৃষকরা। তবে এতে অতিরিক্ত টাকা ব্যয় করতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কৃষকরা। ফলে অনেকেই নিজের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ধান কাটতে শুরু করেছেন।
কৃষকদের ভাষ্যমতে, শ্রমিক সংকট চরমে সংকটে দিন পার করছে কৃষকেরা। বাড়তি টাকা দিয়েও ধান কাটার লোক পাওয়া যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে এলাকার বাইরে থেকে অতিরিক্ত মুজুরি দিয়ে শ্রমিক নিয়ে ধান কাটতে হচ্ছে। তাতে উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় লোকসানের মুখে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তালা উপজেলার পাটকেলঘাটা গ্রামের কৃষক আজিবার রহমান জানান, প্রতিদিন মাথাপিছু ৬০০টাকা মজুরিতে শ্রমিক পাওয়া গেলেও এবার ৮০০/১০০০ টাকা দিয়েও লোক পাওয়া যাচ্ছে না। চোমরখালী গ্রামের আসাদুল ইসলাম জানান, এবার বোরো মৌসুমে প্রায় ৮বিঘা জমি চাষ করেছেন। শ্রমিক না পেয়ে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে চার দিন ধরে ধান কাটছেন। বাকি জমির ধান কাটতে আরও দু’দিন সময় লাগবে। কাশিয়াডাঙ্গা গ্রামের কৃষক শরিফুল, কুদ্দুস আলীর মতো অনেক কৃষক বলেছেন, অতিরিক্ত টাকা দিয়ে শ্রমিক সংগ্রহ করে ধানকাটা হচ্ছে। তিনি বলেন ঝড়-বৃষ্টি পুরোদমে শুরু হওয়ার আগে ধান কেটে শেষ করা না গেলে চরম বিপদে পড়বেন তাঁরা। রাত দিন কাজ করে বোরো সংগ্রহের কাজ করে যাচ্ছে কৃষক। তবে অধিকাংশ বিলে নারী শ্রমিকের উপস্থিতি অনেকাংশে চোখে পড়ার মত।
খলিষখালী ইউনিয়নের টিকারামপুর গ্রামের কৃষক ইয়াছিন আলী জানান কয়রা উপজেলা থেকে শ্রমিক সংগ্রহ করে সপ্তাহে (৬ দিন) ৭০০০ হাজার টাকা দিয়ে ধান কাটা কাজ চালিয়ে যাচ্ছি।
তালা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাজিরা খাতুন জানান শ্রমিক সংকটের কারণে বোরো ধান সংগ্রহ করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে কৃষকের। বৈরী আবহাওয়ার কারণে তাড়াতাড়ি ধান সংগ্রহ করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে কৃষক। কৃষি কর্মকর্তা আরো জানান তালা উপজেলায় রেকর্ড পরিমান জমিতে ইরি বোরো চাষাবাদ হওয়ার কারনে কৃষককে এক সাথে ধান সংগ্রহ করতে হিমশিম খেতে খাচ্ছে। যদি আবহাওয়া অনুকুলে থাকে তাহলে কৃষকের তেমন ক্ষতি হবে না।